ডায়াবেটিকস রোগীদের জন্য নিষিদ্ধ খাবার কোনগুলো?

ডায়াবেটিকস আমাদের সকলের কাছে খুবই পরিচিত একটি রোগ। বাংলাদেশে বর্তমানে ডায়াবেটিকস রোগীর সংখ্যা অনেক। ডায়াবেটিকস কোন সংক্রামক রোগ না হলেও দিন দিন এই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ডায়াবেটিস রোগের বেশিরভাগ রোগীরাই অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার কারণে ডায়াবেটিসে ভোগে। ডায়াবেটিকস রোগের চিকিৎসা হলো নিয়ন্ত্রণ। আমাদের দেশের বেশিরভাগ রোগীদের মধ্য ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে ভালো ধারণা না থাকায় তারা এই সমস্যার ভুক্তভোগী বেশি হয়ে থাকে। ডায়াবেটিকস রোগীদের জন্য কিছু খাবার বর্জন করা খুবই জরুরী।

আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা আপনাদেরকে জানাতে চেষ্টা করব ডায়াবেটিকস রোগীদের বর্জনীয় খাদ্যগুলো কি কি।আমাদের পাঠক পাঠিকা বন্ধুদের মধ্যে যারা ডায়াবেটিকস রোগী আছেন তাদের এই বিষয়গুলো জেনে রাখা খুবই জরুরী। তাই অবশ্যই আজকের আর্টিকেলে আলোচিত বিষয় গুলো সম্পর্কে শেষ পর্যন্ত পড়ে জেনে নিবেন।ডায়াবেটিকস রোগীদের জন্য নিষিদ্ধ খাবার কোনগুলো

ডায়াবেটিকস রোগ কি?

ডায়াবেটিকস এমন একটি রোগ যা মেটাবলিক ডিসঅর্ডার বা শরীরবৃত্তি ও কার্যক্রমের সমস্যা তৈরি করে থাকে। ডায়াবেটিস রোগটির ফলে শরীর অগ্নাশয় এর মাধ্যমে পর্যাপ্ত ইনসুলিন উৎপাদন ও তা ব্যবহার করতে পারেনা। আবার কারো কারো ক্ষেত্রে দেখা যায় ইন্সুলিন একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়।এর ফলে যে কোন খাবার খাওয়ার পর ডায়াবেটিকস রোগীদের শরীর সেই খাদ্যের শর্করাকে ভেঙে চিনিতে রূপান্তরিত করে।

ওয়ালটন ফ্রিজ ১১ সেফটির দাম ২০২৩

আর অগ্নাশয় থেকে ইনসুলিন নামের যেই হরমোন নিঃসৃত হয় তার শরীরের কোষ গুলোকে নির্দেশ দেয় চিনিকে গ্রহণ করতে।এই চিনি বাঘ গ্লুকোজ কাজ করে শরীরের জ্বালানি বা শক্তি হিসেবে অর্থাৎ শরীর যখন ইনসুলিন উৎপন্ন করতে পারে না অথবা এটি ঠিক মত কাজ করতে পারেনা তখনই এই ডাইবেটিক্স রোগের সূত্রপাত ঘটে। যার ফলে রক্তের মধ্যে চিনি জমতে শুরু করেবা রক্তে গ্লুকোজ এর মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বেড়ে যায়। এর ফলে মানুষের শরীরে ডায়াবেটিকস রোগের বিভিন্ন লক্ষণ দেখা দেয়।

ডায়াবেটিকস কত প্রকার?

ডায়াবেটিকস রোগটি সাধারণত ৪ প্রকারের হয়ে থাকে। আমাদের দেশে এই চার প্রকারের মধ্য টাইপ-২ ডায়াবেটিস বেশি লক্ষ্য করা যায়। ডায়বেটিক্স এর প্রকারভেদ গুলো হলো:

১)টাইপ-ডায়াবেটিস

টাইপ-১ ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সকল ইনসুলিন নষ্ট হয়ে যায়। আর তাদেরকে যদি আলাদাভাবে ইনসুলিন শরীরের দেওয়া না হয় তাহলে তাদের মৃত্যু ঘটতে পারে। টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত 5 থেকে 10 শতাংশ মানুষ।

২) টাইপ-ডায়াবেটিকস

যেসব ব্যক্তি শরীরে ইনসুলিন রয়েছে কিন্তু তা সঠিকভাবে কাজ করতে পারছে না। এবং যেই খাবারই খাওয়া হোক না কেন তা গ্লুকোজ হিসেবে শরীরে জমে যায় তাকেই বলা হয় টাইপ-২ ডায়াবেটিস। এই ডাইবেটিসে প্রায় ৮০ থেকে ৯০% মানুষ আক্রান্ত হয়।

৩) গেস্টেশনাল ডায়াবেটিস

গেস্টেশনাল ডায়াবেটিস টি সাধারণভাবে গর্ভবতী মহিলাদের মধ্য বেশি লক্ষণীয়। গর্ভাবস্থায় প্লাসেন্টার কিছু হরমোন ইনসুলিন প্রতিরোধের জন্য দায়ী থাকে।বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মহিলারাই প্রসব পরবর্তী স্বাভাবিক গ্লুকোজ সহনশীলতায় ফিরে আসেন কিন্তু পরবর্তী জীবনে ডায়াবেটিকস হওয়ার যথেষ্ট ঝুঁকি থাকে। গেস্টেশনাল ডায়াবেটিসের প্রায় ২ থেকে ৫ শতাংশ মানুষ আক্রান্ত হয়।

৪) অন্যান্য টাইপ ডায়াবেটিস

যাদের শরীরে রক্তের শর্করার বৃদ্ধি পায় না, এবং প্রচন্ড পরিমাণে তৃষ্ণার অনুভূতি পায়, কম অ্যান্টি ডাইউরেটিক হরমোন নিঃসরণের কারণে অতিরিক্ত প্রস্রাব তৈরি হয়। অ্যান্টি ডাইউরেটিক হরমোন ভ্যাসোপ্রেসিনের নিঃসরণ কমে যাওয়ায় প্রস্রাবের চরম উৎপাদন হয়। তারাই মূলত এই টাইপ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।এই ডায়াবেটিস এক থেকে দুই শতাংশ মানুষের দেহে হয়ে থাকে।

ডায়াবেটিকস রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিষিদ্ধ খাবার গুলো কি কি?

ডায়াবেটিকস রোগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে খাবারের গ্রহণীয়তা এবং বর্জনীয়তা মেনে চলা খুবই জরুরী। ডায়াবেটিকস রোগীদের কিছু খাবার বর্জন করা উচিত ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে। সেগুলো হচ্ছে-

চাইনিজ খাবার

চাইনিজ খাবার আমাদের অনেকেরই খুবই পছন্দের।তবে আমাদের মধ্যে যারা ডায়াবেটিকস রোগে আক্রান্ত রয়েছেন তাদের জন্য এটি খুবই ক্ষতিকর।চাইনিজ খাবার থেকে রক্তের সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে এই খাবারগুলো বর্জন করাই উচিত।

ব্লেন্ডেড কফি

ব্লেন্ডেড কফিতে সিরাপ সুগার এবং ক্রিমএদের উপস্থিতি থাকায় ডায়াবেটিকস রোগীদের জন্য তা চরম ক্ষতির কারণ। ব্লেন্ডেড কফিতে রক্তে গ্লুকোজ বাড়ানোর জন্য অনেক উপাদান রয়েছে। এক কাপ ব্লেন্ডেড কফিতে ৫০০ ক্যালোরি 98 গ্রাম কার্ব এবং ৯ গ্রাম ফ্যাট থাকে। আপনি যদি কফি পাগল হয়ে থাকেন তাহলে স্রেফ কফি খেতে পারেন।

চিনি

চিনি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যাদের শরীরে ডায়াবেটিসের উপস্থিতি রয়েছে তাদের জন্য চিনি খাওয়া অনেক বেশি ক্ষতিকর। তাই চিনি এবং চিনি যুক্ত যে কোন খাবার ডায়াবেটিস রোগীদের এড়িয়ে চলা ভালো।

পেস্ট্রি

পেস্ট্রি অনেক মুখরোচক খাবার হওয়ায় সকলের কাছেই তা পছন্দের। ডোনাট টোস্ট বা পেস্ট্রির মতো মুখরোচক এসব খাবারের ডায়াবেটিস বেড়ে যায়। কারণ এসব খাবারের রয়েছে উচ্চমাত্রায় ফ্যাট কাটবো এবং সোডিয়াম।

কলা এবং তরমুজ

করা এবং তরমুজ খুবই পুষ্টিকর দুটি ফল। এই দুটি ফলে ভিটামিন ও ফাইবার পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকলেও সুগারের মাত্রা বেশি। তাই কলা এবং তরমুজে এত পুষ্টিগুণ থাকা সত্ত্বেও তা ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে এই ফলগুলো বর্জন করতে হবে।

সাদা চাল

সাদা চাল যারা খেয়ে থাকেন তাদের টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদেরকে অবশ্যই এই সাদা চাল খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে।

ফ্রুটস স্মুথি

যেকোনো ফ্রুটস স্মুথির মধ্যেই রয়েছে চিনি ভরপুর। তাই ডায়াবেটিকস রোগীদের এই খাবারটি বর্জন করা দরকার।

ফ্রুট জুস

টাটকা ফলের রস খেলে তেমন ক্ষতি না হলেও বাইরে থেকে কিনে যেসব ফ্রুট জুস আমরা খেয়ে থাকি সেই গুলোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে চিনি যা ডায়বেটিস রোগীর জন্য হুমকি।তবে বাড়িতে তৈরি ফলের জুসও অতিরিক্ত ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খাওয়া উচিত নয়।সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি ফলের দুইটি বা একটি টুকরো খান।

এনার্জি বার

চকলেট কার্বো এবং চিনি থেকে তৈরি হয় এনার্জি বার। আর এই এনার্জি ডায়বেটিস রোগীদের জন্য অবশ্যই বর্জনীয়।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তে সুগারের মাত্রা বেশি থাকে। ডায়াবেটিস রোগীরা অতিরিক্ত ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাবে। যার কারণে ডায়াবেটিস এসোসিয়েশন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ডায়াবেটিস রোগীদেরকে এড়িয়ে চলতে বলেছেন।

চর্বি সহ মাংস

বেশিরভাগ ডায়াবেটিস রোগীরাই হৃদরোগের ঝুঁকিতে ভোগেন। চর্বিযুক্ত মাংস হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াবে ডায়াবেটিস রোগীদের। তাই অবশ্যই রেড মিট খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে ডায়াবেটিস রোগীদের।

ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়

বাংলাদেশে বেশিরভাগ রোগীরাই ডায়াবেটিস টাইপ-২ এ ভোগে থাকেন। আর এই ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরী। যদি এই ডাইবেটিকস নিয়ন্ত্রণে না রাখা হয় তাহলে বড় ধরনের বিপদ ঘটে যেতে পারে। ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণে রাখার কিছু উপায় হলো-

*নিয়মিত প্রতিদিনের খাবার খেতে হবে।

*খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।একেবারে অতিরিক্ত পরিমাণে খাবার না খেয়ে অল্প অল্প পরিমাণে খাওয়া ভালো।চিকিৎসকরা বলে থাকেন ডায়াবেটিকস রোগীদের ভাত না খেয়ে রুটি খাওয়ায় উত্তম। তবে রুটি খাওয়া মানে অতিরিক্ত খাওয়া নয়।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন 

*আশ যুক্ত গোটা শস্য খেতে পারেন। ময়দার রুটি বাদ দিয়ে লাল আটার রুটি বা ঢেঁকি ছাটা চালের ভাত খাওয়া ভালো। এছাড়াও গোল আলু যতটা পারেন কম খাবেন।

*অতিরিক্ত লবণ ও চর্বি জাতীয় খাবার বর্জন করতে হবে।

*প্রতিদিন কিছু পরিমাণ শাকসবজি ও ফলমূল খাবেন।

*ফাস্টফুড কোমল পানীয় পরিহার করতে হবে।

*বিশুদ্ধ পানি বেশি পরিমাণে খাবেন।

*বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানে পরিবেশিত অস্বাস্থ্যকর খাবার বর্জন করবেন।

*নিয়মিত হাঁটাচলা করা ডায়াবেটিস রোগের নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে খুবই কাজের।

*অধিক সময় একটানা বসে কাজ করা উচিত নয়। যদি আপনি কম্পিউটার কিংবা মোবাইল ব্যবহার করে থাকেন তাহলে একটু পরপর উঠে বসুন হাটুন।

*ধূমপান বর্জন করুন।

*রক্তের গ্লুকোজ লিপিড রক্তচাপ ওজনকে অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।আপনি যদি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত থাকেন তাহলে নিয়মিত ডায়াবেটিকস পরীক্ষা করাতে হবে।

*নিয়মিত ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞের কাছে চেকআপ করুন।

২০১২ সালে আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) ডায়াবেটিস কে বৈশ্বিক মহামারী হিসেবে ঘোষণা করেছেন। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই বেপরোয়া ভাবে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

আফ্রিকার দেশগুলোর পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতেও ডায়াবেটিকস রোগী দিন দিন বাড়ছে। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ডায়াবেটিকস রোগীর বসবাস এসব দেশেই। তাই অবশ্যই আমাদেরকে সচেতন থাকতে হবে। স্বাস্থ্যকর চলাফেরা খাবারদাবার মেনে চলে সুস্থ থাকার চেষ্টা করতে হবে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

গাজর খেলে কি ডায়াবেটিস বাড়ে?

গাজর খেলে রক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে যায়। ডায়াবেটিকস রোগীদের সুগার লেভেল হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ার জন্য গাজর খাওয়া দায়ী হতে পারে। তাই কখনোই ডায়াবেটিসের রোগীরা গাজর অতিরিক্ত খেতে পারে না।

খালি পেটে সুগার লেভেল কত?

খালি পেটে যদি আপনার fbsআশি থেকে একশোর মধ্যে থাকে আর খাবার গ্রহণ করার দুই ঘন্টা পরে যদি সুগারের মাত্রা ১৪০ এর আশে পাশে থাকে তাহলে চিন্তা করার কোনো কারণ নেই। যারা বহুদিন ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছেন তাদের বাড়িতে একটি গ্লুমিটার রাখবেন।

ডায়াবেটিকস হলে কি কি সবজি খাওয়া যাবে?

সবুজ এবং অস্টার্চ শাকসবজি ডায়াবেটিকস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী।স্টার্চ যুক্ত শাকসবজি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। রুটি ভাত এবং আলুতে স্টার্চ থাকে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা ব্যাহত করতে পারে। এছাড়াও ফাইবার সমৃদ্ধ শাক সবজি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

শেষ কথা-

ডায়াবেটিকস রোগের ক্ষেত্রে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধে উত্তম। ডায়াবেটিকস রোগ প্রতিকার করা যায় না সাধারণত। প্রতিরোধ করেই ডায়াবেটিস রোগীরা সুস্থভাবে জীবন যাপন করেন। তাই আমাদের আজকের আলোচনা থেকে আপনারা জানতে পারলেন ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে কোন খাবারগুলো ক্ষতির কারণ হতে পারে। আশা করব আপনারা এই খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন।

আমাদের আর্টিকেলটি এতক্ষণ মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ।আমাদের আর্টিকেল যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে আমাদের ওয়েবসাইটটি শেয়ার করবেন এবং নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন আমাদের নতুন আর্টিকেল পড়তে। আজকের মত বিদায় নিচ্ছি।

পোস্ট ট্যাগ-

দ্রুত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার উপায়,ডায়াবেটিস রোগীর নিষিদ্ধ খাবার তালিকা,ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা ২০২২,ডায়াবেটিস রোগীর খাবার চার্ট pdf,ডায়াবেটিস হলে কি কি সবজি খাওয়া যাবে না,ডায়াবেটিস রোগীর খাবার তালিকা,ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা ফল,ডায়াবেটিসে মুড়ি খাওয়া যাবে কি,

আপনার জন্য আরো 

আপনার জন্য-

ওয়ালটন ফ্রিজ প্রাইজ ইন বাংলাদেশ ২০২৩.

ওয়ালটন ডিপ ফ্রিজের দাম ২০২৩

ফ্রিজের পাওয়ার কত রাখবেন? 

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪৯২ other subscribers

 

প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এখানে ক্লিক করুন।
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে :এখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।

SS IT BARI- টুইটার থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- লিংকদিন থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- ইনস্টাগ্রাম থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- টুম্বলার (Tumblr)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে :এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- পিন্টারেস্ট (Pinterest)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS It BARI JOB NEWS

SS IT BARI-ভালোবাসার টেক ব্লগ টিম