কম্পিউটারের ইতিহাস বাংলাতে( A TO Z) বিস্থারিত জানুন

কম্পিউটারের ইতিহাসকম্পিউটার (Computer) যা বর্তমানে বহুল ব্যবহত ও দৈনন্দিন জীবনের অতি গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়। বর্তমান যুগ ইনফরমেশন ও টেকনোলোজি নির্ভর হওয়ার ফলে দিন দিন এর চাহিদা ক্রমশই বেড়েই যাচ্ছে।  আজকে কম্পিউটার সম্পর্কে  বিস্তারিত আলোচনা করবো।কম্পিউটারের ইতিহাস

কম্পিউটার কি?

কম্পিউটার যার ইংরেজী হলো Computer । কম্পিউটার শব্দটি গ্রিক শব্দ “কম্পিউট” থেকে এসেছে। কম্পিউট শব্দের অর্থ হিসাব বা গণনা করা। আর কম্পিউটার শব্দের অর্থ হলো গণনাকারী যন্ত্র।

কম্পিউটার এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা যন্ত্র যা অতি দ্রুত নির্ভুলভাবে বিভিন্ন  ধরনের গাণিতিক ও যৌগিক সমাধান দেয়। এছাড়াও কম্পিউটারের ডেটা বা তথ্য প্রক্রিয়া, সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করার ক্ষমতা রয়েছে। কম্পিউটার ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে তথ্য গ্রহণ করে এবং বিভিন্ন সফটওয়্যারের মাধ্যমে তা বিশ্লেষণ করে ব্যবহারকারীর সামনে তার ফলাফল উপস্থাপন করে।

বাংলা ভাষার ইতিহাস । ভাষা কি? বাংলা ভাষার শুরু কোথা থেকে? জেনে নিন

সভ্যতার বিকাশ এবং বর্তমানে তার দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে গণিত ও কম্পিউটারের প্রবল প্রভাব। বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার আসে ১৯৬৪ সালে।

কম্পিউটারের পুরো নাম কি?

COMPUTER পুরো নাম হল-

C-Commonly,O-Operating,M-Machine,P-Particularly,U-Used for,T-Technical,E-Educational ,R-Research অর্থাৎ ” -Commonly Operating Machine Particularly Used for Technical Educational Research ”

কম্পিউটারের ইতিহাস

কম্পিউটারের জনক কে?

কম্পিউটার তৈরির প্রথম ধারণা দেন বিজ্ঞানী চার্লস ব্যাবেজ। ১৮৩৩ সালে সর্বপ্রথম এ্যানালটিক্যাল ইঞ্জিন (Analytical Engine) নামে একটি যান্ত্রিক Computer তৈরীর পরিকল্পনা গ্রহণ করেন এবং ইঞ্জিনের নকশা তৈরী করেন। পরবর্তীকালে তাঁর তৈরি নকশা ও কম্পিউটারের ওপর ভিত্তি করেই আজকের আধুনিক কম্পিউটার তৈরি করা হয়। তার এই এ্যানালটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনায় আধুনিক কম্পিউটারের ধারণা ছিল বলেই চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।

অন্যদিকে, জন ভন নিউম্যানকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়। তিনি একজন হাঙ্গেরীয় বংশোদ্ভুত মার্কিন গণিতবিদ। নিউম্যান কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় অপারেটর তত্ত্ব ব্যবহারের অগ্রদূত। তিনি সেটতত্ত্ব, জ্যামিতি, প্রবাহী গতিবিদ্যা, অর্থনীতি, যোগাশ্রয়ী প্রোগ্রামিং, কম্পিউটার বিজ্ঞান, পরিসংখ্যান সহ আরো অনেক ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন।

পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটারের নাম কি?

পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটারের নাম হচ্ছে ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) । এটিই প্রথম প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করার ডিজিটাল কম্পিউটার। এর পর থেকেই মূলত কম্পিউটার প্রজন্ম শুরু হয়।

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী একটি পুরোপুরি ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার নির্মানের পরিকল্পনা নিলে আধুনিক কম্পিউটারের জনক ভন নিউম্যান, প্রেসপার একর্টি জুনিয়র, এবং হারম্যান গোল্ডস্টেইনের মতো কম্পিউটার মহারথী মুর স্কুল অব ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইউনিভার্সিটিতে যোগ দেন। পঞ্চাশ ফুট বাই ত্রিশ ফুটের ভূ-গর্ভস্থ কক্ষে চল্লিশ জন বিজ্ঞানী তিন দেয়াল জুড়ে থাকা এই কম্পিউটার চালাতেন।কম্পিউটারের ইতিহাস

কম্পিউটারের প্রকারভেদঃ

গঠন ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী কম্পিউটার কত প্রকার বা কম্পিটারের শ্রেণীবিভাগ নির্ণয় করা হয়। কম্পিউটার ৩ প্রকার। যথা:-

১।এনালগ কম্পিউটার

২।ডিজিটাল কম্পিউটার

৩।হাইব্রিড কম্পিউটার

১. এনালগ কম্পিউটারঃ এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer) হলো এমন এক ধরণের কম্পিউটার যা  ইলেকট্রিক, যান্ত্রিক, বা হাইড্রলিক-এর ভৌত এবং চলমান পরিমাপ মডেল হিসেবে রূপ দেয়। এনালগ কম্পিউটার এমন একটি কম্পিউটার যা সংখ্যার সাথে পরিচালনা করে যা সরাসরি পরিমাপযোগ্য পরিমাণে প্রতিনিধিত্ব করে বা তুলনা করে। যেমন- ভোল্টেজ বা ঘূর্ণন ইত্যাদি।

এনালগ কম্পিউটারের উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, গাড়ির মধ্যে থাকা স্পিড মিটার, টেম্পারেচার মিটার, ফুয়েল মিটার ইত্যাদি।

২. ডিজিটাল কম্পিউটারঃ বর্তমান সকল কম্পিউটার ডিজিটাল কম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত। ডিজিটাল কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যা বৈদ্যুতিক ভোল্টেজের উপস্থিতিকে ১ এবং অনুপস্থিতিকে ০ দ্বারা প্রকাশ করার মাধ্যমে এটি সকল কার্যক্রম সম্পাদান করে। একসময় ডিজিটাল কম্পিউটার শুধু যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগের কাজ করলেও বর্তমানে এটি অনেক জটিল তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে। নিচে ডিজিটাল কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ আলোচনা করা হবে।

সুলতান সুলেমান এর ইতিহাস

৩. হাইব্রিড কম্পিউটারঃ হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ কম্পিউটার। বৈজ্ঞানিক গবেষণা কাজের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

এই কম্পিউটারে এনালগ পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করে তার ফলাফল ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রদর্শন করা হয়। আবহাওয়া অফিস হাইব্রিড কম্পিউটারের সাহায্যে অ্যানালগ পদ্ধতিতে বায়ুচাপ, তাপমাত্রা ইত্যাদি তথ্য পরিমাপ করে পরে তা ডিজিটাল পদ্ধতিতে গণনা করে আবহাওয়ার সংবাদ প্রচার করে।

কম্পিউটারের ইতিহাস

ডিজিটাল কম্পিউটারের প্রকারভেদঃ

আকার-আয়তন ও ব্যহারের ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে। ডিজিটাল কম্পিউটার ৪ প্রকার। যথা:-

১।সুপার কম্পিউটার

২।মেইনফ্রেম কম্পিউটার

৩।মিনি কম্পিউটার

৪।মাইক্রো কম্পিউটার

১. সুপার কম্পিউটারঃ সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার হচ্ছে সুপার কম্পিউটার। এই কম্পিউটারের অনেক জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে। আকার-আকৃতি ও ক্ষমতার দিক দিয়ে সবচেয়ে বড় কম্পিউটার হলো সুপার কম্পিউটার।

মহাকাশ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, জঙ্গি বিমান এবং ক্ষেপনাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। কয়েকটি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ হলো- CRAY 1, supers xll, JAGUAR, NEBULAE, ROADRUNNER, KRAKEN, JUGENE, PLEIADES, TIANHE-1, Sunway Taihulight.

২. মেইনফ্রেম কম্পিউটারঃ সুপার কম্পিউটার থেকে তুলনামূলক কম শক্তিশালী কম্পিউটার হচ্ছে মেইনফ্রেম কম্পিউটার। তবে সাধারণ কম্পিউটার থেকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার অনেক শক্তিশালী এবং আকারে বড়।

এই কম্পিউটার বাণিজ্যিক কাজে বেশী ব্যবহৃত হয়। ব্যাংক, বীমা ও বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানে তথ্য আদান-প্রদান, সংরক্ষণ এবং গবেষণা কাজে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশে ব্যবহৃত মেইনফ্রেম কম্পিউটার হলো IBM 370, IBM 9100 and IBM 4341 ইত্যাদি।

৩. মিনি কম্পিউটারঃ সাধারণ কম্পিউটারের চেয়ে মিনি কম্পিউটার আকারে বড়। মিনি কম্পিউটারে টার্মিনাল লাগিয়ে একসাথে প্রায় ৫০ জন ব্যবহার করতে পারে। এই কম্পিউটার শিল্প-বাণিজ্য ও গবেষণা কাজে ব্যবহৃত হয়। কয়েকটি মিনি কম্পিউটারের উদাহরণ হলো- ibms/36, pdp-11, ncrs/9290 ইত্যাদি।

৪. মাইক্রো কম্পিউটারঃ আমরা যেসব কম্পিউটার ব্যবহার করি তা হলো মাইক্রো কম্পিউটার। মাইক্রো মানে ক্ষুদ্র বা ছোট। মাইক্রো কম্পিউটারের অন্য নাম  পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি(PC)। এতে থাকে  মাদার বোর্ড যাতে মাইক্রোপ্রসেসর, র‍্যাম, রম, ইত্যাদি থাকে এছাড়াও হার্ডডিস্ক , সিডি ড্রাইভ সহ অনেককিছু নিয়ে মাইক্রো কম্পিউটার গঠিত হয়।

মাইক্রো কম্পিউটারের প্রকারভেদঃ

মাইক্রো কম্পিউটারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১।ডেস্কটপ কম্পিউটার

২।ল্যাপটপ কম্পিউটার

১. ডেস্কটপ কম্পিউটারঃ ডেস্ক মানে টেবিল। যে কম্পিউটার টেবিলের উপর রেখে ব্যবহার করা যায় তাকে ডেস্কটপ কম্পিউটার বলে। সিপিইউ, মনিটর, কী-বোর্ড, মাউস ইত্যাদি নিয়ে ডেস্কটপ কম্পিউটার গঠিত। দাম কম হওয়ায় ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য এই কম্পিউটার জনপ্রিয়। আইবিএমের পিসি, এ্যপলের মেকিনটোস, কমোডোর এমিগা ইত্যাদি ডেস্কটপ কম্পিউটারের উদাহরণ।

২. ল্যাপটপ কম্পিউটারঃ ল্যাপটপ মানে কোলের উপর। এই কম্পিউটার কোলর উপর রেখে ব্যবহার করা যায় বলে একে ল্যাপটপ কম্পিউটার বলে। এটি সহজে বহন করা যায় বলে খুব জনপ্রিয়। এছাড়াও এতে ব্যাটারি থাকায় বিদ্যুৎ না থাকালেও দীর্ঘসময় ব্যবহার করা যায়।

কম্পিউটারের ইতিহাস

প্রাগৈতিহাসিক যুগে গণনার যন্ত্র উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রচেষ্টাকে কম্পিউটার ইতিহাস হিসেবে ধরা হয়। প্রাচীন কালে মানুষ একসময় সংখ্যা বুঝানোর জন্য ঝিনুক, নুড়ি, দড়ির গিট ইত্যাদি ব্যবহার করত।

পরবর্তীতে গণনার কাজে বিভিন্ন কৌশল ও যন্ত্র ব্যবহার করে থাকলেও অ্যাবাকাস (Abacus) নামক একটি প্রাচীন গণনা যন্ত্রকেই কম্পিউটারের ইতিহাসে প্রথম যন্ত্র হিসেবে ধরা হয়। এটি আবিষ্কৃত হয় খ্রিষ্টপূর্ব ২৪০০ সালে ব্যাবিলনে। অ্যাবাকাস ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার যন্ত্র। খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০/৫০০ অব্দে মিশরে বা চীনে গণনা যন্ত্র হিসেবে অ্যাবাকাস তৈরি হয়।

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসের ইতিহাস

১৬১৭ সালে স্কটল্যান্ডের গণিতবিদ জন নেপিয়ার গণনার কাজে ছাপা বা দাগ কাটাকাটি অথবা দন্ড ব্যবহার করেন। এসব দন্ড জন নেপিয়ার (John Napier) এর অস্থি নামে পরিচিত। ১৬৪২ সালে ১৯ বছর বয়স্ক ফরাসি বিজ্ঞানী ব্লেইজ প্যাসকেল সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর আবিষ্কার করেন। তিনি দাঁতযুক্ত চাকা বা গিয়ারের সাহায্যে যোগ বিয়োগ করার পদ্ধতি চালু করেন।কম্পিউটারের ইতিহাস

১৬৭১ সালের জার্মান গণিতবিদ গটফ্রাইড ভন লিবনিজ প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দন্ড ব্যবহার করে গুণ ও ভাগের ক্ষমতাসম্পন্ন আরো উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন। তিনি যন্ত্রটির নাম দেন রিকোনিং যন্ত্র (Rechoning Mechine)। পরে ১৮২০ সালে টমাস ডি কোমার রিকোনিং যন্ত্রের পরিমার্জন করে লিবনিজের যন্ত্রকে জনপ্রিয় করে তোলেন।

উনিশ শতকের শুরুর দিকে আধুনিক একটি যন্ত্রের নির্মাণ ও ব্যবহারের ধারণা (যা কেবলমাত্র যান্ত্রিকভাবে, মানে যেকোনও রকম বুদ্ধিমত্তা ব্যতিরেকে, গাণিতিক হিসাব করতে পারে) প্রথম সোচ্চার ভাবে প্রচার করেন চার্লস ব্যাবেজ।

তিনি এটির নাম দেন ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine)। এই ডিফারেন্স ইঞ্জিন নিয়ে কাজ করার সময় (১৮৩৩ সালে) তিনি অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামে আরও উন্নত ও সর্বজনীন একটি যন্ত্রে ধারণা লাভ করেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় যন্ত্র ও অর্থের অভাবে কোনোটির কাজই তিনি শেষ করতে পারেননি।

কম্পিউটার বিজ্ঞানের সত্যিকার সূচনা হয় অ্যালান টুরিং এর প্রথমে তাত্ত্বিক ও পরে ব্যবহারিক গবেষণার মাধ্যমে। বিশ শতকের মধ্যভাগ থেকে আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশ ঘটতে শুরু করে। ১৯৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবনের ফলে মাইক্রোকম্পিউটারের দ্রুত বিকাশ ঘটতে থাকে।

বাজারে প্রচলিত হয় বিভিন্ন প্রকৃতি ও আকারের কম মূল্যের অনেক রকম পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা পিসি (PC)। সে সঙ্গে উদ্ভাবিত হয়েছে অনেক রকম অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামের ভাষা, অগণিত ব্যবহারিক প্যাকেজ প্রোগ্রাম। এরসাথে ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটেছে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটের এবং সংশ্লিষ্ট সেবা ও পরিসেবার।

কম্পিউটার শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত ও সম্প্রসারিত হয়েছে অসংখ্য প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কম্পিউটার শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। সাম্প্রতিক কালে কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি (Information Technology) বা আইটি (IT) ব্যবসা-বাণিজ্যের বিরাট অংশ দখল করেছে এবং কর্মসংস্থান হয়ে পড়েছে অনেকাংশেই কম্পিউটার নির্ভর।

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসের ইতিহাস

যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করার পর থেকে বাজারে আসতে শুরু করে মাইক্রোপ্রসেসর ভিত্তিক কম্পিউটার। তখন থেকে কম্পিউটারের আকৃতি ও কার্যক্ষমতায় এক বিরাট বিপ্লব সাধিত হয়। ১৯৮১ সালে বাজারে আসে আই.বি.এম কোম্পানির পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি।

এর পর একের পর এক উদ্ভাবিত হতে থাকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোপ্রসেসর এবং তৈরি হতে থাকে শক্তিশালী পিসি। আই.বি.এম কোম্পানি প্রথম থেকেই আই.বি.এম কমপ্যাটিবল কম্পিউটার (IBM compatible computer) তৈরির ক্ষেত্রে কোনো বাধা-নিষেধ না রাখায় এ ধরনের কম্পিউটারগুলির মূল্য ব্যাপকহারে হ্রাস পায় এবং এর ব্যবহারও ক্রমাগত বাড়তে থাকে। একই সময় আই.বি.এম কোম্পানির পাশাপাশি অ্যাপল কম্পিউটার ইনকর্পোরেট (Apple Computer Inc) তাদের উদ্ভাবিত অ্যাপল-ম্যাকিনটোশ (Apple-Macintosh) কম্পিউটার বাজারে ছাড়ে।কম্পিউটারের ইতিহাস

কিন্তু অ্যাপল কোম্পানি তাদের কমপ্যাটিবল কম্পিউটার তৈরির ক্ষেত্রে কোনোরূপ উদারতা প্রদর্শন না করায় ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারের মূল্য থেকে যায় অত্যধিক বেশি, যার ফলে অ্যাপল তেমন জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারে নি। তবে বিশেষ ধরনের কিছু ব্যবহারিক সুবিধার কারণে মূলত মুদ্রণ শিল্পে অ্যাপল-ম্যাকিনটোশ কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো।

কম্পিউটার সিস্টেমের উপাদান

সিস্টেম হলো কতগুলো ইন্টিগ্রেটেড উপাদানের সম্মিলিত প্রয়াস যা কিছু সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য কাজ করে। কম্পিউটার সিস্টেমের উপাদানগুলো নিম্নরূপ :-

১।হার্ডওয়্যার,

২।সফটওয়্যার,

৩।হিউম্যানওয়্যার বা ব্যবহারকারী,

৪।ডেটা বা ইনফরমেশন।

১.হার্ডওয়্যার

একটি কম্পিউটারের সকল ভৌত অংশ, যেগুলি কম্পিউটারের বিভিন্ন ধরনের কাজের সঙ্গে কোনো না কোনো ভাবে যুক্ত থাকে, সেগুলিকে হার্ডওয়্যার বলে | এই অংশগুলি ইনপুট নেবার কাজে, ডেটা প্রক্রিয়াকরনের কাজে, আউটপুট দেবার কাজে, ডেটা সংরক্ষন এবং কার্য নিয়ন্ত্রণে কম্পিউটারকে সাহায্য করে থাকে | কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে প্রাথমিকভাবে তিনভাগে ভাগ করা যায়।

১।ইনপুট যন্ত্রপাতি

*কী-বোর্ড *মাউস *ডিস্ক *স্ক্যানার *কার্ড রিডার, *ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি।

২।সিস্টেম ইউনিট

*হার্ড ডিস্ক *মাদারবোর্ড *এজিপি কার্ড *র‍্যাম ইত্যাদি।

৩।আউটপুট যন্ত্রপাতি

*মনিটর *প্রিন্টার *ডিস্ক *স্পিকার *প্রোজেক্টর *হেড ফোন ইত্যাদি।

২।সফটওয়্যার

সমস্যা সমাধান বা কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কম্পিউটারের ভাষায় ধারাবাহিকভাবে সাজানো নির্দেশমালাকে প্রোগ্রাম বলে। এই প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে হার্ডওয়্যারকে কার্যক্ষম করে তাকেই সফটওয়্যার বলে। কম্পিউটারের সফট্ওয়্যারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

সিস্টেম সফটওয়্যার:

সিস্টেম সফট্‌ওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য কম্পিউটারের সামর্থ্যকে সার্থকভাবে নিয়োজিত রাখে।

এপ্লিকেশন সফটওয়্যার:

ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত প্রোগ্রামকে অ্যাপ্লিকেশন সফট্‌ওয়্যার বলে। ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য অনেক রকম তৈরি প্রোগ্রাম বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে পাওয়া যায়, যাকে সাধারণত প্যাকেজ প্রোগ্রামও বলা হয়।কম্পিউটারের ইতিহাস

৩।হিউম্যানওয়্যার বা ব্যবহারকারী

ডেটা সংগ্রহ, প্রোগ্রাম বা ডেটা সংরক্ষণ ও পরীক্ষাকরণ, কম্পিউটার চালানো তথা প্রোগ্রাম লিখা, সিস্টেমগুলো ডিজাইন ও রেকর্ড লিপিবদ্ধকরণ এবং সংরক্ষণ, সফট্‌ওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সাধন ইত্যাদি

কাজগুলোর সাথে যুক্ত সকল মানুষকে একত্রে হিউম্যানওয়্যার (Humanware) বলা হয়।

৪।ডেটা/ইনফরমেশন

ইনফরমেশন বা তথ্যের ক্ষুদ্রতম একককে ডেটা বলে। ডেটা হল সাজানো নয় এমন কিছু বিশৃঙ্খল ফ্যাক্ট (Raw Fact)ডেটা প্রধানত দুই রকম –

(ক) নিউমেরিক (Numeric) ডেটা বা সংখ্যাবাচক ডেটা। যেমনঃ ২৫,১০০,৪৫৬ ইত্যাদি। (খ) অ-নিউমেরিক (Non-Numeric) ডেটা। যেমনঃ মানুষ, দেশ ইত্যাদির নাম, জীবিকা, জাতি কিংবা ছবি, শব্দ ও তারিখ প্রভৃতি।

অপারেটিং সিস্টেমঃ

অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে এমন একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার প্রোগ্রামের এক্সিকিউশনকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং যা সিডিউলিং, ডিবাগিং, ইনপুট/আউটপুট কন্ট্রোল, একাউন্টিং, কম্পাইলেশন, স্টোরেজ অ্যাসাইনমেন্ট, ডেটা ম্যানেজমেন্ট এবং আনুষঙ্গিক কাজ করে থাকে। বর্তমানে মাইক্রো কম্পিউটার বা পিসিতে বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমগুলো হলো –

-ডস

-উইন্ডোজ ৯৫

-উইন্ডোজ ৯৮

-উইন্ডোজ ২০০০

-ইউনিক্স, উবুন্টু

-মিন্ট (অপারেটিং সিস্টেম)

-ডেবিয়ান

-ফেডোরা

-ম্যাক ওএসএক্স

-উইন্ডোজ এক্সপি

-উইন্ডোজ ভিস্তা

-উইন্ডোজ ৭

-উইন্ডোজ ৮

-উইন্ডোজ ৮.১

-উইন্ডোজ ১০

-উইন্ডোজ ১১

-লিনাক্স

কম্পিউটারের ব্যবহার

১। অফিসিয়াল কাজে কম্পিউটারের ব্যবহার

আমাদের দেশে কম্পিউটার মুলত ওয়ার্ড প্রসেসিং বা লেখা-লেখির কাজে অফিস আদালতে টাইপ রাইটারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বর্তমান সময়ে অফিসের যাবতীয় ব্যবস্থাপনার কাজে কম্পিউটারের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।  যেমনঃ অফিসের কাজ বন্টন, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, চিঠিপত্র লেখা, রেকর্ড সংরক্ষণ, ফাইল রক্ষণাবেক্ষণ, দৈনিক আয়-ব্যয়ের হিসাব-নিকাশ ইত্যাদি কাজ কম্পিউটার দ্বারা খুব সহজে  করা যায়।কম্পিউটারের ইতিহাস

২। ব্যাংকিংয়ের কাজে কম্পিউটারের ব্যবহার

আধুনিক বিশ্বে এমন কোন ব্যাংক নাই যেটা কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। এক কথায় চেকের হিসাব , ক্রেডিট ও ডেবিটের হিসাব ইত্যাদি ব্যাংকের সকল কার্যক্রম কম্পিউটার দ্বারা পরিচালনা করা হয়ে থাকে।

যার ফলে গ্রাহকদের চেক জমা দিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা  টাকা পাওয়ার অপেক্ষায় বসে থাকার প্রয়োজন হয় না। এছাড়াও কম্পিউটার ব্যবহরের মাধ্যমে ব্যাংক পরিচালনার ফলে একদিকে গ্রাহকগণ যেমন দ্রুত সেবা পাচ্ছেন তেমনি ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কাজের চাপ থেকে মুক্তি পাচ্ছেন। বর্তমানে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রতিটি ব্যাংকের হিসাব দ্রুততম সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জানানো সম্ভব হচ্ছে।

৩। চিকিৎসাবিজ্ঞানে কম্পিউটারের ব্যবহার

চিকিৎসার কাজে কম্পিউটার ব্যবহারের ফলে অভুতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। যেমনঃ প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা, দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা, ক্যান্সার রোগ নির্ণয়, টিউমারের গঠন ইত্যাদি পরীক্ষায় কম্পিউটার দ্রুত ফলাফল প্রদান করছে। এর পাশাপাশি কম্পিউটারের মাধ্যমে  বিভিন্ন রোগের ঔষধ নির্ধারণ এবং ঔষধের মান নিয়ন্ত্রন করা হচ্ছে।

৪। ব্যবসায় বাণিজ্যের কাজে

ব্যবসায়-বাণিজ্যের কাজে কম্পিউটারের ব্যবহার অপরিসীম। যেমন: ফান্ড ট্রান্সফার, ব্যালেন্স সীট, হিসাবরক্ষণ, পে-রোল, আয়-ব্যয় হিসাব ইত্যাদি কম্পিউটার দ্বারা দ্রুত করা সম্ভব।

৫। কল-কারখানার কাজে 

কল-কারখানার যাবতীয় কাঁচামাল আমদানির হিসাব, রপ্তানি দ্রব্যের হিসাব, কর্মকর্তা ও শ্রমিক সংখ্যার হিসাব, শ্রমিক কর্মচারীদের মাসিক বেতনের হিসাব,বার্ষিক রিপোর্ট তৈরি ও বার্ষিক বাজেট তৈরি প্রভৃতি কাজ কম্পিউটার দ্বারা করা হয়ে থাকে।

৬। প্রকাশনার কাজে কম্পিউটারের ব্যবহার

প্রকাশনার কাজে ও কমপিউটারের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। যেমন: কম্পিউটার দিয়ে দ্রুত গ্রফিক্স ডিজাইন, মুদ্রণ, গবেষণা রিপোর্ট, বই,চিঠিপত্র ইত্যাদি প্রকাশিত করা হয়। যখন প্রাকশনের কাজে কম্পিউটারের ব্যবহার ছিল না, তখন বই প্রকাশ করা খুবই কঠিন ছিল এবং  তাতে প্রচুর সময় ও অর্থ ব্যয় করা লাগতো।

৭। সংবাদপত্র প্রকাশনার কাজে

কম্পিউটারের মাধ্যমে খুব সহজে ও দ্রুততম সময়ে সংবাদপত্র প্রকাশের বিভিন্ন কাজ করা যায়। কম্পিউটার নেটওয়ার্ক-এর মাধ্যমে যে কোন দেশের যে কোন শহর থেকে একই সময় সংবাদপত্র বের করা যাচ্ছে। এ ছাড়াও ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন প্রান্তের গ্রাহক সংবাদপত্র কম্পিউটারের পর্দায় পড়তে অথবা প্রিন্টারের মাধ্যমে প্রিন্ট করে নিতে পারছেন।

৮।টেলি কমিউনিকেশনের কাজে

টেলি কমিউনিকেশনের কাজে কম্পিউটার ব্যবহারের ফলে টেলিফোন সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। টেলিফোন এবং কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ করে খুব দ্রুত সংবাদ পৃথিবীর একস্থান হতে অন্যস্থানে পাঠানো সম্ভব হচ্ছে।

৯।মহাকাশ গবেষণার কাজে

মহাকাশযানের সূক্ষ্ম হিসাব নিকাশ, ডিজাইন, এবং পরিচালনার কাজে কম্পিউটারের ব্যবহার ব্যাপক। এছাড়াও দূর আকাশে নভোচারীর গতিপথ নির্দেশে কম্পিউটার সহায়তা করে ।

১০। প্রতিরক্ষার কাজে কম্পিউটারের ব্যবহার

বোমারু  বিমান বা যুদ্ধ জাহাজ নিয়ন্ত্রণ, মিসাইল ও ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি প্রতিরক্ষার কাজে কম্পিউটারের ভুমিকা অপরিসীম। প্রতিরক্ষার কাজে কম্পিউটারের ব্যবহারের ফলে ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়েছে।

১১। বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ

কম্পিউটার ছাড়া বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের বিমান যোগাযোগ  অচল। অনলাইনে সিট রিজার্ভেশন, বিমানের রুট নির্ধারণসহ বিভিন্ন কাজে কম্পিউটার ব্যবহার করা হচ্ছে।

১২। শিক্ষার প্রসারের কাজে

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিটারের মাধ্যমে বিভিন্ন কাজ করা হচ্ছে যেমনঃ ছাত্র-ছাত্রীদের বেতনের হিসাব নিকাশ, দ্রুত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, প্রতি বর্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যার হিসাব ইত্যাদি। এছাড়া বছর অনুযায়ী পাশ ও ফেল করা ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা কম্পিউটার দ্বারা নির্ণয় করা যায়।

১৩। বিনোদনের জন্য ব্যবহার

বিনোদনের জন্য কম্পিউটারের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। যেমনঃ গেম খেলা, গান শোনা, ছবি দেখা ইত্যাদি। তাছাড়া কম্পিউটারে টিভি কার্ড লাগিয়েও কম্পিউটারকে টিভি হিসাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে।

১৪। আবহাওয়ার পূর্বাভাস নির্ণয়ে

কম্পিউটারের মাধ্যমে আবহাওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হয়। যার ফলে আমরা অনেক প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়ে থাকি।

১৫। ট্রাভেল ট্রান্সপোর্ট সংস্থায় ব্যবহার

কম্পিউটারের ব্যবহারের ফলে ট্রাভেল ট্রান্সপোর্ট সংস্থায় অভূতপূর্ব উন্নতি সাধিত হয়েছে । অনলাইনে টিকিট কাটা থেকে শুরু করে টিকিট বাতিল, হোটেল বুকিং সকল কার্যক্রম কম্পিউটারের মাধ্যমে করা হয়।

কম্পিউটারের প্রজন্মঃ

প্রজন্ম কি বর্তমানে যে সমস্ত কম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে তা কিন্তু একদিনে তৈরি হয়নি কম্পিউটার তৈরির পিছনে রয়েছে অনেক বিজ্ঞানীর অক্লান্ত পরিশ্রম।    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকেই বিভিন্ন প্রকার বৈদ্যুতিক যন্ত্রের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কম্পিউটার সিস্টেম ও উন্নতি ঘটতে শুরু করে।

?? গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন ??

প্রথম বিদ্যুৎ চালিত কম্পিউটার এনিয়াক থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের অব্দি কম্পিউটার প্রযুক্তির উন্নতি হয়েছে সেই সময় কালে আমরা পাঁচটি প্রজন্ম বা জেনারেশনের ভাগ করতে পারি।  এই পাঁচটি কম্পিউটারের প্রজন্ম সম্পর্কে আজকে আমাদের আলোচনা।  কম্পিউটারের ইতিহাস

১।প্রথম প্রজন্ম  (1942 থেকে 1955)

1942 সাল থেকে 1955 সাল পর্যন্ত যে সমস্ত কম্পিউটার ব্যবহার করা হতো সেই সমস্ত কম্পিউটার গুলিকে প্রথম কোন প্রজন্মের কম্পিউটার বলা হয় এটি একটি ইলেকট্রিক যন্ত্র

প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যঃ

১.কম্পিউটারের ইলেকট্রনিক এর মুখ্য যন্ত্রাংশ ভ্যাকুয়াম টিউব এটি হলো প্রচুর তাপ উৎপাদনকা

২.প্রজন্মের কম্পিউটার গুলির আকৃতি ছিল সর্ববৃহৎ।

৩.এই কম্পিউটার গুলির কাজ করার গতি ছিল অত্যন্ত ধীর অথবা কম।

৪.তথ্যের ভিত্তিতে ফল প্রকাশের ক্ষমতা ছিল অত্যন্ত নিম্নমানের।

৫.এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলো ছিল অত্যন্ত মূল্যবান অনেক দামি।

উদাহরণ

কয়েকটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের নাম হল ইয়েন আইএসসি ইদি এসএসসি মার্ক ওয়ান।

 ২।দ্বিতীয় প্রজন্ম(1956 থেকে 1964)

1956 থেকে 1964 সাল পর্যন্ত যে সমস্ত কম্পিউটার গুলি ব্যবহার করা হতো সেগুলির দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের মধ্যে পড়ে এই দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান উপাদান গুলি হল ট্রানজিস্টার ট্রানজিস্টার আবিষ্কার করেন লাইব্রেরীতে 1947 সালে ওয়ান্টেড ব্রিটেন ও উয়িলিয়াম ও জন বারদী।

দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যঃ

১.এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলিতে ভ্যাকুয়াম টিউব এর পরিবর্তে ট্রানজিস্টর এর ব্যবহার এর ফলে কম্পিউটার গুলি আকারে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার থেকে কিছুটা ছোট ছিল

২.পূর্বের কম্পিউটার গুলি থেকে এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলির বিশ্বাসযোগ্যতা অনেক বেশি ছিল

৩.পূর্বের কম্পিউটার গুলির থেকে এই কম্পিউটারের গতি ছিল অনেক বেশি

৪.এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলিতে অনেক কম বিদ্যুৎ খরচ হতো এবং তাপ ও গম উৎপন্ন হতো

উদাহরণ

কয়েকটি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের নাম হল আইবিএম 7030 আইবিএম 1401 হনীওয়েল 400 ইত্যাদি।

৩।তৃতীয় প্রজন্ম(1965 থেকে 1974)

1965 থেকে 1974 পর্যন্ত যে কম্পিউটার গুলি ব্যবহার করা হতো তাদেরকে তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার বলা হতো। এই প্রজন্মের কম্পিউটারে উল্লেখযোগ্য উপাদান হলো ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট এর শর্টকাট আইসি আবিষ্কার করেন রবার্ট নাইস এবং জ্যাক কিলবি। এই আইসি চিপ এর দৈর্ঘ্য হল 16 থেকে 18 মিলি মিটার এবং প্রস্থ হল 6 থেকে 8 মিলি মিটার ও উচ্চতা হলো এক থেকে তিন মিলিমিটার।

তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যঃ

১.এই কম্পিউটারগুলোতে আইসিটি ব্যবহারের ফলে এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলি প্রথম এবং দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার থেকে আকারে ছোট হয়ে পড়ে

২.পূর্বের কম্পিউটার গুলির তুলনায় এই প্রজন্মের কম্পিউটারের মেমোরি ছিল খুব উন্নত।

৩.এই কম্পিউটার গুলি বিদ্যুৎ খরচ ছিল পূর্বের তুলনায় অনেক কম এবং এই কম্পিউটারগুলোতে খুবই কম তাপ উৎপন্ন হতো।

৪.পূর্বের কম্পিউটারের তুলনায় এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলি ছিল অত্যন্ত বেশি নির্ভরযোগ্য মানে বিশ্বাসযোগ্য।

৫.এই কম্পিউটার গুলির মূল্য ছিল পূর্বের কম্পিউটারগুলোর তুলনায় অনেক কম।

উদাহরণ

কয়েকটি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে উদাহরণ হল আইসিএল 1900 আইবিএম 360 আইবিএম 370 আইসিএল 2900 ইত্যাদি

৪।চতুর্থ প্রজন্ম  (1975 থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত)

1975 সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত যে কম্পিউটার গুলি আমরা ব্যবহার করি সে গুলোকে চতুর্থ প্রজন্মের ফিডার বলে গণ্য করা হয়।  এই প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান উপাদান হলো ক লার্জ সেল আইসিসির আকার 5 বর্গ মিলিমিটার উচ্চতা হল এক থেকে তিন মিলিমিটার এই প্রজন্মের কম্পিউটারে মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার হয়।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যঃ

১.এই প্রজন্মের কম্পিউটার চালানোর জন্য খুব কম পরিমাপে বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়।

২.এই কম্পিউটার গুলির আকার খুবই ছোট।

৩.এই কম্পিউটার গুলো খুব তাড়াতাড়ি কাজ করতে পারে।

৪.এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলো খুব কম তাপ উৎপন্ন করে।

উদাহারন

কয়েকটি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ হল স্টার 1000 dec10 ইত্যাদি।

৫।পঞ্চম প্রজন্ম  

বিভিন্ন সমস্যার সমাধান এর কাজের চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার ব্যবহার করা হলেও কিছু ত্রুটি দেখা যায়।  যেমন আমাদের তথ্য বা প্রোগ্রামের ভুল থাকলে কম্পিউটার সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায়। কম্পিউটারের মধ্যে এইরকম অসঙ্গতি দেখা যায়। কারণ কম্পিউটার নিজস্ব চিন্তাশক্তি বা বুদ্ধিমত্তা নেই এই কারণে বর্তমান যুগের বিজ্ঞানীরা মানুষের ন্যায় চিন্তাশক্তি তে চিন্তাশক্তি যুক্ত কম্পিউটার আবিষ্কারের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যঃ

১.এই কম্পিউটার গুলি প্রচন্ড গতিতে কাজ করতে পারবে।

২.কম্পিউটার গুলি স্তরেজ ক্যাপাচিটি এর ক্ষমতা অনেক বেশি থাকবে।

৩.বিটার গুলি লাগার অনেক ছোট হবে হাতের তালুতে থেকে যাবে।

৪.কম্পিউটার গুলির মূল্য খুবই কম।

৫.আল্ট্রা লার্জ আই সি এ কম্পিউটার গুলিতে ব্যবহার করা হয়।

কম্পিউটারে ক্যারিয়ার

কম্পিউটারের ক্ষেত্র অনেক বিস্তৃত। এখানে অনেক ধরনের বিশেষায়িত এলাকা গড়ে উঠেছে। যা উপ-অঞ্চলেও বিভক্ত। অতএব, ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে কম্পিউটার সেক্টর সবুজ।ঠিক, একজনকে সঠিক উপায়ে চাষ করা উচিত।

1.কম্পিউটার প্রোগ্রামার

আপনি যে কম্পিউটারটি চালাচ্ছেন তার কোড যিনি লিখেছেন তাকে কম্পিউটার প্রোগ্রামার বলা হয়। এখানেই ব্যক্তি কম্পিউটারে উপস্থিত সমস্ত ফাংশনের কোড লিখেন। এবং আমাদের জন্য জিনিস সহজ করে তোলে।

একজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষায় পারদর্শী এবং এই সব ভাষায় কোডিং করার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু, কিছু প্রোগ্রামার শুধুমাত্র একটি বিশেষ ভাষার উপর বেশি জোর দেয়। এবং একই ভাষায় কোডিং।

২.হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার

আপনি জানেন যে কম্পিউটারই একমাত্র যন্ত্র। এটি কাজ করার জন্য অনেক অন্যান্য অংশ প্রয়োজন। হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা নতুন প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী এই বিভিন্ন ডিভাইস তৈরি, পরীক্ষা এবং বিশ্লেষণের কাজ করে।

কম্পিউটার সিস্টেমে কোন অংশটি স্থাপন করা হবে, এর নকশা কেমন হওয়া উচিত, ব্যবহারকারীদের সুবিধার যত্ন নেওয়া যেমন প্রয়োজনীয় কাজ এখানে একজন পেশাদার ব্যক্তিও করে থাকেন।

ইসরায়েলের ইতিহাস সম্পর্কে বিস্থারিত যেনে নিন।

যখন সফটওয়্যারে কোন পরিবর্তন হয়, তখন হার্ডওয়্যারের সাথে সামঞ্জস্যতা যাচাই করা এবং আপডেট করাও হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের কাজ। আপনার কম্পিউটারে যে র‍্যাম ইনস্টল করা আছে, মাদারবোর্ড ইন্সটল করা হয়েছে, ক্যাবিনেটের ডিজাইন, এই সব কাজ হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা পরিচালিত হয়।

৩.সফটওয়্যার ডেভেলপার

আপনি এটি একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামারের সাথে তুলনা করতে পারেন। কিন্তু, তাদের মধ্যে একটি বড় পার্থক্য আছে। যা বোঝা জরুরী। তবেই আপনি এই দুটি ক্যারিয়ার সম্পর্কে সঠিকভাবে বুঝতে পারবেন।

একজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার প্রাথমিকভাবে এমন প্রোগ্রাম তৈরি করে যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যারে চলে। যেমন অপারেটিং সিস্টেম, ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ইত্যাদি।

এবং একজন সফটওয়্যার ডেভেলপার সাধারণ ব্যবহারকারীদের চাহিদা পূরণের জন্য কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করে। মত; এমএস অফিস, টেলি, হোয়াটসঅ্যাপ, ব্রাউজার ইত্যাদি।

৪.ওয়েব ডেভেলপার

আপনি একটি ওয়েবসাইটে এই নিবন্ধটি পড়ছেন। যা ওয়েব ডেভেলপার দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। তাদের মূল কাজ হল ওয়েবসাইট তৈরি করা।

এর সাথে, ওয়েব ডেভেলপারের দায়িত্ব হল একটি ওয়েবসাইট লাইভ থাকার জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত কাজ যেমন হোস্টিং, নিরাপত্তা ইত্যাদি পরিচালনা করা।

এটি ওয়েব ডিজাইনারদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে। এবং ছোট ব্যবসাগুলিতে, তারা একই অফিস ভাগ করে।

৫.ওয়েব ডিজাইনার

ওয়েব ডিজাইনারের কাজ হল ওয়েবসাইট ডিজাইন, রঙ, বোতাম সেটিং, থিম ডিজাইন, ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ নেভিগেশন ইত্যাদি ডিজাইন করা।

এটি গ্রাফিক টুলের মাধ্যমে সব ডিজাইন তৈরি করে। যা পরবর্তীতে ফ্রন্ট-এন্ড প্রোগ্রামিং ভাষা দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।

তালেবানের ইতিহাস সম্পর্কে বিস্থারিত

একজন ওয়েব ডেভেলপারওয়েবসাইটে এই নকশা যোগ করে। আর এভাবেই একটি ওয়েবসাইট তৈরি হয়। অনেক জায়গায় এই কাজ একক ব্যক্তির দ্বারা করা হয়। যাকে ফুল স্ট্যাক ডেভেলপার বলা হয়।

একজন পূর্ণ স্ট্যাক বিকাশকারীর ওয়েব ডিজাইন এবং ওয়েব ডেভেলপিং দক্ষতা উভয়ই রয়েছে।

৬.ডেটা সায়েন্টিস্ট

এদেরকে ডাটা ডিগারও বলা হয়। কারণ, তাদের কাজ হল বিভিন্ন ধরনের তথ্য খনন করা এবং তাদের ডেটা বিশ্লেষণ করে একটি অর্থপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।

ডেটা সায়েন্টিস্টরা মূলত বড় ব্যবসার সাথে কাজ করে। কারণ, এখানেই তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ডেটা ডিগার গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সম্পাদন করে যেমন এই ডেটাকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা, বিশ্লেষণ করে একটি বিশেষ প্যাটার্ন খুঁজে বের করা, তারপর একটি সমস্যার সমাধান খোঁজা।

৭.নেটওয়ার্ক প্রশাসক

অফিসে, একসাথে শত শত কম্পিউটারে কাজ করা হয়। সেই কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান, সরকারি বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত।

একটি নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেটর কাজ করে ডিজাইন করা, এই নেটওয়ার্কগুলি পরিচালনা করা, প্রযুক্তিগত সমস্যার সমস্যা সমাধান করা।

৮.গেম ডেভেলপার

গেম ডেভেলপার সেই যে আপনার প্রিয় গেম তৈরি করে। এর নাম থেকেই জানা যায় যে এর কাজ খেলার সাথে সম্পর্কিত। এখন এই গেমটি কম্পিউটার এবং মোবাইল উভয়ের জন্যই ডেভেলপ করা যায়।

এই গেমগুলি একটি নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধান থেকে শুরু করে একটি সাধারণ বিনোদন খেলা পর্যন্ত হতে পারে। ওয়েব-ভিত্তিক গেমগুলি ওয়েবসাইটগুলিতে ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়। যা ওয়েব সার্ভারে চলে। ব্যবহারকারীদের এমনকি তাদের ডিভাইসে তাদের ইনস্টল করার প্রয়োজন নেই।

৯.কম্পিউটার শিক্ষক।

আপনি শুধু কাজ করতে কম্পিউটার শেখান না। বরং অন্যকে শিক্ষা দিয়ে জীবিকা অর্জন করতে পারেন। অর্থাৎ আপনি শিক্ষকতায়ও ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।

কম্পিউটার শেখানোর জন্য, আপনাকে কম্পিউটারের সাথে শিক্ষার ডিগ্রি নিতে হবে। যা আপনি দূরশিক্ষার মাধ্যমেও পেতে পারেন।

১০.কম্পিউটার অপারেটর

কম্পিউটার অপারেটরের কাজ শুধুমাত্র কম্পিউটার চালানো। এবং এর প্রকৃত কাজ নির্ভর করে কাজের স্থান এবং অবস্থানের উপর।

উদাহরণস্বরূপ, হোটেল রিসেপশনে কম্পিউটার অপারেটরের কাজ হল রুম বুকিং, রুম স্ট্যাটাস, বিল পেমেন্ট ইত্যাদি আপডেট করা। একইভাবে, কল সেন্টারে একজনকে কল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার পরিচালনা করতে হবে এবং গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

১১.ডেটা এন্ট্রি অপারেটর

ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের চাকরি কিছুটা কম্পিউটার অপারেটরের চাকরির মতো। এর কাজ কম্পিউটার প্রোগ্রামে এন্ট্রি প্রবেশ করা। বিনিময়ে সে বেতন পায়।

রক্তাক্ত কারবালার ইতিহাস

তারা প্রবেশের ভিত্তিতে কাজও পায়, যা ঘরে বসে অনলাইনে করা যায়। এই কাজের প্রকৃতি খণ্ডকালীন। অতএব, আপনি পড়াশোনার সময় খরচ সরানোর জন্য এই কাজটি চেষ্টা করতে পারেন।

১২.কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক

কম্পিউটার শেখার পাশাপাশি স্পর্শ টাইপিংও একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা।

কিন্তু, আপনি কি জানেন যে একটি কম্পিউটার অপারেটরের চেয়ে টাচ টাইপিস্টের মূল্য বেশি? আপনি হয়তো অবাক হবেন। কিন্তু এখানে এটা সত্য।

আপনি যে কোন আদালতে যান, সেখানে আপনি টাইপিস্টের মূল্য সম্পর্কে ধারণা পাবেন। কবে আপনাকে প্রতি শব্দের মূল্য দিতে হবে?

ভারতীয় আদালতে টাইপিস্টের একটি পদও রয়েছে। অতএব, আপনি এই সহজ দক্ষতার সাথে একটি সরকারি চাকরিও পেতে পারেন যা অবহেলিত।

১৩.ব্লগিং

ব্লগিং হল ইন্টারনেট থেকে অর্থ উপার্জনের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত এবং নির্ভরযোগ্য এবং নির্ভরযোগ্য উপায় ।

আপনাকে নিজের ব্লগ তৈরি করতে হবে এবং আপনার আগ্রহ, সামর্থ্য অনুযায়ী বিষয়বস্তু প্রকাশ এবং প্রস্তুত করতে হবে। যদি আপনার বিষয়বস্তু শক্তিশালী হয় এবং পাঠকরা এটি পছন্দ করেন, lতাহলে আপনি ট্রাফিক বাড়িয়ে এটিকে একটি পূর্ণকালীন ব্যবসায় পরিণত করতে পারেন।

১৪.ভ্লগিং

ব্লগিং সম্পর্কিত আরেকটি ক্ষেত্র হল ভলগিং, যা ইউটিউব নামেও পরিচিত। অর্থাৎ, আপনি ইউটিউবে একটি চ্যানেল তৈরি করে মানুষের সাথে আপনার জ্ঞান শেয়ার করেন।

এবং এই জ্ঞান নগদীকরণের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করুন। ব্লগিং থেকে যেমন অর্থ উপার্জন করা হয়, ঠিক একইভাবে ভ্লগিং থেকেও অর্থ উপার্জন করা যায়।

১৫.গ্রাফিক ডিজাইনার

আপনি যদি পেইন্টিং এর অনুরাগী হন তাহলে এই ক্যারিয়ারে আপনার হাত চেষ্টা করে দেখতে পারেন। গেম, ওয়েবসাইট, আইকনের মতো অনেক ক্ষেত্রে গ্রাফিক্সের প্রয়োজন হয়।

একজন সৃজনশীল গ্রাফিক ডিজাইনার তার গ্রাফিক্সের মাধ্যমে কৃত্রিম জগতকে বাস্তবের মতো করে কাজ করেন। গেমগুলিতে আপনাকে দেখানো বিশ্ব এই গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।

কম্পিউটার শিক্ষাঃ

কম্পিউটার শিক্ষা বা কম্পিউটার স্বাক্ষরতা বা কম্পিউটার জ্ঞান হল কম্পিউটার বিষয়ক দক্ষতা, কম্পিউটার সম্পর্কিত জ্ঞান ও তাকে ব্যবহারের সক্ষমতা এবং এ সম্পর্কিত প্রযুক্তিগত বিষয়াদির কার্যকর প্রয়োগ।

আদিম যুগের মানুষের ইতিহাস

তা হতে পারে প্রাথমিক ব্যবহার থেকে শুরু করে প্রোগ্রামিং এবং কঠিন সমস্যা সমাধান।একে অন্যভাবে সংজ্ঞায়িত করে বলা যায় একজন ব্যক্তির কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এবং কম্পিউটার সম্পর্কিত অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রয়োগের সহজবোধ্য জ্ঞান। এখানে অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল কিভাবে কম্পিউটারের বিভিন্ন উপাদান কাজ করে এবং কিভাবে কম্পিউটার সেটি পরিচালনা করে। কম্পিউটার শিক্ষাকে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং থেকে আলাদা করা হতে পারে যা কম্পিউটারের প্রোগ্রামের নকশা এবং কোডিংয়ের বিষয়ে গুরুত্ব দেয় সাধারণ কম্পিউটার বিষয়ক পরিচিতি এবং ব্যবহারের দক্ষতার থেকে।

কম্পিউটার শিক্ষাকে উন্নত দেশগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কম্পিউটার নির্ভর হওয়ায় কোম্পানিগুলো তাদের কর্মীদের কাছ থেকে কম্পিউটারের সাধারণ জ্ঞান আশা করে। অনেক কোম্পানিই তাদের ব্যবসায়কে সম্প্রসারণ, সুদক্ষ ও সফল করতে কম্পিউটার এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা

১।কম্পিউটার এমন একটি যন্ত্র যা আমাদের কাজ করতে মানুষের উপর নির্ভর করতে হয়। নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এটি কোন ফলাফল দিতে পারে না।

২।এর মধ্যে কোন বিবেক নেই। এগুলো মস্তিষ্কবিহীন মেশিন। এটা চিন্তা করার ক্ষমতা নেই। কিন্তু বর্তমান সময়ে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে কম্পিউটারে চিন্তা ও যুক্তি করার ক্ষমতা তৈরি হচ্ছে।

এটি কাজ করার জন্য একটি পরিষ্কার পরিবেশ প্রয়োজন। কারণ এর দক্ষতা ধুলোবালিতে প্রভাবিত হয়। এবং এটি এমনকি কাজ বন্ধ করতে পারে।

কম্পিউটার ভাইরাস কি?

কম্পিউটার ভাইরাস হল এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই নিজে নিজেই কপি হতে পারে। মেটামর্ফিক ভাইরাসের মত তারা প্রকৃত ভাইরাসটি কপিগুলোকে পরিবর্তিত করতে পারে অথবা কপিগুলো নিজেরাই পরিবর্তিত হতে পারে।

একটি ভাইরাস এক কম্পিউটার থেকে অপর কম্পিউটারে যেতে পারে কেবলমাত্র যখন আক্রান্ত কম্পিউটারকে স্বাভাবিক কম্পিউটারটির কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। যেমন: কোন ব্যবহারকারী ভাইরাসটিকে একটি নেট ওয়ার্কের মাধ্যমে পাঠাতে পারে বা কোন বহনযোগ্য মাধ্যম যথা ফ্লপি ডিস্ক, সিডি, ইউএসবি ড্রাইভ বা ইণ্টারনেটের মাধ্যমে ছড়াতে পারে।

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা

এছাড়াও ভাইরাসসমূহ কোন নেট ওয়ার্ক ফাইল সিস্টেম কে আক্রান্ত করতে পারে, যার ফলে অন্যান্য কম্পিউটার যা ঐ সিস্টেমটি ব্যবহার করে সেগুলো আক্রান্ত হতে পারে। ভাইরাসকে কখনো কম্পিউটার ওয়ার্ম ও ট্রোজান হর্সেস এর সাথে মিলিয়ে ফেলা হয়। ট্রোজান হর্স হল একটি ফাইল যা এক্সিকিউটেড হবার আগ পর্যন্ত ক্ষতিহীন থাকে।

কম্পিউটার সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন উত্তর

১)কম্পিউটার শব্দের অর্থ কি?

উত্তরঃ গণনাকারী যন্ত্র।

২) কম্পিউটার  কে আবিষ্কার করেন?

উত্তরঃ কম্পিউটার আবিস্কার করেন- হাওয়ার্ড আইকিন।

৩) আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে?

উত্তরঃ আধুনিক কম্পিউটারের জনক – চার্লস ব্যাবেজ।

৪) বিশ্বের সর্ব প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার কোনটি?

উত্তরঃ ENIC.

৫) এনালগ এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে তৈরী হয় কোন কম্পিউটার?

উত্তরঃ- হাইব্রিড কম্পিউটার।

৬) কম্পিউটার জগতের কিংবদন্তি বলা হয় কাকে?

উত্তরঃ- বিল গেটস।

৭) পৃথিবীর প্রথম গণনাযন্ত্রের নাম কি?

উত্তরঃ- অ্যবাকাস।(চীনে তৈরী)

৮) কোনটি কম্পিউটারের নেই?

উত্তরঃ বুদ্ধিবিবেচনা

৯) কম্পিউটারের মস্তিস্ক বা ব্রেন হিসেবে কাজ করে কোনটি?

উত্তরঃ প্রসেসর।

১০) CPU কি?

উত্তরঃ Central Processing Unit.

১১) কম্পিউটারের প্রধান প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ডকে কি বলে?

উত্তরঃ মাদার বোর্ড

১২) কম্পিউটার পদ্ধতির প্রধান দুটি অংশ কি?

উত্তরঃ- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়ার।

১৩) কম্পিউটার হার্ডওয়ার কি?

উত্তরঃ কম্পিউটার সংশ্লিষ্ট যান্ত্রিক সরঞ্জাম।

১৪) ROM এর পূর্নরূপ কি?

উত্তরঃ Read Only Memory.

১৫)ROM কে কি বলা হয়?

উত্তরঃ কম্পিউটারের স্থায়ী শক্তি

১৬)RAM এর পূর্নরূপ কি?

উত্তরঃ Random Access Memory.

১৭)RAM কি হিসেবে ব্যবহৃত হয়?

উত্তরঃ কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি।

১৮)BIOS কি?

উত্তরঃ Basic Input Output System

১৯) বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার আসে কত সালে ?

উত্তরঃ  ১৯৬৪ সালে।

২০) বাংলাদেশ প্রচলিত প্রথম কম্পিউটার কোনটি?

উত্তরঃ- IBM 1620.

২১) বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার স্থাপন করা হয় কোথায়?

উত্তরঃ- পরমানু শক্তি কেন্দ্র।

২২) ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত প্রথম বাজারে আসা কম্পিউটার কোনটি?

উত্তরঃ- UNIVAC.

২৩)IC চিপ দিয়ে তৈরী প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার কোনটি?

উত্তরঃ Intel -4004

২৪) ল্যাপটপ এবং পামটপ কি?

উত্তরঃ- ছোট কম্পিউটার।

২৫) ল্যাপটপ বা নোটবুক প্রথম তৈরী করে কোন কোম্পানি?

উত্তরঃ- এপসন কম্পানি। (১৯৮১ সালে)

২৬) প্রথম মাউস তৈরী করেন কে?

উত্তরঃ উইলিয়াম ইংলিশ

২৭) কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস গুলো কি কি?

উত্তরঃ- কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, OCR, OMR.

২৮) আউটপুট ডিভাইস গুলো কি কি?

উত্তরঃ মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার, সিপিইউ।

২৯) OCR এর পূর্নরূপ কি?

উত্তরঃOptical Character Recognition.

৩০)OCR কোন কাজে ব্যবহার করা হয়?

উত্তরঃ চিঠির পিনকোড, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহার করা হয়। এটি শুধু দাগই বোঝেনা বিভিন্ন রঙের পার্থক্যও বোঝে।

৩১) OMR এর পূর্নরূপ কি?

উত্তরঃ Optical Mark Reader.

৩২) OMR কোন কাজে ব্যবহার  করা হয়?

উত্তরঃ এটি পেন্সিল বা কালির দাগ বোঝাতে পারে। নৈব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনমত জরিপ, আদমশুমারীর কাজে ব্যবহৃত হয়।

৩৩) MICR এর পূর্নরূপ কি?

উত্তরঃMagnetic ink character recognition

৩৪)MICR এর কাজ কি?

উত্তরঃ এর সাহায্যে ব্যাংকের চেক নম্বর লেখা ও পড়া হয়।

৩৫) IBM কোম্পানীকে কি নামে ডাকা হয়?

উত্তরঃ  বিগব্লু

৩৬) বিশ্বের একমাত্র এবং প্রথম কম্পিউটার জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?

উত্তরঃ- যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়।

৩৭) মাইক্রো কম্পিউটারকে কি বলে?

উত্তরঃ PC (personal computer)

৩৮) সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার কে কি বলে?

উত্তরঃ সুপার কম্পিউটার।

৩৯) মাইক্রো প্রসেসর আবিষ্কৃত হয় কত সালে?

উত্তরঃ- ১৯৭১ সালে।

৪০)মাইক্রো প্রসেসর ব্যবহার শুরু হয় কত সালে ?

উত্তরঃ ১৯৭২ সালে।

৪১) প্রথম মাইক্রো কম্পিউটার কোনটি?

উত্তরঃ- এ্যাপেল।

৪২) কম্পিউটারের তথ্য দেখার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কোনটি?

উত্তরঃ- কী বোর্ড।

৪৩) পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বিশেষত্ব কি?

উত্তরঃ- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

৪৪) কম্পিউটার ভাইরাস কি?

উত্তরঃ- এক ধরনের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম।

৪৫) বিজয় অভ্র কি?

উত্তরঃ- বাংলা লেখার সফটওয়ার।

৪৬) কম্পিউটার থেকে কম্পিউটার এর তথ্য আদান প্রধানের প্রযুক্তিকে কি বলে?

উত্তরঃ ইন্টারনেট।

৪৭)কত সালে প্রথম কম্পিউটার নেটওয়র্ক চালু হয়?

উত্তরঃ ১৯৭৯ সালে

৪৮)বাংলাদেশে কবে থেকে অনলাইন ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয়?

উত্তরঃ ১৯৯৬ সালের ৪ঠা জুন।

৪৯) মাইক্রোসফটের নতুন সার্চ ইঞ্জিন কি?

উত্তরঃ- Bing

৫০) WWW পূর্নরূপ কি?

উত্তরঃ- World Wide Web.

৫১)WWW এর জনক কে?

উত্তরঃ টিম বার্ন্স লি।

৫২)কম্পিউটারের স্মৃতি ধারন ক্ষমতা কে কি দিয়ে প্রকাশ করা হয়?

উত্তরঃ বাইট

৫৩) ১ বাইট সমান কত বিট?

উত্তরঃ ৮ বিট

৫৪) ১ কিলোবাইটে বিটের সংখ্যা কত?

উত্তরঃ 1024 বিট।

৫৫) হার্ড ডিস্ক মাপার একক কি?

উত্তরঃ গিগাবাইট।

৫৬) মডেম কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?

উত্তরঃ ইন্টারনেটের সংযোগ মাধ্যম।

৫৮) E-mail কি?

উত্তরঃ ইলেকট্রনিক ডাকযোগাযোগ মাধ্যম।

৫৯) 3G বলতে কি বুঝায়?

উত্তরঃ- Third Generation.

৬০) প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার কে?

উত্তর;- অ্যাডা অগাষ্টা।

৬১)সি ল্যাঙ্গুয়েজের জনক কে?

উত্তরঃ ডেনিস রিচি

৬২)এইচটিএমএল  (HTML) কি?

উত্তরঃ প্রোগ্রাম

৬৩)কম্পিউটারের ভাষায় কয়টি অক্ষর আছে?

উত্তরঃ ২টি।

৬৪) UNIX কি?

উত্তরঃ একটি অপারেটিং সিস্টেম।

৬৫) কম্পিউটার বাগ কি?

উত্তরঃ- কম্পিউটারের অন্তর্নিহিত ভুল।

৬৬)যেসব প্রোগ্রাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে ভাইরাস মুক্ত করা হয় তাকে কি বলে?

উত্তরঃ এন্টিভাইরাস

৬৭) ক্যাসপারস্কি কি?

উত্তরঃ একটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

৬৮)কোন বিজ্ঞানী কম্পিউটার ভাইরাস নামকরন করেন?

উত্তরঃ ফ্রেড কোহেন।

৬৯)কম্পিউটারে ব্যবহৃত  প্রোগ্রাম সমষ্টিকে কি বলে?

উত্তরঃ সফটওয়্যার

৭০)) কম্পিউটারের প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?

উত্তরঃ- FORTRAN.

৭১)কোনটি  ছাড়া হার্ডওয়্যার কাজ করে না?

উত্তরঃ সফটওয়্যার

৭২)কোন কাজ করতে গেলে কম্পিউটারকে কি দিতে হয়?

উত্তরঃ ডাটা বা তথ্য।

৭৩)ডাটাবেজ অর্থ কি?

উত্তরঃ তথ্য বিন্যাস

৭৪) কম্পিউটারে কাজের গতি প্রকাশ করা হয় কিসের মাধ্যমে?

উত্তরঃ ন্যানো সেকেন্ড।

আরও পড়ুন-

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস

বঙ্গবন্ধুর জীবনী ইতিহাস- বঙ্গবন্ধু কে ছিলেন? কোথাই থেকে এসেছেন? কেমন ছিলেন?

ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারণা থাকা প্রতিটি বাঙ্গালির জন্য কর্তব্য

ইসলামের ইতিহাস সম্পর্কে আপনার জানা এবং অজানা সকল তথ্য যেনে নিন

মিয়া খলিফা সম্পর্কে  অজানা সকল তথ্য যেনে নিন

কেন অর্থ বুঝে নামাজ পড়া উচিৎ: পড়ুন

আত্মীয়তার সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিৎ – জানুন

সালাম দিলে কি আপনি লাভবান হবেন? জানুন

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ২৬৩ other subscribers

প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে এএখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।
গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন।
SS IT BARI-সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুন এই লিংকে

pp

তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক লেখালিখি করি। এর আগে বিভিন্ন পোর্টালের সাথে যুক্ত থাকলেও, SS IT BARI-আমার হাতেখড়ি। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিশ্লেষণ বাংলায় জানতে ভিজিট করুন http://ssitbari.com

Leave a Reply

Your email address will not be published.