হিজাব নারীর অহংকার – আব্দুর রহমান আল হাসান

হিজাব নারীর অহংকার – আল্লাহর তা’আলা পুরুষদের জন্য কিছু খাছ বিধান নাযিল করেছেন। যেই বিধানগুলো দিয়ে বর্তমানে নারীবাদিরা দলিল দিয়ে থাকে। নাস্তিক তাসলিমা নাসরীনও এই দলীল দিয়েছিল একবার। কিন্তু তারা এটা ভাবে না যে, আল্লাহ তা’আলা পুরুষদের যেমন খাছ বিধান দিয়েছেন তেমনিভাবে নারীদেরও কিছু খাস বিধান দিয়েছেন। নারীরা যদি এখন তাদের খাছ বিধানগুলো না মেনে পুরুষদের বলে যে, তোমরা কেন মান্য করো না? এটা কি সম্ভব?

নারীদের পর্দার বিধান

আমি দুনিয়াবী একটা উদাহরণ দেই। আমাদের অ্যানিমেল সমাজের দুইটা প্রাণী আমাদের সকলের নিকট পরিচিত। একটা হলো, ইঁদুর আরেকটা হলো বিড়াল। এই দুইটা প্রাণীর একটা করে বদ অভ্যাস আছে। বিঁড়াল মাছ আর দুধ দেখলে কাবু হতে বাধ্য। আর ইঁদুর আলু কিংবা তার খাবার দেখলে কাবু হতে বাধ্য। এখন যদি ইঁদুরকে আলু দিয়ে বিড়ালের সামনে বসিয়ে রাখা হয় আর বিড়ালকেও সে সময় দুধ আর মাছ দেয়া হয় তাহলে কিন্তু বিড়াল থেমে থাকবে এমন কথা নয়। কারণ বিড়ালের স্বভাবই হলো, ইঁদুরকে তাড়া করা এবং ইঁদুরকে ধরা।

সৃষ্টিকর্তা কেন আপনাকে হতাশ হতে নিষেধ করেছেন: পড়ুন

এমনইভাবে পুরুষরা সর্বদা নারীদের সামনে কাবু হতে বাধ্য। কারণ নারীকে আল্লাহ ভূবনভরা সৌন্দর্য দিয়েছেন। তাদের দিয়েছেন একটা চৌম্বকীয় আকর্ষণীয় ক্ষমতা। এই আকর্ষণ প্রতিটি পুরুষকে টানে। তাই আল্লাহ প্রথমে নারীদের বলেছেন, তোমরা নিজেদের ঢেকে রাখ। আর আল্লাহ পুরুষদের বলেছেন, তোমরা নিজেদের নজর নিচে রাখ। কখনো কোনো নারীকে দেখে তোমাদের অন্তরে বদ ধারণা সৃষ্টি হলে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা  করো।

তাই প্রথমত আল্লাহর এই আদেশ কার্যকর করতে হবে নারীদের।

আল্লাহ কুরআনে সূরা আন নূরের ৩১ নং আয়াতে বলেন,

وَ قُلۡ لِّلۡمُؤۡمِنٰتِ یَغۡضُضۡنَ مِنۡ اَبۡصَارِهِنَّ وَ یَحۡفَظۡنَ فُرُوۡجَهُنَّ وَ لَا یُبۡدِیۡنَ زِیۡنَتَهُنَّ اِلَّا مَا ظَهَرَ مِنۡهَا وَ لۡیَضۡرِبۡنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلٰی جُیُوۡبِهِنَّ ۪ وَ لَا یُبۡدِیۡنَ زِیۡنَتَهُنَّ اِلَّا لِبُعُوۡلَتِهِنَّ اَوۡ اٰبَآئِهِنَّ اَوۡ اٰبَآءِ بُعُوۡلَتِهِنَّ اَوۡ اَبۡنَآئِهِنَّ اَوۡ اَبۡنَآءِ بُعُوۡلَتِهِنَّ اَوۡ اِخۡوَانِهِنَّ اَوۡ بَنِیۡۤ اِخۡوَانِهِنَّ اَوۡ بَنِیۡۤ اَخَوٰتِهِنَّ اَوۡ نِسَآئِهِنَّ اَوۡ مَا مَلَکَتۡ اَیۡمَانُهُنَّ اَوِ التّٰبِعِیۡنَ غَیۡرِ اُولِی الۡاِرۡبَۃِ مِنَ الرِّجَالِ اَوِ الطِّفۡلِ الَّذِیۡنَ لَمۡ یَظۡهَرُوۡا عَلٰی عَوۡرٰتِ النِّسَآءِ ۪ وَ لَا یَضۡرِبۡنَ بِاَرۡجُلِهِنَّ لِیُعۡلَمَ مَا یُخۡفِیۡنَ مِنۡ زِیۡنَتِهِنَّ ؕ وَ تُوۡبُوۡۤا اِلَی اللّٰهِ جَمِیۡعًا اَیُّهَ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ لَعَلَّکُمۡ تُفۡلِحُوۡنَ

 অর্থ, “মুমিন নারীদেরকে বলো, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে। আর যা সাধারণত প্রকাশ পায় তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ করবে না। তারা যেন তাদের ওড়না দিয়ে বুককে আবৃত করে রাখে। আর তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শশুর, নিজের ঔরশের ছেলে, স্বামীর ছেলে, ভাই, ভাইয়ের ছেলে, বোনের ছেলে, নিজের মালিকাধীন দাসী, নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ বালক ছাড়া অন্যের কাছে নিজেদের শোভা সৌন্দর্য প্রকাশ করবে না। আর তারা যেন নিজেদের শোভা সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। তারা যেন নিজেদের গোপন শোভা প্রকাশ করার জন্য সজোরে পদচারণা না করে। হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট তওবা করো্ যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।”

আত্মীয়তার সম্পর্ক কেমন হওয়া ‍উচিৎ? পড়ুন

এই আয়াতের শুরুতেই বলা হয়েছে, মেয়েরাও যেন নিজেদের দৃ্ষ্টি অবনত রাখে। কারণ, কখনো কখনো নারীদেরও শয়তান ধোঁকা দেয়। একজন নারীর কারণে বহু মানুষ বিপদগামী হতে পারে। তাই তাদেরকে আয়াতের শুরুতেই সাবধান করে দেয়া হয়েছে। অনেক আলেমের মতে, নারীদের মাহরাম ব্যতিত অন্য কোনো পুরুষের সাথে কথা বলাও জায়েজ নেই। সেটা কামভাব সহকারে হোক বা কামভাব ব্যতিত হোক। কারণ, নারীদের কষ্ঠও পুরুষদের জন্য বিপদের কারণ হতে পারে।

এখানে একটা হাদীস বর্ণনা করার প্রয়োজনবোধ করছি।

হযরত উম্মে সালামা রা. হতে বর্ণিত, একদিন উম্মে সালামা রা. ও হযরত মায়মুনা রা. একসাথে রাসূলের নিকট বসে ছিলেন। (তারা ছিলেন রাসূলের সম্মানিত স্ত্রী) এমন সময় অন্ধ সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম রা. আসলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের উভয়কে মাথা আবৃত্ত করে স্থান ত্যাগ করে ঘরের ভেতরে চলে যেতে বললেন।

তখন উম্মে সালামা রা. বললো, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি তো অন্ধ। তিনি আমাদের দেখতে পাবেন না এবং আমাদের চিনতেও পারবেন না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমরা তো অন্ধ নও। তোমরা তো তাকে দেখছো। (তিরমিযি: ২৭৭৮) এখানে একটা কথাকে খুব গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। তা হলো, মহিলাদেরও পুরুষদের মতো দৃষ্টি সংযত করা। কুরআনের উক্ত আয়াতে মহিলাদের দৃষ্টি সংযত করার পাশাপাশি তাদেরকে লজ্জাস্থান হেফাযত করার কথা বলা হয়েছে। মহিলারা যেন কখনো কারো সাথে অন্যায়ভাবে যিনায় লিপ্ত না হয়। যিনাকারী মহিলার জন্য ইসলামে রয়েছে কঠিন শাস্তি। যদি আপনি দুনিয়ার শাস্তি থেকে রেহাই পেয়ে যান তাহলে মনে রাখবেন, আখেরাতের শাস্তি দুনিয়ার শাস্তি থেকে হাজারগুণ কঠিন।

সালামের ফযিলত কি: পড়ুন

আয়াতে বাহ্যিক সৌন্দর্য ধারা হাতের মেহেদী, আঙ্গুলের আংটি, চোখের সুরমা এবং পরিহিত পোশাককে ঢাকার জন্য যেই বোরকা বা চাদর ব্যবহার করা হয়, তাও এক প্রকার সৌন্দর্যের অন্তর্ভূক্ত। যা গোপন করা অসম্ভব। তাই এখানে মহিলাদের যথা সম্ভব বিধান মোতাবেক চলা যায়, তা মানা আবশ্যক। আবার সৌন্দর্য বলতে এমন পোশাক ও অলংকার বোঝায় যা মহিলারা নিজেদের রূপ-সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করে থাকে। যে সৌন্দর্য একমাত্র স্বামীদের জন্য ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। সুতরাং নারীর পোশাক ও অলংকারের সৌন্দর্য প্রকাশ যদি অন্য পুরুষের সামনে নিষিদ্ধ হয়, তাহলে দেহের কোন অংশ খুলে প্রদর্শন করা ইসলামে কেমন করে অনুমতি থাকতে পারে? এ তো অধিকরূপে হারাম তথা নিষিদ্ধ হবে।

আয়াতের এক অংশে বর্ণনা করা হয়েছে যে, কাদের সাথে পর্দার প্রয়োজন নেই। তারা হলো, পিতা অর্থাৎ বাবা, দাদা, দাদার বাবা এবং তার ঊর্ধ্বে, নানা ও নানার বাবা এবং তার ঊর্ধ্বের সবাই এর অন্তর্ভুক্ত। অনুরূপ শ্বশুর বলতে শ্বশুরের বাবা, দাদা এবং তার ঊর্ধ্বে সকলেই শামিল। পুত্র বলতে বেটা, পোতা, পোতার বেটা, নাতী নাতীর বেটা এবং এদের নিম্নের সকলেই শামিল। স্বামীর পুত্র বলতেও তার (অন্য স্ত্রীর গর্ভজাত) বেটা, পোতা এবং তার নিম্নের সকলেই শামিল। ভ্রাতা বলতে সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় তিন প্রকারের ভাইকেই বুঝানো হয়েছে। ভ্রাতুষ্পুত্র বলতে ভাইপো বা ভাতিজা ও তাদের নিম্নের সকল পুরুষকে এবং ভগিনী পুত্র বলতে সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় তিন প্রকার বোনের বেটা (ভাগ্নে) ও তাদের নিম্নের সকল পুরুষকে বুঝানো হয়েছে।

সুতরাং উপরোক্ত ৮ লাইন যদি আপনি মুখস্ত রাখতে পারেন, তাহলে দুনিয়ায় আপনি বড় বড় গুনাহ থেকে বেঁচে যাবেন।

আমরা আয়াতের এতুটুকু বক্তব্য দ্বারাই বুঝতে পারলাম, একজন নারীর জন্য পর্দা করা কেন অপরিহার্য। ২৭ শে জানুয়ারী ২০২০ সালে দৈনিক প্রথম আলো প্রত্রিকায় বাংলাদেশে ধর্ষণের একটা পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে।

“বাংলাদেশ পুলিশ: গত বছর ৫ হাজার ৪০০ নারী এবং ৮১৫টি শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়। ২০১৮ সালে শিশু ধর্ষণের মামলা ছিল ৭২৭টি এবং নারী ধর্ষণের মামলা ছিল ৩ হাজার ৯০০টি। পুলিশের হিসাব বলছে, গত বছর ধর্ষণের কারণে ১২ শিশু এবং ২৬ জন নারী মারা যান। ২০১৮ সালে এ সংখ্যা ছিল ২১ নারী ও ১৪ শিশু।

আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক): আসকের ২০১৯ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, সারা দেশে ধর্ষণের ঘটনা আগের চেয়ে দ্বিগুণ বেড়েছে। গত বছর সারা দেশে ধর্ষণ ও গণধর্ষণের শিকার ১ হাজার ৪১৩ নারী ও শিশু। ২০১৮ সালে সংখ্যাটি ছিল ৭৩২।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন: গত বছর ৯০২ শিশু ধর্ষণের শিকার হয়। ২০১৮ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩৫৬।

বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম: ২০১৯ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতি মাসে গড়ে ৮৪টি শিশু ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। এ ছাড়া এক বছরে যৌন নির্যাতন বেড়েছে ৭০ শতাংশ। গত বছর যৌন নির্যাতনের শিকার হয় ১ হাজার ৩৮৩ শিশু। ২০১৮ সালের চেয়ে গত বছর শিশু ধর্ষণ ৭৬ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ বেড়েছে।”

উপরোক্ত পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে আতঁকে উঠার মতো অবস্থা তৈরী হয়। অথচ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে এবং সাহাবাদের যুগে কতজন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছিল? প্রশ্নটা আপনাদের নিকটই রাখলাম। খুঁজে বের করুন। না পারলে নবীজির সীরাত পড়ুন। বাজার থেকে আর-রাহীকুল মাখতুম বইটি কিনে এনে পড়তে পারেন।

আল্লাহ কিভাবে আমাদের রিযিক দান করেন: পড়ুন

জীবনকে সুন্দর করতে হলে সর্বপ্রথম নারীদের এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে এই সমাজটাও সুন্দর হয়ে যাবে।

আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক মুসলিম নারীকে ইসলামের উপর অটল থাকার তাওফীক দান করুন।

আমীন।

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪২৮ other subscribers

এছাড়াও আমাদের প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন।

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যে কোনো প্রশ্ন করুনঃএখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃএই পেজ ভিজিট করুন
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে এএখানে ক্লিক করুনএবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।
গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতেএখানে ক্লিক করুনতারপর ফলো করুন।
SS IT BARI-সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনএই লিংকে

 

বাংলাদেশের সবচাইতে বড় উদীয়মান প্রশ্ন এবং উত্তরের বাংলা ওয়েবসাইট এবং ইনকাম করার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম US IT BARI। আপনি এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বাংলা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রশ্ন এবং উত্তর করে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি প্রতিমাসে ঘরে বসে ভালো মানের ইনকাম করতে পারবেন। তাই এখুনি আপনি আমাদের ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলুন এবং জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি ইনকাম করুন।

এ্যাকাউন্ট করতে এবং আরও বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- www.usitbari.com

 

আব্দুর রহমান আল হাসান

আমি কওমী মাদ্রাসা থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াশোনা করছি। এখন মেশকাত জামাতে অধ্যয়নরত আমি। লেখালেখিতে আগ্রহ আমার ছোটবেলা থেকেই। প্রায় সময়ই গল্প-উপন্যাস, বিজ্ঞান, ইতিহাস বিষয়ে লেখালেখি করি। লেখালেখির প্রাথমিক হাতেখড়ি আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক কামরুল হাসান নকীব সাহেবের হাত ধরে। তারপর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাই নি। অনলাইন ফ্লাটফর্মে লেখালেখি আমার নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শুরু করি। এর মধ্যে দু’একটা সুনামধন্য পত্রিকায় লেখার সুযোগ পাই। বর্তমানে এসএস আইটি বারী ডট কমে ইসলামিক বিষয়ক লেখালেখিতে কর্মরত।

অবসরে তাফসীর, সীরাত গ্রন্থ, মুৃসলিম ইতিহাস, পৃথিবীর ইতিহাস, বিজ্ঞান ও বিশেষ করে জ্যোতির্বিজ্ঞান সম্পর্কিত বই পড়তে পছন্দ করি। পাশাপাশি নিজের দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে গ্রাফিক্স, ওয়েব ডেপলপমেন্ট, এসইও, প্রোগ্রামিং ও মার্কেটিং শেখার চেষ্টা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.