মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা তুলুন-বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং(বিকাশ, নগদ, রকেট, ডাচ বাংলা, শিওর ক্যাশ)

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা তুলুন১৯৯৭ থেকে ৯৮ অর্থবছরের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি চালু হয়। বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি বাংলাদেশ সরকারের একটি সমাজসেবামূলক কাজ। বয়স্ক ভাতা তাদের কি দেওয়া হয় যারা দুস্থ উপার্জন হীন বা স্বল্প উপার্জনক্ষম বৃদ্ধ বয়স্ক জনগোষ্ঠী। আগে ব্যাংকে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে বয়স্ক ভাতা তুলতে হতো বয়স্কদের।

এতে করে তাদের শারীরিক কষ্ট বহন করতে হতো। কিন্তু বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং এর অভাবলভ্যতার কারণে বয়স্করা তাদের বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে তুলতে পারছে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ব্যাংকে গিয়ে টাকা তুলতে হচ্ছে না। বিকাশ নগদ রকেট ডাচ বাংলা শিওর ক্যাশ এই মোবাইল ব্যাংকিং গুলোর এজেন্টের থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা উত্তোলন করা যাবে।মোবাইল ব্যাংকিং বলতে কি বুঝ ও মোবাইল ব্যাংকিং এর অসুবিধা

প্রিয় SS IT BARI-ভালোবাসার টিক ব্লগ এর পাঠক পাঠিকা বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকের ব্লগে আপনাদের সকলকে জানাচ্ছি স্বাগতম। বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা গ্রাম থেকে শহর সকল জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে।সকল শ্রেণীর পেশার মানুষ মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিধা ভোগ করছে।

তাই বর্তমানে বয়স্করা সরকারি ভাতা তুলতে ব্যাংকে না গিয়ে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে নিকটে এজেন্টের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারছে। যারা এই সম্পর্কে জানেন না তাদের জন্য আজকে এই আর্টিকেলটি লেখা। অবশ্যই শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ে সহজেই কিভাবে বয়স্ক ভাতা তুলবেন সে সম্পর্কে জানতে পারেন।

মোবাইল ব্যাংকিং কি

মোবাইল ব্যাংকিং হলো মোবাইল বা স্মার্টফোন দ্বারা বা ট্যাবলেটের মাধ্যমে গ্রাহক যে সকল আর্থিক লেনদেনের সাথে জড়িত কার্যক্রম গুলো পরিচালনা করে তাকে বোঝায়। ধরন আপনি ঘরে বসে ব্যালেন্স চেক করতে চান বিল পেমেন্ট করতে চান কিংবা টাকা ট্রান্সফার করতে চান এই কাজগুলো আপনি ব্যাংকে না গিয়ে ঘরে বসে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে সহজে সম্পন্ন করতে পারবেন।ঘরে বসে নিজের মোবাইল থেকে দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে টাকা লেনদেন করার মাধ্যম হলো মোবাইল ব্যাংকিং।

অর্থাৎ কোন মোবাইল অথবা ট্যাবলেট থেকে যখন কোন মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারকারী গ্রাহক ইন্টারনেটের সাহায্যে অর্থের লেনদেন করবে তখন সেই মাধ্যমকেই বলা হয় মোবাইল ব্যাংকিং।মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা হচ্ছে এমন একটি পরিষেবা যা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত গ্রাহকদের স্মার্টফোন অথবা ফিচার ফোন বা ট্যাবলেট এর মত মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করে দুর নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিতে আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করার সুবিধা প্রদান করে।অর্থাৎ একজন গ্রাহক মোবাইল এর মাধ্যমে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে।

মোবাইল ব্যাংকিং বলতে কি বুঝ ও মোবাইল ব্যাংকিং এর অসুবিধা

মোবাইল ব্যাংকিং আর্থিক লেনদেনকে এতটাই সহজ করে দিয়েছে যে মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবার মাধ্যমে ব্যাংকিং এর বিভিন্ন রকম কাজ করার জন্য এক গ্রাহককে ব্যাংকে যেতে হয় না তিনি ঘরে বসে তার স্মার্টফোনের মাধ্যমে তা করতে পারেন। মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিধা বেশি থাকায় দিন দিন এর গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং মোবাইল ব্যাংকিং এ নতুন নতুন কার্যক্রম যোগ হচ্ছে। মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা ২৪ ঘন্টা যাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে।

বয়স্ক ভাতা

বাংলাদেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ১৯৯৭ থেকে ৯৮ সালে ৫ জন পুরুষ এবং পাঁচ জন মহিলা সহ মোট ১০ জন দুস্থ বয়জষ্ঠ্য ব্যক্তিকে ১০০ টাকা করে প্রতি মাসে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়েছিল।বাংলাদেশ সরকারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সমাজসেবা অধিদপ্তর বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে।

এরপর থেকে সকল পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনে বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি চালু করা হয় বাংলাদেশের জনগণের মধ্য বয়স্কদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এই ভাতা পেয়ে থাকে।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা

বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা প্রদান করা হয়। কারণ বয়স্ক ভাতা গ্রহণকারী ব্যক্তি বার্ধক্যজনিত কারণে ব্যাংকে গিয়ে ভাতার তুলতে শারীরিকভাবে কষ্ট পোহাতে হয় সুদীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে। তাই তাদের কথা মাথায় রেখে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার বয়স্ক ভাতা প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেয় ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে।

শুধুমাত্র বয়স্ক ভাদাই নয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় যে সকল কার্যক্রম গুলো রয়েছে( যেমন বয়স্ক ভাতা বিধবা ও স্বামী নিগৃহিতা ভাতা প্রতিবন্ধী ভাতা এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি) মোবাইল আর্থিক প্রতিষ্ঠান (নগদ বিকাশ ডাচ বাংলা রকেট শিওর ক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিং গুলোর) মাধ্যমে উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা তোলা করা হয় কিভাবে

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা তুলতে ভাতা গ্রহণকারী ব্যক্তিকে অবশ্যই অনলাইনে আবেদন করে মনোনীত হয়ে মোবাইল ব্যাংকিং এর একাউন্ট খুলতে হবে। সরকার কর্তৃক যখন টাকা প্রদান করা হবে তখন ব্যক্তির মোবাইল ফোন অথবা তার মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্টে অর্থাৎ যে নাম্বার দিয়ে সে মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট খুলেছিল সেই নাম্বারে মেসেজ করা হবে। যদি মোবাইল ফোনে টাকার এসএমএস আসে তাহলে এজেন্ট এর কাছে গিয়ে সেই টাকা উত্তোলন করা যাবে।

অনলাইনে বয়স্ক ভাতা আবেদন

অনলাইনে বয়স্ক ভাতা আবেদন করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বয়স্ক ভাতার টাকা উঠানো যাবে। অনলাইনে বয়স্ক ভাতা আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যেমন ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য এবং আবেদন পত্র সাবমিট করার জন্য ছবি সিগনেচার সহ প্রয়োজনীয় সকল তথ্য নিয়ে বয়স্ক ভাতা আবেদন করতে হয়। সঠিক ভাবে অনলাইনে বয়স্ক ভাতা আবেদন করতে না পারলে বয়স্ক ভাতা বাতিল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে বয়স্ক ভাতার জন্য আবেদন করতে পারেন।

বয়স্ক ভাতার টাকা চেক

আপনারা ইতোমধ্যেই জেনেছেন যে বয়স্ক ভাতার টাকা কোন কোন মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে দেওয়া হয়। যেমন বিকাশের মাধ্যমে টাকা চেক করতে আপনাকে যা করতে হবে;

প্রথমে বিকাশের কোড২৪৭#ডায়াল করতে হবে। অবশ্যই যেই নাম্বারে আপনার বিকাশ একাউন্ট খোলা আছে এবং যেই নাম্বারটি আপনি বয়স্ক ভাতা জমা দেওয়ার জন্য দিয়েছিলেন।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

*বিকাশের মোবাইল কোডটি ডায়াল করার পর আপনার সামনে অনেকগুলো ইন্টারফেস আসবে সেখানে বিভিন্ন অপশনের মধ্যে আপনি মাই বিকাশ অপশনটি সিলেক্ট করবেন।

*মাই বিকাশ অপশন টি সিলেক্ট করার পর চেক ব্যলান্স অপশন সিলেক্ট করবেন।

*এরপর আপনি আপনার পিন নাম্বারটি সেখানে দিলেই আপনার অ্যাকাউন্টে কত টাকা রয়েছে সেটি দেখতে পাবেন।

বয়স্ক ভাতা দেওয়া হয় কত দিন পর পর

জন প্রতি মাসিক ৫০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়। ৫০০ টাকা নির্ধারিত হয় ২০১৬ থেকে ১৭ অর্থবছরে যা এখন পর্যন্ত বলবৎ রয়েছে। তবে এই টাকা প্রতি মাসে দেওয়া হয় না।প্রতি তিন মাস পর পর ৫০০ টাকা মাসিক হারে তিন মাসে পনেরশো টাকা নির্ধারিত বয়স্ক ব্যক্তিদের মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্টে দেওয়া হয়।

কোন কোন মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা দেওয়া হয়

বয়স্ক ভাতা প্রদান করার জন্য পূর্বে কেন্দ্রে অথবা ব্যাংকে গিয়ে টাকা তুলতে হতো কিন্তু বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে সরকার বয়স্ক ভাতা প্রদান করে।পরীক্ষামূলকভাবে শুধুমাত্র নগদ, শিওর ক্যাশ, বিকাশ, রকেট, ডাচ বাংলা এই চারটি প্রতিষ্ঠানকেই মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা প্রদান করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কত টাকা বয়স্ক ভাতা দেওয়া হয়

বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি শুরু হয় ১৯৯৭ থেকে ৯৮ সালে। ১০০ টাকা করে তখন বয়স্ক ভাতা প্রদান করা হতো যা পরে ২৫০ টাকায় উন্নীত করা হয়। ২০০৯ থেকে ১০ অর্থবছরে বয়স্ক ব্যক্তিদের জনপ্রতিম মাসিক ভাতার হার ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকায় উন্নীত করা হয়। ২০১৬ থেকে ১৭ অর্থবছরে বয়স্ক ব্যক্তিদের ভাতা বাড়িয়ে ৫০০ টাকায় উন্নীত করা হয় যা এখন পর্যন্ত বলবৎ রয়েছে।

বয়স্ক ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা

বয়স্ক ভাতা পেতে গেলে নিম্নলিখিত যোগ্যতা গুলো তার থাকতে হবে-

১) নির্দিষ্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

২) বয়স্ক ভাতা গ্রহণকারী ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন অথবা জাতীয় পরিচয় পত্র থাকতে হবে।

৩) বয়স্ক ভাতা গ্রহণকারী ব্যক্তির বয়স পুরুষের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬৫ বছর এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬২ বছর হতে হবে।

৪) বয়স্ক ভাতা পেতে গেলে তার বার্ষিক গড় আয় অনূর্ধ্ব ১০ হাজার টাকা হতে হবে।

৫) নির্ধারিত বাছাই কমিটি কর্তৃক বয়স্ক ভাতা গ্রহণকারীকে নির্বাচিত হতে হবে।

বয়স্ক ভাতা কাদের জন্য নিষিদ্ধ

বয়স্ক ভাতা যারা পাবে না তারা হলো-

১) সরকারি কর্মচারী বয়স্ক ব্যক্তি পেনশন ভোগী হলে।

২) ভিজিডি কার্ড ধারী দুস্থ বয়স্ক ব্যক্তি অথবা মহিলা।

৩) কোন সরকারি অনুদান ভাতা প্রাপ্তি হলে।

৪)বেসরকারি সংস্থার সমাজ কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত আর্থিক অনুদান অথবা ভাতা প্রাপ্তি হলে।

বয়স্ক ভাতার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

সরকারের এই প্রশংসনীয় কর্মসূচির নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য রয়েছে যা পূরণ করার জন্য সরকার বয়স্কদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা চালু করেছে।

১) বয়স্ক ব্যক্তিদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তার বিধান নিশ্চিত করতে।

২) বয়স্ক ব্যক্তিদের পরিবার এবং সামাজিক মর্যাদাকে বাড়াতে।

৩) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর ভাতার মাধ্যমে মনোবল বৃদ্ধি করতে।

৪) বয়স্ক ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুষ্টি বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে।

বয়স্ক ভাতা এমন একটি কর্মসূচি যেখানে বাংলাদেশের বয়জষ্ঠ জনগণগুলো অবহেলার হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে। বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থ সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার হচ্ছে এই বয়স্ক ভাতার মাধ্যমে। মূলত ১৯৯৭-৯৮ সালের সরকারের এই বয়স্ক ভাতা কর্মসূচির উদ্যোগ ছিল একটি মহৎ উদ্যোগ। বয়স্ক ভাতা কর্মসূচির মাধ্যমে উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিধানে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তিত হয় কত সালে?

উত্তর: বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তিত হয় 1997 থেকে 1998 সালে।

কোন কোন মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা প্রদান করা হয়?

উত্তর: বিকাশ, নগদ, শিওর ক্যাশ, ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং, রকেট এর মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা প্রদান করা হয়।

কত টাকা বয়স্ক ভাতা প্রদান করা হয়?

উত্তর: প্রতি মাসে ৫০০ করে ৩ মাসে ১৫০০ টাকা বয়স্ক ভাতা প্রদান করা হয় যা তিন মাস পরপর নির্ধারিত বয়স্ক ব্যক্তিরা‌ হাতে পায়।

শেষ কথা

বন্ধুরা আমাদের আজকের আর্টিকেলটি বয়স্ক ভাতা কিভাবে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে উত্তোলন করা হয় সেই বিষয় নিয়ে লিখা। আশা করছি আজকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা এই বিষয়ে বুঝতে পেরেছেন। যদি আমাদের আর্টিকেলটি আপনাদের সামান্য উপকারে আসে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে আমাদের ওয়েবসাইটটি শেয়ার করতে ভুলবেন না।আজকের মত বিদায় নিচ্ছি। সকলে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।

আপনার জন্য আরো –

আপনার জন্য-

মোবাইল ব্যাংকিং কয়টি ও কি কি

মোবাইল ব্যাংকিং বলতে কি বুঝ ও মোবাইল ব্যাংকিং এর অসুবিধা

উপায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ে কি সুবিধা পাবেন?

উপায় মোবাইল ব্যাংকিং কোড কত

উপায় অ্যাকাউন্ট খোলার সহজ পদ্ধতি

নগদ একাউন্ট দেখার নিয়ম ২০২৩

উপায় ক্যাশ আউট ও সেন্ড মানি খরচ কত

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন.

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪৯২ other subscribers

SS It BARI JOB NEWS

SS IT BARI-ভালোবাসার টেক ব্লগ টিম