হার্টের রোগীর খাবার তালিকা সম্পর্কে জেনে নিন (গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য টিপস)

হার্টের রোগীর খাবার –হার্টের রোগ একটি জটিল সমস্যা। বর্তমানে হার্টের রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। হার্টের রোগীদের সব ধরনের সতর্কতার পাশাপাশি খাবার নির্বাচনে বিশেষ সর্তকতা অবলম্বন করা উচিত। স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস মেনে চললে হার্টের রোগ নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।হার্টের রোগীর খাবার

শারীরিক সুস্থ অনেকটাই হার্টের সুস্থতার ওপর নির্ভরশীল। হার্ট অ্যাটাক কে বলা হয় নিঃশব্দ ঘাতক বা নীরব ঘাতক। হার্ট এর সমস্যা মরণ সৃষ্টিকারী রোগ। হার্ট হচ্ছে শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। তাই হার্টকে সুস্থ রাখার জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা জরুরী।হার্টের সমস্যা নিয়ে অনেকেই বহুদিন যাবত ভুগছেন। কিন্তু নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বা হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে যেসব খাদ্য খাওয়ার জরুরী এই সম্পর্কে জানেন না অনেকেই।

এমতাবস্থায় হার্টের সমস্যায় যেসব খাদ্য খাওয়া দরকার সেগুলো সম্পর্কে জানাতে আজকে আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি। যেখানে তুলে ধরা হবে হার্টের সমস্যা প্রতিরোধ করতে কি কি খাবার খেতে হবে। হার্টের রোগে কি কি খাবার খেতে হবে সে সম্পর্কে জানতে শেষ পর্যন্ত আর্টিকেলটি পড়ে আমাদের সাথে থাকুন।

হার্টের রোগ কি

অনিয়মিত জীবনযাত্রা এবং বিভিন্ন ধরনের মানসিক চাপের ফলে হার্ট দুর্বল হতে শুরু করে।হৃদপিন্ডের কোন শিরায় যখন রক্ত জমাট বেঁধে হৃদপিন্ডের রক্ত প্রবাহে বাধার সৃষ্টি করে। তখন হার্ট অ্যাটাক হয়। হার্ট বার হৃদপিণ্ড আমাদের সারা শরীরে রক্ত সরবরাহ করে থাকে।রক্ত ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে সমস্ত শরীরে পৌঁছে দেয়। আর শরীরের কোষগুলো সেই অক্সিজেন গ্রহণ করে যা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন। বিভিন্ন কারণে coronary artery ব্লক হতে পারে।

মাথা ব্যথা দূর করুন সহজ উপায়ে (১০০% কার্যকরী)

যার কারণে হার্ট মাসেল অকেজো হয়ে যায়। ফলে আস্তে আস্তে হার্ট বাম্পিং বন্ধ হয়ে যায় এর ফলে শরীরের রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। এজন্য শরীরে কোষগুলো অক্সিজেন থেকে বঞ্চিত হয়ে যায়। অবশেষে মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। হার্ট অ্যাটাককে Myocardial Infarction ও বলা হয়ে থাকে। হার্ট অ্যাটাক বা হার্টের সমস্যা বিভিন্ন বয়সেই হতে পারে‌।বয়স, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যা, অতিরিক্ত চর্বি বা মেদ ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মদ্যপান, মানসিক চাপ এগুলো হলো হার্টের সমস্যার মূল কারণ।

হার্টের রোগীর জন্য খাবার তালিকা

হার্টের রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বা প্রতিরোধ করতে প্রয়োজন নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাদ্য। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় যদি হার্টের রোগীর স্বাস্থ্যকর কিংবা সুষম খাদ্য থাকে যা কোলেস্টরেল এর মাত্রা কমাবে। হার্টের সমস্যা কমাতে যে সমস্ত খাবারগুলো খাওয়া জরুরী সেগুলো হচ্ছে;

আদা

আদা নিয়মিত খেলে উচ্চ রক্তচাপ এবং করোনারি হার্ট ডিজিজের মতো হৃদরোগের ঝুঁকি কমবে। তাই হার্টের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আদা খাওয়া জরুরী।

জাম্বুরা

জাম্বুরায় রয়েছে কোলিন ফাইবার লাইকোপিন এবং পটাশিয়াম যা হার্ট ভালো রাখার জন্য খুবই উপকারী। উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি জাম্বুরায় রয়েছে প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান।

ডুমুর ফল

ডুমুর হার্ট সুরক্ষিত রাখার জন্য অন্যতম একটি ফল। এই ফলটিতে রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং ফাইবার যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

গ্রিন টি

গ্রিন টি এমন একটি পানীয় যাতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ধমনী ফলক তৈরি রোধে সাহায্য করে। এছাড়াও গ্রিন টি এল এল কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতেও সাহায্য করে।

রসুন

অনেক রোগের ওষুধ হিসেবে রসুন খুবই উপকারী। রসুনে কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত থাকে। এছাড়াও শরীর থেকে বজ্র পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে রসুন। নিয়মিত রসুন খাওয়া খুবই উপকারী। রোজ পানির সঙ্গে রসুনের এক বা দুই কোয়া খেলে খুবই উপকার পাওয়া যাবে। রসুনে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হার্ট ব্লকের সমস্যা থেকে দূরে রাখে।

মাছ

হৃদপিণ্ডর সুস্থতার জন্য মাছ অন্যতম একটি খাবার।তৈলাক্ত মাছকে সবচেয়ে বেশি ভালো মনে করা হয় এই কারণে যে এতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। এই ফ্যাটি এসিড ট্রাইগ্লিসারাইড এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

লাউ

লাউ ওজন বৃদ্ধির হাত থেকে রক্ষা করে হার্ট ব্লকেজ এর মত সমস্যাকে প্রতিরোধ করে। লাউ সিদ্ধ করে তাতে ধনেগুড়া হলুদ ও ধনেপাতা মিশিয়ে সপ্তাহে অন্তত দুইবার খেলে হার্ট ভালো থাকে।

সতেজ শাক সবজি

প্রকৃতি থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় পাওয়া যেসব শাক সবজি রয়েছে সেগুলো খেলে হার্টের সমস্যার জন্য খুবই উপকারী।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

ডার্ক চকলেট

একটি গবেষণায় দেখা গেছে হৃদপিন্ডের জন্য উপকারী একটি খাবার হল ডার্ক চকলেট। সব সময় যারা ডার্ক চকলেট (৭০ শতাংশ ককোয়া সমৃদ্ধ) খান তাদের হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুকি কম থাকে। এতে যে পরিমাণ পলিফেনল উপাদান থাকে তার রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

নাশপতি

নাশপাতি তে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার এছাড়াও রয়েছে ভিটামিন ডি ভিটামিন সি এবং কে। নাশপাতিতে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম রয়েছে যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। হৃদরোগ থেকে দূরে থাকতে চাইলে নাশপাতি খুবই উপকারী একটি ফল।

লেবু পানি

হার্টের সমস্যা কি নিয়ন্ত্রণে রাখতে লেবু পানি একটি উপকারী পানীয়। লেবু পানি পান করলে শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল বের হয়ে যায়। লেবুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হার্ট ব্লকেজের ঝুঁকি কমায়।

কমলালেবু

কমলালেবু এমন একটি ফল যে ফলে থাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বহুরোগ থেকে মুক্তির একটি সমাধান। হার্টের অসুখ দূরে রাখতে চাইলে কমলা লেবু খাওয়া জরুরি।

কফি

কফি খুবই উপকারী একটি পানীয়। হার্টের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী। কফি করোনারি হার্ট ডিজিজ হার্ট ফেইলর এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

ছোলা

ছোলা কার্ডিওভাসকুলার পুষ্টিগুণ সম্পন্ন একটি খাবার। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং পটাশিয়াম থাকে। এছাড়াও ছোলা কোলেস্টরেলের মাত্রা হ্রাস করতে সহায়তা করে। এটি হৃদ রোগের ঝুঁকি কমাতেও খুবই উপকারী।

পেয়ারা

পেয়ারা একটি দেশীয় ফল এতে রয়েছে ভিটামিন সি ভিটামিন বি ৬। এছাড়াও ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে এই ফলটিতে। এসব উপাদান থাকার কারণে পেয়ারা হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

আপেল

আপেল এমন একটি ফল যা হার্টের অসুখ প্রতিরোধ করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। আপেলে রয়েছে ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম ফসফরাস থিয়ামিন নিয়াসিন কোলেন ইত্যাদি। প্রতিদিন একটি আপেল খেলে ডাক্তারের কাছে যেতে হয় না। এছাড়াও ফাইবার রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আপেলে। তাই হার্টের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে এবং হার্টের রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে আপেল খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত।

কলা

কলাতে যেসব উপাদান রয়েছে সেগুলো হচ্ছে পটাশিয়াম ভিটামিন সি ভিটামিন বি ৬ ও ফাইবার এতে থাকা পটাশিয়াম নিয়ন্ত্রণ করে উচ্চ রক্তচাপ। এছাড়া দেখা গিয়েছে যে কলায় যে ফাইবার নামক উপাদান রয়েছে তা কোলেস্টেরল শরীর থেকে দূর করতে পারে।

হার্টের রোগীদের যেসব খাওয়া নিষিদ্ধ

রক্তে যদি কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানো যায় তাহলে হার্টের রোগের আশঙ্কা কম থাকে। আবার কোলেস্ট্রল সমৃদ্ধ খাবার কম খেলে রক্তে কোলেস্টরলের পরিমাণ কম থাকে। তাই এমন কিছু খাবার খাওয়া জরুরী যার হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সহায়তা করে। যেমন:ডিমের কুসুম মাংসে অতিরিক্ত কোলেস্টরেল থাকে। এসব প্রাণী চোখ খাদ্য খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। আবার বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ জাতীয় খাবারের কোলেস্টেরলের মাত্রা কম থাকে। চলুন জেনে নেই হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কোন খাবারগুলো বাদ দেওয়া উচিত-

কলিজা মগজ হাড়ের মজা

কলিজা মগজহারের মজায় এই খাবারগুলোতে অতিরিক্ত কোলেস্টরেল থাকে। যার কারণে হৃদরোগ ঈদের এইসব খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।

মাছের মাথা ডিম

রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রা বৃদ্ধি করতে মাছের মাথা ও ডিম বিশাল ভূমিকা পালন করে। যার কারণে হৃদ রোগীদের সুস্থতায় মাছের মাথা ও ডিম খাওয়া বর্জন করতে হবে।

চিংড়ি মাছ

হৃদ রোগীর জন্য আরেকটি বর্জনীয় খাবার হচ্ছে চিংড়ি মাছ। অতিরিক্ত ক্যালরি এবং ফ্যাট চিংড়ি মাছের না থাকলেও চিংড়িমাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কোলেস্টরেল জারি রোগীর জন্য খুবই ক্ষতিকর। সাড়ে আউন্স ওজনের এক পিস রান্না করা চিংড়ি মাছে ১৮৯ মিলিগ্রাম কোলেস্টরেল থাকে।

ফাস্টফুড বা রিচ ফুড

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন জার্নাল এর একটি রিপোর্টে দেখা যায় প্রতি সপ্তাহে একবার নিয়মিত ভাবে যারা ফাস্টফুড বা রিচ ফুড খায় তারা হৃদরোগে আক্রান্ত হয় বেশি। তাই এইসব ফাস্টফোর্ড বা রিচ ফোর্ড অর্থাৎ চর্বিযুক্ত খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে হৃদরোগীদের।

ডিমের কুসুম

ডিমের কুসুমে রয়েছে প্রচুর পরিমানে কোলেস্টরেল। তাই হার্টের রোগীদের জন্য ডিমের সাদা অংশ খাওয়া গেলেও ডিমের কুসুম খাওয়া যাবেনা। হার্টের রোগীদের জন্য অতিরিক্ত কোলেস্টরেল ক্ষতির কারণ।

ঘি মাখন ডালডা

ঘি মাখন এবং ডালডায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট‌। সেই সাথে পলিম্যাটট্রিক এসিড যা আর্টারি ব্লকের কারণ হতে পারে।

অতিরিক্ত ভাজা এবং তৈলাক্ত খাবার

অতিরিক্ত ভাজা এবং তৈলাক্ত খাবার মুখরোচক হলেও তা শরীরের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর। তাই হার্টের রোগীদের জন্য অতিরিক্ত ভাজা এবং তৈলাক্ত জাতীয় খাবার বর্জন করা জরুরী।

নারিকেল

সিঙ্গাপুর এবং হংকং এর দুটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে যত লোক হংকংয়ে মারা গিয়েছে তার অন্তত তিনগুণ বেশি মানুষ মারা গেছে। সিঙ্গাপুরে গবেষকদের মতে এর একটি কারণ হলো সিঙ্গাপুরের আদিবাসীদের খাবারের নারিকেল ও বাম তেল ব্যবহারের প্রবণতা বেশি। নারিকেল তেলের 85 থেকে 90 ভাগই হলো স্যাচুরেটেড রোগীদের জন্য ক্ষতিকর।

কেক পেস্ট্রি পুডিং আইসক্রিম

কেক পেস্ট্রি পুডিং এবং আইসক্রিম অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার আর চিনি হার্টের অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। মিষ্টি জাতীয় পানীয় প্রেসার কে বাড়িয়ে দেয়। বাড়িয়ে দেয় লিভারের তৎপরতা যা রক্তের ক্ষতিকর ফ্যাট নিঃসরণ করে আর এ দুটো কারণই হৃদরোগের নেপথ্য অনুঘটক।

রেডি মিট

অতিমাত্রার রেডিমিট হৃদরোগের কারণ। তবে কেবল রেডিমিটার ফ্যাট বা কোলেস্টরেলের কারণে কিন্তু নয় সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে রেডিমিট ভেঙে করনি টাইম নামে একটি যৌগ দেহে তৈরি হয় যা ট্রিমিথাইলেমাইন এন অক্সাইড নিঃসরণ করে। আর এটি হার্টের ব্লক সৃষ্টিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।

নিঃশব্দ ঘাতক নামে এই হার্টের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অবশ্যই নিয়মিত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। যে সমস্ত খাবারে কোলেস্টরেলের মাত্রা কম এবং স্বাস্থ্যসম্মত সে সমস্ত খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। নিয়মিত হাঁটাহাঁটি ব্যায়াম শরীর চর্চা করে শরীরকে ফিট রাখুন। যে খাবারগুলোতে চর্বি বেশি কোলেস্টরেল বাড়িয়ে দেয় প্রেসার বাড়িয়ে দেয় সে সমস্ত খাবারগুলো থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। এতে করে হার্টের সমস্যা নিয়ন্ত্রিত থাকবে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

হার্টের সমস্যা কি মৃত্যুর কারণ হতে পারে?

উত্তর: হার্টের সমস্যা মৃত্যুর অন্যতম একটি কারণ হতে পারে। হার্ট অ্যাটাক কে বলা হয় নীরব ঘাতক।

কোলেস্টরেল বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে হার্টের সম্পৃক্ততা আছে কি?

উত্তর:অতিমাত্রায় কোলেস্টরেল হার্টের সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে। কোলেস্টোরেল নিয়ন্ত্রণে থাকলে হার্টের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।

হার্টের সমস্যা কোন বয়সে হয়ে থাকে?

উত্তর: ৬০ বছর ঊর্ধ্ব ব্যক্তিদের হার্টের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তবে এই সমস্যা যেকোনো বয়সে যে কারো হতে পারে এতে অবাক হওয়ার কোন কারণ নেই।

শেষ কথা-

সম্মানিত পাঠক পাঠিকা বন্ধুরা ইতোমধ্যেই আপনারা হার্টের রোগের খাবার তালিকা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন আমাদের আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে। এই সংক্রান্ত কারো কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই আমাদের কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না।

আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিদিন আরো নতুন নতুন কনটেন্ট গুলো আপনারা পেতে চাইলে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইটের সাথে থাকবেন এবং আপনার বন্ধুদের সাথে ওয়েবসাইটটির কথা শেয়ার করবেন। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন। সুস্থ থাকবেন।

পোস্ট ট্যাগ-

হার্টের জন্য উপকারী খাবার,হার্টের জন্য ক্ষতিকর খাবার,হার্টের রোগীর খাবার তালিকা ফল,হার্টের সমস্যা সমাধানের উপায়,হার্টের ব্লক দূর করার খাবার,হার্টের রোগীর জন্য দুধ,হার্টের জন্য রসুনের উপকারিতা,হার্টের জন্য উপকারী ফল।

আপনার জন্য আরো 

আপনার জন্য-

থাইরয়েড রোগ থেকে মুক্তি পেতে করণীয়

চর্মরোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার কার্যকারী চিকিৎসা

যক্ষা বা টিবি রোগের লক্ষণ

ক্যান্সার রোগের যেসব লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না

শ্বেতী রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে জেনে নিন

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪৯২ other subscribers

 

প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এখানে ক্লিক করুন।
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে :এখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।

SS IT BARI- টুইটার থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- লিংকদিন থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- ইনস্টাগ্রাম থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- টুম্বলার (Tumblr)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে :এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- পিন্টারেস্ট (Pinterest)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS It BARI JOB NEWS

SS IT BARI-ভালোবাসার টেক ব্লগ টিম