জলাতঙ্কের লক্ষণ এবং টিকা (মরণব্যাধি) – জলাতঙ্কে আক্রান্ত মানুষের লক্ষণ

জলাতঙ্কের লক্ষণ-জলাতঙ্ক মূলত একটি ভাইরাসজনিযত মরণব্যাধি। বিভিন্ন প্রাণীর কামড়ে থেকে এই জলাতঙ্কের সূত্রপাত ঘটে। সাধারণত গরম রক্ত বিশিষ্ট প্রাণী যদি কোন ব্যক্তিকে কামড় দেয় তাহলে তার জলাতঙ্কের মতো সমস্যা হতে পারে। জলাতঙ্ক একটি অত্যন্ত মারাত্মক রোগ। বাংলাদেশের জলাতঙ্ক প্রতিরোধে টিকা প্রদান করা হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এই টিকা নিতে হয়।

জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। সম্মানিত ভিজিটর বন্ধুরা আমাদের ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে আপনাদের সকলকে আজকের আর্টিকেলে জানাচ্ছি স্বাগতম।আমাদের আজকের আর্টিকেলের মূল বিষয়বস্তু হলো জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ এবং টিকা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা।

জলাতঙ্কর রোগ সম্পর্কে অনেকেই জানেন কিন্তু এর লক্ষণ কিংবা কেন এই রোগের টিকা প্রদান করা হয় সেই সম্পর্কে হয়তো অনেকের ধারণা নেই। যারা এই সম্পর্কে জানতে চান আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত পড়বেন। আশা করছি আপনাদের আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে এই সম্পর্কে একটি ভালো ধারণা দিতে পারব।

জলাতঙ্ক রোগ কি

জলাতঙ্ক মূলত একটি ভাইরাস জনিত মরণব্যাধি। এর ইংরেজি নাম রা রেবিশ। এটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ পাগলামি করা। জলাতঙ্ক আক্রান্ত পশু বা রোগীর আচরণ থেকেই এ নামকরণ এর সূত্রপাত।সাধারণত কুকুর বিড়াল শিয়াল বেজি বানর চিকা ইত্যাদির গরম রক্ত বিশিষ্ট প্রাণী জলাতঙ্কের বাহক। জলাতঙ্ক আক্রান্ত যেকোনো প্রাণীর কামর আঁচর এমনকি এদের লেহনেও জলাতঙ্ক রোগ হতে পারে। বাংলাদেশের জলাতঙ্ক রোগের মূল কারণ জলাতঙ্ক আক্রান্ত কুকুর।

বাত ব্যাথির কারণ এবং ঝুঁকি সমূহ

এই রোগের লক্ষণ পানি দেখলেই ভয় পাওয়া‌।পানি খাওয়া বা পান করার সময় খাদ্যনালির অর্ধ ভাগের মাংসপেশীতে ব্যথা সহ তীব্র সংকোচন হতে পারে। এজন্যই এর নাম জলাতঙ্ক। এই জলাতঙ্কে আক্রান্ত হলে কুকুর এবং মানুষ উভয়েরই মৃত্যু অনিবার্য একটু সচেতন হলেই এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

জলাতঙ্ক আক্রান্ত প্রাণীর লক্ষণ

জলাতঙ্কে আক্রান্ত প্রাণী উন্মাদের মতো সবাইকে এবং সবকিছু কামড়ানোর প্রবণতা থাকে উদ্দেশ্যহীন ভাবে ছোটাছুটি করে। এছাড়াও জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হলে প্রাণীর কি কি লক্ষণ দেখা দেয় নিম্নে তা আলোচনা করা হলো-

১) মুখ থেকে অত্যধিক লালা নিঃসৃত হওয়া।

২) ঘনঘন ঘেউ ঘেউ বিড় বিড় শব্দ করা।

৩) এক পর্যায়ে গলার মাংসপেশিতে পক্ষাঘাত হওয়াতে ঘেউ ঘেউ করতে না পারা।

৪) হাফ টেনে শ্বাস নেওয়া।

ক্ষেত্রবিশেষে এমন রোগে আক্রান্ত প্রাণীর মধ্যে উত্তেজনা ভাব প্রকাশ না পেয়ে চুপচাপ থাকতে পারে এবং গৃহের কোন এক কোণে ঘুমায় অনেক দিনে আক্রান্ত হলে।

জলাতঙ্কে আক্রান্ত মানুষের লক্ষণ

রুপটি সুপ্তা অবস্থায় মানুষের শরীরে থাকে এক মাস থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত। এতে আক্রান্ত মানুষ অন্য আক্রান্ত প্রাণীর মতো অন্য মানুষকে কামড়াতে চায় পানি দেখলে ভয় পায়। পানি পান করতে পারে না এবং শ্বাসকষ্ট হয় মুখ থেকে লালা পরে।

জল আতঙ্ক আক্রান্ত মানুষের লক্ষণগুলো হল-

১) কামড়ের জায়গায় ব্যথা ও চিনচিন করে।

২) জ্বর, ঢোক গিলতে ব্যথা ও খিচুরি হয়।

৩) পানি খেতে চায় না, পানি দেখলে ভয় পায়।

৪) খুব ঘন চটচটে লালা ঝরে।

৫) শান্ত থাকতে থাকতে হঠাৎ রেগে যায়।

৬) পরে রোগী অজ্ঞান হয়ে যায় এবং পক্ষাঘাত দেখা যায়।

কুকুর কামড়ানোর ১০ দিন পর (সাধারণত তিন থেকে সাত সপ্তাহের মধ্যে) জলাতঙ্কের প্রথম লক্ষণ গুলো দেখা দেয়। লক্ষণ প্রকাশের পূর্বে চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

জলাতঙ্ক আক্রান্ত কুকুরের লক্ষণ

*জলাতঙ্ক রোগে কোন কুকুর আক্রান্ত হলে পাগলের মত আচরণ করা শুরু করে।

*সামনে মানুষ বা পশু যাকেই পায় তাকেই কামড়াতে চেষ্টা করে।

*সর্বক্ষণ ঘেউ ঘেউ করে।

*মুখ দিয়ে লালা পরে। লালার সাথে জীবাণু নির্গত হয়।

*কুকুরটি খাওয়া বন্ধ করে দেয় এবং নিস্তেজ হয়ে পড়ে এবং কয়েক দিনের মধ্যে মারা যায়।

কুকুর বা অন্য কোন পশু কামড়ালে দিশেহারা না হয়ে কুকুরটিকে ঘেরাও করে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

জলাতঙ্কের টিকা

জলাতঙ্ক নিয়ে ভয় নেই ১৪ ইঞ্জেকশন এর দিনও শেষ। এখন জলাতঙ্ক রোগের জন্য ভ্যাকসিন দিয়ে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। জলাতঙ্ক রোগের টিকা হল-

এন্টি রেবিস ভ্যাকসিন রাবিপোর

কুকুর কামড়ালে নাভির চারদিকে চরম কষ্টদায়ক সেই 14 ইঞ্জেকশন দেওয়ার দিন আর এখন নেই। নেই তিন থেকে দশ হাজার টাকা মূল্যের দুর্লভ সেই ভেক্সিন সংগ্রহের জন্য পৌরসভায় দৌড় ঝাঁপ আর তদবীর করার দিনও। কুকুরে কামড়ানো মানুষের পেটে কুকুরের বাচ্চা হওয়ার গুজবও নেই। আতঙ্ক নেই জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু যন্ত্রণারও। দেশের 64 জেলাতেই এখন খুব সহজে বিনামূল্যে পাওয়া যাচ্ছে কুকুর কামড়ানোর সেই দুর্লভ এন্টি রেবিস ভ্যাকসিন রাবিপোর।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

এ যেন এখন অনেকটাই ডাল ভাত।প্রয়োজন শুধু একজন চিকিৎসকের একটি প্রেসক্রিপশন। অথচ মাত্র কবছর আগেও কুকুরের কামড়ানোর রোগী ও তার অভিভাবককে এই ভ্যাকসিন সংগ্রহ নিয়ে কতটাই না ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। মজার বিষয় চিকিৎসা সেবায় বর্তমান সরকারের এই এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হলেও নগর মন্দরের অনেক অসচেতন মানুষ এখনো জানে না সরকারের এই সাফল্যের কথা। তাই তো কুকুর কামড়ালে এখনো তারা ছুটছেন মেডিকেল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কিংবা পৌরসভায়।

জলাতঙ্ক রোগের কারণ

জলাতঙ্ক রোগের জন্য দায়ী রেবিস নামক এক ধরনের ভাইরাস।এই ভাইরাসটি যখন কোন কুকুর বাঘ ক্যারিস গোত্রের প্রাণীর মধ্য প্রবেশ করে তখন প্রাণীটি কিছু দিনের মধ্যে তার মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে অর্থাৎ প্রাণীটি পাগলা হয়ে যায়। আবার যদি এই প্রাণীটি কোন মানুষকে কামড়ায় তাহলে ভাইরাসটি সেই ব্যক্তি দেহে প্রবেশ করে ও বিভিন্ন অস্বাভাবিক লক্ষণ এর প্রকাশ ঘটায়। যেমন পেটে ব্যথা গোসল করতে অনিহা ভাব, জ্বর শরীরের পেশি টান, অতিরিক্ত থুতু বের হওয়া এবং এর প্রধান লক্ষণ হলো পানি বা কোন তরল দেখে আতঙ্কিত হওয়া।

জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধ

*পোষা কুকুর বিড়ালকে জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া উচিত।

*যাদের পশু কামড়ানো সম্ভাবনা বেশি অর্থাৎ পশু ডাক্তার, পশু ব্যবসায়ী, পশু পালক তাদের আগে থেকেই টিকা নেওয়া উচিত।

*জলাতঙ্ক রোগাক্রান্ত প্রাণী কামড় দিলে বা সন্দেহ হলে টিকা নিতে হবে এবং কামড়ানোর স্থানটি দ্রুত ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

*ওষুধ সেবনও ব্যবহারের ক্ষেত্রে রেজিস্টার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

জলাতঙ্ক রোগে করণীয়

*যেসব প্রাণী আচর বা কামড়ে জলাতঙ্ক হয় যেমন কুকুর বেড়াল শিয়াল প্রভৃতি থেকে সাবধান থাকা এবং তাদের সংস্পর্শে না আসা। বিশেষ করে বাচ্চাদের দূরে রাখা।

*গৃহপালিত কুকুর বিড়ালকে নিয়মিত টিকা দেওয়া।

*রাস্তায় বেয়ারিশ‌ টিকা না দেওয়া কুকুর বিড়াল মেরে ফেলার ব্যবস্থা করা।

*কুকুরে না কামড়ালেও আগে থেকে টিকা দেওয়া যায়। ০,৭,২১ অথবা ২৮ তম দিনে থেকে চারটি টিকা দিতে হবে। টিকা দেওয়ার প্রথম দিনকে ০ ধরতে হবে। সবাই এ টিকা নিতে পারে।

*কুকুর কামড়ালে ক্ষতস্থান সাবান পানি দিয়ে অন্তত 10 মিনিট ধরে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।এরপর দিতে হবে প্রভিডন আয়োডিন। ক্ষতস্থান ব্যান্ডেজ কাপড় বা অন্য কিছু দিয়ে কখনো ঢাকা যাবেনা।

*জলাতঙ্ক রোগ হতে পারে এমন কুকুর বা অন্য পশু কামর বা আঁচড় দিলে সঙ্গে সঙ্গে টিকা নেওয়া উচিত। ০,৩,৭,১৪,২৮ তম দিনে টিকা দিতে হয়।আগে বলা হতো কোন কুকুর কামড়ালে সেই কুকুরকে দশ দিন পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং 10 দিনের মধ্যে কুকুরটি মারা না গেলে টিকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এখন সেই ধারণা সত্য নয় বলে প্রমাণিত হয়েছে।সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ৫০০ জন জলাতঙ্ক রোগীর মধ্য গবেষণা করে দেখা গেছে এর মধ্যে ৭৫ জনের ক্ষেত্রেই দায়ী কুকুরগুলো দীর্ঘদিন জীবিত ছিল।

তাছাড়া সম্পূর্ণ সুস্থ কুকুর ও জলাতঙ্কে জীবাণু বয়ে বেড়াতে পারে। বিশিষ্ট ভাইরালোজিস্ট অধ্যাপক নজরুল ইসলাম সম্পূর্ণ সুস্থ পাঁচটি কুকুর মেরে সেগুলোর মস্তিষ্ক পরীক্ষা করে দেখেছেন প্রতিটির মধ্যে নেগরি বডি রয়েছে যা ভাইরাসের উপস্থিত প্রমাণ করে সুতরাং বাইরে থেকে আপাত সুস্থ দেখতে কুকুরের মধ্যেও জলাতঙ্কের জীবাণু থাকতে পারে। তাই কুকুর কামড়ালে দেরি না করে টিকা নেওয়া উচিত।

কুকুর কামড়ালে জলাতঙ্ক রোগের টিকা কত দিনের মাথায় নিতে হয়?

উত্তর: সাধারণত কুকুর কামড়ালে জলাতঙ্ক রোগের টিকা০,৩,৭,১৪,২৮ তম দিনে টিকা দিতে হয়।

জলাতঙ্ক কি মৃত্যুর কারণ?

উত্তর: জলাতঙ্ক মূলত একটি ভাইরাসজনিত মরণব্যাধি।

জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিনের নাম কি?

উত্তর: কোন প্রাণীর কামড় থেকে জলাতঙ্ক রোগের সৃষ্টি হলে সেই রোগের ভ্যাকসিন হলো রাবিপোর।

শেষ কথা

সম্মানিত পাঠক পাঠিকা বন্ধুরা আমাদের আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ এবং টিকা সম্পর্কে। আপনারা এতক্ষণ আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ে নিশ্চয়ই এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। আমাদের ওয়েবসাইটে আরও বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল পেতে অবশ্যই নিয়মিত ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন। কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদের কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। আর অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন এবং আমাদের সাথে থাকবেন। আজকের মতো বিদায় নিচ্ছি। সকলে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।

[বিশেষ দ্রষ্টব্য: উল্লেখিত সকল তথ্যগুলো সম্পূর্ণ ইন্টারনেট নির্ভর। কোথাও ভুল ত্রুটি থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।]

পোস্ট ট্যাগ

বিড়ালের জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ,জলাতঙ্ক রোগ কিভাবে ছড়ায়,কুকুরের জলাতঙ্ক রোগের টিকার নাম কি,জলাতঙ্ক রোগের প্রতিকার,জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার,জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন,ছাগলের জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ,জলাতঙ্ক রোগের কি খেতে হয়।

আপনার জন্য আরো 

আপনার জন্য-

অ্যাজমা রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা 

থাইরয়েড রোগ থেকে মুক্তি পেতে করণীয়

চর্মরোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার কার্যকারী চিকিৎসা

যক্ষা বা টিবি রোগের লক্ষণ

ক্যান্সার রোগের যেসব লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না

শ্বেতী রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে জেনে নিন

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪৯২ other subscribers

 

প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এখানে ক্লিক করুন।
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে :এখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।

SS IT BARI- টুইটার থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- লিংকদিন থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- ইনস্টাগ্রাম থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- টুম্বলার (Tumblr)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে :এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- পিন্টারেস্ট (Pinterest)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS It BARI JOB NEWS

SS IT BARI-ভালোবাসার টেক ব্লগ টিম