স্ট্রোকের লক্ষণ এবং স্ট্রোক প্রতিরোধে করণীয় (বাঁচতে হলে জানতে হবে)

স্ট্রোকের লক্ষণ –বিশ্বের প্রতি 6 সেকেন্ডে একজন স্ট্রোকে মারা যাচ্ছেন। এইসব আক্রান্ত ব্যক্তির কেউ হতে পারে আপনার মা-বাবা ভাই-বোন নিকট আত্মীয় এমন কি আপনি নিজেও। মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোক। যেমন ব্যাক্তিগত সামাজিক ও পারিবারিক সমস্যা একই সঙ্গে অনেক মানুষ হারাচ্ছে তাদের কর্ম ক্ষমতা হচ্ছে প্রচুর অর্থ ব্যয়।

সুতরাং স্ট্রোক জাতীয় ও বিশ্বজনীন সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।স্ট্রোক কে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় সেরিব্রভাসকুলার অ্যাক্সিডেন্ট বলা হয়ে থাকে। স্ট্রোক একটি আকস্মিক রোগ যা যেকোনো সময় সুস্থ অবস্থাতেও মৃত্যু ঘটাতে পারে। তাই স্ট্রোকের সমস্যা থেকে বাঁচতে হলে অবশ্যই এই রোগের প্রতিরোধ ব্যবস্থা সম্পর্কে জেনে রাখা উচিত।

স্ট্রোকের লক্ষণ এবং স্ট্রোক প্রতিরোধে করণীয়
স্ট্রোকের লক্ষণ এবং স্ট্রোক প্রতিরোধে করণীয়

সম্মানিত ভিজিটর বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতু। আশা করছি সকলে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। স্ট্রোক সমস্যা মারাত্মক একটি ব্যাধি যা অচিরেই মৃত্যুর কারণ হতে পারে। স্ট্রোকের সমস্যায় প্রতিদিন বহু মানুষ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।তাই এই রোগের লক্ষণ এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা সম্পর্কে আমাদের সকলের অবগত থাকা উচিত।

এ কথা মাথায় রেখে আজকে আমি আপনাদের জন্য এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা আর্টিকেলে তুলে ধরার চেষ্টা করব। আমাদের আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনারা জানতে পারবেন স্ট্রোকের লক্ষণ এবং প্রতিরোধ করতে করণীয় গুলো কি কি।তাই আর দেরি না করে চলে যাব আমাদের আজকের মূল আলোচনায়। আশা করছি আমাদের পুরো আলোচনা জুড়ে থাকবেন সাথে।

স্ট্রোক কি

স্ট্রোক কে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় সেরি ব্রোভাসকুলার এক্সিডেন্ট। সেরিব্রাল অর্থাৎ মস্তিষ্ক ভাস্কুলার অর্থ রক্তনালী এবং এক্সিডেন্ট মানে দুর্ঘটনা।সুতরাং মস্তিষ্কের রক্তবাহীর নালীর দুর্ঘটনাকেই স্ট্রোক বলা যায় আমাদের দেশে প্রচলিত একটি ধারণা আছে যে স্ট্রোক হৃদপিন্ডের রোগ। বাস্তবে একথা মোটেও সত্য নয়। স্ট্রোক সম্পূর্ণ মস্তিষ্কের রক্তনালীর জটিলতা জনিত রোগ। মস্তিষ্কেররক্তবাহী নালীর দুর্ঘটনা কেই স্ট্রোক বলা যায়। এই দুর্ঘটনায় রক্তনালী বন্ধ হতে পারে। আবার ফেটেও যেতে পারে। এই রোগ সম্পর্কে সচেতন করতে প্রতিবছরের ২৯ অক্টোবর পালিত হয় বিশ্ব স্ট্রোক দিবস।

স্ট্রোক হওয়ার কারণ

স্ট্রোক বিভিন্ন কারণে হতে পারে। পারিবারিক সামাজিক বিভিন্ন কারণে যদি কেউ মানসিক চাপে ভোগে সেক্ষেত্রে আস্তে আস্তে স্ট্রোকের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। স্ট্রোকের কিছু কারণ হলো-

১) উচ্চ রক্তচাপ।

২) বেশি পরিমাণে কোলেস্টরেল।

৩) ধূমপান করা।

৪) স্থূলতা।

৫) মদ্যপান করা।

৬) পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যা।

৭) অতিরিক্ত টেনশন করা।

৮) হৃদরোগের সমস্যা।

৯) ডায়াবেটিস থাকলে।

১০) স্ট্রোকের পারিবারিক ইতিহাস।

১১) অতিরিক্ত মোটা হওয়া।

১২) অতিমাত্রায় কোমল পানিও গ্রহণ।

১৩)বিভিন্ন ঔষধ যা রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমিয়ে দেয় যেমন এসপিরিন ক্লোপিডগ্রেল প্রভৃতি ব্যবহারে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হতে পারে।

স্ট্রোকের লক্ষণ

মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ কিংবা আঞ্চলিকভাবে রক্ত চলাচল বন্ধ হওয়া এই দুই অবস্থায় স্ট্রোকের আওতায় আসে। রোগীরা দুই অবস্থাতেই প্রায় একই ধরনের উপসর্গ বা লক্ষণ নিয়ে আসতে পারে। তবে রোগীর অবস্থা কতটা খারাপ তা নির্ভর করে মস্তিষ্কের অঞ্চল সমূহের কোন এলাকায় রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটলে তার ওপর। কতটা এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হলো এবং কত দ্রুত এই অঘটন ঘটে থাকে তার ওপর।

পেপটিক আলসার বা গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

সাধারণত যেসব উপসর্গ দেখা যায় স্ট্রোকের ক্ষেত্রে সেগুলো হচ্ছে

১) মাথা ঘুরানো।

২) হাঁটতে অসুবিধা হওয়া।

৩) ভারসাম্য রক্ষায় অসুবিধা হওয়া।

৪) কথা বলতে সমস্যা হওয়া।

৫) শরীর অবশ হয়ে যাওয়া।

৬) অনেক বেশি দুর্বলতা অনুভব করা।

৭) শরীরের একপাশে অকেজো হয়ে যাওয়া।

৮) চোখে ঘোলা লাগা।

৯) অন্ধকার লাগা বা ডাবল দেখা।

১০) হঠাৎ মাথায় খুব ব্যথা অনুভব করা।

স্ট্রোকের রোগ নির্ণয়ের উপায়

মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণজনিত স্ট্রোক একটি ভয়ানক জরুরি অবস্থা এবং তা যদি মস্তিষ্কের অতীব গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ঘটে তবে তা দ্রুত রোগীর জীবনাবসানের কারণ হয়। অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ, বহুমূত্র, মাথায় তীব্র আঘাত ছাড়াও কতিপয় জন্মগত কারণ যেমন ধমনীর দেয়ালের দুর্বল অংশ ফেটে যাওয়া, ধমনী শিরার ভেতর আসাভাবিক সংমিশ্রম ইত্যাদি থেকে রক্ত ক্ষরণ সচরাচর ঘটে থাকে।

রোগ নির্ণয় করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা অতীব জরুরি। কেননা মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের পরকোষগুলো ফুলে উঠতে শুরু করে। মস্তিষ্ক করোটি বা স্কাল চারিধার থেকে প্রায় বদ্ধবিধায় আক্রান্ত মস্তিষ্ক দ্রুত জটিলতার শিকার হয়। মস্তিষ্ক হারনিয়েশন‌ হচ্ছে এর অবশ্যম্ভাবে পরিণতি অর্থাৎ দুর্বল অংশ গলিয়ে মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বের হয়ে আসে এবং রোগী দ্রুত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

ম্যালেরিয়া রোগের লক্ষণ কারণ এবং চিকিৎসা

ধমনী বা শিরাবাহিত জমাট বাধার হৃদপিণ্ড মস্তিষ্কে কোন এলাকায় রক্ত সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটালে জন্ম নেয় অপরপ্রকার স্ট্রোক। রক্ত চলাচল শূন্য অকার্যকর মস্তিষ্ক বা সেরিব্রাল ইনফারকশন এক্ষেত্রেও রোগ নির্ণয় দ্রুত প্রয়োজন। জমাট বাধার রক্ত অম্বুর কে দ্রুত ভেঙে ফেলা সম্ভব এবং এজন্য সল্য চিকিৎসক মাত্র তিন থেকে ছয় ঘন্টা সময় পান।

স্ট্রোক নির্ণয় পরীক্ষা

স্ট্রোক নির্ণয় করতে বিভিন্ন রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হয়। চিকিৎসকরা এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে স্ট্রোকের জন্য রোগীকে সেবা দিয়ে থাকেন। চলুন জেনে নেই স্ট্রোক নির্ণয় করার পরীক্ষা সম্পর্কে-

শারীরিক পরিমাপ

ব্লাড প্রেসার মাপা, রক্তে কোলেস্টরেল মাপা, ডায়াবেটিকস মাপা, অ্যামাইনো এসিড মাপা।

আল্ট্রা সাউন্ড

ঘাড়ের আর্টারির ছবি নিয়ে দেখা যায় যে কোথাও রক্তনালীর সরু কিংবা বন্ধ হয়ে গেছে কিনা।

আর্টেরিওগ্রাফি

রক্তনালীতে এক ধরনের রং প্রবেশ করিয়ে এক্সরে করানো, এতে রক্ত চলাচলের একটা ছবি পাওয়া যায়।

সিটি স্ক্যান

সিটি স্ক্যান করে মস্তিষ্কের থ্রিডি স্ক্যান করা যায়।

এমআরআই

চুম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে দেখার চেষ্টা করা হয় যে মস্তিষ্ক কলার কোন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা।

ইকো কার্ডিওগ্রাফি

ইকু কার্ডিওগ্রাফিতে আল্ট্রাস সাউন্ড ব্যবহার করে হৃদপিন্ডের একটি ছবি তুলে দেখা হয় কোন জমাট রক্ত বুদবুদ কিংবা অন্য কিছু রক্ত চলাচল বন্ধ হয়েছে কিনা।

স্ট্রোকের সমস্যা প্রতিরোধে উপায়

স্ট্রোকের সমস্যার প্রতিরোধই এর প্রতিকার। তাই স্ট্রোক এর সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এর প্রতিরোধ অত্যন্ত জরুরী। আমরা জেনে নেই স্ট্রোকের সমস্যা প্রতিরোধ করতে করণীয় কি;

*ব্লাড প্রেসার জানা এবং কন্ট্রোল করা।

*ধূমপান না করা।

*কোলেস্টরেল এবং চর্বি জাতীয় খাবার না খাওয়া।

*নিয়মমাফিক খাবার খাওয়া।

*সতর্কভাবে ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণ করা।

*নিয়ম করে হাটা বা হালকা দৌড়ানো।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

*দুশ্চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করা।

*মাদক না নেওয়া, মদ্যপান না করা।

*নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা।

*চর্বি ও শর্করাযুক্ত খাবার থেকে বিরত থাকা।

স্ট্রোকের এক তৃতীয় অংশে অত্যন্ত বিপদজনক। মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের ফলে মৃত্যুর হার ৫০ শতাংশ। প্রথম ৪৮ ঘণ্টা ধীরে ধীরে রক্তক্ষরণ হয়ে থাকে। পরে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়ে যায়। ৬০ বছরের বেশি বয়সের মানুষের মধ্যে স্ট্রোক মৃত্যুর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কারণ। বিশ্বের প্রতি ছয়জনে একজন এবং প্রতিচ্ছই সেকেন্ডে কোথাও না কোথাও কেউ স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছে। প্রতি বছর বিশ্ব জুড়ে প্রায় ৬০ লাখ মানুষ স্ট্রোকে মারা যায় এবং এই সংখ্যা এইডস ম্যালেরিয়া ও টিবির সম্মিলিত মৃত্যুর সংখ্যা থেকে অনেক বেশি। তাই অবশ্যই স্ট্রোক রোগকে প্রতিরোধ করা উচিত।

হঠাৎ করে স্ট্রোক হলে কি করতে হবে

হঠাৎ করে কোন ব্যক্তি যদি স্ত্রোক করে তাহলে যে কাজগুলো প্রাথমিকভাবে করা উচিত সেগুলো হচ্ছে;

*রোগীকে কাত করে শুয়ে দিবেন।

*এ অবস্থায় কোন খাবার বা ওষুধ মুখে দিবেন না। কারণ এগুলো শ্বাসনালীতে ঢুকে আরো ক্ষতি করে।

*মুখে জমে থাকা লালা বমি সুন্দর করে পরিষ্কার করে দিতে হবে।

*টাইট জামা কাপড় ঢিলা করে দিন।

*হাসপাতালে যাওয়ার সময় খেয়াল করে রোগীর আগের চিকিৎসা ফাইল সঙ্গে নিয়ে নিন।

স্ট্রোক রোগ থেকে দূরে থাকতে করণীয়

স্ট্রোক  থেকে দূরে থাকতে যেসব করণীয় কাজগুলো তাকে ভালো রাখবে সেগুলো সম্পর্কে জেনে নিন-

১) নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে (কমপক্ষে ৪৫ মিনিট হাটবেন)। ব্যায়াম করে কয়েক কেজি বাড়তি ওজন ঝেড়ে ফেলা উচিত।

২) যেকোনো পরিবেশে হাসিখুশি থাকুন।

৩) দুশ্চিন্তা দূরে সরিয়ে রাখুন।

৪) বেশি বেশি শাক-সবজি খান।

৫) ভাত অল্প পরিমাণে খাবেন।

৬) পাঙ্গাস চিংড়ি কাকরাবাদে যে কোন মাছ খেতে পারেন।

৭) বাচ্চা মুরগি খাওয়ার চেষ্টা করবেন।

৮) ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন।

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমান

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। এ সমস্ত কাজকে না বলতে হবে। জেনে নিন কাজগুলো কি;

১) ধূমপান জর্দা তামাক বা গুলকে না বলুন।

২) চর্বি ও শর্করাযুক্ত খাবারকে না বলুন।

৩) ফাস্টফুড বাদাম খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৪) অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা কমিয়ে ফেলুন।

৫) মনকে ভালো রাখতে চেষ্টা করুন শরীর ভালো থাকবে।

৬) একা না থেকে সবার সাথে মিশে কথা বলুন মনের ভাব প্রকাশ করুন।

৭) সন্দেশ রসগোল্লা জাতীয় মিষ্টি, দুধ, ঘি, পোলাও, বিরিয়ানি,পাঙ্গাস, চিংড়ি, কাকড়া, গরু বা খাসির মাংস, নারিকেল বা নারিকেল যুক্ত খাবার, ডিমের কুসুম প্রভৃতি রসনাযুক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

স্ট্রোক হলে আক্রান্ত এলাকার মস্তিষ্ক কোষের বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন প্রভৃতি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। দ্রুত চিকিৎসায় প্রচ্ছায়া বলয়কে রক্ষা করা সম্ভব হয়। তাই স্ট্রোক হওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসকের নিকট পৌঁছানো উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

স্ট্রোক কি হৃদপিন্ড জনিত রোগ?

উত্তর: স্ট্রোক মোটেই হৃদপিণ্ড জনিত রোগ নয়। স্ট্রোক সম্পূর্ণই মস্তিষ্কের রক্তনালীর জটিলতা জনিত রোগ।

প্রতি বছর কত তারিখে স্ট্রোক দিবস পালিত হয়?

উত্তর: বিশ্ব সচেতনতার জন্য প্রতিবছর ২৯ অক্টোবর পালিত হয় বিশ্ব স্ট্রোক দিবস।

কোন বয়সে স্ট্রোকের সমস্যা বেশি হয়?

উত্তর: ৬০ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তিদের স্ট্রোকের সমস্যা বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

শেষ কথা

সম্মানিত পাঠক পাঠিকা বন্ধুরা আমাদের আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি স্ট্রোকের লক্ষণ এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা সম্পর্কে। আপনারা এতক্ষণ আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ে নিশ্চয়ই এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। আমাদের ওয়েবসাইটে আরও বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল পেতে অবশ্যই নিয়মিত ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন। কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদের কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। আর অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন এবং আমাদের সাথে থাকবেন। আজকের মতো বিদায় নিচ্ছি। সকলে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।

পোস্ট ট্যাগ-

মিনি স্ট্রোক এর লক্ষণ,স্ট্রোক হলে করনীয়,ব্রেইন স্ট্রোক এর লক্ষণ,স্ট্রোকের পূর্ব লক্ষণ,ব্রেন স্ট্রোক রোগীর খাবার তালিকা,ব্রেন স্ট্রোক কিভাবে হয়,ব্রেন স্ট্রোক হলে কি করনীয়,স্ট্রোকের কারণ।

আপনার জন্য আরো 

আপনার জন্য-

অ্যাজমা রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা 

থাইরয়েড রোগ থেকে মুক্তি পেতে করণীয়

চর্মরোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার কার্যকারী চিকিৎসা

যক্ষা বা টিবি রোগের লক্ষণ

ক্যান্সার রোগের যেসব লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না

শ্বেতী রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে জেনে নিন

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪৯২ other subscribers

 

প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এখানে ক্লিক করুন।
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে :এখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।

SS IT BARI- টুইটার থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- লিংকদিন থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- ইনস্টাগ্রাম থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- টুম্বলার (Tumblr)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে :এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- পিন্টারেস্ট (Pinterest)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS It BARI JOB NEWS

SS IT BARI-ভালোবাসার টেক ব্লগ টিম