বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং সম্পর্কে জানুন

আপনি যদি জানতে চেয়ে থাকেন বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং সম্পর্কে এ টু জেড তাহলে আজকেরে লেখাটি সম্পূর্ণ আপনার জন্য।

আজকের এই পোস্টটিতে যে সকল বিষয় আপনি জানতে পারবেন, বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং কি? কোন মোবাইল ব্যাংকিংয়ে বয়স্ক ভাতা টাকা প্রদান করছে?  বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে কিভাবে টাকা পাবেন অর্থাৎ মোবাইল ব্যাংকিং আবেদন করার নিয়ম। বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং টাকা দেখার নিয়ম এবং বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং টাকা উত্তোলন করবেন যেভাবে? এছাড়াও বয়স্ক ভাতা সম্পর্কিত আরো অনেক বিষয় আজকের এই পোষ্ট থেকে আপনারা জানতে পারবেন।বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং

আপনারা সকলে জানেন বর্তমানে বয়স্ক ভাতা সংক্রান্ত সকল বিষয় গুলো অনলাইন এর মাধ্যমে হয়ে আসছে, তারি ধারাবাহিকতা বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে টাকা পেমেন্ট করা শুরু করেছে সমাজসেবা অধিদপ্তর। তাই আপনার অবশ্যই বয়স্ক ভাতার মোবাইল ব্যাংকিং সম্পর্কে জানতে হবে। তো চলুন বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং সম্পর্কে সম্পূর্ণ জেনে নিন।

বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং কি?

সহজ বাংলা ভাষায় বললে বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং হচ্ছে বয়স্ক ভাতার যে প্রতি মাসে টাকা প্রদান করে থাকে বাংলাদেশ সরকারের অধীনস্থ সমাজসেবা অধিদপ্ত  তা এখন বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা টাকা প্রদান করে আসছে। আর এই বয়স্ক ভাতা টাকা প্রদানের মাধ্যম কে বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং বলা হচ্ছে।

বয়স্ক ভাতা কত টাকা ২০২৪

একটা সময় বয়স্ক ভাতার টাকা সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে সংগ্রহ করতে হতো যা বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। যার ফলে বাংলাদেশ সরকার এবং সমাজসেবা অধিদপ্তর বর্তমানে চারটি মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা টাকা প্রদান করার কার্যক্রম শুরু করেছে। আর এটাকেই আমরা বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং বলে আসছি।

কোন মোবাইল ব্যাংকিং গুলো বয়স্ক ভাতার টাকা প্রদান করছে?

বর্তমানে বয়স্ক ভাতার টাকা মোবাইলের মাধ্যমে প্রদান কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর বাংলাদেশের জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রতিষ্ঠান গুলো দিয়ে কার্যক্রমটি পরিচালনা হচ্ছে।

১.নগদ মোবাইল ব্যাঙ্কিং সেবার মাধ্যমে বর্তমানে বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং টাকা প্রদান করছে।

২.বিকাশ মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে বর্তমানে বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং টাকা প্রদান করছে।

৩.শিওর ক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে বর্তমানে বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং টাকা প্রদান করছে।

৪.রকেট মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে বর্তমানে বয়স্ক ভাতার মোবাইল ব্যাংকিং টাকা প্রদান করে আসছে।

অর্থাৎ বর্তমানে নগদ -বিকাশ -শিওর ক্যাশ এবং রকেট এই চারটি প্রতিষ্ঠান বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে টাকা প্রদান করছে প্রত্যেকটি রেজিস্টারকৃত সরকারি বয়স্ক ভাতা ব্যক্তিদের।

বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং টাকা নেওয়ার আবেদন

বয়স্ক ভাতার টাকা মোবাইল ব্যাংকিং এ নেওয়ার জন্য আপনাকে আবেদন জমা দিতে হবে সমাজসেবা অধিদপ্তরে। তবে নতুন ভাবে বয়স্ক ভাতা অনলাইনে আবেদন করছে যারা তারা অনলাইন আবেদন ফরম এর মধ্যে বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাঙ্কিং অর্থাৎ কোন মোবাইল ব্যাংকিং এ আপনি বয়স্ক ভাতা টাকাটি নিবেন সেই কলাম যুক্ত করা হয়েছে সেখানে শুধুমাত্র আবেদন করার সময় আপনার বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং টাকা নেওয়ার জন্য বর্তমানে চালিত নগদ বিকাশ রকেটের যেকোনো একটি একাউন্ট নাম্বার লিখে দিলেই চলবে।

আর যারা পূর্বে থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা ম্যানুয়ালি গ্রহণ করে আসছেন। তারা বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং এর টাকা নেওয়ার জন্য আবেদন পত্র জমা দিতে হবে।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

আবেদনপত্র জমা দেওয়ার জন্য সরাসরি আপনি আপনার সমাজসেবা অধিদপ্তরে যোগাযোগ করবেন। সেখানে যাওয়ার পর আপনি বয়স্ক ভাতার টাকা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে নিতে চাচ্ছেন এটি বললে তারা আপনাকে একটি আবেদন পত্র দিয়ে দিবে ।সেখানে আপনি আবেদনের জায়গায় মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট নাম্বার দেওয়ার একটি ঘর দেখতে পাবেন। সেখানে আপনি মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট নাম্বার দিয়ে দিবেন। এরপর আবেদন পত্রটি আপনি নির্দিষ্ট সমাজসেবা অধিদপ্তর বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং সেকশনে জমা দিবেন।

জমা দেওয়ার পর বয়স্ক ভাতা প্রদানকারী সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা আপনারা আবেদনটি চেক করে আপলোড করে দিবে।

পরবর্তী থেকে আপনারা খুব সহজেই মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে টাকা পেয়ে যাবেন।

বয়স্ক ভাতা টাকা দেখার উপায়

বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে অর্থাৎ নগদ- বিকাশ- শিওর ক্যাশ বা রকেট এর মাধ্যমে যখনই আপনার টাকাটি আপনার একাউন্টে চলে আসবে। তখন আপনি নিজে থেকেই আপনার মোবাইলের এই একাউন্ট দেখার কোড গুলো ডায়াল করে একাউন্টে আপনি দেখে বুঝতে পারবেন যে এটি বয়স্ক ভাতার টাকা কিনা। এছাড়াও আপনারা সহজেই নিকটস্থ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা পয়েন্টে গিয়েও আপনি আপনার বয়স্ক ভাতার টাকা চেক দিতে পারবেন।

এছাড়াও যে কোন ধরনের ভাতার টাকা দেখার নিয়ম জানতে এখানে ক্লিক করুন

বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং টাকা উইথড্র করার নিয়ম

বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং টাকা উঠানোর নিয়ম অর্থাৎ যখনই বয়স্ক ভাতার নগদ রকেট শিওর ক্যাশ এবং বিকাশের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। তখনই আপনি বয়স্ক ভাতা টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।

টাকা উত্তোলন করতে নিকটস্থ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তাদের নিয়ম অনুসরণ করে আপনার পিন কোড টি দিয়ে আপনি টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।

তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন আপনার পিন কোডটি যাতে অন্য কেউ না জানে।

আশা করছি বয়স্ক ভাতার মোবাইল ব্যাংকিং সম্পর্কিত বিষয় আপনারা সম্পূর্ণভাবে ক্লিয়ার হয়ে গিয়েছেন।

বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর

বয়স্ক ভাতা কত টাকা?

প্রথম অর্থবছরে একজন বয়স্ক ব্যক্তিকে প্রতি মাসে ১০০ টাকা করে প্রদান করা হতো। বর্তমানে তা বাড়িয়ে ২০২৩ -২৪ অর্থ বছরে প্রতি বয়স্ক ব্যক্তির জন্য ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০০টাকা করে।

বয়স্ক ভাতা টাকা প্রদান করে কোন অধিদপ্তর?

বয়স্ক ভাতা সম্পূর্ণভাবে পরিচালনা করে সমাজসেবা অধিদপ্তর।

বয়স্ক ভাতার টাকা কোন মোবাইল ব্যাংকিং গুলোতে দেয়?

বয়স্ক ভাতার টাকা নগদ বিকাশ রকেট এবং শিওর ক্যাশে বর্তমানে পরিচালিত হচ্ছে।

বয়স্ক ভাতার টাকা মোবাইল ব্যাংকিং নেওয়ার উপায় কি?

বয়স্ক ভাতার টাকা মোবাইল ব্যাংকিং এর নিতে সমাজসেবা অধিদপ্তরে আবেদন করতে হবে।

শেষ কথা -বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাঙ্কিং সম্পর্কিত সকল বিষয়গুলি উপরে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করছি আপনারা এই পোস্ট থেকে বাই লেখা থেকে আপনারা উপকৃত হয়েছেন আর ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

আরও জানুন-

প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন ফরম পূরণ করার সহজ নিয়ম

প্রতিবন্ধী ভাতা কবে দিবে? প্রতিবন্ধী ভাতা কত টাকা? প্রতিবন্ধী ভাতা পাওয়ার নিয়ম কি?

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার নতুন মাধ্যম (প্রমাণসহ)

গেম খেলে টাকা আয় পেমেন্ট বিকাশে –নগদে -রকেটে

আপনার জন্য আরো 

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন

ওয়েবসাইটের সকল পোস্টগুলি সবার আগে আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪৯২ other subscribers

SANAUL BARI

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমি মো:সানাউল বারী।পেশায় আমি একজন চাকুরীজীবী এবং এই ওয়েবসাইটের এডমিন। চাকুরীর পাশাপাশি গত ১৪ বছর থেকে এখন পর্যন্ত নিজের ওয়েবসাইটে লেখালেখি করছি এবং নিজের ইউটিউব এবং ফেসবুকে কনটেন্ট তৈরি করি।
বিশেষ দ্রষ্টব্য -লেখার মধ্যে যদি কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে অবশ্যই ক্ষমার চোখে দেখবেন। ধন্যবাদ।