সব ধরনের ফুল গাছের পরিচর্যা

আপনার যারা ফুল গাছের পরিচর্যা নিয়ে ভুগছেন ফুল গাছের টবে অথবা বাগানে কিভাবে ফুল গাছের পরিচর্যা করবেন আজকের এই পোস্টের সম্পূর্ণ বিষয়টি জানতে পারবেন, আজকের পোস্টে জানতে পারবেন ফুল গাছের পরিচর্যা, গাছের পরিচর্যা কিভাবে করতে হয়? তবে গাছের পরিচর্যা, জবা ফুল গাছের পরিচর্যা, আম গাছের পরিচর্যা, বেল ফুল গাছের পরিচর্যা থেকে শুরু করে ফুল গাছ সম্পর্কিত পরিচর্যা সম্পর্কিত সকল বিষয়।ফুল গাছের পরিচর্যা

ফুল গাছের পরিচর্যা

ফুল গাছ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বর্তমানে ফুল গাছের চাষাবাদ হচ্ছে এবং ফুল গাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে টাকা হচ্ছে এবং বাসা বাড়ির সৌন্দর্য বাগানের সৌন্দর্য শখের বসে অনেকে ফুল গাছ চাষাবাদ করে থাকে। তাই এখন ফুল গাছে পরিচর্যা কিভাবে সাধারণভাবে আপনারা করবেন নিচে কয়েকটি বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে –

  1. সোয়াইল পোষণ (Soil Nutrition): ফুল গাছের উত্তম বৃদ্ধি ও ফুলের রং বজায় রাখতে ভূমির সোয়াইল সঠিক হতে হবে। মিশ্রিত উরিয়া, ফসফেট, পটাশ ইত্যাদি উর্বর মাটির জন্য উপযুক্ত।
  2. সুস্থ জলসেচন (Proper Watering): ফুল গাছের জন্য উপযুক্ত জলসেচন মূল্যবান। সাধারিত স্থানে পৌধের বিপরীত ফলে প্রবাহমান বা অধিক পানি দেওয়া উচিত নয়।
  3. পুকুর আবর্জন (Proper Drainage): ফুল গাছের কাঠামো ভাল পানি পাওয়ার জন্য অভিন্ন প্রকারের ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকতে হবে।
  4. স্থান প্রস্তুতি (Location and Preparation): পুরো দিন সূর্যের আলো পাওয়া জরুরি। সূর্যের দিকে পোষণকারী অঞুরঞুরি বসানো গুড়ো হবে।
  5. সমৃদ্ধি (Pruning): অসুস্থ, ড্যামেজ প্রাপ্ত, বা এমন অংশগুলি যেগুলি পুকুরে পৌধের বৃদ্ধি বা সৌন্দর্যকে ভঙ্গ করতে পারে, সেগুলি নিষ্কাশন করা গুড়ো।
  6. মালা সৃষ্টি (Mulching): বৃষ্টি পর্জব এবং মাটির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য মালচিং একটি ভাল পদক্ষেপ।
  7. উর্বরতা উপযুক্ত সময়ে (Fertilizing at the Right Time): ফুল গাছে উচ্চ ফলনের জন্য উর্বরতা উপযুক্ত সময়ে পোষণ দেওয়া গুড়ো।
  8. বাড়িতে পোষণ দিন (Home-made Fertilizers): ঘরে তৈরি পোষণের উপাদান ব্যবহার করা যেতে পারে, এটি একটি প্রাকৃতিক এবং অর্থনৈতিক পদক্ষেপ।
  9. পোষণ চক্র (Fertilizing Cycle): একটি উচ্চ ফলনের জন্য প্রয়োজনে হলে একটি সঠিক পোষণ চক্র অনুসরণ করা গুড়ো।

গাছের পরিচর্যা কিভাবে করতে হয়

দেখুন যারা গাছকে ভালোবাসে গাছ নিয়ে কাজ করে ব্যবসায়িক কাজে অথবা পরিবারের অন্যান্য কাজে সখের বসে তাদের জন্য অনেকেই কিন্তু গুগলে সার্চ করে গাছের পরিচর্যা কিভাবে করতে হয়?  তাই আপনাদেরকে গাছের পরিচয়ে অউর চা কিভাবে করতে হয় এ বিষয়ে সাধারণভাবে কয়েকটি বিষয় আমি আপনাদেরকে নিচে দিয়ে দিচ্ছি

  1. জলপাই প্রণালী:
    • গাছের জলপাই একটি মৌলিক অংশ। নির্ধারিত সময়ে গাছকে যত্নশীলভাবে ও প্রয়োজনে জলাবদ্ধ করতে হবে।
  2. উর্বরতা:
    • উর্বর পৃথিবী বা কমপুকুরের মাটি ব্যবহার করুন যা গাছের সুস্থ বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত। মাটি কমপুকুর থেকে পৌষ্টিক তাত্ত্বিক ঘটনার জন্য শক্তিশালী হোক।
  3. প্রস্তুতি কাজ:
    • গাছ লাগানোর আগে উপযুক্ত মাটি তৈরি করুন, যাতে গাছের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পৌষ্টিক উপাদান থাকে।
  4. জড়ানো আকারে গাছ লাগানো:
    • গাছ লাগানোর সময়ে নিশ্চিত হউন যে গাছটি ঠিক আকারে লাগানো হচ্ছে, যাতে সান্নিধ্য হলেও গুণগতভাবে ভালো থাকে।
  5. সান্নিধ্যের পরিচর্যা:
    • গাছের সান্নিধ্যে উপযুক্ত পরিচর্যা করুন, সহোযোগী গাছগুলির মধ্যে পরস্পরের দূরত্ব মেলে তাদের সুস্থভাবে বৃদ্ধি দেওয়ার জন্য।
  6. উচ্চাকাঙ্ক্ষ গাছের যত্ন:
    • কিছু গাছ আরো বিশেষ যত্ন চায়, তাদের জন্য বৃহৎ পাতকপত্র দিতে হয়। তাদের জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষ গাছের পরিচর্যা করা গুরুত্বপূর্ণ।
  7. রোগ কীটনাশক নিয়ন্ত্রণ:
    • গাছের উপর আগুন না দিয়ে, বা প্রয়োজনে নির্ধারিত পরিমাণে সার ব্যবহার করে গাছগুলির নিয়ন্ত্রণ করুন।
  8. প্রুনিং এবং ফলন পরিচর্যা:
    • অস্তিত্বের গাছের উপর প্রুনিং এবং ফলন পরিচর্যা করুন, যাতে গাছ সুস্থ এবং প্রফোলিয়ান্ট থাকে।
  9. মালিচা দেখখাল:
    • গাছে যে কোনও মালিচা অথবা অসুস্থ অংশগুলি সঠিকভাবে দেখখাল করুন এবং প্রয়োজনে সেগুলি উপযুক্তভাবে বিমুক্ত করুন।
  10. সচেতনতা এবং পর্যবেক্ষণ:
    • আপনার গাছের স্থিতি এবং অবস্থা পর্যবেক্ষণ করুন এবং যদি কোনও সমস্যা উঠে, তাদের জন্য সঠিকভাবে কর্মসূচি করুন।

টবের গাছের পরিচর্যা

অনেকে আবার নিজের ছাদে অথবা বেলকনিতে বা বাসা বাড়ির পাশেই টবে গাছের পরিচর্যা করতে চায়।টবের গাছের পরিচর্যা কিভাবে করবেন কয়েকটি মৌলিক বিষয় নিচে আলোচনা করছি –

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

  1. আলোকসঞ্চার আপত্তির সীমা:
    • টব গাছগুলির জন্য ভাল আলোকসঞ্চার সর্মিত করতে হবে। এগুলি সাধারিতভাবে আধুনিক বা আভিসারিক জড় দিতে পারে। তবে, তাদের আপত্তির সীমা রক্ষা করতে হবে, যাতে তাদের অতিরিক্ত আলো অথবা সুবিধার জন্য অত্যন্ত উচ্চ বা কম তাপমাত্রা হতে না পারে।
  2. পোটের মাধ্যমে জলসরস রাখা:
    • টব গাছের জন্য সঠিক জলসরস পরিমাণটি বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। পোটের মাধ্যমে প্রদান করা জলটি সকালের সময়ে হতে হবে এবং পোটে জল চড়ানো হতে হবে।
  3. মাটি এবং সান্ড:
    • সুস্থ গাছ পাওয়ার জন্য ভাল মাটি গুরুত্বপূর্ণ। এটি অধিকতর সহায়ক, সুরক্ষিত, এবং ভাল ড্রেনেজ সরবরাহ করতে পারে। টব গাছের জন্য ভাল মাটি তৈরি করতে হলে মিশ্রিত মাটি, কম্পোস্ট, এবং বালু ব্যবহার করা যেতে পারে।
  4. উর্ভর দান:
    • গাছের উর্ভর দান গুরুত্বপূর্ণ। মাধ্যমে একটি সঠিক উর্ভর দান দিয়ে গাছ পোষণ পাবে এবং উচ্চ ও সুন্দর ফুল এবং বৃক্ষ বা ডোম তৈরি করতে পারে।
  5. সহোদর দেখভাল:
    • টব গাছগুলির মধ্যে কোন অস্তির অথবা অস্বাভাবিক চেহারা দেখা গেলে তা দ্রুত শোধ করতে হবে। এটি গাছের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।
  6. প্রুনিং এবং শোধন:
    • অপ্রয়োজনে অপূর্ব দিকে শোধন এবং প্রুনিং করা হতে পারে যাতে গাছটি উচ্চ, সুন্দর এবং সুস্থ থাকে।

এগুলি মনে রাখতে এবং সচরাচর দেখভাল করতে হলে টব গাছগুলি সুস্থ এবং সুন্দর থাকতে পারে।

জবা ফুল গাছের পরিচর্যা

জবা ফুল গাছ প্রোপাগেট, বাংলাদেশ এবং ভারতের উত্তর পূর্ব অঞ্চলে বহুত সাধারিত একটি ফুল গাছ। এটি উচ্চ ও সোজা স্টেম এবং স্বচ্ছ সাদা ফুল দিয়ে চরম রূপে পরিচিত। এই ফুল গাছের যত্ন নেয়া বৃহত্তরভাবে উন্নত ফুল ও ফলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই ফুল গাছের পরিচর্যা করতে নিচের কিছু পদক্ষেপ অনুসরণ করা হতে পারে:

  1. স্থান বেছে নিন: জবা ফুল গাছের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করুন যেখানে পূর্ণ সূর্যালো এবং ভাল পানির সুবিধা থাকবে।
  2. মাটি পরিস্থিতি যাচাই করুন: জবা ফুল গাছের জন্য ভাল মাটি হলেও মাটির পরিস্থিতি প্রমুখ হতে হবে। মাটি স্যান্ডি না হোক, প্রচুর পরিমাণে সুস্থ কম্পোস্ট অথবা গোবর মিশে থাকতে হবে।
  3. সঠিক সীডিং বা প্রোপাগেটিং: জবা ফুল গাছ সীড বা প্রোপাগেট দিয়ে উৎপন্ন হয়। এটি আপনার জবা ফুল গাছ কে একটি সুস্থ শুরু দেবে।
  4. মাটি তৈরি করুন: জবা ফুল গাছের জন্য ভাল মাটি তৈরি করতে গোবর, কম্পোস্ট, এবং পানি মিশানো যেতে পারে।
  5. প্রচুর পানি প্রদান করুন: জবা ফুল গাছ ভাল জলের প্রয়োজন পায়, সুতরাং সজানো থাকতে হবে যে গাছটি প্রচুর পানি পাচ্ছে।
  6. উর্বর উপায়ে ফল দান করুন: জবা ফুল গাছের জন্য বাজারে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ফলদান কারখানা, যেমন কম্পোস্ট বা প্রজাতি উপযুক্ত সার।
  7. সজীব বৃদ্ধি নিয়ে মন্তব্য রক্ষা করুন: জবা ফুল গাছে সজীব বৃদ্ধি অনুভূত হতে হবে, তাদের সাথে অসমর্থ বা ক্ষতিকারক পদার্থ নিয়ে সাবধান থাকতে হবে।
  8. মালা ধরে দিন: উচ্চ জবা ফুল গাছের ক্ষেত্রে এটি প্রয়োজনে হতে পারে যেন গাছটি ঠিকমতো উঠে থাকে এবং ভালোভাবে বৃদ্ধি করতে পারে।
  9. রোগ প্রতিরোধ করুন: জবা ফুল গাছের উচ্চ পরিচর্যা নিয়ে নেওয়া হলে তা বিভিন্ন রোগ এবং কীটপতঙ্গের প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে।
  10. প্রতি বছর পুনর্নির্মাণ করুন: জবা ফুল গাছের জন্য প্রতি বছর সময় কাটিয়ে নতুন মাটি যোগ করতে এবং পুরানো বা আবহাওয়া আঘাতগুলি মোচন করতে পারেন।

এই পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে জবা ফুল গাছ সুস্থ এবং সুন্দর হতে পারে।

আম গাছের পরিচর্যা

আম গাছ অনেকেরই শখের পরিচিত একটি গাছ এবং ফল দেয় বলে আম গাছের গুরুত্ব বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে। তাই আপনারা যারা আম গাছের পরিচর্যা নিয়ে ভুগছেন তাদের জন্য নিচে কয়েকটি মৌলিক বিষয় আলোচনা করছি –

  1. আপনার গাছের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করুন:
    • গাছটির জন্য সঠিক জায়গা নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি গাছের প্রকৃতির আলো, তাপমাত্রা, ও আবহাওয়া মোতাবেক ভিন্ন হয়তে পারে।
  2. সঠিক মাটি এবং মাটির সাবস্ট্রেট ব্যবহার করুন:
    • প্রতিটি গাছের জন্য উপযুক্ত মাটি এবং সাবস্ট্রেট নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন গাছের জন্য বিভিন্ন মাটি প্রয়োজন হতে পারে।
  3. প্রয়োজনে সুস্থ জল প্রদান করুন:
    • গাছটির জন্য প্রতিদিন সুস্থ জল প্রদান করা গুরুত্বপূর্ণ। কিছু গাছ আধুনিক ফিল্টার করা জলের পরিচর্যা প্রয়োজন পারে।
  4. আপনার গাছের জন্য সূর্যের আলো সাবধানে নির্বাচন করুন:
    • প্রায় সব গাছ সূর্যের আলোতে ভাল থাকে। গাছটির জন্য সূর্যের আলোর প্রবাহ সঠিক করতে নিশ্চিত হোন।
  5. মাটির পাচার পরিচর্যা করুন:
    • গাছের মাটির পাচা পরিচর্যা করতে পারেন এবং যদি প্রয়োজন হয় কোনও কৃষি সাবস্ট্রেট বা খাদ্য যোগ করতে পারেন।
  6. নিয়মিত পোষণ প্রদান করুন:
    • আপনার গাছটির জন্য উপযোগী উর্ভর পোষণ প্রদান করা গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনার গাছের উন্নত ও সুস্থ বান্ধব করতে সাহায্য করতে পারে।
  7. অবাঞ্ছিত গাছগুলি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান করুন:
    • গাছের কোন অবাঞ্ছিত পোকা, ব্যাকটেরিয়া, বা অন্যান্য সমস্যা সম্পর্কিত সমস্যা দেখলে সঙ্গীত হবে। এই সমস্যাগুলি আসল হতে পারে গাছের স্বাস্থ্য ও বান্ধব প্রভাবিত করতে পারে।

এই সাধারিত পদক্ষেপগুলি মাত্র একটি সাধারিত গাছের পরিচর্যার জন্য। কিছু বিশেষ গাছে কিছু বিশেষ পরিচর্যা প্রয়োজন হতে পারে, তাদের প্রয়োজন মেয়াদ নিন।

বেলফুল গাছের পরিচর্যা

বেলফুল গাছের পরিচর্যা করতে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করতে পারেন:

  1. উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করুন:
    • বেলফুল গাছগুলির জন্য সুন্দর এবং সুস্থ জমি প্রয়োজন। ভাল ড্রেনেজ সিস্টেম এবং পুরো দিনে সুন্দর আলো প্রদান করার জন্য স্থান নির্বাচন করুন।
  2. উপযুক্ত মাটি ব্যবহার করুন:
    • বেলফুল গাছের জন্য মৃদুল, সেমিলোম মাটি অথবা মাটির সংমিশ্রণ ব্যবহার করা উচিত।
  3. সুস্থ জল প্রদান করুন:
    • বেলফুল গাছগুলি সুস্থ জলের প্রয়োজন রয়েছে। প্রতি সপ্তাহে ধীরে ধীরে পানি প্রদান করুন, সাপ্তাহিক প্রদানে বিশেষভাবে মাটি সোয়াকর হতে হবে।
  4. পোষণ প্রদান করুন:
    • বেলফুল গাছগুলির জন্য উচ্চ পোটাশিয়াম, ফসফোরাস এবং নাইট্রোজেন উচ্চ মাত্রায়ে পোষণ প্রদান করা গুরুত্বপূর্ণ। মৌসুম অনুযায়ী পোষণ করতে হবে।
  5. সুস্থ গাছ পার্থক্য করুন:
    • গাছের পাতাগুলি এবং কোনও অসুস্থ অংশ দেখা গেলে তা তোলে ফেলুন যাতে গাছটি সুস্থ থাকতে পারে।
  6. প্রতিদিনের সাথে সুস্থ আলো প্রদান করুন:
    • বেলফুল গাছগুলি সূর্যের আলোর প্রয়োজন রয়েছে, একদিনে অবশ্যই কিছু সময় সূর্যের আলো পান দেয়া গুরুত্বপূর্ণ।
  7. মূল্যায়ন করুন এবং সমস্যাগুলি নিজে হতে দেখুন:
    • গাছের পাতাগুলি, ফুল, এবং শাখা সম্পর্কে মূল্যায়ন করুন এবং যদি কোনও সমস্যা দেখা যায়, তা সমাধান করুন।
  8. অবাঞ্ছিত গাছগুলি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান করুন:
    • বেলফুল গাছগুলিতে যেকোনও অবাঞ্ছিত পোকা, কীট, ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য সমস্যার সাথে মোকাবিলা করুন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য – উপরের তথ্যগুলো সব কিছু অনলাইন থেকে সংগ্রহীত। তাই ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

আপনার জন্য আরো 

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪৯২ other subscribers

SANAUL BARI

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমি মো:সানাউল বারী।পেশায় আমি একজন চাকুরীজীবী এবং এই ওয়েবসাইটের এডমিন। চাকুরীর পাশাপাশি গত ১৪ বছর থেকে এখন পর্যন্ত নিজের ওয়েবসাইটে লেখালেখি করছি এবং নিজের ইউটিউব এবং ফেসবুকে কনটেন্ট তৈরি করি।
বিশেষ দ্রষ্টব্য -লেখার মধ্যে যদি কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে অবশ্যই ক্ষমার চোখে দেখবেন। ধন্যবাদ।