যুদ্ধ নাকি শান্তি – আব্দুর রহমান আল হাসান

যুদ্ধ নাকি শান্তি –যুদ্ধের ইতিহাস আজ নতুন নয়। যুগ যুগ ধরেই এক দেশ অন্য দেশের উপর, এক জাতি অন্য জাতির উপর প্রভাব বিস্তারের জন্য এই হীন কাজটি বেছে নিয়েছে। মানুষ সর্বদা কর্তৃত্বশীল হতে পছন্দ করে। যার নিকট শক্তি বেশি সে চায় দুর্বলরা তার কব্জায় থাকুক। এটা শুধু এক দেশের সাথে অন্য দেশের নয়। প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে, প্রতিটি ধর্মশালায় এর প্রভাব বিস্তৃতমান।

যুদ্ধ নাকি শান্তি

দেশের সরকার চায়, জনগণকে হাতের মুঠোয় রাখতে। কলেজের গুন্ডামার্কা ছেলেরা চায়, নতুনদের হাতের মুঠোয় রাখতে। এলাকার পাতি নেতারা চায়, সাধারণ জনগণের অধিকার হরণ করে নিতে। এই কাজটা অভিধানের ভাষায় হিংসা বা বিদ্ধেষ বলে। এটা এমন একটি রোগ, যেই রোগের নিরময় এত সহজে হয় না। আর মৃত্যুর পর সৃষ্টিকর্তা এর জন্য কঠিন শাস্তির মুখোমুখি করবেন।

এই পৃথিবীর প্রতিটি মহাদেশে সর্বদা কোনো এক ইস্যু নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ লেগে থাকে। আবার মুসলিম দেশগুলোকে নিধনের জন্য শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো সর্বদা তৎপর থাকে। সিরিয়া, ফিলিস্তিন, বসনিয়া, চীনের মুসলমান, ভারতের মুসলমানরা সব জায়গায় নির্যাতিত।

সিরিয়া, ফিলিস্তিনে ঈদের দিনেও তারা শান্তিতে আনন্দ তো দূরের কথা। ঠিকমতো ঘুমুতেও পারে না। ২০২০ সালের একটা ঘটনা হয়তো আপনাদের মনে আছে। এক সিরিয়ান শিশু মৃত্যুর আগে বলেছিল, আমি আল্লাহকে সব বলে দিবো। এই শিশুটি যুদ্ধ কাকে বলে, সেটাই জানতো না। তারপরও তার ক্ষোভ ছিল। এর পরই তো পুরো পৃথিবীতে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ আকার দেখা দিলো। মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে এই ভাইরাসের আক্রমণে। তারপরও আমরা ভুলে যাই স্রষ্টার কথাত। আমরা আবার ডুবে যাই গুনাহের মধ্যে। নির্যাতিতরা আবার নির্যাতনের শিকার হয়।

বর্তমান সময়ে ইউক্রেনে রাশিয়া হামলা করছে। কিন্তু সবার নিশ্চয় মনে আছে, এই ইউক্রেন আর রাশিয়া মিলে এক সময় আফগানিস্তানে হামলা করেছিল। তখন তো তারা খুব ভালো মিত্র ছিল। আজ তারা পরস্পরের শত্রু।

কিছুদিন পর দেখা যাবে, দুই সরকার মিলে যাবে। তারা আবার আগের মতো বৈঠক করবে। কিন্তু মাঝখান থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সন্তানহারা মা। স্বামীহারা স্ত্রী। পিতাহারা সন্তান।

আমরা যুদ্ধ চাই না। আমরা শান্তি চাই। আমরা আমাদের শত্রুদের কষ্ট চাই না। আমরা চাই এই গ্লোবাল ভিলেজে সবাই মিলেমিশে থাকবো। ধর্মীয় মতপার্থক্য আমাদের মধ্যে কোনো দেয়াল সৃষ্টি করবে না। আমরা মিলেমিশে থাকবো। ফিলিস্তিন তার অধিকার ফিরে যাবে। সিরিয়ার শিশুরা নিশ্চিন্তে মাঠে খেলতে পারবে। খাদ্যের অভাবে কোনো সিরিয়ান মারা যাবে না। ভারতের মুসলমানরা শান্তিতে থাকবে। তাহলে হয়তো আমরা এক নতুন সূর্য দেখবো।

হলুদ বর্ণের লাল বৃত্ত। আমাদের দিকে তাকিয়ে হয়তো বলবে, You are a happy family

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ২৬৩ other subscribers

এছাড়াও আমাদের প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন।

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যে কোনো প্রশ্ন করুনঃএখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃএই পেজ ভিজিট করুন
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে এএখানে ক্লিক করুনএবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।
গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতেএখানে ক্লিক করুনতারপর ফলো করুন।
SS IT BARI-সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনএই লিংকে

স্বাস্থ্যকর খাবার সম্পর্কিত ইংলিশে সকল সঠিক তথ্য জানতে আমাদের SS IT BARI- ভালোবাসার টেক ব্লকের আরেকটি সংস্করণ, US IT BARI- All About Healthy Foods ওয়েব সাইট টি ভিজিট করতে পারেন।
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন –www.usitbari.com

 

আব্দুর রহমান আল হাসান

আমি কওমী মাদ্রাসা থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াশোনা করছি। এখন মেশকাত জামাতে অধ্যয়নরত আমি। লেখালেখিতে আগ্রহ আমার ছোটবেলা থেকেই। প্রায় সময়ই গল্প-উপন্যাস, বিজ্ঞান, ইতিহাস বিষয়ে লেখালেখি করি। লেখালেখির প্রাথমিক হাতেখড়ি আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক কামরুল হাসান নকীব সাহেবের হাত ধরে। তারপর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাই নি। অনলাইন ফ্লাটফর্মে লেখালেখি আমার নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শুরু করি। এর মধ্যে দু’একটা সুনামধন্য পত্রিকায় লেখার সুযোগ পাই। বর্তমানে এসএস আইটি বারী ডট কমে ইসলামিক বিষয়ক লেখালেখিতে কর্মরত।

অবসরে তাফসীর, সীরাত গ্রন্থ, মুৃসলিম ইতিহাস, পৃথিবীর ইতিহাস, বিজ্ঞান ও বিশেষ করে জ্যোতির্বিজ্ঞান সম্পর্কিত বই পড়তে পছন্দ করি। পাশাপাশি নিজের দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে গ্রাফিক্স, ওয়েব ডেপলপমেন্ট, এসইও, প্রোগ্রামিং ও মার্কেটিং শেখার চেষ্টা করি।

1 Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.