সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাবার গ্রহণ

সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যকর খাবার-সুস্থতার পূর্ব শর্ত হলো স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করা।জীবন বাঁচাতে বা বেচে থাকার জন্য আমরা প্রতিদিন যেসব খাবার খাই তা সবই স্বাস্থ্যকর খাবার নয়। সুস্থ সুন্দর জীবন যাপন সকলের অধিকার তাই সুস্থ জীবন যাপনের শুধু খাবার খেলেই চলবে না বরং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। স্বাস্থ্যকর খাবার আপনাকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মানসিক বিষন্নতা থেকেও দূরে রাখতে সাহায্য করবে।সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাবার গ্রহণ

আজকে আমরা আলোচনা করব সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যকর খাবারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে। আমরা সকলেই চাই সুস্থ থাকতে কিন্তু আদৌ কি তা পারি? সুস্থ থাকতে না পারার বড় একটি কারণ হলো স্বাস্থ্যকর খাদ্যের দিকে নজরদারি না করা। চলুন মূল আলোচনায়

কিডনি পরিষ্কার রাখার ৯টি খাবার সম্পর্কে জেনে নেই

সুস্বাস্থ্য অবশ্যই সৃষ্টিকর্তার নিয়ামত। তবে সুস্থ থাকতে গেলে আমাদের নিয়মিত স্বাস্থ্যের প্রতি সতর্ক থাকতে হবে। অবশ্যই আমাদের প্রতিদিন খাবারে পুষ্টিকর খাদ্য থাকতে হবে। মুখের স্বাদেই যে সব খাবার স্বাস্থ্যকর এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।

আদর্শ খাবার গুলোর মধ্যে রয়েছে

  • প্রোটিন
  • ফ্যাট
  • কার্বোহাইড্রেট
  • খনিজ
  • ভিটামিন
  • পানি

১।প্রোটিন

প্রোটিন আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এছাড়াও প্রোটিনযুক্ত খাবার শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করে। তাই আমাদের আদর্শ খাবার তালিকায় বা স্বাস্থ্যকর খাবার তালিকায় অবশ্যই প্রোটিনযুক্ত খাবারের উপস্থিতি প্রয়োজন। প্রোটিন যুক্ত খাবার গুলো হলো ডিম, দুধ ,পনির, মাছ ও মাংস ইত্যাদি।

ডিম

একটি ডিমের মধ্যেও সাত থেকে আট গ্রাম প্রোটিন বিদ্যমান। ডিম মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করে।

দুধ

দৈনিক খাবারে প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে দুধের বিকল্প নেই। দগ্ধ জাত খাবারেও প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। এক কাপ দুধে প্রায় ৭ থেকে ৮ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়।

পনির

দগ্ধ স্বাদ খাওয়ার গুলোর মধ্যে একটি হলো পনির।পনিরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন‌ ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস যা হাড় ও দাঁত কে মজবুত ‌ রাখে।

মাছ মাংস

প্রোটিন যুক্ত খাবার গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে মাছ ও মাংস। দৈনিক মাছ-মাংসের মধ্যে প্রায় 20 থেকে 30 শতাংশ প্রোটিন পাওয়া যায় যা দেহের মাংসপেশিকে শক্তিশালী করে।

২।ফ্যাট

ফ্যাট যদিও খাবার দেহের শক্তির প্রধান উৎস।প্রোটিনের মত ফ্যাটও একটি পুষ্টির অন্যতম অংশ। ১ গ্রাম ফ্যাটে ৯ শতাংশ ক্যালোরি থাকে যা কার্বোহাইড্রেট এবং প্রোটিনের থেকেও বেশি। মাখন ও ঘি বাদাম ,খাসির মাংস এসব খাবারের ফ্যাটের মাত্রা বেশি।

মাখন ঘি

মাখন ও ঘি দুটোই ফ্যাট যুক্ত খাবার গুলোর মত অন্যতম খাবার। মাখনে রয়েছে ওমেগা থ্রি ওমেগা সিক্স ফ্যাটি এসিড যা চুল ত্বক ও মস্তিষ্ককে সতেজ রাখতে সহায়তা করে।

বাদাম

বাদামে রয়েছে শতকরা 80%  ফ্যাট যা শরীরের জন্য জরুরী এছাড়াও আমন্ড বাদামে ফ্যাটের পাশাপাশি প্রচুর ভিটামিন রয়েছে।

খাসির মাংস

প্রতি ১০০ গ্রাম খাসির মাংসের দুই থেকে তিন গ্রাম চর্বি থাকে। খাসির মাংস তেও প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি রয়েছে।

৩। কার্বোহাইড্রেট

কার্বন হাইড্রোজেন অক্সিজেন নিয়ে কার্বোহাইড্রেট গঠিত হয়। শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট সুস্থ শরীরের জন্য অপরিহার্য। কার্বোহাইড্রেট শরীরের শক্তি প্রধান উৎস। শরীরে প্রোটিন ও ফ্যাটের পাশাপাশি কার্বোহাইড্রেট্রোল জরুরি। কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার  শরীরে পুষ্টি ফাইবার অ্যান্টিঅক্সিজেন ঠিক রাখে। ফল শাকসবজি ও মিষ্টিতে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়।সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাবার গ্রহণ

সবুজ শাকসবজি

সুস্থ থাকার প্রথম অপরিহার্য খাবার হলো সবুজ শাকসবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম শাকসবজিতে ১২ থেকে ১৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়। পেঁয়াজ আলু বিন্স ফুলকপি বাঁধাকপি কার্বোহাইড্রেট যুক্ত সবজি।

মাশরুম

8 থেকে 10 শতাংশ কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায় মাশরুম থেকে। মাশরুম কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি খাবার।

মিষ্টি

মিষ্টিতে ৬৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট রয়েছে।যদি আপনার শরীরে ডায়াবেটিকস না থাকে তাহলে নিঃসন্দেহে খাদ্য তালিকায় মিষ্টি রাখা যেতে পারে।

৪। খনিজ

মস্তিষ্কের ও হার্টের কার্যকারিতা রক্ষায় খনিজ অপরিহার্য এছাড়াও হরমোন ও এনজাইম উৎপাদনের ক্ষেত্রেও খনিজের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। খনিজ যুক্ত খাবারে ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়ামের উপস্থিতি বিদ্যমান।

৫। ভিটামিন

ভিটামিন শরীরের পুষ্টি যোগায়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়াতে সক্ষম এছাড়াও ভিটামিনের অভাবে শরীরে নানা ধরনের রোগের সৃষ্টি হয়। স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমে শরীরে ভিটামিন পাওয়া যায়।

শাকসবজি

শাকসবজি যেমন পালং শাক, পুঁইশাক, লাল শাক ইত্যাদি শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন থাকে যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। পালং শাককে ভিটামিন সি ও কে পাওয়া যায় জাম মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বজায় রাখে। এছাড়াও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

কমলা লেবু

কমলা লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। যা বিভিন্ন রোগ থেকে শরীরকে মুক্ত রাখে। এছাড়াও ত্বকের জন্য কমলালেবু খুব উপকারী।সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাবার গ্রহণ

গাজর

গাজরে ২০ গ্রাম ভিটামিন কে থাকে। এটি নার্ভাস সিস্টেমকে শক্ত রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন এক গ্লাস গাজরের রস খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

পানি

একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন কমপক্ষে 1 কিলো পানি পান করা উচিত। পানি দেহকে আদ্র রাখতে সহায়তা করে। যেকোনো কোমল পানীয়র থেকে সাধারণ পানি পান করা বেশি উত্তম কারণ কোমল পানিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি থাকে যা শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে। শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়া উচিত শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে শরীর সুস্থ থাকে না এর পাশাপাশি পানি ও শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

শরীরকে সুস্থ রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবারের বিকল্প নেই। নিয়ম মেনে প্রতিদিন আমাদের স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করা উচিত।

সকালের নাস্তা

কোন পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তিকে সকালের নাস্তায় অবশ্যই পুষ্টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ একজন প্রাপ্তবয়স্ক তরুণ তরুণীকে প্রতিদিন অনেক পরিশ্রমের মধ্যে কাটাতে হয় যার কারণে তাদের দরকার পুষ্টিকর খাবার। যেমন ডিম দুধ শাকসবজি রুটি কলা সকালের নাস্তা থাকা মানে পুষ্টির উপস্থিতি বিদ্যমান। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেলস।

দুপুরের খাবার

আমাদের সাধারণত দুপুরের খাবার ১:০০টা থেকে ২:০০ টার মধ্যেই শেষ করা উচিত। দুপুরের খাবার অবশ্যই কার্বোহাইড্রেট কে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রত্যেক বয়সের জন্য দুপুরের খাবারে অর্ধেক শাকসবজি এক চতুর্থাংশ শর্করা এবং এক চতুর্থাংশ কার্বোহাইড্রেট থাকা জরুরি। দুপুরের খাবারে আমিষ বাদ দেওয়া ঠিক নয় কারণ আমিষ অবশিষ্ট দিনের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করবে। দুপুরের খাবারে অবশ্যই আঁশযুক্ত শাকসবজি খাওয়া উচিত। দুপুরের খাবারে কমপক্ষে ৮ গ্রাম আঁশ থাকা দরকার।

সন্ধ্যার নাস্তা

সন্ধ্যায় অনেকেই তেলেভাজা স্ন্যাকস পছন্দ করেন কিন্তু এটি মোটেও স্বাস্থ্যকর খাবার নয়। এসব তেলে ভাজা খাবার শরীরে মেদ বাড়ায় যার কারণেই এসব খাবার বাদ দিয়ে দেওয়াই ভালো। সন্ধ্যায় পাউরুটি জ্যাম নুডুলস দুধ খাওয়ার অভ্যাস করুন। বিকেল থেকে সন্ধ্যা হওয়ার সাথে সাথে সন্ধ্যার নাস্তা সেরে ফেলুন।

রাতের খাবার

রাতের খাবার যতটা সম্ভব তাড়াতাড়ি খেয়ে নেয়া ভালো। রাতে বেশি পরিমাণে খাবার খাওয়া উচিত নয় রাতের খাবার দুপুরের খাবার তুলনায় একটু কম পরিমাণে খাওয়া উচিত যাতে হজম প্রক্রিয়া ঠিক থাকে। রাতের খাবারের দুপুরের খাবারের মতোই শাকসবজি মাছ মাংস ডাল খাওয়া যেতে পারে। তবে ৪০ উর্ধ বয়স্কদের জন্য রাতে ভাতের পরিবর্তে রুটি খাওয়া উত্তম।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

এভাবে খাবারের অভ্যাস করলে শরীর সুস্থ থাকবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে শরীরের শক্তি বাড়বে। একটি সুস্থ দেহ এই সুন্দর মনের জন্ম দেয়। স্বাস্থ্যকর খাবার যে শুধু শারীরিক সুস্থতা বয়ে আনে তা নয় মানসিক সুস্থতায়ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত।সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাবার গ্রহণ

আদর্শ খাবার খাওয়া জরুরী কেন?

দেখি রঙ্গ এবং টিস্য গুলোর পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টির প্রয়োজন। দেহকে সুস্থ রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আদর্শ খাবার খাওয়া প্রয়োজন?

কোন খাবারগুলো আদর্শ খাবার নয়?

অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার, তেলেভাজা, ফাস্টফুড ইত্যাদি আদর্শ খাবারের পর্যায় ভুক্ত নয়।

সুস্থ থাকতে কতটুকু পানি খাওয়া প্রয়োজন?

সুস্থ থাকতে কমপক্ষে একদিনে আড়াই লিটার পানি খাওয়া দরকার। তবে এর বেশি খেলে তা শরীরের কোন উপকারে আসে না।

স্বাস্থ্যকর খাবার খান

শরীর ও মন সুস্থ রাখুন

আপনার জন্য-

শীতে ত্বকের যত্ন নিন রুটিন মাফিক

শীতের মৌসুমে ত্বকের যত্ন নিতে মধু ব্যবহার করুন

শীতে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিবেন

শুষ্ক ত্বকের জন্য কোন ক্রিম ভালো

শীতে ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েলের ব্যবহার

এবার শীতে ত্বকের যত্নে ঘরোয়া টিপস

কিভাবে শীতে ত্বকের যত্ন নিবেন

যে ভিটামিনের অভাবে বিশ্রাম নিয়েও ক্লান্ত থাকেন

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪৭৬ other subscribers

   

প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এখানে ক্লিক করুন।
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে :এএখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।
গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে :এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন।
SS IT BARI-সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুন :এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- টুইটার থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- লিংকদিন থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- ইনস্টাগ্রাম থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- টুম্বলার (Tumblr)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে :এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- পিন্টারেস্ট (Pinterest)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

কোন অভিজ্ঞতা ছাড়াই অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চাইলে এই ফেসবুক পেজটি লাইক করে সাথেই থকুন : এখানে ক্লিক করুন।