আদা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা I এক টুকরো কাঁচা আদাই হাজারো রোগ মুক্তিদাতা

আদার অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। আদার রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিসিভিক বৈশিষ্ট্য। যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়াও, এতে প্রচুর ভিটামিন এবং খনিজ রয়েছে।

নিয়মিত আদা খাওয়ার চেষ্টা করবেন ,আদা আপনার শারীরিক সমস্যার সমাধান করবে।আদা স্বাদ বা রান্নার উপাদানের বিকল্প নয়। কারণ আদা খাওয়ার অভ্যাস আপনাকে কিছু কঠিন রোগ থেকে বাঁচাতে পারে।এক টুকরো কাঁচা নির্যাস হাজারো রোগের ত্রাণকর্তা। চলুন জেনে নিই আদা সম্পর্কে

আদা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
আদা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

আদার গুণাগুণ

আদা সর্দি, কাশি এবং শ্বাসকষ্ট নিরাময় করে। গলা ভোকাল কর্ড পরিষ্কার রাখে। 100 গ্রাম নির্যাসে60 ক্যালোরি, 16 গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, 0.75 গ্রাম চর্বি, 415 মিলিগ্রাম পটাসিয়াম এবং 34 মিলিগ্রাম ফসফরাস রয়েছে। অস্টিওআর্থারাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের কারণে শরীরের প্রায় প্রতিটি জয়েন্টে প্রচুর ব্যথা হয়।

পেটের অসুখ

পেটের অস্বস্তি বা ব্যথার জন্য আদা একটি আদর্শ খাদ্য। আদা হজমে সাহায্য করার পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন অংশে খাবারের গুণাগুণ পৌঁছে দিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। আদার রস কিছু খাওয়ার পর পেট ব্যথার সমস্যা দূর করে। পাকস্থলীতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণও প্রতিরোধ করে।

আদার উপকারিতা

1- আদা হার্টের জন্য কাজ করে: এটি রক্তকণিকা হৃদপিণ্ডকে সঠিকভাবে কাজ করতে খুবই কার্যকরী।

2- আদা রক্তের জন্য কাজ করে: পরিমিত আদার রস খেলে শরীরের রক্ত ​​সঞ্চালন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়।কারণ নির্যাসে রয়েছে ক্রোমিয়াম, জিঙ্ক ম্যাগনেসিয়াম। এই সমস্ত উপাদান রক্ত ​​প্রবাহ প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখে।

3- আদা ফুসফুসের জন্য কাজ করে: ফুসফুসের যেকোনো সাধারণ সংক্রমণ বা রোগে আদা খুবই কার্যকরী।সাধারণ শ্বাসকষ্টের উপলব্ধি। তাছাড়া এটি গলা ভোকাল কর্ড পরিষ্কার রাখে।

4- জ্বরে আদা কাজ করে: ভাইরাল জ্বর প্রতিরোধে আদার বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। আদার রস সামান্য গরম করে সমপরিমাণ মধু মিশিয়ে দিনে কয়েকবার খেলে জ্বর ভাইরাল জ্বর সেরে যায়।

5- ঠান্ডার জন্য আদা কাজ করে: ঠান্ডা প্রতিরোধে আদার ভূমিকা অপরিসীম। আদার রস একটু গরম করে তাতে সমপরিমাণ মধু মিশিয়ে পান করা হয়।

6- আদা পেটের জন্য কাজ করে: পেটের রোগের জন্য আদা একটি আদর্শ খাদ্য। এটি হজমের পাশাপাশি শরীরের খাদ্যগুণেও আলাদা যন্ত্রাংশ সরবরাহে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। এটি পাকস্থলীর ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণও প্রতিরোধ করে।

তাছাড়া যারা কিছু খাওয়ার পর পেটে ব্যথায় ভোগেন তাদের জন্য আদার রসের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।

8- ক্ষতের জন্য আদা কাজ করে: আপনার শরীরে কোনো ক্ষত থাকলে তা দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে।এতে রয়েছে অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি, যা দ্রুত কাটা ক্ষত সারাতে কাজ করে।

9.আদা মাইগ্রেনের জন্য কাজ করে: আদা মাইগ্রেনের ব্যথা উপশম করে।গর্ভবতী মায়েরা সকালে অস্বস্তি বোধ করেন, বিশেষ করে গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে। কাঁচা আদা এই সমস্যা দূর করে।

10- ডায়াবেটিসে আদা কাজ করে: কাঁচা আদা ডায়াবেটিক কিডনির জটিলতা দূর করে।

11- বমি বমি ভাবের জন্য আদা: যদি কিছু লোক গাড়িতে চড়ার সময় অস্বস্তিবোধ করে বা অল্প সময়ের জন্য গাড়িতে থাকার পরে বমি বমি ভাব অনুভব করে।এই বমি ভাব দূর করতে আদার ভূমিকা অনেক। বমি বমি ভাব হলে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেলে তাৎক্ষণিক উপকার পাওয়া যায়।

সবচেয়ে বড় কথা হল মুখের রুচি বাড়াতে আদা বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

12- পিরিয়ডের ব্যথায় আদা কাজ করে: পিরিয়ডের সময় পেটে ব্যথা নারীদের কাছে খুবই পরিচিত।কিন্তু আপনি কি জানেন যে আদা চা এই সময়ে আপনার প্রদাহ কমাতে পারে? নির্যাসের অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য আপনার পেটের ব্যথাকে অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।আর গরম চা খাওয়ার সময় স্বাভাবিক ভাবেই ব্যথা উপশম হবে।

13- ক্লান্তি দূর করতে আদার কাজ: আপনি যখন অফিসে বা কাজে সারাদিন ব্যস্ততার পর বাড়ি ফিরবেন,তাহলে আপনার মাথা, শরীর এমনকি মনও সতেজ থাকে না। সময় এক কাপ আদা চা আপনাকে অনেকটাই ক্লান্তি দূর করবে।

কারণ আদার সুগন্ধ আপনাকে ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করবে। এবং ধীরে ধীরে আপনি আবার ক্লান্তি মুক্ত শরীর পাবেন।

14. হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন আদার পানি পান করুন। এক গ্লাস পানিতে চা চামচ পুদিনার রস, লেবুর রস এবং টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে পান করুন। এটি সকালের অসুস্থতা নিরাময় করবে।

15. আদা লেবু মেশানো পানিতে জিঙ্ক থাকে যা নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে।মিশ্রিত পানি চর্বি দূর করতে সাহায্য করে।নির্যাসের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।সর্দিকাশির জন্য হালকা গরম আদা পানি পান করতে পারেন।

16.চুলের সৌন্দর্য বাড়ায়: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, আদার একটি উপাদান আদা মাথার ত্বকে প্রবেশ করার পর চুলের ফলিকলে রক্ত ​​চলাচল বাড়ায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই চুলের স্বাস্থ্য ভালো হতে সময় লাগে না। আর তা যদি হয়, চুল সুন্দর হতে সময় লাগে না, আর কী বলব! প্রসঙ্গত, সপ্তাহে অন্তত দিন আদার পেস্ট চুলের গোড়ায় লাগাতে হবে, তাহলেই দেখবেন উপকার পাবেন একেবারে হাতের নাগালে!

আদার অপকারিতা

আমরা উপরে আদার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জেনেছি। এবার আমরা জানবো আদার ক্ষতিকর দিকগুলো যার রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা।কারণ আদার গুণাগুণ জেনে কেউ যদি ভাতের মতো খেতে শুরু করে, তাহলে বিপদের শেষ নেই।এটি শরীরের জন্য যেমন উপকারী তেমনি ক্ষতিকর। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক..

1.যারা ওজন বাড়াতে চান: আপনি যদি চর্বিহীন হতে চান, তাহলে আদা খেলে সমস্যা নেই, তবে আপনি চর্বিহীন/পাতলা,মানে ওজন বাড়াতে চাইলে আদার ব্যবহার এড়িয়ে চলতে হবে।কারণ এই উপলব্ধি চর্বি গলানোর প্রক্রিয়ায় বিশেষ সহায়ক হিসেবে কাজ করে। আবার অনেক কিছু উপলব্ধি করলে ক্ষুধা কমে যায়। তাই আপনি যদি ওজন কমাতে চান তবে এটি তাদের জন্য কাজ করবে না।

2- গর্ভবতী মহিলা: আদা শরীরে একটি শক্তিশালী উদ্দীপক হিসাবে কাজ করে। কারণে গর্ভবতী নারীরা আদা খেলে অকাল শিশুর জন্মের ঝুঁকি বেড়ে যায়।তাই গর্ভবতী মহিলাদের অবশ্যই এটি এড়িয়ে চলতে হবে। বিশেষ করে গর্ভাবস্থার সপ্তাহগুলোতে একেবারেই খাওয়া যাবে না।

3- ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য: আদা ডায়াবেটিসের মাত্রা কমাতে কার্যকর হলেও যারা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ওষুধ খান তাদের একেবারেই আদা খাওয়া উচিত নয়।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে: উচ্চ রক্তচাপ কমাতে আদা কার্যকর হলেও যারা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ওষুধ খান তাদের একেবারেই আদা খাওয়া উচিত নয়।

চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক আদা, রসুন মধু উপকারিতা

তবে আদা, রসুন মধু কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে পান করার অনেক উপকারিতা রয়েছে।

এই পানীয়টি বিশ্বব্যাপী শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ সহ বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিত্সার জন্যও ব্যবহৃত হচ্ছে।

আদা, রসুন মধু কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

আদা, রসুন মধুর এই পানীয় হার্টকে সুস্থ রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে মধু এবং রসুন উভয়েরই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা রয়েছে।

আদা, রসুন মধু কুসুম গরম পানির মিশ্রণ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ভাইরাল সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

4- নির্যাস বায়োঅ্যাকটিভ যৌগ রয়েছে, যা গলা ব্যথা বা ফ্লু বা ঠান্ডা প্রতিরোধ করে।রসুন এবং মধুতেও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে সর্দিকাশি দূর করতে।

5- রসুন একটি শক্তিশালী মসলা যা ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাকজনিত রোগ নিরাময় করে। তাই আদা, রসুন মধুর পানীয় খুবই উপকারী বা উপকারী।

আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের হাপানির সমস্যা আছে তাদের হাপানি কমাতে আদা খুবই কার্যকর।রসুন এবং মধুতেও অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যার কারণে এই আদার মিশ্রণ পান করলে হাপানির সমস্যা দূর হয়।

6- আদা, রসুন এবং মধুর সংমিশ্রণ বদহজম, পেট ব্যথা, ফোলাভাব, অম্বল, হজমের সমস্যা এবং গ্যাস থেকে মুক্তি দেয়।

আদা খাওয়ার নিয়ম

সামান্য লবণ দিয়ে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেলে ভালো লাগে। এক কাপ গরম পানিতে এক চা চামচ আদার রস, লেবুর রস মধু মিশিয়ে দিনে দুবার চায়ের মতো পান করুন। আদার গুঁড়া, মধু আমের গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে চা হিসেবে দিনে তিনবার খেতে পারেন।

আদা পুরুষদের জন্য কাজ করে

আদা ছাড়া বাঙালি রান্নাঘর কল্পনাই করা যায় না। কিন্তু আদা শুধু খাবারের স্বাদ বা গন্ধই বাড়ায় না।একটি ছোট টুকরো আদার উর্বরতা বাড়িয়ে একজন মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে।

তাহলে চলুন দেরি না করে পড়ে জেনে নেওয়া যাক কিভাবে পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা যায়?

নিয়মিত আদা খেলে বা তাজা আদা দিয়ে আধা সেদ্ধ ডিম খেলে পুরুষের উর্বরতা বৃদ্ধি পায়।আদার মধ্যে রয়েছে পুরুষের শুক্রাণু বৃদ্ধির উপাদান। যার কারণে এই আদা সহজেই পুরুষের স্পার্ম কাউন্ট বাড়ায়।

কালো আদা

আদার একটা বাঙালি পরিচয় আছে। এটি প্রায় প্রতিদিন গৃহস্থালীর রান্নায় ব্যবহৃত হয়। তবে কালো আদার নাম কতজন শুনেছেন তা নিয়ে সন্দেহ থাকতে পারে।

যৌন ক্ষমতা বাড়াতে

তিনি জানান, বিভিন্ন দেশে অনেক দিন ধরে এর ব্যবহার হয়ে আসছে। এটা কামনা বাড়ায়। দেখা গিয়েছে, মহিলাদের মধ্যে কামেচ্ছা বাড়াতে এটি কার্য বলা যেতে পারে এটি প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা। সেটি যেমন পিডিই৫এর কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, কালো আদাও তাই। ফলে এটি পুরুষদের যৌন ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে।

ক্যান্সার প্রতিরোধী

কাল আদা ক্যান্সার রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বেশ কাজের। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এর নির্যাস ক্যান্সার কোষ দমনে সাহায্য করে।

আদা চাষ পদ্ধতি

গোবর, বালি ফুরাডান মাটির সাথে ভালো করে মিশিয়ে সিনথেটিক ব্যাগে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে। সম্ভব হলে চা চামচ পটাশ সার মেশানো যেতে পারে। চারা তৈরি: এবার একটি বালি ভর্তি টবে তিন টুকরো আদা পুঁতে দিন। আদার কন্দ লাগানোর আগে অটোস্টিন ছত্রাকনাশক গ্রাম বা লিটার পানিতে মিশিয়ে শোধন করতে হবে।

বস্তায় আদা চাষ পদ্ধতি

বস্তায় আদা চাষে আলাদা জমির প্রয়োজন হয় না। অনেকেই বাড়িতে এভাবে আদা চাষ করে থাকেন। অনেকেই জানেন না কিভাবে এভাবে আদা চাষ করতে হয়। আবার অতিবৃষ্টি বা বন্যায় ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা নেই। অন্য ফসল তোলার পর কোনো সার ছাড়াই আলাদাভাবে আরেকটি ফসল ফলানো যায়। কোন খরচ নেই!

এই পদ্ধতিতে একদিকে যেমন মাটিবাহিত রোগের প্রকোপ কমে, অন্যদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে বস্তা অন্য জায়গায় সরানো যায়। বাড়ির উঠোনে, দেয়ালের কাছে বা বাড়ির আশেপাশে খোলা জায়গায় বা ছাদে যেখানে খুশি রাখা যেতে পারে। এর জন্য আলাদা জমি বা রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন নেই।

আপনি বিশেষ করে ছায়াময় জায়গায় এই পদ্ধতি চাষ করতে পারেন। সাধারণত বাঁশের বাগানে কোন ফসল চাষ করা হয় না। ফলে জায়গাটা থেকে যায়। ওই বাঁশ বাগানে বস্তায় আদার চাষ করতে পারেন।

চাষ পদ্ধতি-01

প্রথমে আপনাকে মাটির শুকনো পিণ্ডটি ভেঙে ফেলতে হবে। যাতে এটি চূর্ণবিচূর্ণ হয়। ভার্মিকম্পোস্ট ছাই মিশিয়ে ব্যাগে মাটি রাখতে হবে। হাড়ের গুঁড়া, গোবর সার পরিমিত পরিমাণে যোগ করতে হবে। মাটি তৈরি হয়ে গেলে 75 গ্রামের একটি কন্দ বস্তায় চাষের জন্য লাগাতে হবে। একটু জল দিন। তারপর বস্তায় ঢেকে রাখা ভালো, এতে মাটি অনেকক্ষণ আর্দ্র থাকবে। কয়েকদিনের মধ্যে গাছ থেকে কন্দ বেরিয়ে আসবে।

বিস্তারিত পদ্ধতি:-02

এক ব্যাগের জন্য তিন ঝুড়ি মাটি, এক ঝুড়ি বালি, এক ঝুড়ি পচা গোবর সার এবং ২৫ গ্রাম ফুরাডন লাগবে। বালি পানি নিষ্কাশন করতে সাহায্য করে, ফুরাডন উইপোকা থেকে রক্ষা করবে। মাটির সাথে গোবর, বালি এবং ফুরাডন ভালো করে মিশিয়ে সিমেন্টের ব্যাগে ঝাঁকিয়ে নিন যাতে মিশ্রণটি ভালোভাবে সংকুচিত হয়। একটি আলাদা বালি ভর্তি টবে তিন টুকরো আদা ডুবিয়ে রাখুন। 20-25 দিন পর সেই আদা থেকে গাছ বের হবে। তারপর সাবধানে আদার চারা তুলে বস্তার মুখে তিন জায়গায় রাখুন। দিনের অধিকাংশ সময় রোদ পায় এমন স্থানে বস্তাটি রাখতে হবে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আদা গাছ বাড়তে থাকবে। চারা লাগানোর দুমাস পরে চার চা চামচ সর্ষে খৈল এবং আধ চামচ ইউরিয়া প্রয়োগ করুন মাটিতে। মাঝে খুঁড়ে মাটিটা একটু আলগা করে দিলে ভালো হয়।

আদার কন্দ লাগানোর আগে ব্যাভিস্টিন দিয়ে শোধন করে নিলে ভালো হয়। এতে ছত্রাকের আক্রমণ থেকে বাঁচবে। চাইলে অন্য কোনো ছত্রাকনাশকও ব্যবহার করতে পারেন। শোধনের পর আধা ঘণ্টা ছায়ায় শুকিয়ে নিতে হবে।

আদার রোগ দমন

আদার সাধারণত কোনো রোগ হয় না। তবে মাঝে মাঝে কন্দ পচা রোগ দেখা দেয়।এ জন্য একই জমিতে বারবার আদা চাষ না করাই ভালো। তাছাড়া রোগমুক্ত আদাবীজ রোপণ করলে হজমের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম।উপরন্তু, জমি নিষ্কাশন করা আবশ্যক।জমি থেকে আদাফাস সংগ্রহ,নির্বাচিত গাছ সম্পূর্ণ শুকানোর 15 থেকে20 দিন পর সংগ্রহ করতে হবে। এভাবে আদা চাষিরা আদা চাষ করেন।

পরিশেষে, আদা এমন একটি মসলা জাতীয় ফসল যা মানুষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

তাই আদার ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই আপনাকে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে হবে।

?ওমিক্রন প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পদক্ষেপ 

?সকাল বেলায় খালি পেটে এক কোয়া রসুন

?মুখে মধু মাখার উপকারিতা-

?ঘরোয়া উপায়ে চুল পড়া বন্ধ করুন

pp

SS IT BARI-ভালোবাসার টেক ব্লগ টিম

Leave a Reply

Your email address will not be published.