ফ্রিল্যান্সিং করে ঘরে বসে আয় করার পর্বে যে সকল বিষয় আপনার অবশ্যই জানতে হবে ?

অনলাইন ইনকামফ্রিল্যান্সিং এখন খুবই জনপ্রিয় একটি প্ল্যাটফরম এবং কাজ। এই অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং করে ঘরে বসে এখন লক্ষ্য কোটি মানুষ ভালো মানের একটি আয় করছে।তবে এই ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে সঠিক ধারণা এবং সঠিক মাধ্যম না থাকার কারণে অনেকেই প্রতারিত হয় এবং এখান থেকে ঘরে বসে অনলাইনে আয় করা থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকে।

তাই আজকে আমি আপনাদেরকে জানাবো এই ফ্রিল্যান্সিং করে আপনি ঘরে বসে কিভাবে কাজ করার পূর্বে যে সকল বিষয় ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে একজন ফ্রিল্যান্সারের জানা দরকার সে বিষয় নিয়ে পুরোপুরি জানানোর চেষ্টা করব।

তবে মূল পয়েন্টে যাওয়ার আগে কিছু কথা বলে নেই, বরাবরই অনলাইন থেকে ইনকাম করার বিষয়ে আমি কোন পোস্ট করে থাকলে। আপনাদেরকে অনেক বিষয়ে অযথা বিষয় কিছু বগ বগ করা কথা বলে থাকি। আসলে অযথা বললেও এটি আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনি যদি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চান? তাহলে আপনার যে সকল বিষয় যানা এবং মানা থাকতে হবে সেগুলো অবশ্যই আপনার মাথায় রেখেই এই অনলাইন থেকে ইনকাম করার কাজে নিজেকে লিপ্ত করতে হবে। তা না হলে আপনার সময় এবং আপনার ইনভেস্টমেন্ট সবই নষ্ট হবে।

ফ্রিল্যান্সিং করে ঘরে বসে আয়
ফ্রিল্যান্সিং করে ঘরে বসে আয়

বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সিং সাইট “কাজখুঁজি” থেকে আয়

ফ্রিল্যান্সিং করতে কি কি ডিভাইস এর দরকার হয়?

  • ভালো মানের একটি কনফিগার করা কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ।
  • স্মার্টফোনের মাধ্যমে অনেক ফ্রিল্যান্সিং করা যায় তবে আপনার স্মার্টফোনটি অবশ্যই ভালো RAM হতে হবে।
  • কম্পিউটার সম্পর্কে কিছু বেসিক ধারণা থাকতে হবে।
  • আমার কাছে পার্সোনালি ফ্রিল্যান্সিং করতে সবচাইতে বড় যে বিষয়টি থাকতে হবে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সেটি হচ্ছে তার পর্যাপ্ত সময় এবং ধৈর্য।

Related Post :ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার-Part-01

Related Post:কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো? ফ্রিল্যান্সিং করার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট- Part-2

Related Post:ফ্রিল্যান্সিং কাকে বলে?ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন-Part-03

ফ্রিল্যান্সিং কাজ কি?

ফ্রিল্যান্সিং এমন একটি কাজ যা আপনি যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অধীনে করতে পারেন।  আপনি অনলাইনে যে কাজগুলো ভালো করেন সেগুলো করে আপনি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারেন। তাহলে বুঝবেন আপনার অনলাইন কাজের দক্ষতা অনলাইনে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করাকে ফ্রিল্যান্সিং বলে।

ফ্রিল্যান্সিং করে কি পরিমাণ টাকা আয় করা যায়?

ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ফাইবার অনুসারে, 2020 সালে, একজন ফ্রিল্যান্সার গড়ে 20 ডলার প্রতি ঘন্টা আয় করতে পারে। তবে ফ্রিল্যান্সিং থেকে আয়ের পরিমাণ অনেকাংশে নির্ভর করে কাজের ধরনের ওপর।

একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার মাসে কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন। তবে শুনতে খারাপ লাগে যে শুরুতে ফ্রিল্যান্সিং থেকে আয়ের পরিমাণ তেমন একটা হয় না, যার ফলে ফ্রিল্যান্সাররা স্বাভাবিক হারের চেয়ে কম দামে কাজ করতে বাধ্য হয়ে পরে।আমার পরামর্শ আপনি লেগে থাকেন একদিন আপনি টাকা গুনে হিসাব করে শেষ করতে পারবেনা।

ফ্রিল্যান্সিং করতে কেমন দক্ষতা প্রয়োজন পরে?

আমি বলবো কোনো দক্ষতা ছাড়া যেমন চাকরি পাওয়া সম্ভব নয়, তেমনি কোনো দক্ষতা ছাড়া ফ্রিল্যান্সিং কাজ বা যেকোনো কিছু পাওয়া সম্ভব নয়। অনেকে কোনো দক্ষতা ছাড়াই আয়ের কথা বলেন বা অনেক বিজ্ঞাপনে তা দেখা যায়।

বাস্তবতা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য দক্ষতা প্রয়োজন। কেউ যদি বলে যে, দক্ষতা ছাড়াই ফ্রিল্যান্সিং করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব, তাহলে এই তথ্য সম্পূর্ণ ভুল।আপনি আসুন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন ।

ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং এর মধ্যে কি কোন পার্থক্য আছে?

না, ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং এক জিনিস নয়। যাইহোক, এই দুটি বিষয় মূলত একই মুদ্রার বিপরীত। একটি ব্যক্তি বা সংস্থা তার প্রয়োজনগুলিকে আউটসোর্স করে এবং একজন ফ্রিল্যান্সার সেই ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়। ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিংয়ের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে আরও জানতে, আমাদের সাইটে দেয়া পোস্ট গুলো পড়ুন।

ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা কি কি?

একজন ফ্রিল্যান্সার কি ধরনের কাজ করতে চান এবং কার সাথে কোথাই কাজ করতে চান ?তা বেছে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে। অন্য কথায়, কাজের স্বাধীনতা একজন ফ্রিল্যান্সারের হাতে। আবার ফ্রিল্যান্সিং কাজে বাধা দেওয়ার সময় নেই। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্লায়েন্টের কাজ শেষ করা একজন ফ্রিল্যান্সারের কাজ, রুটিন ওয়ার্ক করার দরকার নেই।

পার টাইম কাজ ফ্রিল্যান্সিং করাও সম্ভব। আবার চাইলে পার টাইম কাজ ছেড়ে দিয়ে ফুলটাইম ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়ে তোলাও সম্ভব। একটি সংস্থার জন্য কাজ করার সময়, সেই সংস্থার জন্য একজন ব্যক্তি যে কাজ করেছেন তা সংগঠনের সাফল্য হিসাবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে, ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে, একজন ফ্রিল্যান্সার তার কাজকে একটি পোর্টফোলিওতে সংগঠিত করতে পারেন এবং তার দক্ষতা প্রদর্শন করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সার তার কাজকে একটি পোর্টফোলিওতে সংগঠিত করতে পারেন এবং তার দক্ষতা প্রদর্শন করতে পারেন।

এধরনের অনেক সুবিধা আছে এই ফ্রিল্যান্সার কাজে তবে কাজ সুর করার আগে অবশই সকল দিক বুযে শুনে কাজে নামতে হবে ।

ফ্রিল্যান্সিং এর অসুবিধা কি কি?

কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করলে বিভিন্ন বোনাস নিতে পারেন বা প্রয়োজনে ছুটি নিতে পারেন। তবে ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে এ ধরনের সুযোগ অনিশ্চিত। ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে যেহেতু একজন ফ্রিল্যান্সার তার নিজের বস এবং কর্মচারী সেহেতু ক্লায়েন্টের সকল কাজ নিজেকেই করতে হয়।

আবার ফ্রিল্যান্সিং করে আয়ের কোনো সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা নেই। অনেক কাজ পেয়ে এক মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করলেও একজন ফ্রিল্যান্সারের কোনো আয় নাও থাকতে পারে সব মাসে ।

জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং কাজ গুলো কি কি?

  • লেখা: কন্টেন্ট রাইটিং, কপিরাইটিং, প্রুফরিডিং ইত্যাদি।
  • গ্রাফিক ডিজাইনঃ লোগো ডিজাইন, পোস্টার ডিজাইন, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ডিজাইন ইত্যাদি।
  • ফটোগ্রাফি: ওয়েডিং ফটোগ্রাফি, পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফি, ফটো এডিটিং।
  • ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট: এসইও, ওয়েবসাইট ডিজাইন, ওয়েব টুল ডেভেলপমেন্ট, ওয়েবসাইট ডিবাগিং ইত্যাদি।
  • সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট: সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডিজাইনার
  • ইউএক্স ও ইউআই ডিজাইনার।
  • ট্রান্সক্রিপশন।
  • টিচিংঃ অনলাইন কোর্স, ওয়ান-অন-ওয়ান টিচিং, কোচিং
  • ডাটা এন্ট্রি করে আয়।
  • ভিডিও এডিটিং, ইত্যাদি।

অসংখ্য কাজ রয়েছে এই ফ্রিল্যান্সিং জগতে অনেক ধরনের ফ্রিল্যান্সিং জব রয়েছে। ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে প্রায় যেকোনো ধরনের কাজ করা যায়।

পুতুল হোস্ট অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ঘরে বসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করুন।

সহজ আ্যাফিলিয়েট ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করুন-অ্যাকাউন্ট করলেই 200-300 টাকা বোনাস

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে বেশি আয়ের কাজ কোনটি ?

মূলত ফ্রিল্যান্সিং থেকে আয়ের পরিমাণ নির্ভর করে কাজের ওপর। তবে কিছু কিছু ফ্রিল্যান্সিং কাজ আছে যেগুলো একটু বেশি জটিল এবং এই কাজগুলো থেকে আয়ের পরিমাণ অন্যান্য চাকরির চেয়ে বেশি।

আমার মতে ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে অন্যান্য সাধারণ ফ্রিল্যান্সিং কাজের চেয়ে বেশি আয় করা সম্ভব। যেহেতু প্রোগ্রামিং একটি জটিল প্রক্রিয়া এবং একটি চাহিদাপূর্ণ দক্ষতা, তাই ফ্রিল্যান্সাররা প্রোগ্রামিং সম্পর্কিত ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য উচ্চ হার চার্জ করে। এছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পরামর্শক হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং কাজের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে তাই অর্থ উপার্জনের বিশাল সুযোগ রয়েছে এই ফ্রিল্যান্সিং কাজে

?? গুগল নিউজে সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে বাংলাদেশে কিভাবে টাকা আনা যায়?

ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে আয় সেই প্ল্যাটফর্মের ভার্চুয়াল অ্যাকাউন্টে জমা হয়। যদিও বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম পেপ্যালের মাধ্যমে উত্তোলন সমর্থন করে, বাংলাদেশে পেপ্যাল ​​না থাকায় ফ্রিল্যান্সারদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়।

তবে Payoneer এবং Wise এর মত আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে বাংলাদেশ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। কিছু ক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ উত্তোলনের সুযোগও রয়েছে। ” কাজখুঁজি ” এর মতো স্থানীয় ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটেও বিকাশের মাধ্যমে অর্থপ্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে।

আমার কথা আপনি ভালো কাজ করুন টাকা উঠানো নিয়ে কোন প্রব্লেম হবেনা ইনশাল্লাহ।

ফ্রিল্যান্সিং করে ক্যারিয়ার গড়া যাবে কি?

উত্তরটা অনেক সহজ আপনার উপরের বিষয় থেকে যদি মনে হয় আপনি পারবেন ত্হলে আজি শুরু করে দেন।

অনেকেই মনে করেন যে ফ্রিল্যান্সিং নির্ভরযোগ্য আয়ের জন্য আদর্শ সমাধান নয়। যদিও এই ধারণা সঠিক নয়। ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব। যাইহোক, ফ্রিল্যান্সিং করে ক্যারিয়ার গড়তে কঠোর অধ্যবসায় এবং ধৈর্যের প্রয়োজন হবে।

আর যদি আপনার লক্ষ্য হয় আপনার দক্ষতার উপর ভিত্তি করে স্বাধীনভাবে অর্থ উপার্জন করা, তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিংকে ক্যারিয়ার হিসেবে গড়ে তোলার। আর আপনার যদি এ বিষয় কোন সাহায্য লাগে তাহলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন আমারা বরা বরের মত এই সাহায্য সবাই ক ফ্রি তে করে আসতেছে।

  • একটি নিশ (niche) বা কাজের ক্ষেত্র বাচাই করুন।
  • LinkedIn, Upwork এবং Fiber এর মত ওয়েবসাইটে আপনার প্রোফাইল তৈরি করুন।
  • কাজের পাশাপাশি আপনার সেরা কাজের একটি পোর্টফোলিও তৈরি করুন।
  • দীর্ঘমেয়াদী ক্লায়েন্টদের খুঁজুন যারা আয়ের একটি নির্ভরযোগ্য উৎস হবে।
  • অর্থ উপার্জনের বিভিন্ন লাভজনক উপায়ে বিনিয়োগ করুন।

?অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করুন–নতুনদের জন্য

?দারাজ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করুন-নতুন নিয়মে

?অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি? অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করুন–নতুনদের জন্য

ফ্রিল্যান্সিং করে আয় শুরু করার নিয়ম কি?

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য আপনাকে প্রথমে এই কাজে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে। আপনি একজন ফুল টাইম বা পার্ট টাইম ফ্রিল্যান্সার হতে চান কিনা তা সিদ্ধান্ত নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। এরপর আসে দক্ষতা অর্জনের পালা। আপনার যদি ইতিমধ্যে একটি নির্দিষ্ট ফ্রিল্যান্সিং দক্ষতা থাকে তবে আপনি এটি ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও আপনি ফ্রিল্যান্সিং করার দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট দিয়ে শুরু করুন।

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য ২০২২ সালে সেরা কিছু ওয়েবসাইট

ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে কাজ করা এখন খুবই জনপ্রিয় একটি পেশা। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটে নিজের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে ঘরে বসে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে হাজার হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। আউটসোর্সিং প্রজেক্টের মাধ্যমে বিশ্বের অনেক বড় প্রতিষ্ঠান ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। যেমন: Airbnb, Dropbox ইত্যাদি।

আপওয়ার্কঃ– কোন পেশাদার ফ্রিল্যান্সারকে যদি প্রশ্ন করা হয় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং সাইট কোনটি? তবে তিনি অবশ্যই ‘আপওয়ার্ক’ বলবেন। প্রথমে এটি Odesk নামে যাত্রা শুরু করে। পরে 2015 সালে, এটির নাম পরিবর্তন করে ওডেস্ক রাখা হয় এবং এটির নামকরণ করা হয় Upwork। একইসঙ্গে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম ‘এল্যান্স’ আপওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত।

ফাইভারঃ ফ্রিল্যান্সারদের যেমন এখানে বিড করার সুযোগ আছে, তেমনি ক্রেতারাও সরাসরি ফ্রিল্যান্সারদের খোঁজ করে প্রজেক্ট অফার করে। ফাইবারে ঘণ্টায় কোনো কাজ নেই। এখানে সবকিছু একটি নির্দিষ্ট মূল্য প্রকল্প. পেপ্যাল, পাইওনিয়ার এবং ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার পদ্ধতি এখান থেকে পাওয়া যায়।

ফ্রিল্যান্সার ডটকম -একটি শীর্ষস্থানীয় অনলাইন কাজের বাজার। এখানে আপনি নির্দিষ্ট মূল্যের প্রকল্পের পাশাপাশি ঘণ্টার হারের প্রকল্পগুলি খুঁজে পেতে পারেন। এখানে প্রায় সব ধরনের অনলাইন কাজ রয়েছে এবং প্রচুর ফ্রিল্যান্সার এখানে কাজ করে।জনপ্রিয় এই ফ্রিল্যান্সিং কোম্পানির প্রধান কার্যালয় অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত। পেপ্যাল, স্ক্রিল, পাইওনিয়ার এবং ব্যাংক ট্রান্সফার এখান থেকে পাওয়া যায়।

পিপল পার আওয়ারঃ– অনলাইনে অর্থ উপার্জনের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটগুলির মধ্যে একটি হল পিপল পার আওয়ার। এটি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত একটি ফ্রিল্যান্সিং কোম্পানি।এখানে এবং ঘন্টার হারের পাশাপাশি নির্দিষ্ট মূল্য প্রকল্প উপলব্ধ। পেপ্যাল, স্ক্রিল, পাইওনিয়ার এবং ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার প্রতি ঘন্টায় মানুষের কাছ থেকে পাওয়া যায়।

বিল্যান্সার ডটকমঃ– ব্যালেন্সার একটি বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট। এখানে বিভিন্ন ধরনের স্থানীয় প্রকল্প পাওয়া যায়। দেশের পাশাপাশি, এটি এখন বিদেশ থেকে ক্লায়েন্ট এবং ফ্রিল্যান্সারদের আনার পরিকল্পনা করছে।

এ আপনি ছোট আকারের (100 টাকা) প্রকল্পের পাশাপাশি বড় অঙ্কের প্রকল্পগুলি পাবেন। এই মার্কেটপ্লেসে শুধুমাত্র ফিক্সড প্রাইস প্রোজেক্ট পাওয়া যায়। আপনি চাইলে স্থানীয় সাইট থেকে আপনার ফ্রিল্যান্সার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন।

বিল্যান্সার থেকে ব্যাংক ট্র্যান্সফার, বিকাশ, অথবা সরাসরি ফ্রিল্যান্সার অফিসে গিয়ে পেমেন্ট নিতে পারবেন।

ইউএস আইটি বারিঃএছাড়াও মোবাইল বা কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশের সবচাইতে বড় উদীয়মান প্রশ্ন এবং উত্তরের বাংলা ওয়েবসাইট এবং ইনকাম করার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম US IT BARI। আপনি এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বাংলা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রশ্ন এবং উত্তর করে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি প্রতিমাসে ঘরে বসে ভালো মানের ইনকাম করতে পারবেন। তাই এখুনি এই  ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলুন এবং জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি ইনকাম করুন।

মোবাইল দিয়ে অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি করে আয় করুন –সহজ ঊপায়

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ঘরে বসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করুন

নাগদ,বিকাশ,রকেট দিয়ে ডোমেইন,হোস্তিং কিনুন এখান থেকে

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪২৮ other subscribers

join with us

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে এএখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।
গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন।
SS IT BARI-সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুন এই লিংকে

pp

SS IT BARI-ভালোবাসার টেক ব্লগ টিম

Leave a Reply

Your email address will not be published.