বঙ্গবন্ধু কে ছিলেন? কোথাই থেকে এসেছেন?

পঞ্চান্ন বছরের যাপিত জীবন ছিল বঙ্গবন্ধুর,  জীবনের দৈর্ঘ্যরে চেয়ে তার কর্মের প্রস্থ ছিল অনেক বেশি। এক নজরে দেখে নেওয়া যেতে পারে বঙ্গবন্ধুর জীবনকাল।

বঙ্গবন্ধুর জীবনী ইতিহাস

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার (বর্তমানে জেলা) টুঙ্গিপাড়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ছন্দ

‘যতকাল রবে পদ্মা যমুনা গৌরী মেঘনা বহমান ততকাল রবে কীর্তি তােমার শেখ মুজিবুর রহমান’

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে উক্তি

আমি হিমালয় দেখিনি কিন্তু শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব এবং সাহসিকতায় তিনিই হিমালয়। – ফিদেল কাস্ত্রো

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি হে ক্ষণজন্মা নেতা, তোমার জন্যই পেয়েছি মোরা প্রাণের স্বাধীনতা। তুমি না হলে বাংলাদেশ হতোনা হে চিরঞ্জীব নেতা, তাই বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ একই সুতোই গাঁথা

আমি সেইদিন হব শান্ত যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না

সাহসে, স্নেহে, ভালোবাসায়, মমতায়, দুর্বলতায়, আপামোর বাঙালির স্বপ্নদ্রষ্টা, প্রতিবাদী সত্ত্বায়। তুমি থাকবে বাঙালির হৃদয়ে, অস্তিত্বে বহমান, শ্রদ্ধাভরে স্মরিব তোমায় শেখ মুজিবুর রহমান

কোনো জেল জুলুমই কোনোদিন আমাকে টলাতে পারেনি, কিন্তু মানুষের ভালবাসা আমাকে বিব্রত করে তুলেছে – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

Heart
Heart
Heart
Heart
Heart

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন ভাগ্যাহত বাঙালি জাতির মুক্তির অকুতােভয় অগ্রদূত। তাঁর বলিষ্ঠ ও সাহসী নেতৃত্বেই ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। আর তাইতাে বলা যায়, ব্যক্তি মুজিবের মৃত্যু হলেও মুজিবাদর্শের মৃত্যু নেই।

এক নজরে দেখে নেওয়া যেতে পারে বঙ্গবন্ধুর জীবনকাল।

এক নজরে দেখে নেওয়া যেতে পারে বঙ্গবন্ধুর জীবনকাল।