শ্বেতী রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে জেনে নিন-Healthy Bangla Tips

শ্বেতী রোগের লক্ষণশ্বেতী রোগ বা ধবল রোগ নিয়ে অনেকেরই মনে কুসংস্কার বা ভ্রান্তি ধারণা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন শ্বেতী রোগ আসলে একটি ছোঁয়াচে রোগ বা অভিশপ্ত রোগ। অনেকেই অজ্ঞতার কারণে শ্বেতী রোগের কারণ হিসেবে বিভিন্ন কুসংস্কারকে বিশ্বাস করে থাকেন।আসলে সেটি রোগ কোন ছোঁয়াচে রোগ নয়  কিংবা এটি কোন অভিশপ্ত রোগ নয়।শ্বেতী রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা

শ্বেতী রোগ আসলে একটি ত্বকের রোগ। ত্বকের মেলানিনের ক্রিয়া-কলাপে বাধা সৃষ্টি হলে মূলত এই রূপটি দেখা দেয়। অনেকের ক্ষেত্রে বংশগত কারণে মাতৃ পিতৃকালীন কারো শ্বেতী রোগ থাকলে তার জিনগত কারণে শ্বেতী রোগ হতে পারে। তবে সেটি রোগ নিয়ে এমন ভ্রান্ত আতঙ্ক সৃষ্টি করে সেটি রোগীর মানসিক অবসাদ বাড়ানো উচিত নয়।

শ্বেতী রোগ সাধারণত প্রথমে মুখমন্ডল হাতের কোনই বুকের ত্বক থেকে আক্রান্ত হতে শুরু করে থাকে এরপর সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। আবার অনেকের ক্ষেত্রে সেটি রোগ খুব একটা বেশি ছড়ায় না শরীরের কিছু কিছু স্থানে ছড়ায় যা বোঝা যায় না। শ্বেতী রোগের কিছু লক্ষণ রয়েছে যা দেখলে বোঝা যাবে আপনি শ্বেতী রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে শ্বেতী রোগের চিকিৎসা তেমন লাভজনক নয়।চিকিৎসায় আংশিক ভালো হলেও পরিপূর্ণ ভালো হওয়ার সম্ভাবনা খুব একটা থাকে না।

সম্মানিত ভিজিটর বন্ধুরা শ্বেতী রোগের লক্ষণ কিংবা শ্বেতী রোগের চিকিৎসা এই সম্পর্কে অনেকেই জানতে চান কারণ এই রোগে বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা প্রচুর। যেহেতু বাহ্যিকভাবে রোগটি দেখা দেয় এবং শ্বেতী রোগীদের স্বাভাবিক চেহারায় বিকৃত রূপ দেখা যায় তাই এই সম্পর্কে অনেক আক্রান্ত ব্যক্তি অনেক কিছু জানার রয়েছে।

এর চিকিৎসা সম্পর্কে অনেকেই জানার কৌতূহল রাখেন। বন্ধুরা আপনাদের জন্য শ্বেতী রোগের লক্ষণ এবং শ্বেতী রোগের চিকিৎসা সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলে কিছু বিষয় তুলে ধরা হবে। তাই আশা করব শেষ পর্যন্ত আর্টিকেলটি পড়ে আমাদের সাথে থাকবেন।

শ্বেতী রোগ কি

শ্বেতী রোগ এমন একটি রোগ যা মানুষের ত্বকে দেখা দেয়। বর্তমানে শ্বেতী রোগে আক্রান্ত সংখ্যা প্রচুর। শ্বেতী রোগের ইংরেজি নাম লিউকোডারমা বা ভেটিলিগো। মানুষের ত্বকের মধ্যেও মেলানোসাইট নামে কোষটির মেলানিন ত্বকের স্বাভাবিক ভারসাম্য রক্ষা করে। আর এই মেলা দিনের ক্রিয়া-কলাপে যদি ত্রুটি ঘটে তাহলে সৃষ্টি হয় শ্বেতী রোগের বা ধবল রোগের।

ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার

অনেকের ক্ষেত্রে এই রোগটি আবার জিনগত কারণে হতে পারে।কারণ বাবা-মায়ের যদি শ্বেতী রোগ থাকে তাহলে সন্তানের শ্বেতী রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বর্তমানে এই শ্বেতী রোগে পুরো বিশ্বের প্রায় ১০ কোটি মানুষ আক্রান্ত। প্রয়াত বিখ্যাত শিল্পী মাইকেল জ্যাকসন শ্বেতী রোগে আক্রান্ত ছিলেন যার কারণে প্রতিবছর তার মৃত্যুদিনে অর্থাৎ ২৬ জুন বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ওয়ার্ল্ড ভ্যাটিলিগো ডে বা বিশ্ব শ্বেতী দিবস। বিশ্বের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের বয়স ১০ বছর হওয়ার পর শ্বেতী রোগটি দেখা দেয়।

শ্বেতী রোগের লক্ষণ বা উপসর্গ

শ্বেতী রোগের এমন কিছু লক্ষণ বা উপসর্গ রয়েছে যেগুলো দেখলে বোঝা যাবে আসলে আপনি শ্বেতী রোগে আক্রান্ত। এসব লক্ষণ বা উপসর্গের উপস্থিতিতে আপনি চিহ্নিত করতে পারবেন সেটির ও আপনার শরীরে বাসা বেধেছে। শ্বেতী রোগের লক্ষণ বা উপসর্গগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-

১) ত্বকের উপর সাদা সাদা দাগ পড়বে।

২) অকালে মাথার চুল পড়ে সাদা হয়ে যাবে।

৩) অল্প বয়সে চোখের পাপড়ি ভ্রু অথবা দাড়ি সাদা বা ধূসর হয়ে যাবে।

৪) মুখের অভ্যন্তরে কলা গুলো বর্ণহীন হয়ে যাবে।

৫) চোখের ভেতরের অংশে রঙের পরিবর্তন বা রংহীন হয়ে যেতে পারে।

উপরোক্ত লক্ষণ বা উপসর্গগুলো যদি আপনি আপনার শরীরে উপলব্ধি করে থাকেন তাহলে বুঝতে হবে আপনি শ্বেতী রোগে আক্রান্ত। তবে শ্বেতী রোগে আক্রান্ত হলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই। প্রতিটি রোগেরই যথাযথ ব্যবস্থা রয়েছে। তবে হ্যাঁ শ্বেতী রোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসার পর ১০০% ঠিক নাও হতে পারে এ কথা সত্য। তবুও যথাযথ জীবন আচরণ মেনে চললে এই রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা সম্ভব।

শ্বেতী রোগের চিকিৎসা

শ্বেতী রোগ এমন একটি রোগ যা থেকে পুরোপুরি পরিত্রাণ পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। তবে ৫০ থেকে ৭৫ শতাংশ মানুষের এই রোগ হলে চিকিৎসার মাধ্যমে রোগ থেকে মুক্তি লাভ করতে পারে। আসলে শ্বেতী রোগের চিকিৎসা অনেক বেশি সময় সাপেক্ষ। ধৈর্য সহকারে এই রোগের চিকিৎসা করতে হয়। দেহের যেসব অংশের লোম রয়েছে সেগুলোতে চিকিৎসা অনেক সময় কাজে লাগে। কিন্তু শরীরের যেসব অংশে লোম থাকে না যেমন আঙুল ঠোঁট ইত্যাদিতে চিকিৎসা করতে সময় লাগতে পারে।

শ্বেতী রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে চিকিৎসক তার পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের মলম ঔষধ দিতে পারেন। তবে রোগীর রোগের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসক তার চিকিৎসা ধারা অব্যাহত রাখেন। শ্বেতী রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন ঔষধ বা মলম লাগানোর পাশাপাশি শরীরের সকালে রোদ লাগাতে হবে।যেহেতু সেতির রোগের চিকিৎসা সময় সাপেক্ষ তাই অনেক সময় দেখা যায় বড় আকারের শ্বেতী রোগ হলে মলম আর ঔষধে কাজ হতে প্রায় দুই বছর সময় লেগে যায়।

অনেক সময় ওষুধে কাজ না হলে অস্ত্র পাচারের প্রয়োজন পড়ে‌‌। শ্বেতী রোগীদের যে অস্ত্রপাচার করা হয় তার নাম পাঞ্জগ্রাফটিং। যে ধরনের শ্বেতী রোগবছর দুয়েক একই স্থানে অবস্থান করে সেই শ্বেতী এই পাঞ্চ গ্রাফটিং অস্ত্রোপাচারের মাধ্যমে সারিয়ে তোলা সম্ভব।

আয়রন যুক্ত খাবার

তবে শ্বেতী রোগের চিকিৎসায় সফলতাপেতে চাইলে যত অল্প বয়সে থেকে এই চিকিৎসা শুরু করা যায় তত বেশি আরোগ্য লাভ করা সম্ভাবনা থাকে। শ্বেতী রোগ ধরা পড়লে বা শ্বেতী রোগের লক্ষণ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

শ্বেতী রোগের কারণ

বিভিন্ন কারণে একজন ব্যক্তির শ্বেতী রোগ হতে পারে। তবে শ্বেতী রোগ খুব মারাত্মক রোগ নয়। এটি ত্বকে বাহ্যিক ভাবে দেখা দেয় বলে এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা অনেক বেশি চিন্তিত থাকেন এটি নিয়ে। শ্বেতী রোগের কারণ হিসেবে এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত কোনো কারণ পাওয়া যায়নি। তবে নিম্নলিখিত কারণ গুলোর জন্য সেটি রোগ হতে পারে-

*অনেকের মাতা পিতা বা বংশের কারো শ্বেতী রোগ থাকলে তার এই রোগটি হতে পারে।অনেকে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল প্রসাধনী বাস সিন্থেটিক জাতীয় জিনিস থেকে অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়ায় শ্বেতী রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

২) কপালে টিপ পড়ার ক্ষেত্রে অনেকের শ্বেতী রোগ হয়। কপালে পড়ার সিন্থেটিক টিপ থেকে শ্বেতি রোগ শুরু হতে পারে। দীর্ঘদিন প্লাস্টিক বা রাবারের জুতা ঘড়ি প্রভৃতি ব্যবহার করলেও সেতি বা অন্যান্য চামড়ার সমস্যা বা ত্বকের  সমস্যা হতে পারে।

৩)চশমার ফ্রেম বেশি আর্ট শট বা টাইট হলে তা থেকে নাকের দুই পাশে বা কানের কাছে সাদা হতে পারে। যাদের শরীরে পুষ্টিহীনতা রয়েছে তাদের অনেক সময় এই রোগ হতে পারে। রোদে ত্বক পুড়ে গিয়ে শ্বেতী রোগের সৃষ্টি হতে পারে।

শ্বেতী রোগের জীবনাচরণ

*শ্বেতী রোগের ক্ষেত্রে এর সাথে অন্যান্য অটোইমিউন রোগ সংশ্লিষ্ট থাকতে পারে। কারণ শ্বেতী রোগ একটি অটোইমিউন রোগ। যার কারণে শ্বেতী রোগ হলে অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সমস্যার দিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

*শ্বেতী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির মানসিক চাপমুক্ত থাকতে হবে কারণ মানসিক চাপ ত্বকের অন্যান্য স্থানের রূপটিকে ছড়িয়ে ফেলতে সাহায্য করবে।

*শ্বেতী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্যাফেইন, ডার্ক চকলেট, গ্লুটেন, দুধ বা দগ্ধ জাত পণ্য, সাদা চিনি এবং সাইট্রাস ফলের মতো কিছু সাধারন খাবার বেশি ক্ষতি করতে পারে। তাই এসব খাবারগুলো শ্বেতী রোগীকে এড়িয়ে চলতে হবে। শ্বেতী রোগের ক্ষেত্রে আখরোট, পেঁপে বেশি বেশি খাওয়া উচিত অথবা ভিটামিন বি, সি এবং অ্যামিনো এসিড সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর সুষম খাদ্য গ্রহণ করা উচিত। অ্যামিনো এসিড পেতে হলে শ্বেতী রোগীকে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

*শ্বেতী রোগীর রোগ নিরাময়ে অনেক সময় হলুদের গুঁড়ো ও সরষের তেলের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয় যাতে কোন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।এছাড়াও তুলসী পাতা বা পুদিনা পাতার পিষে তার লেবুর রসের মিলিয়ে পেস্ট করে অনেকেই ব্যবহার করে থাকেন।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

*অনেক সময় কপালের ঘাটতির কারণে শ্বেতী রোগ হয়ে থাকে। তাই বাদাম বীজ এবং সবুজ সবজি খেতে হবে। তামার পাত্রে পানি সংরক্ষণ করে পান করলে কপারের ঘাটতি পূরণ হয়।

শ্বেতী রোগের জীবনাচরণ স্বাস্থ্যকর উপায়ে মেনে চলা উচিত। প্রতিদিন খাবারে অবশ্যই সুষম খাদ্য থাকা উচিত বেশি বেশি পানি পান করা উচিত নিয়মিত ব্যায়াম পর্যাপ্ত ঘুম ইত্যাদি শ্বেতী রোগীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

শ্বেতী রোগ হলে করণীয়

কিছু কিছু বিষয় শ্বেতী রোগীর ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যাদের শ্বেতী রোগ হয়েছে তাদের জন্য কিছু করণীয় বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিত। সেগুলো হলো;

১) শ্বেতী রোগের ক্ষেত্রে যদি তার কোষ্ঠকাঠিন্যের দোষ থাকে তাহলে তা দূর করতে হবে। স্নেহজাতীয় খাবার, ফল, মাখন, ছানা অন্যান্য পুষ্টিকর খাদ্য বেশি বেশি খেতে হবে এবং সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।

*এমন কোন পরিধিও পরিধান করা যাবে না যা টাইট ফিটিং এবং ত্বকের দাগ সৃষ্টি করতে পারে। প্রারম্ভিক চুলকানি অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে। প্লাস্টিক ও রাবার পরিধান এড়িয়ে চলা উচিত। প্লাস্টিক অলংকার ত্বকে কোন স্টিকার থাকলে তা এড়িয়ে পরিধান করা উচিত।

অনেকের ডায়াবেটিস বা থাইরয়েড রোগ থাকলে শ্বেতী রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। অনেক সময় রক্তশূন্যতা থেকেও শ্বেতী রোগ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। শ্বেতী রোগ কোন ছোঁয়াচে বা প্রাণঘাতী রোগ নয়। যাদের মতো শ্বেতী রোগ নিয়ে কুসংস্কার বা বিরূপ ধারণা রয়েছে তাদের এই ধারণা থেকে বের হওয়া উচিত। বিজ্ঞানীরা বলেছেন এই রোগের নির্দিষ্ট কোন কারণ এখনো কারো জানা নেই।

তবে একক কোনো কারণে এই রোগের সৃষ্টি হয় না। শ্বেতী রোগের লক্ষণ বা‌ শ্বেতী রোগ হয়েছে সেটা নির্ণয় হওয়ার সাথে সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া উচিত। এতে করে সহজেই এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

শ্বেতী রোগ ছোঁয়াচে রোগ কথাটা কি সঠিক?

উত্তর: শ্বেতী রোগ কোন ছোঁয়াচে রোগ নয় কিংবা কোন প্রাণঘাতী রোগ নয় যারা এইসব ধারণা পোষণ করেন তারা কুসংস্কারে বিশ্বাসী।

বংশগত কারণে কি শ্বেতী রোগ হতে পারে?

উত্তর: বংশগত বা জিনগত কারণে শ্বেতী রোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারো বাবা-মা কিংবা বংশের কারো শ্বেতী রোগ থাকলে তার জিনগত কারণে শ্বেতী রোগ হতে পারে।

শ্বেতী রোগ কি মরণঘাতী রোগ?

উত্তর: শ্বেতী রোগ কোন মারাত্মক রোগ নয় কিংবা প্রাণঘাতী রোগ নয়। এই রোগের চিকিৎসা সময় সাপেক্ষ হলেও চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগ থেকে নিরাময় সম্ভব।

শেষ কথা

সুপ্রিয় পাঠক পাঠিকা বন্ধুরা ইতোমধ্যেই আপনারা শ্বেতী রোগের লক্ষণ এবং এর চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। আমাদের আজকের আর্টিকেলে যে সমস্ত বিষয়বস্তু তুলে ধরা হয়েছে সেগুলোর সম্পর্কে আপনারা যদি বুঝতে পারেন এবং তা যদি আপনাদের উপকারে আসে তাহলে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন এবং যে কোন বিষয়ে আমাদের কমেন্টের মাধ্যমে অবগত করতে ভুলবেন না। সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আল্লাহাফেজ।

পোস্ট ট্যাগ-

শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তির উপায়,শ্বেতী রোগের প্রাথমিক লক্ষণ,শ্বেতী রোগ কি ভালো হয়,শ্বেতী রোগ চেনার উপায়,শ্বেতী রোগের ঘরোয়া উপায়,শ্বেতি রোগের কারণ।

আপনার জন্য আরো 

আপনার জন্য-

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে কি কি খাবার খাওয়া উচিত

কালোজিরা খাওয়ার নিয়ম

বমি হলে কি খাওয়া উচিত

থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্য উপযোগী খাবার

সিজারিয়ান মায়ের খাদ্য তালিকা

সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাবার গ্রহণ

কিডনি পরিষ্কার রাখার ৯টি খাবার সম্পর্কে জেনে নেই

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪৯২ other subscribers

 

প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এখানে ক্লিক করুন।
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে :এখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।

SS IT BARI- টুইটার থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- লিংকদিন থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- ইনস্টাগ্রাম থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- টুম্বলার (Tumblr)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে :এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- পিন্টারেস্ট (Pinterest)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS It BARI JOB NEWS

SS IT BARI-ভালোবাসার টেক ব্লগ টিম