সেক্স বৃদ্ধির খাবার সুমহ এবং প্রাকৃতিক ভাবে বীর্য উৎপাদন করার উপায় গুলো যেনে নিন

সেক্স বৃদ্ধির খাবার-বর্তমান শহুরে জীবনধারা মানসিক চাপ বাড়ায় এ কথা তো জানা সবারই। কিন্তু একই সঙ্গে তা যৌন ইচ্ছে কমানোর জন্যও দায়ী। মানসিক বা শারীরিক চাপ যত বাড়ে লিবিডো বা যৌনতার ইচ্ছা তত হ্রাস পায়। যদি দীর্ঘদিন ধরে আপনি যৌনতা না করে থাকেন বা যৌনতার ইচ্ছাই না জন্মায় তাহলে কিন্তু সতর্ক হওয়াই ভালো।

সেক্সে বৃদ্ধির খাবার

যদি আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন, সুস্থ খাবার খাচ্ছেন এবং মানসিক চাপও খুব কম হয় তাহলে আপনার যৌন জীবনও সুন্দর। কিন্তু অতিরিক্ত চাপ, উদ্বেগ, শারীরিক ক্লান্তি এবং খিটখিটে মেজাজ যত বাড়বে আপনার লিবিডো কমবে ততই। আপনার যৌনক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য, কিছু খাবার আছে যা নিয়মিত খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

১।তরমুজ

তরমুজ শুধু শরীরে পানির মাত্রা বাড়ানো ও ওজন কমাতেই সাহায্য করে না যৌন ইচ্ছা বাড়াতেও একই রকম সাহায্য করে এই মৌসুমি ফল। এই ফলের মধ্যে রয়েছে সিট্র্রোলিন অ্যামিনো অ্যাসিড যা লিবিডোর মাত্রা বাড়ায়।

২।কফি

সীমিত পরিমাণে খাওয়া হলে, কফি সেক্স ড্রাইভ বৃদ্ধির জন্য দারুণ উপকারী পানীয়। গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষদের ক্ষেত্রে দিনে দু থেকে তিন কাপ কফি লিবিডো বাড়াতে সাহায্য করে।

৩।আমন্ড এবং পেস্তা বাদাম

আমন্ডস ভিটামিন ই সমৃদ্ধ। গবেষণায় দেখা যায় যে ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবারগুলো হরমোনের উৎপাদনের জন্য ভালো, যা আবার লিবিডো বাড়াতেও সাহায্য করে। বাদামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই থাকে। আপনার লিবিডো বাড়াতে চাইলে আমন্ড পেস্তা বাদাম খেতে শুরু করুন। পেস্তা তামা, ম্যাঙ্গানিজ এবং জিঙ্কের একটি প্রাকৃতিক উৎস। শুক্রাণুর গুণমান উন্নত করতেও সাহায্য করে বাদাম।

৪।পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার

শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করতে পারে এবং উচ্চ রক্তচাপও দেখা দিতে পারে। পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য উপকারী। কলা, আভোকাডো, শুকনো খুবানি এবং নারকেল পানি সবই পটাশিয়ামের সমৃদ্ধ খাবারের উদাহরণ যা লিবিডো বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

৫।জাফরান

যৌনতার ইচ্ছার অনুঘট হিসেবে কাজ করে জাফরান। এটি প্রাকৃতিক উপাদান বলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম। খাবারে জাফরান দিলে তা চাপ কমাতে সাহায্য করে, যৌনতার ইচ্ছাও বাড়ায়। এটি রক্তে ইস্ট্রোজেন, সেরোটোনিন এবং অন্যান্য ফিল-গুড হরমোন উৎপাদন বৃদ্ধি করে। জাফরান উদ্বেগ হ্রাসে সহায়তা করে।

৬।ডার্ক চকলেট

লিবিডোকে জাগানোর জন ডার্ক চকোলেট হল দারুণ উপকারী। এতে থাকা এল-আর্জিনিন অ্যামিনো অ্যাসিড যৌনতার ইচ্ছা বাড়াতে সাহায্য করে। ডার্ক চকোলেট আপনার অঙ্গ প্রত্যঙ্গে রক্ত ​প্রবাহ বাড়ায়।

৭।দুধ

যৌন ক্ষমতাকে ধরে রাখতে দুধের গুরুত্ব অপরিসীম। এতে থাকা প্রাণিজ-ফ্যাট যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত সহায়ক। শরীরে সেক্স হরমোনের পরিমাণ বাড়াতে চাইলে বেশি পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। যেমন- খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। তবে এই ফ্যাট জাতীয় খাবারগুলো যেন হয় প্রাকৃতিক ও স্যাচুরেটেড যুক্ত ফ্যাট। বিশেষ করে ছাগলের দুধ পুরুষের যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

৮।এলাচ

এলাচকে বলা হয় রোমান্টিক মশলা। কারণ এতে অ্যাফ্রোডিসিয়াক বৈশিষ্ট্য থাকায় এটি যৌন ইচ্ছা বাড়াতে সাহায্য করে। এলাচের তেলের ম্যাসাজ রোমান্টিকতা বাড়িয়ে তোলে। এ ছাড়াও চা এবং কফি হিসেবে এলাচ খাওয়া পুরুষত্বহীনতা দূর করতে উপকারী।

৯।ব্রকোলি

অনেকেই খেতে পছন্দ না করলেও সবজির মধ্যে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও উপকারী সবজি হলো ব্রকোলি। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি থাকে, যা জননাঙ্গে রক্ত প্রবাহকে স্বাভাবিক রাখে। কারণ ভিটামিন সি শরীরে বয়ে চলা রক্তস্রোতের ধারাকে বজায় রাখে। যৌন মুহূর্তে অঙ্গে রক্তস্রোতের অবাধ প্রবাহকে বহাল রাখতে ব্রকোলি খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

১০।কলা

কলায় থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম, যা মানবদেহের যৌনক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে। এতে থাকা ব্রোমেলাইন নামক এনজাইম মেল সেক্স হরমোন টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং পুরুষদের মধ্যে কামশক্তি বাড়ায়। পটাশিয়াম ও ভিটামিন শরীরে রক্ত সঞ্চালনার মাত্রাকে বৃদ্ধি করে এবং দেহের শক্তির স্তরকে বাড়িয়ে তোলে।

১১।ডিম

যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী খাবার হলো ডিম। এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে যা হরমোনের মাত্রাকে ঠিক রাখতে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। রোজ সকালে একটা করে ডিম খেলে শরীরিক শক্তি ও যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

১২।মধু

মধু হলো হাজারো ফুল ও দানার নির্যাস, যা যৌন ইচ্ছাকে বৃদ্ধি করতে এবং যৌবনকে ধরে রাখতে খুবই উপকারী ও শ্রেষ্ঠ উপাদান। তাই সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন সকালে ১ চামচ করে মধু খান।

১৩।রসুন

বহুকাল থেকেই যৌন সমস্যা মেটাতে রসুন ব্যবহার হয়ে আসছে। সুতরাং আপনারও যদি যৌন সমস্যা থেকে থাকে তবে রোজ ১ কোয়া করে রসুন খাওয়া শুরু করুন। রসুন নারী ও পুরুষ উভয়েরই যৌন উদ্দীপনাকে বাড়াতে এবং জননাঙ্গকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও রসুনে থাকা অ্যালিসিন যা যৌন অঙ্গগুলোতে রক্ত প্রবাহের মাত্রাকে স্বাভাবিক রাখে।

টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধির খাবার তালিকা

এই হরমোনের ঘাটতি হলে পুরুষের শরীরের নানান রকম সমস্যা হতে পারে।

বয়স ত্রিশ পেরোনোর পর পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের পরিমাণ কমতে শুরু করে। ফলে স্মৃতিশক্তি হ্রাসের পাশাপাশি কামবাসনা কমে যাওয়া, লিঙ্গোত্থানে সমস্যা, খারাপ মেজাজসহ মনোযোগের অভাব দেখা দেয়।

কোন বয়সে কি পরিমাণ আমিষ জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত

সেক্সে বৃদ্ধির খাবার,

তবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত কিছু খাবার খাওয়ার অভ্যাস করলেই উপকৃত হওয়া যায়।

পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসরণ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সাহায্য করে এমনই কিছু খাবারের নাম উল্লেখ করা হয়। এই প্রতিবেদনে ওই খাবারগুলোর নাম উল্লেখ করা হলো।

১।মধু

মধুতে আছে প্রাকৃতিক নিরাময়কারী উপাদান বোরোন। এই খনিজ উপাদান টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বাড়াতে এবং নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা ঠিক রাখে। যা ধমনী সম্প্রসারণ করে লিঙ্গোত্থানে শক্তি সঞ্চার করে।

২।বাঁধাকপি

এই সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। আরও আছে ইনডোল থ্রি-কার্বিনল। এই উপাদান স্ত্রী হরমোন ওয়েস্ট্রজেনের পরিমাণ কমিয়ে টেস্টোস্টেরন বেশি কার্যকর করে তোলে।

৩।রসুন

রসুনের আলিসিন যৌগ মানসিক চাপের হরমোন করটিসলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে টেস্টোস্টেরন ভালোমতো কাজ করে। ভালো ফল পেতে রসুন কাঁচা খাওয়ার অভ্যেস করুন।

৪।ডিম

ডিমে আছে স্যাচারেইটেড ফ্যাট, ওমেগা থ্রিএস, ভিটামিন ডি, কলেস্টেরল এবং প্রোটিন। টেস্টোস্টেরন হরমোন তৈরির জন্য এই উপাদানগুলো জরুরি।

৫।কলা

এই ফলের ব্রোমেলেইন এনজাইম টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। আর দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি সরবরাহের উৎস হিসেবে কাজ করে।

৬।কাঠবাদাম

নারী এবং পুরুষ উভয়ের ‘সেক্স ড্রাইভ’য়ের জন্য প্রতিদিন এক মুঠ কাঠবাদাম যথেষ্ট। এই বাদামে রয়েছে জিঙ্ক যা টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়ায় আর কামবাসনা বৃদ্ধি করে।

৭।ঝিনুক

টেস্টোস্টেরন তৈরিতে জিংক গুরুত্বপূর্ণ। ঝিনুকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ খনিজ উপাদান। যা টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে।

ঝিনুক পছন্দ না, তাহলে বিকল্প হতে পারে চিজ বা পনির। বিশেষ করে সুইস এবং রিকোত্তা চিজ।

৮।টক ফল

‘স্ট্রেস হরমোন’ কমানোর পাশাপাশি টকজাতীয় ফলে রয়েছে ভিটামির এ। যা টেস্টোস্টেরন উৎপন্ন করতে প্রয়োজন হয়। এছাড়া ওয়েস্ট্রজেনের মাত্রা কমায় অর্থাৎ পুরুষ হরমন ভালোমতো কাজ করতে পারে।

৯।পালংশাক

এটা প্রমাণিত যে, ওয়েস্ট্রজেনের মাত্রা কমাতে পারে এই শাক। তাছাড়া আছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি এবং ই। আর এসবই টেস্টোস্টেরন তৈরির উপাদান।

১০।আঙুর

হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন একথোক লাল আঙুর খাওয়া গেলে টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, শুক্রাণুর তৎপতরতা উন্নত করে আর শক্তিশালী করে।

১১।ডালিম

ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ইম্পোটেন্স রিসার্চ থেকে জানা যায় যৌন কর্মে অক্ষম পুরুষদের মধ্যে ৪৭ শতাংশ যারা প্রতিদিন ডালিমের রস খেয়ে থাকেন তাদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে।

১২।মাংস

বিশ্বাস করা হয় যারা একেবারেই মাংস খান না তাদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কম থাকে। তবে অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার আগে সাবধান। যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানান গরু ও ভেড়ার মাংস দিয়ে তৈরি খাবারে প্রচুর স্যাচারেইটেড ফ্যাট থাকে।

বীর্য উৎপাদনকারী খাবার

বীর্য উৎপাদন করার মূল উপায় হল পুষ্টিকর ও ভিটামিন জাতীয় খাবার খাওয়া। দৈনন্দিন খাবার তালিকায় কিছু পরিমান পুষ্টিকর খাবার খেলে পুরুষদের বীর্যের পরিমাণ এবং বীর্যের গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে। চলুন জেনে নেয়া যাক কি খাবার খেলে বীর্য উৎপাদন হয়।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

সেক্সে বৃদ্ধির খাবার

বীর্য উৎপাদনকারী খাবার বীর্য উৎপাদনকারী বিভিন্ন ধরনের খাবার রয়েছে যা খেলে প্রচুর পরিমানে পুরুষদের বীর্য বৃদ্ধি পায়। এর মধ্যে ভিটামিন সি (লেবু ,আঙ্গুরের জুস ) জাতীয় ফলে প্রচুর পরিমানে এন্টিঅক্সিডেন বিদ্যমান থাকে এবং তৈলাক্ত মাছে আছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা স্পার্মের গুন বাড়াতে সহায়ক যা পুরুষের ঘন বীর্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও বীর্যের মান উন্নত করে। এমন  আরো আনেক খাবার আছে যা প্রচুর বীর্য উৎপাদন বৃদ্ধি করে থাকে চলুন নিম্নে সেই খাবার সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে আসিঃ

১) কালোজিরাঃ কালোজিরায় রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অ্যামোইনো এসিড, ২১ শতাংশ প্রোটিন এবং ৩৮ শতাংশ শর্করা। নিয়মিত নিয়ম করে কালোজিরা খেলে শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় যা বীর্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

২) কলা:- কলা স্পার্মের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। কলায় বোমেনাইল নামের বিশেষ এক ধরণের এঞ্জাইম আছে যা যৌন উদ্দিপক হরমোন গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও কলায় ভিটামিন বি১, ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি আছে যেগুলো শরীরের শক্তি বাড়ায় এবং বীর্য উত্‍পাদন করতে সহায়তা করে।

৩) রসুনঃ রসুনে আছে সেলেনিয়াম নামক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা যৌনঅঙ্গের সক্রিয়তা বাড়ায়। প্রতিদিন নিয়ম করে কয়েক কোয়া কাঁচা রসুন খেলে শরীরের যৌবন দীর্ঘ স্থায়ী হয় । তবে রসুন খাওয়ার শেষে একটু গরম পানি বা দুধ খেলে ভালো ফল পাবেন।

৪) ভিটামিন সি জাতীয় ফলঃ ভিটামিন সি জাতীয় ফলে প্রচুর পরিমানে এন্টিঅক্সিডেন বিদ্যমান থাকে যা পুরুষের বীর্যের মান উন্নত করে। ভিটামিন সি আছে যে ফল গুলিতে সেগুলি হলঃ লেবু,আঙ্গুর, মাল্টা, জাম্বুরায়, পাকা পেঁপে, আনারস ইত্যাদি।সেক্সে বৃদ্ধির খাবার

৫) ডার্ক চকোলেট:- ডার্ক চকোলেট স্পার্মের পরিমাণ বাড়ায় এবং গুনাগুণ বৃদ্ধি করে। ডার্ক চকোলেট অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ যা যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। ডার্ক চকোলেটে এল-আর্গিনাইন এইচসিএল এবং অ্যামিনো অ্যাসিডও রয়েছে। এই উপাদানগুলি শুক্রাণুর সংখ্যা এবং শুক্রাণুর পরিমাণ বাড়িয়ে তোলে।

৬) অন্যান্য খাদ্যঃ রসুন, চীনাবাদাম, মধু, কালোজিরা, কুমড়া বীজ, কিসমিস, ভিটামিন সি, ই, ডি ইত্যাদি জাতীয় খাবার বেশি করে গ্রহণ করবেন যা আপনার শুক্রানুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে। এই খাদ্য গুলি বীর্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও বীর্যের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে।

বীর্য উৎপাদন করার প্রাথমিক উপায়

১) অতিরিক্ত ভারী প্যান্ট পরবেন না।

২) আপনার টেস্টিকল ঠান্ডা রাখুন।

৩) ঘন ঘন বীর্যপাত (যৌন মিলন/হস্তমৈথুন) যাতে নাহয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

৪) অস্বীকৃত মেডিসিন থেকে সাবধান থাকুন।

৫) লুঙ্গী, ট্রাউজার বা পাতলা জিন্স পরুন।

৬) স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকুন।

৭) ধুমপান, মদ্যপান পরিহার করুন।

৮) প্রতিদিন ব্যায়াম করুন।

৯) মাছ, মাংস, ডিম, ফল ও সবজি প্রচুর পরিমানে খান।

১০) সোয়া-ভিত্তিক খাবার এবং উচ্চ শর্করা যুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

বীর্য গাঢ় করার খাবার

বীর্য ঘন করার উপায় জানা থাকলে দীর্ঘসময় মিলন করা সম্ভব। আর বীর্য পাতলা হলে যৌন মিলনের সময় দ্রুত বীর্য পাত হয়। এর ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনমালিণ্য সৃষ্টি হয়। কিন্তু এই সমস্যা সমাধানের জন্য অনেকেই বিভিন্ন চেষ্টা করেন।কিন্তু বীর্য ঘন করার সহজ উপায় অনেকেই জানেনা। সকল পুরুষ চায় দীর্ঘ সময় মিলন করতে। কিন্তু যাদের বীর্য পাতলা তাদের শত চেষ্টার পরেও অল্প সময়ের মধ্যে বীর্যপাত হয়। তখন সঙ্গীনির কাছে পেতে হয় চরম লজ্জা। লজ্জার হাত থেকে বাসতে বীর্য গাঢ় করার উপায় জেনে রাখুন।সেক্সে বৃদ্ধির খাবার,

বীর্য ঘন করার প্রাকৃতিক উপায়ের মধ্যে গাছ-গাছালীর গুনাবলী অন্যতম। উল্লেখ্য থাকে যে, আপনি এখানে যে কোন একটি পদ্ধতি বেছে নিবেন।সব গুলোর চেষ্টা না করায় ভালো। এতে আপনার জন্য সমস্যা হতে পারে।

১।কলমি শাক

কলমি শাক আমাদের অতি পরিচিত শাক। আমরা সকলি জানি কলমি শাকের গুনাবলী ও পুষ্টিগুন অন্যান্য শাকের থেকে অনেক বেশি। কলমি শাকের রস ৩ চামচ এবং অশ্বদন্ধা মূলের গুড়া (কবিরাজী দোকানে পাওয়া যায়) দেড় গ্রাম গরুর দুধ এক কাপ মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর সময় একবার করে প্রতিদিন খেলে বীর্য ঘন হবে এবং স্বপ্নদোষও বন্ধ হবে। এটি বীর্য ঘন করার উপায় এর মধ্যে একটি।

২।শিমুল মূল বা শতমুলী

হস্তমৈথুনের ফলে অধিকাংশ পুরুষের বীর্য পাতলা হয়ে যায়। পর্ণ দৃশ্য নিয়মিত দেখার ফলে ও সেক্স চিন্তা করার জন্য ঘুমের মধ্যে পাতলা বীর্য সহজেই বের হয়ে যায়। শতমূলীর রস ৫০ মিলি লিটার একটি স্টিলের পাত্রে রেখে তাতে ১০০ মি.লি লিটার গাওয়া ঘিয়ে দিয়ে হালকা আচে পাক করতে হবে। তিন গ্রাম এ ঘি আধা কাপ সামান্য গরম দুধের সাথে মিশিয়ে সকালে বিকেলে খেলে বীর্য গাঢ় হবে। শিমুল মূল তাঁজা অবস্থাতে কাঁচা চিবিয়ে খেলে বীর্য বৃদ্ধি ও ঘন হয়। তবে নিজেকেও কিছুটা সংযত করতে হবে মানে পর্ণ মুভি বা নারী দেহ নিয়ে চিন্তা করা যাবে না। আর বীর্য ঘন করতে হলে আগে হস্তমৈথুন এর অভ্যাস চির দিনের জন্য বিদায় দিতে হবে।বীর্য ঘন করার সহজ উপায় এর মধ্যে শিমুল মূল বা শতমুলী খুবই উপকারি।

৩।গরুর মাংস

আমাদের সকলের জানা গরুর মাংস সেক্স বৃদ্ধি ও বীর্য ঘাঢ় করতে অত্যান্ত কার্যকরী উপাদান। তাই প্রতি সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন গরুর মাংস খাওয়ার চেষ্টা করুন। গরুর মাংস খেলে অতিরিক্ত সেক্স বৃদ্ধি হতে পারে তাই যারা অবিবাহিত তারা সেক্স বৃদ্ধি হলে কখনোই হস্তমৈথুন করবেন না। কারন হস্তমৈথুন করলে আপনার বীর্য কখনোই ঘন ও বৃদ্ধি পাবে না। বরং এতে উপকারের চেয়ে ক্ষতি হবে। গরুর মাংস খেলে পুরুষের ন্যায় নারীদের সেক্স উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। তাই নারী পুরুষ উভয়ে মাষ্টারবেশন বা হস্তমৈথুন থেকে দূরে থাকুন।

৪।বাদাম

বাদাম প্রাচীন কাল থেকে নানা ধরণের যৌন রোগের জন্য বাবহৃত হয়ে আসছে। আর বাদাম একটি পুরুষকে যে পরিমান বীর্য বৃদ্ধি ও ঘন করতে সাহায্য করে তা অন্য কোন খাবারে নেই।বিকেল বেলা নিয়মিত বাদাম খেলে প্রচুর পরিমানে বীর্য বৃদ্ধি ও ঘন হয়। বীর্যথলী পরিপূর্ণ থাকলে পুরুষের শক্তি ও উদ্দ্যম স্বাভাবিক থাকে। তাই নিজেকে সুঠাম, শক্তিশালী সহ বীর্য বৃদ্ধি করতে বাদামের জুড়ি নেই।বীর্য ঘন করার প্রাকৃতিক উপায়ের মধ্যের বাদাম অন্যতম।

৫।রামতুলসী

রামতুলসী পাতার রস একটি উপকারী উপাদান। আর এটি সবচেয়ে বেশি উপকার করে ধ্বজভঙ্গের রোগীর। এটি মাত্র দুই সপ্তাহ নিয়মিত খেলে রোগীর স্বাভাবিক যৌন ক্ষমতা ফিরে আসবে। রামতুলসীর পাতা রস করে সামান্য মধু মিশিয়ে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর পূর্বে সেবন করলে আপনার যৌন দূর্বলতা দূর হবে এবং বীর্য পরিমান মত বৃদ্ধি ও গাঢ় হবে।

৬।আলকুশী

যৌবনে বয়সে নানা প্রকার কু-অভ্যাসের ফলে অতিরিক্ত শুক্র ক্ষয়ের মাধ্যমে মহামূল্যবান বীর্য তরল হয়ে যায়। আর আলকুশীর পাকা বীজ চার থেকে পাঁচটি রাতে এক কাপ গরম দুধে ভিজিয়ে রেখে দিন। পরের দিন সকালে বীজগুলোর কোসা ছাড়িয়ে মিহি করে বেটে সামান্য গাওয়া ঘিয়ে বীজকে ভেজে নিতে হবে। ভাজাটা খুব কড়াভাবে ভাজা চলবে না।ঠান্ডা হলে এক চামচ মিসরীগুড়া অথবা সমপরিমান চিনি মিশিয়ে প্রতিদিনে একবার করে খেলে তরল বীর্য ঘন হয়ে যাবে।

৭।লতাকস্তুরী বীর্য ঘন করার উপায়

লতাকস্তুরী বীজের গুড়া বীর্য ঘন ও বৃদ্ধি কবে। এর বীজের গুড়া দেড় গ্রাম, এক গ্লাস ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে নিয়মিত সেবন করলে ধীরে ধীরে শুক্র বেড়ে যায়।অনেকের প্রসাবের আগে অথবা পরে প্রস্রাবের সাথে পাতলা বীর্য বেরিয়ে আসে। এ অবস্থায় এ গাছের পাতা নিয়ে বেটে আধা পোয়া পানিতে চটকে ছেকে নিন। এতে অল্প আখের গুর বা মধু মিশিয়ে শরবত করে খেলে বীর্য গাঢ় হবে।সেক্সে বৃদ্ধির খাবার,

৮।বেল বেল পাতা

যৌবন উত্তেজনা উম্মচিত হয়ে তরুন যুবক হস্তমৈথন করে শুক্রক্ষয় করে থাকে। তিন থেকে চারটি বেলপাতা বেটে তার রস আধা কাপ ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে কিছুদিন খেলে শরীরে তীব্র কাম উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। তবে বেলপাতা দীর্ঘদিন খাওয় উচিত নয়। দম্পত্য জীবনে বিপরীত ফলফলা দেখা দিবে। বেশি বেল পাতার রস খেলে যৌন উত্তেজনা অনেক কমে যাবে।

আপনার জন্য –

শর্করা । অ্যালার্জি। ভিটামিন সি। ক্যালসিয়াম। আমিষ। প্রাণীজ আমিষ। আঁশ জাতীয় খাবারের তালিকা সহ বিস্তারিত

সুষম খাবার কাকে বলে? সুষম খাবারের উপাদান সহ সুষম খাবার সম্পর্কে সকল তথ্য

প্রোটিন জাতীয় খাবার সহ গর্ভবতী মায়ের খাবার সম্পর্কে বিস্থারিত জানুন

৬ মাস থেকে ৫ বছরের বাচ্চার খাবার নিয়ে   দুশ্চিন্তা দিন শেষ

বাচ্চার পুষ্টি নিয়ে ভাবছেন?অধিক পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ বাচ্চার খাবার তালিকা

নবজাতক শিশুর যত্ন ও পরিচর্যায় বাবা-মার করণীয়

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪০৭ other subscribers

 

প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে এএখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।
গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন।
SS IT BARI-সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুন এই লিংকে

pp

তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক লেখালিখি করি। এর আগে বিভিন্ন পোর্টালের সাথে যুক্ত থাকলেও, SS IT BARI-আমার হাতেখড়ি। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিশ্লেষণ বাংলায় জানতে ভিজিট করুন http://ssitbari.com

Leave a Reply

Your email address will not be published.