নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম সহকারে ভোটার আইডি কার্ড সংক্রান্ত সকল তথ্য

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম-আপনারা ভালো করে জানেন বর্তমানে ভোটার আইডি কার্ডকে কি পরিমাণ গুরুত্ব দিচ্ছে আমাদের বর্তমান সরকার।তাই বর্তমানে সবক্ষেত্রেই ভোটার আইডি কার্ড খুবই গুরুত্ব আরোপ করছে, এজন্য কোনো কারণে আপনি যদি প্রথমত অবস্থায় বা প্রাথমিক অবস্থায় ভোটার না হয়ে থাকেন তাহলে কিভাবে নতুন ভোটার হবেন সে বিষয়ে আজকে আমি আপনাদেরকে বিস্তারিত জানাবো।

আমাদের মধ্যে বা আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন, যারা সময়মতো নতুন ভোটার নিবন্ধন করতে পারেননি। এমনকি তারা জানেনা,নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম কি?এবং নতুন ভোটার হতে প্রয়োজনীয় কাগজ গুলো কি কি প্রয়োজন পড়ে এবং নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম খুব সহজ তবুও অনেকেই সঠিকভাবে আবেদন করতে না পারার কারণে বিভিন্ন রকম ভোগান্তির সম্মুখীন হয়ে থাকেন।

মোবাইলে ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নতুন নিয়ম 

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম

তাই আজকে আমি আপনাদেরকে জানাবো এই পোষ্টের মাধ্যমে কিভাবে আপনি নতুন ভোটার হওয়ার নিয়ম কি এবং নতুন ভোটার হবেন নতুন ভোটার হতে কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন পড়ে থাকে নতুন ভোটার হতে কতদিন সময় লাগে নতুন ভোটার হওয়ার পর এনআইডি নাম্বার কিভাবে পাবেন এবং অনলাইন থেকেই নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখবেন বার ডাউনলোড করবেন সে সকল কিছু সম্পর্কে আপনাদেরকে সম্পূর্ণ সঠিক তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ।

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য বয়স

আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছে, যারা এই বিষয়টি নিয়ে অনেক গুগলে সার্চ বা বিভিন্ন জনকে প্রশ্ন করে থাকি? নতুন ভোটার নিবন্ধন বা নতুন ভোটার আইডি কার্ড করতে হলে আবেদনকারীর জন্ম তারিখ 1/1/ 2004 ইংরেজি তারিখ বা তার পূর্বে অবশ্যই জন্ম হতে হবে।

সে ক্ষেত্রে আপনার বয়স 18 বছরের কম-বেশী জাই হোক না কেন?কোনো সমস্যা হবেনা ।তবে 18 বছরের কম হলে আপনি নতুন ভোটার আইডি কার্ড পাবেন।

কিন্তু আপনার বয়স যদি 18 বছরের কম হয়ে থাকে, তাহলে আপনি ভোট দিতে পারবেন না। যখন বয়স 18 বছরের উপরে বা 18 বছর হয়ে যাবে তখন অটোমেটিক্যালি এমনিতেই আপনি ভোটার তালিকায় নাম চলে আসবে এবং ভোটও দিতে পারবেন। এছাড়া বাকি সকল কাজ সেই ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে আপনি করে ফেলতে পারবেন।

নতুন ভোটার তালিকা হালনাগাদ এর কার্যক্রম

ভোটার হওয়া আপনার মৌলিক অধিকার বা নাগরিকের মৌলিক অধিকার। তাই বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন সময়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

এ সময় তথ্য সংগ্রহকারীদের মাধ্যমে নতুন ভোটার হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের তথ্য নিয়ে দুই নাম্বার নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরম পূরণ করে নেওয়া হয় এবং সুবিধাজনক স্থানে একটি ভেন্যু তৈরি করে ভোটার ডাটা এন্ট্রির কাজ হয়ে থাকে। যারা নতুন ভোটার নিবন্ধনের যোগ্যব্যক্তি তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করলেই খুব সহজেই এই সময় ভোটার হতে পারবেন।

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য আপনাকে ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে। নতুন ভোটার নিবন্ধন করার জন্য দুই ভাবে আবেদন করা যায়। আমি আপনাদেরকে দুইভাবেই আবেদন করার নিয়ম নিচে আলোচনা করছি।

প্রথম নিয়ম সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে দুই নাম্বার নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরম সংগ্রহ করতে হবে । এরপর ভোটার নিবন্ধন ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ফরমের সাথে পিনাপ করে অফিসে জমা দিতে হবে এবং প্রতিটি দুই নাম্বার নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরমের একটি করে ইউনিক নাম্বার থাকে, যার মাধ্যমে আবেদনকারীর তথ্যাদি যাচাই করা যায়।

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম

তাই ভোটার নিবন্ধন ফরম টি ফটোকপি করে একাধিক ব্যক্তি ব্যবহার করা যাবে না বা কোন ফটোকপির দোকান থেকে এই ফরম সংগ্রহ করলেও তা গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদন করার পর উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রেজিস্ট্রেশন অফিসার আপনার আবেদনটি যাচাই করে সকল তথ্য এবং সংযুক্তি কাগজপত্র সঠিক পেলেই শুধুমাত্র নতুন ভোটার করার অনুমোদন দেবে।

দ্বিতীয় নিয়ম অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন করা যায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট থেকে। অনলাইনের মাধ্যমে এই ওয়েবসাইটে আপনি প্রবেশ করার পর, তাদের প্রয়োজনমতো ইনফরমেশন দিয়ে আবেদনপত্রটি ডাউনলোড করে ।

আপনি দুই নাম্বার নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরম প্রিন্ট আউট করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আবেদনের সাথে পিনাপ করে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন বা উপজেলা নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে। উপজেলা নির্বাচন অফিস রেজিস্ট্রেশন অফিসার আবেদনকৃত কাগজপত্র যাচাই করে সকল তথ্য সঠিক পেলে নতুন ভোটারের অনুমোদন দেবে।

নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে?

নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আসলে আমাদের প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন পড়ে থাকে, তাই নতুন ভোটার আইডি কার্ড আবেদন করার পূর্বে এই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলো আপনি আপনার সঙ্গে রাখবেন।

  • প্রথমে যেটি প্রয়োজন পড়বে তা হচ্ছে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ এটি অবশ্যই বাধ্যতামূলক।
  • এসএসসির সনদ প্রয়োজনে এসএসসি সনদের সাথে সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র জমা দিতে পারেন তবে যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নেই তাদের ক্ষেত্রে জমা দেয়ার প্রয়োজন নাই।
  • বাবা মা অর্থাৎ পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের কপি লাগবে।
  • আপনি যদি বিবাহিত হয়ে থাকেন, তাহলে স্বামী /স্ত্রী এনআইডি কপি এবং কামিননামা বা বৈবাহিক সনদপত্র প্রয়োজন পড়বে।
  • আপনার রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার রিপোর্ট প্রয়োজন হবে তবে এটি বাধ্যতামূলক না কিন্তু জমা দিলে আপনার ভোটার আইডি কার্ডে এটি উল্লেখ করা হবে।
  • প্রত্যায়নপত্রের এক কপি প্রয়োজন হবে চেয়ারম্যান বা পৌর মেয়র বা ওয়ার্ড মেম্বার বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর পক্ষ থেকে।
  • নাগরিকত্বের সনদ বাধ্যতামূলক এটি প্রয়োজন হবে নাগরিকত্বের সনদ আপনি আপনার নিকটস্থ চেয়ারম্যানের কাছ থেকে পেয়ে যাবেন।
  • বিদ্যুৎ বিলের কাগজ /পানির বিলের কাগজ/গ্যাস বিলের কাগজ বাধ্যতামূলক। তবে বাড়ির যেকোনো একজন সদস্যের নামে হলেই চলবে।
  • চৌকিদারের ট্রাক্স রশিদ বা পৌরকরের রশিদ বাড়ি ভাড়ার রশিদ বাধ্যতামূলক প্রয়োজন হবে তবে বাড়ির যেকোনো একজন সদস্য নামে হইলে কোন সমস্যা নেই।
  • পূর্বে ভোটার হয়নি মর্মে অঙ্গীকার নামা প্রয়োজন হবে, তবে যাদের বয়স অনেক বেশি তাদের ক্ষেত্রে এটি বাধ্যতামূলক।
  • আপনার যদি পাসপোর্ট থেকে থাকে তাহলে পাসপোর্ট এর এক কপি সনদ প্রয়োজন হবে।
  • আপনার যদি কোন যানবাহনে ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে থাকে তাহলে এক কপি ড্রাইভিং লাইসেন্স জমা দিতে পারেন তবে বাধ্যতামূলক নয়।

উপরোক্ত কাগজপত্র গুলোর মধ্যে আপনার জন্য যে সকল কাগজপত্র প্রযোজ্য সেগুলো আবেদনের সাথে অবশ্যই জমা দিতে হবে এছাড়াও সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন অফিসার এর পরামর্শ অনুযায়ী কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।

নিজেই নিজের ভোটার আইডি কার্ড দেখবো কিভাবে

এরপর সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন অফিসার আবেদনটি অনুমোদন দেওয়ার পর। আপনার ছবি, স্বাক্ষর, দশ আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ স্ক্যান করে নেওয়া হবে। তারপর আবেদনের নিচের অংশ কেটে আপনাকে দেবে, যে অংশটি কে আমরা নিবন্ধন বা ভোটার আইডি স্লিপ বলা হয়ে থাকে।

সবার উচিত ভোটার নিবন্ধন স্লিপ সংরক্ষন করা, কারণ ভোটার আইডি স্লিপ এর মাধ্যমে আমরা অনলাইন থেকে ঘরে বসে ভোটার আইডি কার্ডের আপডেট জানতে পারবো।

অনেকে অসাবধানতার কারণে ভোটার নিবন্ধন স্লিপ হারিয়ে ফেলে এবং পরবর্তীতে ভোগান্তিতে পড়ে। কারণ ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার ও নতুন ভোটার আইডি কার্ড উত্তোলনের জন্য এটি অতি গুরুত্ব আরোপ করে থাকে।

আপনি চাইলে এই ভোটার আইডি কার্ডের স্লিপ টি আপনার মোবাইলে স্ক্যান অথবা ছবি আকারে রেখে দিতে পারেন যা পরবর্তীতে হারিয়ে গেলেও আপনার প্রয়োজনে আসবে।

এরপর ভোটার আইডি কার্ড আবেদনকারীর ছবি  তুলে নেওয়ার পর, পাঁচ থেকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে আবেদনের উল্লেখিত মোবাইল নাম্বারে মেসেজ আকারে এনআইডি নাম্বার অর্থাৎ ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার প্রেরণ করা হয়ে থাকে।

তবে কোনো ক্ষেত্রে যদি আপনার মোবাইলে ম্যাসেজ না আসে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসে গিয়ে অথবা অনলাইন থেকে এনআইডি নাম্বার সংগ্রহ করে নিতে পারবেন।

এনআইডি নাম্বার বা ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার পাওয়ার পর। অনলাইন থেকে আপনি চাইলে নতুন ভোটারদের এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করে ফেলতে পারবেন। কার্ড টি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে লেমিনেটিং করে নিতে পারেন, এটি দিয়ে সব কাজই করা যাবে। নতুন ভোটারদের এনআইডি স্মার্ট কার্ড যখন তৈরি হয়ে যাবে,তখন সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিস থেকে আপনাকে জানানো হবে এবং সেখান থেকে বিতরণ করা হবে।

তবে যদি কোন কারণে হালনাগাদ কার্যক্রম এর নতুন ভোটার হতে না পারেন? তাহলে প্রয়োজনের পূর্বে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করে নতুন ভোটার হতে পারবেন । সেক্ষেত্রে প্রয়োজনের ঠিক আগে অফিসে গিয়ে তাড়াহুড়া করবেন না, তাতে আপনার ভোগান্তি আরো বেড়ে যাবে।

কারণ সব সময় নতুন ভোটার নিবন্ধন এর কার্যক্রম চলমান থাকেনা, নতুন ভোটার নিবন্ধন এর কার্যক্রম বন্ধ থাকা অবস্থায় যদি অফিসে গিয়ে আপনি নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করতে চান, তাহলে অফিস কর্তৃপক্ষ আপনাকে সেবা দিতে ব্যর্থ হবে। তাই আপনি যদি এখনও ভোটার হয়ে থাকেন। তাহলে উপরের দেওয়া এই নিয়ম অনুসরণ করে আপনি নতুন ভোটারের জন্য আবেদনপত্র দাখিল করতে পারেন।

নতুন ভোটার আইডি কার্ড আবেদন ফরমে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজ

নতুন ভোটার হওয়ার জন্য অফিস থেকে ফর্ম নিয়ে আবেদন করেন, আর অনলাইন থেকে আবেদন করেন। উভয় ক্ষেত্রেই একটি কমন এবং জরুরি কাজ রয়েছে, তা হচ্ছে দুই নাম্বার নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরমের পিছনের পাতায় 34 নাম্বারে আপনি শনাক্তকারী এনআইডি ও 35 নাম্বার  স্বাক্ষর এই দুটি স্থানে আপনার প্রতিবেশী বা অন্য যেকোনো একজন পরিচিত ব্যক্তির ভোটার আইডি কার্ড নাম্বার নিতে হবে এবং তার স্বাক্ষর নিতে হবে। পিতা-মাতা বা স্বামী-স্ত্রী এনআইডি নাম্বার না ব্যবহার করাই ভালো ।কারণ তাদের ভোটার আইডি কার্ড নাম্বার এর প্রথম পাতায় লেখা থাকবে।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত দিন লাগে

এছাড়াও ফরমের 40 নম্বর ক্রমিকে যাচাইকারী নাম লিখতে হবে যাচাইকারী অবশ্যই একজন -জনপ্রতিনিধি হতে হবে ।যেমন চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান মেম্বার মহিলা মেম্বার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইত্যাদি যাচাইকারী নামের স্থানে কোন সাধারণ মানুষের নাম না লেখাই ভাল এতে নতুন ভোটারের আবেদন বাতিল হতে পারে।

এবং আবেদন পত্রের 41 নম্বর ক্রমিকে যাচাইকারী ভোটার আইডি নাম্বার লিখতে হবে এবং 42 নম্বর ক্রমিকে যাচাইকারী স্বাক্ষর করবেন এবং অবশ্যই সিল ব্যবহার করবেন।

এছাড়াও, এখন আমি আপনাদেরকে ভোটার আইডি কার্ড সংক্রান্ত আরো অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে জানানোর চেষ্টা করবো।

মোবাইলে ভোটার আইডি কার্ড চেক

মোবাইল এর মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ড চেক করা এখন খুবই সহজ। আপনি চাইলে আপনার স্মার্ট মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আপনার ভোটার আইডি কার্ড এর বর্তমান অবস্থা, আবেদন করার পর কি অবস্থায় রয়েছে এবং আপনি চাইলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আপনার মোবাইল দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড খুব সহজেই ডাউনলোড করে ফেলতে পারবেন।

তবে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ড চেক করার পূর্বে আপনার একটি স্মার্ট মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন হবে।

এছাড়াও আপনার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ড চেক করতে আপনি যে আবেদন করেছেন ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন ফরমের স্লিপ নাম্বার এবং জন্মতারিখ প্রয়োজন পড়ে থাকবে।

উপরের এই সকল প্রয়োজনীয় জিনিস, আপনার কাছে রেডি থাকলে আপনি আমাদের দেওয়া লিঙ্ক থেকে, নিয়ম অনুসরন করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে, খুব সহজে ঘরে বসে আপনার ভোটার আইডি কার্ড চেক এবং ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম

এখন অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসে, আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের যেকোনো ধরনের ভুল। যেমন বাবার নাম, মায়ের নাম এবং নিজের নাম সহকারে জন্ম তারিখ।মোটকথা- যেকোনো ধরনের ভোটার আইডি কার্ডের ভুলগুলি আপনি অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসে আপনার মোবাইলে অথবা কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে খুব দ্রুত করে ফেলতে পারবেন।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

তবে বলে রাখা ভালো, আপনি যদি অনলাইনে মাধ্যমে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের যেকোনো ধরনের সংশোধনী আনতে চান? তাহলে অবশ্যই আপনার কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং সঠিক নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।সঠিক নিয়মে এখান থেকে দেখে নিন

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে?

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে? এই বিষয়ে অনেকেই অনেকের কাছে জিজ্ঞেস অথবা গুগলে সার্চ করে থাকেন । তাই আমি আজকে আপনাদেরকে পরিষ্কার ভাবে বুঝিয়ে দিব, ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে আসলে প্রকৃতপক্ষে কত দিন সময় লেগে থাকে।বিস্তারিত দেখুন এখানে

ভোটার আইডি কার্ড অনলাইন এর মাধ্যমে ডাউনলোড করার নিয়ম

এখন থেকে আপনি চাইলে ঘরে বসে আপনার মোবাইল ফোনে অথবা কম্পিউটারের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ করে, আপনার অথবা আপনার পরিবারের যে কারো ভোটার আইডি কার্ড খুব সহজে 5 মিনিটের মধ্যে ডাউনলোড করে ফেলতে পারবেন।

অনলাইনের মাধ্যমে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের ডাউনলোড করার পুরো প্রসেসটি জানার জন্য আরও পড়ুন

পরিশেষে আপনাদের কে একটি কথাই বলবো, এসএসআইটি বাড়ি এই ওয়েবসাইটটি সব সময় আপনাদেরকে তথ্য মূলক সঠিক এবং আপনাদের উপকারে আসবে এই ধরনের পোস্ট দিয়ে আপনাদের উপকারে আসার চেষ্টা করে আসছে। অবশ্যই আমাদের এই পোস্টটি থেকে আপনার যদি বিন্দু পরিমান কোন উপকারে এসে থাকে, তাহলে অবশ্যই আমাদের পোস্টটিতে একটি কমেন্টস করুন।

আরও আপনার জন্য–

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করুন ৫ মিনিটে

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম

অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করতে পারেন

অনলাইনে ঘরে বসে নতুন ভোটার হওয়ার সহজ নিয়ম-২০২২

ই পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন

নিজের পাসপোর্ট চেক করার সহজ নিয়ম

SS IT BARI- ব্লগ ওয়েবসাইটের সাথে সংযুক্ত থাকুন এবং শিখুন এবং সর্বশেষ প্রযুক্তির সাথে আপ টু ডেট থাকুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪০৭ other subscribers

 

প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে এএখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।
গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন।
SS IT BARI-সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুন এই লিংকে

pp

তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক লেখালিখি করি। এর আগে বিভিন্ন পোর্টালের সাথে যুক্ত থাকলেও, SS IT BARI-আমার হাতেখড়ি। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিশ্লেষণ বাংলায় জানতে ভিজিট করুন http://ssitbari.com

Leave a Reply

Your email address will not be published.