ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত দিন লাগে।ভোটার আইডি কার্ড সংক্রান্ত সকল তথ্য

অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসেই ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাবো।জন্ম নিবন্ধন এর পরেই বাংলাদেশি নাগরিক পরিচয় দেওয়ার জন্য বা বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য ভোটার আইডি কার্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তবে সেই ভোটার আইডি কার্ড আমরা অনলাইন কপি করার সময় আমাদের বিভিন্ন রকম, নাম, বাবার নাম ,জন্মতারিখ এগুলি ভুল হয়ে থাকে, সেজন্য এই ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে গিয়ে আমরা বিভিন্ন রকম ঝামেলার সম্মুখীন হয়ে থাকি।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত দিন লাগে

তাই আজকে আমি আপনাদেরকে সহজেই কিভাবে ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করবেন এবং এই ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে সে বিষয়টি জানাবো।

দ্রুত ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার সঠিক নিয়ম

আপনি যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ড টি খুব দ্রুত আপনার নাম অথবা অন্যান্য যেকোনো ধরনের ভুল সংশোধন করতে চান সেক্ষেত্রে আপনার যেটি করতে হবে –

ধরুন আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের নাম সংশোধন করবেন, আপনার নাম -সাদিয়া আক্তার এর জায়গায় আপনার নামটি ভোটার আইডি কার্ডের সাদিয়া খাতুন হয়েছে, সেক্ষেত্রে সাদিয়া আক্তার নামটি সংশোধন করার জন্য আপনাকে আপনার সাদিয়া আক্তার নামের যতগুলি কাগজপত্র রয়েছে যেমন -জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট, স্কুল সার্টিফিকেট, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট।মোটকথা আপনার সঠিক নামের যতগুলি প্রমাণপত্র রয়েছে, সবগুলো প্রমাণপত্র আপনি নির্বাচন কমিশন অফিসে জমা দিবেন।

আপনি যত বেশি আপনার সঠিক নামেন প্রমাণপত্র তাদেরকে জমা দিতে পারবেন তত দ্রুত আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন হয়ে যাবে।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

আর আপনি যদি শুধুমাত্র আপনার জন্ম নিবন্ধন জমা দিয়ে থাকেন,তাহলে আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন হতে প্রচুর পরিমানের সময় লাগবে। সেজন্য আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার জন্য যে ধরনের সংশোধন আপনার প্রয়োজন পড়বে সে ধরনের প্রমাণপত্র গুলি বেশি বেশি দেওয়ার চেষ্টা করবেন।তাহলেই আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন টি খুব দ্রুত হবে।

আশা করছি আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ড খুব দ্রুত কিভাবে সংশোধন করবেন সে বিষয়টি পুরোপুরি বুঝে গিয়েছেন।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন আসলে কোথায় হয়?

আপনি যখন আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের আবেদন করবেন, তখন আমরা হয়তো অনেকেই জানি না এই ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন আসলে কোথায়? কিভাবে হয়?চলুন তাহলে জেনে নেই এই ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন কোথায় হয়, কিভাবে হয় তার আসল এবং সঠিক বিষয়।

আপনি যখন আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের আবেদন করবেন, তখন প্রথমত আবেদন হেড অফিসে চলে যায়। সেখান থেকে আবেদনগুলো জটিলতা অর্থাৎ আপনার ভোটার আইডি কার্ডে কি ধরনের সংশোধন, সেই জটিলতার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে রাখা হয়।

যেমন ক-খ-গ-ঘ অনেকেই ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের আবেদন করার পর অফিসে খোঁজ করে নিকটস্থ অফিসে, তখন তারা আপনাকে আপনার প্রশ্নের উত্তর হিসেবে, আপনাকে বলবে আপনার যে ক্যাটাগরি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সেটি বিভাগীয় পর্যায়ে থেকে সংশোধন হবে উপজেলা পর্যায় থেকে হবে না।

এজন্য আপনার জানতে হবে বিভাগীয় পর্যায়ে এবং উপজেলা পর্যায়  আসলে কি? উপজেলা এবং বিভাগীয় হেড অফিস সহকারের বিভিন্ন রকম এই কার্যালয়গুলো ভাগ হয়। আপনার ক্যাটাগরির উপরে এটিও কাজ করবে।আমি উপর আপনাকে ক-খ-গ এবং ঘ গুলি সম্পর্কে বলেছি এখন নিচে এই ক্যাটাগরি সম্পর্কে জানাবো।

ক- ক্যাটাগরির আবেদন কাকে বলে?

আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন আবেদন করার পর যদি দেখা যায় আপনার ভুলগুলো খুবই ছোটখাটো এবং সাধারন ভুল। তাহলে সেগুলো উপজেলা পর্যায়ে প্রেরণ করা হয় এবং ক্যাটাগরিতে প্রেরণ করা হয়। আবেদন সংশ্লিষ্ট উপজেলা পর্যায়ে সমাধান করা হয় এবং খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে যেহেতু আপনার ভুলগুলো খুব ছোট এবং সাধারন।

খ- ক্যাটাগরির আবেদন কাকে বলে?

খ ক্যাটাগরির সংশোধনীয় আবেদন হচ্ছে- আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের আবেদন করার পর যদি দেখা যায় যে, আপনার ভুলগুলো একটু জটিল প্রকৃতির হয় এবং কিছু বড় প্রকৃতির ভুল হয়ে থাকে তাহলে সেগুলো জেলা পর্যায়ে প্রেরণ করা হয় এবং আবেদনগুলো খ-ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আবেদন সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসার এর আন্ডারে থাকে এবং সেখান থেকে খুব সহজেই সংশোধন করা হয়।

গ- ক্যাটাগরির আবেদন কাকে বলে?

গ -ক্যাটাগরির আবেদন, অর্থাৎ আপনার ভোটার আইডি কার্ড আবেদন করার পর যদি তারা বিবেচনা করে দেখে, আপনার ভোটার আইডি কার্ডের জটিল এবং বড় ধরনের ভুল রয়েছে। সেগুলো কে গ-ক্যাটাগরিতে প্রেরণ করা হয় এবং গ-ক্যাটাগরির আবেদন সমূহ সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় থাকে এবং সেখান থেকেই সংশোধন অথবা যদি বেশি ভুল হয়ে থাকে তাহলে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের সংশোধন আবেদন বাতিল করা হয়।

ঘ- ক্যাটাগরির আবেদন কাকে বলে?

ঘ- ক্যাটাগরির আবেদন আশা করছি বুঝে গেছেন, ঘ-ক্যাটাগরির আবেদন হচ্ছে  আপনার ভোটার আইডি কার্ড আবেদন সংশোধন আবেদন করার পর যদি দেখে যে, এটি জটিল থেকে জটিলতর ভুল। সেগুলো ঘ-ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই আবেদন সমূহ হেড অফিসের আন্ডারে থাকে এবং সেখান থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

আশাকরছি ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন কোথায় থেকে হয় এবং কিভাবে হয় এবং ক্যাটাগরি সমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত আপনাদেরকে ধারণা দিতে পেরেছি।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত দিন লাগে

এখন আসি পোষ্টের মূল পর্বে, যে বিষয়টি নিয়ে আপনি গুগলে সার্চ করেছেন অর্থাৎ এই পোস্টটি পড়ছেন সে বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নিন, সেটি হচ্ছে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে আসলে কতদিন সময় লাগে? এই প্রশ্নটিই সচরাচর আমরা অনেকেই গুগলে সার্চ করে থাকি বা অন্য অনেকেই জিজ্ঞেস করে থাকি। আজকে আপনাদেরকে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন আসলে টাইম লাগে সে বিষয়ে আপনাদেরকে সঠিক ধারণা দেওয়া এবং নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা জানানোর চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ

সত্যি কথা বলতে, আমি নির্বাচন অফিসে এই ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে যারা কাজ করে সেই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মরত কর্মকর্তাদের অনেকেই জিজ্ঞেস করেছি, যে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে আসলে সরকারিভাবে কতদিন সময় লাগে তার কোন লিখিত প্রমাণ বা নিয়ম আছে কিনা?

উনারা সকলেই একটি উত্তরই দিয়েছে, ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন লাগে এটার সঠিক ভাবে কেউ বলতে পারবে না, এটি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যস্ততা এবং কি পরিমান আবেদন প্রতিদিন জমা পড়ে তার উপর নির্ভর করে, তবে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে যে সকল আবেদন আসে সেগুলো খুব দ্রুত নিষ্পত্তি হয়ে থাকে অর্থাৎ ক্যাটাগরির উপরে আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের বিবেচনা হয়।

আর বিভাগীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা সমূহের সকল জটিল জটিল আবেদন জমা হয়। বিধায় সেগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি হয় না, একটু সময় বেশি লেগে থাকে। তাছাড়া জটিল আবেদনগুলোর সিদ্ধান্ত সঠিক তদন্ত না করে নেওয়া যায়না, আবেদনের সাথে জমা দেওয়া কাগজপত্র ও সরেজমিনে তদন্ত প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করে এই ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের  সিদ্ধান্ত তাদেরকে গ্রহণ করতে হয়।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে?

আসলে আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছে যারা অনলাইনে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অর্থাৎ ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন সময় কম লাগে সে বিষয়ে সার্চ করে থাকে।অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে

তাদের জন্য আমি আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি অনলাইনে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে সে চিন্তা করে আসলে সময় নষ্ট না করাই ভালো।

তাই আপনার ভোটার আইডি কার্ডের কোন ভুল থেকে থাকে তাহলে তার সশরীরে নিজের প্রমাণপত্র দিয়ে সংশোধনের জন্য দ্রুত আবেদন করে দেওয়াই উচিত কাজ হবে।

কারণ আপনি যত সময়ই এই অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে সময় লাগে সে বিষয়ে জানার চেষ্টা করে সময় নষ্ট করবেন সে সময়ে আপনি যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করেন তাহলে আপনার আবেদনটি খুব দ্রুত গ্রহণযোগ্যতা পেলে আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ঠিকই এক সময় চলে আসবে।

কারণ সরকারি অফিস গুলো তার অফিস কর্মব্যস্ততার নিয়েই নিজ গতিতে চলে আপনার আমার ব্যস্ততা নিয়ে তারা ভাবে না, তাই একটি কথা বলে যেতে চাই কোম্পানি কোম্পানির গতিতেই চলে।

তাই আপনার ভোটার আইডি কার্ডে যদি কোন সংশোধন প্রয়োজন পড়ে থাকে এই পোস্টটি পড়া শেষ হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে দ্রুত আবেদন করে ফেলুন।

আশা করছি উপরে আপনার ভোটার আইডি কার্ড কতদিন সময় লাগে সংশোধন করতে সে বিষয়ে সম্পূর্ণ আমার বাস্তব ধারণা আপনাদেরকে দিতে পেরেছি।

এছাড়াও আমি আজকের পোষ্টে আপনাদেরকে আরও কিছু ভোটার আইডি কার্ড সম্পর্কিত আপনাদের প্রশ্নের উত্তর এবং তথ্য জানাতে চাই তা নিচে আলোচনা করা হলো-

অনলাইন কপি ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

আমরা যারা নতুন ভোটার অর্থাৎ আমরা যারা অনলাইনের মাধ্যমে ভোটার হয়েছি বা আমাদের ভোটার আইডি কার্ড অনলাইন কপি হয়েছে কিনা সে বিষয়ে জানতে আমরা গুগলের প্রতিনিয়ত অনলাইন কপি ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চাই।অনলাইন কপি ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

আসলে আপনার যদি অনলাইন কপি ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার প্রয়োজন পড়ে থাকে, তাহলে আপনি খুব দ্রুত পাঁচ মিনিটের মধ্যে ঘরে বসেই আপনার অনলাইন ভোটার আইডি কার্ড টি ডাউনলোড করে ফেলতে পারবেন।

তার জন্য আপনাকে যেটি করতে হবে খুবই সহজ আপনি আমাদের নিচের দেওয়া এই লিংকটিতে ক্লিক করলেই অনলাইন কপি ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করে ফেলতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম

অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসে কিভাবে, আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করবেন, সে বিষয়ে আমি উপরে অলরেডি অনেক বক্তব্য অর্থাৎ লেখালেখি করেছি। তার পরেও আপনি যদি চান আপনি এবং আপনি যদি ডিজিটাল হয়ে থাকেন, তাহলে আপনি চাইলে ঘরে বসেও আপনার ভোটার আইডি কার্ডের যেকোনো ধরনের সমস্যা অর্থাৎ ভুলগুলো সংশোধন করতে পারবেন।অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে যে সকল বিষয়ে লাগে তা হচ্ছে -আপনার নাম লাগবে, বাবার নাম লাগবে, মায়ের নাম লাগবে এবং জন্মতারিখ লাগবে। এগুলো যদি আপনার কাছে না থেকে থাকে তাহলে আপনি অনলাইনের মাধ্যমে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের কোন ভুল সংশোধন করতে পারবেন না।

অনলাইনের মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার জন্য প্রথমে আপনি এনআইডি পোর্টাল অর্থাৎ আপনি ভোটার নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এজন্য আমাদের দেওয়া নিচের এই লিংকটিতে ভিজিট করুন তাহলে বিস্তারিত জেনে যাবেন।

এখানে অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করুন

অনলাইনে ঘরে বসে নতুন ভোটার হওয়ার সহজ নিয়ম

দেশ ডিজিটাল হওয়ার লক্ষ্যে এবং আমাদের কর্মব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ার লক্ষ্যে, বাংলাদেশ সরকার আমাদের জন্য যে সুযোগ-সুবিধা টি দিয়ে থাকছে, তা হচ্ছে অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসেই নতুন ভোটার হওয়ার সুযোগ।অনলাইনে ঘরে বসে নতুন ভোটার হওয়ার সহজ নিয়ম

হ্যাঁ আপনি সত্যি শুনছেন, আপনি চাইলে আপনার ঘরে বসেই আপনার মোবাইল অথবা কম্পিউটার এর মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে, আপনার ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন এবং ভোটার আইডি কার্ড করে ফেলতে পারবেন।

অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসে ভোটার হওয়ার জন্য আপনাকে যে সকল কাজ করতে হবে এবং যে সকল কাগজপত্র প্রয়োজন পড়ে থাকবে এবং কিভাবে অনলাইনে ঘরে বসে আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের আবেদন করবেন সে বিষয়ে জানতে নিচের দেওয়া এই লিংকটি উপরে ক্লিক করুন তাহলেই বিস্তারিত জেনে যাবেন এবং ঘরে বসে খুব সহজে অল্প সময়ের মধ্যে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করে ফেলতে পারবেন।এখানে ক্লিক করুন

 আশা করছি উপরের আমার দেওয়া এই তথ্যগুলি থেকে আপনার অথবা আপনার পরিবার পরিজনদের যে কারোই ভোটার আইডি কার্ড সম্পর্কিত সাধারণ অর্থাৎ অনলাইনেও কিভাবে আবেদন করবেন এবং ভোটার আইডি কার্ড সম্পর্কিত অন্যান্য সকল তথ্য গুলি,আপনার উপকারে আসবে আমার এই পোস্ট থেকে যদি বিন্দু পরিমান উপকার হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই আমাদের এই পোস্টটিতে একটি কমেন্টস করুন। তাহলে আমরা উপকৃত হব এবং নতুন নতুন লেখালেখি করতে আমাদের ইচ্ছা পোষণ আরো বেড়ে যাবে।

এছাড়াও ভোটার আইডি কার্ড সংক্রান্ত আরও সকল তথ্য এবং জন্ম নিবন্ধন সম্পর্কিত সকল তথ্য জানতে আমাদের ওয়েবসাইট পুরোপুরি ভিজিট করুন এবং আপনি যদি রেগুলার আমাদের পোষ্ট পেতে চান তাহলে আমাদের মেইলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন তাহলে আমাদের নতুন পোস্টটি আপনার মেইলে সবার আগে পেয়ে যাবেন।

আরও আপনার জন্য–

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করুন ৫ মিনিটে

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম

অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করতে পারেন

অনলাইনে ঘরে বসে নতুন ভোটার হওয়ার সহজ নিয়ম-২০২২

ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন

নিজের পাসপোর্ট চেক করার সহজ নিয়ম

SS IT BARI- ব্লগ ওয়েবসাইটের সাথে সংযুক্ত থাকুন এবং শিখুন এবং সর্বশেষ প্রযুক্তির সাথে আপ টু ডেট থাকুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ২৬৩ other subscribers

 

প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে এএখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।
গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন।
SS IT BARI-সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুন এই লিংকে

pp

তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক লেখালিখি করি। এর আগে বিভিন্ন পোর্টালের সাথে যুক্ত থাকলেও, SS IT BARI-আমার হাতেখড়ি। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিশ্লেষণ বাংলায় জানতে ভিজিট করুন http://ssitbari.com

Leave a Reply

Your email address will not be published.