মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়(১০০% প্রমাণিত)

মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়-মানসিক চাপ শব্দটি যেমন একই সাথে পরিচিত আবার প্রচলিত বটে। বর্তমান সময়ে মানসিক এই ব্যাধি ধীরে ধীরে মন থেকে বিস্তার লাভ করে। যার প্রভাব আমাদের কাজের ওপর পড়ছে। যতদিন যাচ্ছে মানুষের মুখে ডিপ্রেশন কিংবা মানসিক চাপে থাকার অভিজ্ঞতার কথা তত বেশি শোনা যাচ্ছে। বর্তমানে মানুষের মধ্য মানসিক চাপ বেশি থাকার কারণে মানসিক রোগে ভোগাচ্ছে।

মানসিক রোগ এমন একটি অদৃশ্যমান রোগ যা সহজে কারো কাছে প্রকাশ করতে পারা যায় না বা বোঝানো যায় না।তবে মানসিক চাপ বা মানসিক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার অনেক উপায় রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনি এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আশা করছি সকল ভিজিটর বন্ধুরা ভালো আছেন।বর্তমান সময়ের একটি প্রচলিত রোগ হচ্ছে মানসিক রোগ যা সৃষ্টি হতে পারে বিভিন্ন মানসিক চাপের কারণে। আমরা অনেকেই এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য অনেক সময় গুগল বা অনলাইনের বিভিন্ন ওয়েবসাইট সার্চ করে দেখি।

যার কারণে বন্ধুরা আজকের আর্টিকেলে আমরা মানসিক চাপ থেকে মুক্তির উপায় সম্পর্কে জানব।মানসিক চাপ বা মানসিক রোগ থেকে মুক্তির উপায় সম্পর্কে জানতে হলে আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত আপনাকে পড়তে হবে।

মানসিক চাপ

মানসিক চাপ এক ধরনের অসুস্থতা বা ব্যাধি যা শরীর মেজাজ ও চিন্তার সাথে জড়িত থাকে এটি দৈহিক জীবন স্বাভাবিক কার্যকারিতায় হস্তক্ষেপ করে এবং ব্যাধিযুক্ত ব্যক্তি এবং যারা তার যত্ন করে উভয়ের জন্যই সমস্যার সৃষ্টি করে। মানসিক চাপের কারণে ব্যক্তি মানসিক রোগীতে পরিণত হয়। কোন বিষয়ে কষ্ট পেলেবা চিন্তা করে থাকলে সেই চিন্তা দেহের স্বাভাবিক কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে কি কি খাবার খাওয়া উচিত

ভারসাম্যে ব্যাঘাত ঘটায় দেহের হরমোনের। আমরা নিজেরাই আমাদের জীবনের চাহিদাকে সব ক্ষেত্রে এতটা বেশি করে ফেলি যে তার তুলনায় প্রাপ্তি কম হলে সেটাই আমাদের মানসিক অবসাদে পরিণত হয়। আর দিনের পর দিন সেটা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের চিন্তা ভাবনা মানসিক রোগের সৃষ্টি করে।

মানসিক রোগ থেকে মুক্তির উপায়

বিবিধ রোগের মত মানসিক রোগ যেকোনো বয়সের মানুষের হতে পারে। সব শ্রেণীর মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হওয়া অস্বাভাবিক না।অনেক রোগের মত মানসিক রোগের চিকিৎসা আছে সময়মতো সঠিক চিকিৎসাও পরামর্শ নিলে এই রোগ নিরাময় হয় এবং পরিবার আত্মীয়স্বজন পাড়া প্রতিবেশীর কষ্ট দূর হয়। মানসিক রোগ থেকে মুক্তির উপায় সম্পর্কে নিজে আলোচনা করা হলো:

শেয়ার করার মাধ্যমে

নিজের প্রকৃত অনুভূতি ব্যক্ত করতে অসুবিধা হতে পারে। এমনকি নিকট বন্ধুর কাছেও। এটা প্রফেশনাল এর কাছে করা অপেক্ষাকৃত সহজ। তিনি আপনাকে সমস্যার সমাধানের পথ দেখাতে পারেনা এবং আপনার সমস্যার মূল্যায়ন করতে সাহায্য করতে পারেন। কথা বলার মাধ্যমে যে চিকিৎসা করা হয় তা সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি হয় না। ৮ টি সেশনের বেশি প্রয়োজন হয় না আপনি থেরাপিস্ট কে এককভাবে অথবা একটি গ্রুপের সঙ্গে দেখাতে পারেন। আপনার পার্টনার বা কেয়ারার থাকলে তিনিও এর মধ্য যুক্ত থাকলে ভালো হয়।

নিজেই নিজেকে সাহায্য করা

প্রফেশনাল সাহায্য ছাড়াও আপনি নিজে নিজেকে সাহায্য করতে পারেন। যেমন-

১)বেশি বেশি সুসাম্য খাদ্য খেতে হবে। দুশ্চিন্তা বা বিষণ্ণতার জন্য যদি আপনার অক্ষুধা হয় তবে আপনার ওজন কমতে পারে এতে আপনার শারীরিক অসুখের প্রকোপ বাড়তে পারে।

২)আপনার ডাক্তার কি আপনার অসুখ সম্বন্ধে প্রশ্ন করুন। আপনার চিকিৎসা বা অসুখ নিয়ে আপনার যা জিজ্ঞাসা আছে তা জেনে নিন। জানলে আপনার পক্ষে মোকাবিলা করা সহজ হবে।

৩)আপনার অসুখ আর আপনার জীবন এই দুইয়ের মধ্যে একটা সামঞ্জস্য আনবার চেষ্টা করুন। “অসুস্থতার জন্য এটা করা যাবে না” এবং “অসুখ সত্ত্বেও এটা আমি করব” এর মাঝামাঝি কোথাও এই অবস্থান।

৪)অত্যধিক মদ্যপানের মাধ্যমে মনে আনন্দ আনবার চেষ্টা করবেন না। এতে আপনার বিষন্নতা আর দুশ্চিন্তা বাড়তে পারে। আপনার ঔষধের সঙ্গে এর প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

৫)ঘুমের ব্যাঘাত হলে বেশি মুষড়ে পড়বেন না। বিষন্নতা বা দুশ্চিন্তাতে ঘুমের অসুবিধা হতেই পারে। আপনার মনের অবস্থার উন্নতি হলেই ঘুম হবে ঠিকমতো।

৬)ডাক্তারের সঙ্গে কথা না বলে ওষুধ বাড়াবেন না কমাবেন না বা বন্ধ করবেন না এর সঙ্গে অন্য ভেষজ কিছু ব্যবহার করার আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। যদি কোন কষ্টকর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় আপনার ডাক্তার বার নার্সকে জানান। মুখ বুজে সহ্য করবেন না।

পরিবারের অন্য সদস্যদের সাহায্য নেন

মানসিক রোগ দূর করতে পরিবার আত্মীয়-স্বজন বা অন্যান্য সদস্যরা অনেক বেশি সাহায্যদায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।পরিবারের সদস্যরা বিভিন্নভাবে রোগীকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে বিষন্নতা আর দুশ্চিন্তা রোগ অনেকেরই হয় এবং চিকিৎসা করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিরাময় হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছা না থাকলেও পরিবারের সদস্যরা মিলে প্রফেশনাল কোন ডাক্তারের কাছে দেখালে রোগীর মনোবল বৃদ্ধি হয়।রোগী যদি বিষন্ন বা দুশ্চিন্তা রোগগ্রস্ত হয় তাহলে পরিবারের সদস্যরা তাকে সাহায্য করতে পারে। পরিবারের সদস্যরা দৈনন্দিন কাজে উৎসাহ দিতে পারে।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

পরিবারের সদস্যরা সান্তনা দিতে পারে যে রোগী ভালো হয়ে যাবে। যদিও সে সময় তার এ কথা বিশ্বাস নাও হতে পারে।পরিবারের সদস্য আত্মীয়-স্বজন বা অন্যান্য সদস্যরা মিলে অসুস্থ ব্যক্তি ঠিকমতো চিকিৎসা হওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকেন। অনেক সময় পরিবারের সদস্যদের সাথে মন খুলে কথা বললে সবকিছু শেয়ার করলে তাদের সাথে বসে আড্ডা দিলে অনেক সময় মানসিক রোগ বা মানসিক চাপ থেকে মুক্তি মিলে।

জীবন মোটেই সহজ কোন জার্নি নয় এজন্যই বলা হয় “life is not a bed roses”।সমস্যা জটিলতায় মোড়ানো জীবনে খুব সহজেই নেমে আসতে পারে বিষন্নতার ছায়া। প্রেমে ব্যর্থতার রেজাল্ট খারাপ করা পারিবারিক জটিলতার স্কুল-কলেজ ভার্সিটির বন্ধুদের সাথে মনোমালিন্য আপন কারণ মৃত্যু শোক বর্তমান সময়ে সীমাহীন একাকীত্ব ইত্যাদি হাজারটা কারণে মানসিক রোগের সৃষ্টি হতে পারে। আর অল্প সময়ে নিজেকে পাকাপোক্ত অবস্থান বানিয়ে নিতে পারে এই মানসিক অস্থিরতা।

সম্প্রতি দেশে টিনেজারদের মধ্য আত্মহত্যার পরিমাণ পূর্বের তুলনায় অনেক অংশ বেড়ে গেছে। এজন্য বিশেষজ্ঞরা দায়ী করছেন ডিপ্রেশনকে। এই মরণফাঁদ থেকে আপনজনদের রক্ষা করতে আমাদের উচিত সচেতন হওয়া। সচেতন করা উচিত আমাদের চারপাশের সকলকেই। যাতে ডিপ্রেশনের কবলে আর কোন তাজা প্রাণ হারিয়ে না যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

মানসিক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কি?

উত্তর:মানসিক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় হলো প্রাথমিকভাবে পরিবারের সদস্যদের সাথে বিষয়টি শেয়ার করা এবং অতি জটিলতা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।

মানসিক রোগের সর্বপ্রথম ওষুধ কি?

উত্তর: মানসিক রোগের সর্বপ্রথম ওষুধ হল সবার মধ্যে থেকে নিজেকে স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা।

মানসিক রোগী শারীরিক রোগের কারণ?

উত্তর:মানসিক রোগীরা অনেক সময় ভেতর থেকে অনেক বেশি ভেঙে পড়ার কারণে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। যার কারনে বলা যায় মানসিক রোগ শারীরিক রোগের কারণ হতে পারে।

শেষ কথা

সুপ্রিয় ভিজিটর বন্ধুরা আমাদের আজকের আলোচনায় আপনাদের কাছে মানসিক রোগ এবং মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আশা করছি আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ে আপনারা সামান্য হলেও উপকৃত হতে পেরেছেন। আপনাদের উপকৃত করার মাধ্যমেই আমাদের সার্থকতা। যদি আপনাদের কোন বিষয়ে জানার আগ্রহ থাকে তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। আজকের মত এখানেই শেষ করছি। সকলে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।

আল্লাহ হাফেজ…….

পোস্ট ট্যাগ-

মানসিক রোগের ঔষধের নাম,সন্দেহ রোগ থেকে মুক্তির উপায়,মানসিক চাপ থেকে মুক্তির উপায়,শুচিবাই রোগ থেকে মুক্তির উপায়,মানসিক রোগ থেকে মুক্তির আমল,মানসিক রোগ কি ভালো হয়,সিজোফ্রেনিয়া রোগ থেকে মুক্তির উপায়,মানসিক রোগের শারীরিক লক্ষণ।

আপনার জন্য আরো 

আপনার জন্য-

কালোজিরা খাওয়ার নিয়ম

বমি হলে কি খাওয়া উচিত

থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্য উপযোগী খাবার

সিজারিয়ান মায়ের খাদ্য তালিকা

সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাবার গ্রহণ

কিডনি পরিষ্কার রাখার ৯টি খাবার সম্পর্কে জেনে নেই

শীতে ত্বকের যত্ন নিন রুটিন মাফিক

শীতের মৌসুমে ত্বকের যত্ন নিতে মধু ব্যবহার করুন

শীতে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিবেন

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৫০৬ other subscribers

 

প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এখানে ক্লিক করুন।
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে :এখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।

SS IT BARI- টুইটার থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- লিংকদিন থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- ইনস্টাগ্রাম থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- টুম্বলার (Tumblr)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে :এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- পিন্টারেস্ট (Pinterest)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS It BARI JOB NEWS

SS IT BARI-ভালোবাসার টেক ব্লগ টিম