ব্লগিং কি? ব্লগিং থেকে প্রতি মাসে কত টাকা আয় করা যায়?

যারা ব্লগিং করে অথবা ব্লগিং শুরু করতে যাচ্ছেন তাঁদের অনেকের মধ্যেই গুগোল এ প্রচুর পরিমাণে সার্চ করে ব্লগিং করে কি পরিমাণ বা কত টাকা আয় করা যায়।তাই আজকের এই আলোচনায় আমি আপনাদেরকে আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে ব্লগিং সম্পর্কে ব্লগিং থেকে আয় এবং কিভাবে কত টাকায় প্রতি মাসে করা যায় সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো।

ব্লগিং থেকে প্রতি মাসে কত টাকা আয় করা যায়?
ব্লগিং থেকে প্রতি মাসে কত টাকা আয় করা যায়?

ব্লগিং কি

ব্লগিং হচ্ছে এমন একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম যেখানে আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে সেই ওয়েবসাইটের মধ্যে বিভিন্ন পোস্ট বা আর্টিকেল পাবলিশ করে আপনি ঘরে বসেই ভালো মানের একটি আর্নিং করতে পারার মাধ্যম।

ব্লগিং প্রধানত দুই ভাবে করা যায় একটি ব্লগার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অন্যটি ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে।ব্লগার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে একদম ফ্রিতে আপনি ব্লগিং করে ভালো মানের একটি ইনকাম করতে পারবেন।

আর ওয়াডপ্রেস ব্লগিং হচ্ছে অ্যাডভান্স লেভেলের ব্লগ।  আপনার প্রথমে একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে হবে যার কারণে আপনার কিছু পরিমাণ ইনভেস্টমেন্ট করা লাগতে পারে

তবে আমার পরামর্শ হবে আপনি যদি নতুন বা শুরু করতে চান ব্লগিং। তাহলে অবশ্যই ব্লগার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কিছুদিন কাজ করে আপনার সাইট টাকে   ওয়ার্ডপ্রেসে আপনি কনভার্ট করে নিতে পারবেন।

এজন্য আমি বলবো প্রথমে আপনি ব্লগার ওয়েবসাইট দিয়ে ব্লগিং শুরু করুন।

আর যারা ইতিপূর্বে ব্লগিং করছেন তাদেরকে বলব অবশ্যই আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ইউজ করে আপনার ব্লগ সাইটটি আরো পপুলার আরো ভিজিটর নিয়ে আসুন।

ব্লগিং করে কি কি উপায়ে আয় করা যায়

ব্লগিং হচ্ছে এমন একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এই প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন উপায়ে বিভিন্ন সাইট থেকে বা মাধ্যম থেকে আপনি ভাল মানের একটি ইনকাম ঘরে বসেই করতে পারবেন।

ব্লগিং বা ব্লগার ওয়েবসাইট থেকে যে যেসকল মাধ্যম থেকে মোটামুটি মানের একটি আয় করা যায়। তার একটি উদাহরণ স্বরূপ কিছু জনপ্রিয় মাধ্যম আলোচনা করছি।


বিভিন্ন রকম এড নেটওয়ার্ক থেকে যেমন সবচাইতে জনপ্রিয় “গুগল এডসেন্স” গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আপনি ভালো মানের একটি ইনকাম এই ব্লগের ব্লগার ওয়েবসাইট থেকে করতে পারবেন।

এছাড়াও আপনার ব্লগিং বা ব্লগার ওয়েবসাইটটি খুবই জনপ্রিয় হয়ে গেলে আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানির কাছ থেকে ভালো মানের একটি ইনকাম আপনি ঘরে বসে করতে পারবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি? অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করুন–নতুনদের জন্য

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে কিভাবে আপনি আপনার ওয়েবসাইট দিয়ে ভালো মানের ইনকাম করবেন তার জন্য ইতিপূর্বে আমাদের ওয়েবসাইটে অনেকগুলি সিলেট মার্কেটিং রিলেটেড পোস্ট করা আছে তাইলে সেখান থেকে দেখে আসতে পারেন।

বাংলাদেশী ওয়েবসাইট “আমার সাইট আমার আয়” ওয়েবসাইট থেকে ঘরে বসে অনলাইনে ইনকাম করুন।

১০ মিনিট স্কুল এফিলিয়েট করে অবাক করা ইনকাম করুন আপনিও-100% প্রমান সহ

পুতুল হোস্ট অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ঘরে বসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করুন।

সহজ আ্যাফিলিয়েট ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করুন-অ্যাকাউন্ট করলেই 200-300 টাকা বোনাস

এছাড়াও আপনি চাইলে আপনার এই ব্লগ সাইট দিয়ে আপনি বিভিন্ন রকম প্রডাক বা অনলাইন শপ বিজনেস দিয়েও ভালো মানের ইনকাম করতে পারবেন।

আরো রয়েছে বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানিরা তাদের প্রডাক বা সার্ভিস বিভিন্ন রকম মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে তাদের এই বিজ্ঞাপন আপনার ওয়েবসাইটে দিও আপনি ঘরে বসে ভালো মানের ইনকাম করতে।

এছাড়াও অনেক রকম মাধ্যমে রয়েছে কিন্তু প্রথমেই আপনার ব্লগিং সাইটে বা ওয়েব সাইটটি খুবই জনপ্রিয় এবং গুগল থেকে অর্গানিক ভিজিটর অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে আসতে হবে এজন্য আপনার ভালো মানের এসইও করে আপনার কনটেন্ট বা সাইটকে গুগলের কাছে রেংক করাতে হবে।

কিভাবে আপনি এসইও করবেন আসলে এসইও কি এটি জানার জন্য আমাদের ওয়েব সাইটটি ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইটে অনেক ধরনের পোস্ট ইতিপূর্বে করা রয়েছে।

কেন আপনি ব্লগিং করবেন

কারণ আমাদের অনেক সময় চাকরি বা ব্যবসা বা পড়াশোনার পাশাপাশি অনেক ধরনের ইনকামের মাধ্যম প্রয়োজন পড়ে থাকে। তার মধ্যে সবচাইতে ভালো এবং বিশ্বস্ত মাধ্যমে হচ্ছে এই ব্লগে ব্লগিং করে ।আপনি আপনার চাকরি অথবা পড়াশোনার পাশাপাশি ভালো মানের একটি ইনকাম ঘরে বসে খুব কম সময় দিয়ে করে নিতে পারেন।

যার উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় আমাদের এই ওয়েবসাইটটি, এই ওয়েবসাইটের পাশাপাশি আমাদের আর একটি  মহৎ উদ্দেশ্যে “আমার সাইট আমার আয়” এই ওয়েবসাইটটি তৈরি করা হয়েছে। আপনারা চাইলে ওই ওয়েবসাইটের কোন ব্লগিং ছাড়াই ভালো মানের ঘরে বসে ইনকাম করতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি চাইলে আমাদের এই ওয়েবসাইটে, আপনার বিভিন্ন রকম আর্টিকেল লিখে ভালোমানের আয় করতে পারবেন। তার জন্য অবশ্যই আমাদের এই পোষ্টের কমেন্টস এ  যোগাযোগ করুন অথবা আমাদের সাপোর্ট টিমে আপনি নক করে একজন ভালোবাসার টেক ব্লকের কনটেন্ট রাইটার হিসাবে আজকেই যুক্ত হতে পারেন।

বাংলা সাইট থেকে ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়

ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়। এই প্রশ্ন করার আগে প্রতিটি ব্লগারের বা যারা ব্লগিং শুরু করবেন তাদের মনে দুইটি প্রশ্ন কাজ করে? একটি হচ্ছে বাংলা ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করলে কেমন আয় হয় এবং আরেকটি ইংলিশ ওয়েবসাইট নিয়ে ব্লগিং করলে কী পরিমাণ ইনকাম হয় তো আজকে আমি আপনাদেরকে, প্রথমে বাংলা ওয়েবসাইট নিয়ে যদি ব্লগিং করেন তাহলে কি পরিমান আয় হয় তার একটি ধারণা দিব।

বাংলা ব্লগ সাইট মূলত বেশি উপার্জন হয়না যেমনটা ইংলিশ ব্লগ সাইটে হয় কারণ বাংলা ব্লগ সাইটে অডিয়েন্স মূলত বাংলাদেশি অথবা পশ্চিম ভারতীয় হয়ে থাকে।আর ইংলিশ ওয়েবসাইটগুলোতে অডিয়েন্স বা ইউজার হয়ে থাকে পুরো বিশ্বের বায়োস কানাডা আমেরিকা সরকারের বিভিন্ন রকম কান্ট্রি থেকে আসে যার ফলে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে অনেক ভালো একটি আর্নিং হয়ে থাকে ইংলিশ ওয়েবসাইট থেকে।

আমার অভিজ্ঞতায় আমি প্রতিদিন গড়ে 0.15 ডলারে CPC পাই। এবং আপনি আমার ব্লগ দেখতে পাতচেন. আমি বিভিন্ন নিস নিয়ে ব্লগ লিখি. আপনি চাইলে একাধিক নিস নিয়েও লিখতে পারেন। এতে লেখা বিষয়ের অভাব নেই।

এমন না যে আপনি মাল্টিপল নিসে গুগল এডসেন্স মনিটাইজেশন দেয় না। বরং এতে কোনো সমস্যা হয় না। ব্লগে কিভাবে আয় বারাতে হবে তা কনটেন্ট কিওয়ার্ড অর্গানিক কিওয়ার্ড ট্রাফিকের ধরনের উপরে নির্ভর করে। আমি প্রায় 12 থেকে 15 টাকা পর্যন্ত সিপিসি পায়। মানে প্রতিটি এড এ ক্লিক করলে আমাকে গড়ে 13 টাকা দেয় মাঝে মাঝে হঠাৎ করে সিপিসি বেড়ে যায় কারণ মাঝে মাঝে যদি আমি আমেরিকান ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারি। তাহলে আমার সিপিসি অনেক হাই হয়ে যায়। যেমন একদিন আমার সিপিসি ছিল প্রায় 70 টাকার মতো মানে একটি এডে যখন একজন আমিরিকান ইউজার  কিল্ক করে তখন 70 টাকা পেয়েছিলাম। সেখানে আমাকে একশো ষাট টাকা এক অ্যাড এ ক্লিক করে দেওয়া হয়েছিল যেখানে একজন আমেরিকান ভিজিটর ক্লিক করেছিল,এবং কিছু বাংলাদেশের ক্লিক পরে যার কারণে গড়ে 70 থেকে 80 টাকা সিপিসি হয়ে যায়।

আপনি যদি গুগল সার্চ ইঞ্জিনের জন্য আপনার নিবন্ধটি অপ্টিমাইজ করেন। তাহলে শুধু বাংলাদেশের ট্রাফিক নয়, ভারত, নেদারল্যান্ড, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এমনকি আমেরিকার ট্রাফিকও দেখতে পাবেন। কীবোর্ড দিয়ে যত ভালো পোস্ট করবেন, ট্রাফিক তত বাড়বে।

200 টির বেশি পোস্ট শেষ পর্যন্ত আপনার ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়. তবে সেখান থেকে খুব শিগগিরই কিছু পোস্ট র‌্যাঙ্ক করা শুরু করবে। আপনার ডোমেইন অথরিটি বাড়বে। এবং প্রচুর আয় হবে। কারণ হচ্ছে ট্রাফিক এবং ভিউ আসবে সেখান থেকে।

মাত্র 200 থেকে 300 ভিজিটরে আমার দৈনিক উপার্জন হয় প্রায় 3 থেকে 4 ডলার মানে হলো এটা একদম আমার কাছে কম না কারণ আমি এখনো পর্যন্ত আমার ওয়েবসাইটে ভালো ট্রাফিক জেনারেট করতে পারেনি এবং অনেক বেশি পোস্ট করতে পারেনি তাই আমার কাছে এটি অনেক বড়।

তবে বলে রাখা ভালো যে আপনি একটি আর্নিং করার জন্য শুধু ভাল আর্টিকেল বা ওয়েবসাইট হলেই হবেনা। আপনার আর্নিং-এর অবশ্যই কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে যেমন আপনি কত সুন্দর করে এড প্লেসমেন্ট করলেন। কিংবা ভালোমতো অ্যাড  রিপ্লেসমেন্ট করতে পারছেন কিনা। সেটার উপর আপনার আর্নিং গুলো নির্ভর করে।

এজন্য আপনার ব্লগ সাইটটি যখন মনিটাইজ বা গুগল এডসেন্স অ্যাপ লক হয়ে যাবে তখন প্রথম মাসে আপনি অটো এডস বলে একটা অপশন রয়েছে সেই অটো এর অপশন টি অন করে রাখবেন এবং একমাস এখান থেকে আপনার আর্নিং টা দেখবেন কি পরিমান আসতেছে।

উদাহরণস্বরূপ আমরা একটি ক্যালকুলেশন করে দেখতে পারি, এখন যদি আমার সাইটে 50 থেকে 100 টা পোস্টের জন্য আমার দুই থেকে তিনশ ভিজিটর আসে এবং প্রতিদিন তিন থেকে চার ডলার ইনকাম হয়। তাহলে আপনি আপনার ব্লগে যদি খুব ভালো মানের লেখালেখি করেন এবং আপনার আর্টিকেল আরো 200 থেকে 400 হয় তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে অনায়াসেই 10 হাজার পর্যন্ত আপনি ভিজিটর নিয়ে আসতে পারবেন। আর 10 হাজার পর্যন্ত ভিজিটর যদি নিয়ে আসেন তাহলে একটি বাংলা ব্লগের  20 থেকে 30 ডলার প্রতিদিন ইনকাম হওয়া সম্ভব।

বাংলাদেশি অসংখ্য বাংলা এরকম ব্লগ আছে যারা প্রতিদিন 20 থেকে 30 এরও বেশী ডলার প্রতিদিন ইনকাম করে থাকে। এজন্য আপনার প্রথম কাজ হবে আপনার ব্লগ সাইট টিতে খুব ভালো মানের আর্টিকেল এসইও সহকারে তৈরি করা এবং পোস্ট করা। এবং ads  প্লেসমেন্ট গুলো দেখে তারপর আপনার ওয়েবসাইটে সেগুলো সেট করে দেওয়া। তাহলেই দেখবেন বাংলা ব্লগ থেকেও প্রতি মাসে ভালো মানের একটি ইনকাম আপনি ঘরে বসেই অনায়াসে করতে পারবেন।

তবে যে কোন ব্লগ সাইট থেকেই যদি ভাল মানের আর্নিং পেতে চান তাহলে খুব ভালো মানের অর্গানিক ভিজিটর প্রয়োজন হবে আর এই অর্গানিক ভিজিটর পাওয়া যাবে একমাত্র গুগল সার্চ থেকে। আর গুগল সার্চ থেকে যদি আপনি ভিজিটর প্রয়োজন হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার পোস্টটি গুগলের এক থেকে দশ নাম্বার র‍্যংকিংয়ের নিয়ে আসতে হবে।

ধরুন আপনি নিজেই যখন গুগলে কোন একটি বিষয় নিয়ে সার্চ করেন তখন যে পেজগুলি বাজে ওয়েবসাইট গুলি 1 থেকে 10 এর মধ্যে থাকে সেগুলো থেকে আপনার প্রয়োজনীয় সব তথ্য জেনে নেন পরের পেজ গুলি বাবার সাইডে কি হয়েছে তা দেখার প্রয়োজন বোধ আপনার হয় না বা প্রয়োজনও পড়ে না সেজন্য অবশ্যই আপনার লেখাটি গুগলের রেংকিং এর 1 থেকে 10 এর মধ্যে রাখার চেষ্টা করতে হবে।

তাহলে আমরা সর্বোচ্চ নিয়ে বাংলা ওয়েবসাইটের একটি অংকের হিসাব নিকাশ করে যেটি পেলাম, সেটি হচ্ছে সর্বোচ্চ একটি বাংলা ওয়েবসাইট থেকে প্রতিদিন ৫০ ডলার উপার্জন করা সম্ভব।

তাহলে যদি 50 ডলার প্রতিদিন হয় আমাদের বাংলাদেশি টাকায় এক ডলার সমান পঁচাশি টাকা তাহলে 50 ডলার ইন্টু 85 সমান ৪২৫০ টাকা। ৪২৫০*৩০ দিন তাহলে মাসে আয় ১২৭৫০০টাকা।

ইংরেজি সাইট থেকে ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়

এখন আপনার কাছে মনে হচ্ছে বাংলা ব্লগের চাইতে ইংরেজি ব্লগিং করলে প্রচুর পরিমাণে টাকা আপনি ঘরে বসেই অনায়াসে ভালো মানের ইনকাম করতে পারবেন।

কিন্তু আপনি যদি আমার মত হন ইংরেজিতে মন বোঝেন না বা ইংরেজিতে ভালো মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন না সেক্ষেত্রে আপনার জন্যই বাংলা বেস্ট হবে।

এখন আপনি যদি টাকার লোভে ইংরেজি না পেরে ইংরেজি ব্লগ সাইট নিয়ে কাজ করেন তাহলে আমার ধারণা আপনি ভালো সফলতা অর্জন করতে পারবেন না।

আর যারা ভাল ইংরেজি বোঝেন এবং ইংলিশে ভালো মানের ট্রাফিক জেনারেট করা যায় বলে ভালো মানের পোস্ট তৈরী করতে পারবেন। তাদেরকে আমি সাজেস্ট করবো। অবশ্যই আপনি ইংরেজি ব্লগ সাইট তৈরি করবেন কারণ ইংরেজি ব্লগ সাইটে বিভিন্ন রকম ব্যাকলিংক দিয়ে খুব সহজে ভালোমানের ট্রাফিক জেনারেট করা যায়।

আমারও খুব ইচ্ছে ছিল u.s. কান্ট্রি টার্গেট করে একটি ইংলিশ ব্লগ সাইট তৈরি করে ভালো মানের আর্নিং করা কিন্তু আমি বেশ কিছু দিন চেষ্টা করেও ভালো মানের কিছু করতে পারি নাই কারণ আমি ভালো ইংলিশ পারিনা।

এজন্য আমি চেষ্টা করি আমার এই ব্লগ সাইটটি খুবই পপুলার করতে বাংলাদেশের যাতে বাংলাদেশেই ডাবল পরিশ্রম করে ইউএস-অন্যান্য দেশের মতো ঘরে বসে ইনকাম করা যায় এর উদাহরণ স্বরূপ হিসাবে আপনারা আমার ওয়েবসাইটটি দেখুন তাহলে বুঝতে পারবেন, কি পরিমান এ পর্যন্ত আমি আমার ওয়েবসাইটটি এগিয়ে নিয়ে এসেছি এবং আরো অনেক দূরে যাওয়ার ইচ্ছা আছে ইনশাআল্লাহ আপনারা পাশে থাকলে।

ইংরেজি ওয়েবসাইটে ট্রাফিক জেনারেট করা সহজ তার কারণ হচ্ছে ইংরেজি ওয়ার্ড বা ইংরেজি ভাষা বিশ্বের প্রতিটি দেশেই ব্যবহার হয় এজন্য অনেকেই ইংরেজিতে ব্লগ সাইট তৈরি করে 10 গুণেরও বেশি বাংলা ওয়েবসাইট এর চাইতে বেশি ইনকাম করে থাকেন।

ইংরেজি সাইটে ব্লগিং করে মাসে 500 ডলার থেকে 2000 ডলার উপার্জন করা মোটেও কঠিন কিছু না কারণ ব্লগ সাইট যদি সফলতা লাভ করে ভালো ট্রাফিক জেনারেট করতে সক্ষম হয়। পাশাপাশি কিছু কনটেন্ট সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ হয়ে যায় মনে মনে হলো গুগলের প্রদর্শন করে প্রথম 1 থেকে 10 এর মধ্যে তাহলে অনায়াসেই আপনি ঘরে বসে ভালো মানের ইনকাম ইংলিশ ব্লগ সাইট দিয়ে করে নিতে পারবেন।

তো আমি যেটা বললাম, ইংরেজি ব্লগ সাইট থেকে মাসিক সহজেই 2000 ডলার পর্যন্ত উপার্জন করা যায় এমন লোকের সংখ্যা অনেক কম না এটা কোনো বাংলা নয় এটা হচ্ছে ইংরেজি ব্লগ সাইট যেখানে প্রচুর টাইট করা যায় একইভাবে সিপিও থাকে অনেক বেশি ভালো উপার্জন করার জন্য ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয় তো আপনি যদি একটি ইংরেজী ব্লগ থেকে মাসে 1000 থেকে 2000 ডলার পর্যন্ত ইনকাম করতে চান তবে কম করে হলেও দুই বছর সময় নিতে হবে ইংরেজি সকল ব্লগারের এভারেজ স্যালারি হলো বছরে 32800 ডলার।

এই ইনকাম শুধু গুগল অ্যাডসেন্স থেকে এছাড়াও আপনি ইংরেজী ব্লগ সাইট দিয়ে ও ভালো মানের এফিলিয়েট মার্কেটিং এবং অন্যান্য এড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেও ইনকাম করতে পারবেন।

আমার নিজের একটা রিসার্চ থেকে বলি আপনার হয়তো বা বিশ্বাস না হতে পারে, আমি এমন কিছু ব্লগার সম্বন্ধে রিচার্জ করেছি, যারা বছরে 2 লাখ ডলার উপার্জন করে। এটা কিন্তু অনেকেরই হিউজ পরিমান। তারা ফুলটাইম ব্লগিং করে আমার  মনে হয়। তাদের মূল প্রফেশন ব্লগিং করা। আর তারা অবশ্য ইংরেজি ব্লগ সাইটে কাজ করে। আর মজার ব্যাপার হলো তারা সপ্তাহে 10 থেকে 30 ঘন্টা কাজ করে সেটা অনেক কম। তাদের উপার্জনের তুলনায় তাদের কাজ করার পরিমাণটাও অনেক কম। কারণ তারা ব্লগিং এ full-time দিতে দিতে এমন একটি লেভেলে পৌঁছে গেছেন, তাদের প্রতিটা আর্টি খালি গুগলের সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেজে থাকে।

ব্লগিং বা ব্লগার থেকে এতো ইনকাম হওয়ার কারণ হচ্ছে তারা আগে থেকেই একটি ব্র্যান্ড ছিল তাদের রুমেন অথরিটি ছিল হাই এবং রেগুলার ট্রাফিক তাদের আগে থেকেই ছিল যদি ফাইনাল বিভিন্ন ওয়েবসাইটে কাজ করেন সেখানে দেখবেন ব্লগে লেখালেখি কম হয় কিন্তু সেই ব্লগ গুলোতে ভিজিটর আসে মিডিয়াম লেভেলের।

তবে একেবারেই কম না আবার বেশিও না। কিন্তু উপার্জন হয় সবচাইতে বেশি তার। কারণ সেখানে তাকে সর্বোচ্চ সিপিসি একটি এডে ক্লিক করলে সব থেকে বেশি উপার্জন এমনও রয়েছে এক অ্যাড এ ক্লিক করে 280 ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায় এই টাইপের ওপিসি নিয়ে তারা কাজ করে।

?? গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন ??

তবে আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলি আপনার আর্টিকেল যদি মানসম্মত এসইও ফ্রেন্ডলি হয় এবং গুগলের অ্যাড করে তাহলে আপনার কোন আর্টিকেলে প্রচুর পরিমান ভিজিটর পাবেন এবং আপনি ভাল মানের একটি ইনকাম করতে পারবেন এজন্য অবশ্যই আপনার আর্টিকেলটি লিখার আগে এক থেকে দুই ঘন্টা বা একদিন রিচার্জ করে নিতে হবে এরপরে আপনার পোস্ট টি সুন্দর করে সাজিয়ে লিখে লেখা শেষ হলে আপনি একজন ভিজিটর হিসেবে আগে আপনার পোষ্টটি পড়ে নিতে হবে তাহলে আপনার পোস্টটি গুগলে ভালো মানের রেঙ্ক করবে এবং ভিজিটর আসবে।

আশাকরছি বাংলা ব্লগ সাইট এবং ইংলিশ ব্লগ সাইট থেকে কি পরিমান প্রতি মাসে ইনকাম বা উপার্জন করা সম্ভব সে বিষয়ে পুরোপুরি ধারণা আপনাদেরকে দিতে পেরেছি। এছাড়াও যদি আপনার ব্লগিং করা এই সম্পর্কিত কোন বিষয়ে আপনার জানার বা বুঝার প্রয়োজন হয়ে থাকে আপনি চাইলে আমাদের এই পোষ্টের কমেন্টে জানাতে পারেন খুব দ্রুত আমি আপনাদেরকে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ।

অর্গানিক ভিজিটর কি

তারমানে উপরে আমরা যে বিষয়টি সামারি আকারে বুঝতে পারলাম যে আপনি যেইটাই করেন না কেন বাংলা ওয়েবসাইট হোক আর ইংলিশ ওয়েবসাইট হোক আপনার অবশ্যই অর্গানিক ভিজিটর দরকার তাহলে এই অর্গানিক ভিজিটর আসলে কী সে সম্পর্কে কিছু আলোচনা করলাম।

অর্গানিক ভিজিটর হচ্ছে যে সমস্ত ভিজিটর গুগল থেকে অর্থাৎ গুগলের সার্চ রেজাল্ট থেকে আপনার ওয়েবসাইটে আসবে তাদেরকে অর্গানিক ভিজিটর বলে ।তাছাড়াও  bing,yahoo এর মত সার্চ ইঞ্জিন থেকেও ভিউ আসলে তারা অর্গানিক। এই গেল বিভিন্ন বিষয়ের উপরে আয় নির্ভর অথবা বিশেষ স্ট্র্যাটেজিক এর উপর আর্নিং কি রকম হয় তার ব্যাপারে সমস্ত আলোচনা।

ভিজিটরের ধরনের উপরে কি কোন আর্নিং-এর কম বেশি হয়

জি ভিজিটরের ধরনের উপরে আপনার সাইটের অনেক কিছুই নির্ভর করে যেমন ভিজিটরের ধরনের উপর ব্লগ সাইটের উপার্জন অধিকাংশই নির্ভরশীল আপনি কোন ধরনের ভিজিটর সাইটে আনছেন সেটা হচ্ছে মেইন বিষয় যদি অর্গানিক ভিজিটর অর্থাৎ বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন থেকে নিয়ে আসেন তবে সেখান থেকে আপনি ভালো উপার্জন করতে পারবেন কিন্তু যদি আপনি বিভিন্ন সোশ্যাল সাইট থেকে ভিজিটর নেন যেমন ফেসবুক টুইটার বিন সরকারের অন্যান্য বিভিন্ন রকম ইউটিউব চ্যানেল এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ভিজিটর আনেন তাহলে গুগল এডসেন্স এর মত ওয়েবসাইটে বেশকিছু আয় কমে যাবে এবং আপনার এডসেন্স এর সমস্যা হতে পারে।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪৩১ other subscribers

pp

SS IT BARI-ভালোবাসার টেক ব্লগ টিম

1 Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.