থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্য উপযোগী খাবার

থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্য উপযোগী খাবার-থ্যালাসেমিয়া একটি  রক্তস্বল্পতা জনিত রোগ। এটিকে বংশগত ব্যাধিও বলা হয়। ক্লিনিক্যালি থ্যালাসেমিয়া রোগকে তিন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন থ্যালাসেমিয়া মেজর থ্যালাসেমিয়া মাইনর এবং ইন্টারমিডিয়েট। থ্যালাসেমিয়া রোগটি প্রতিরোধ যোগ্য তবে এটি প্রতিরোধের জন্য উপযোগী খাবার গ্রহণ করতে হবে যেসব খাবার খেলে থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ন্ত্রণে

থাকে।থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্য উপযোগী খাবার

থ্যালাসেমিয়া রোগের জন্য কি কি খাবার খাওয়া উপযোগী সে সমস্ত খাবার সম্পর্কে আজকে আমাদের আলোচনা। যেহেতু থ্যালাসেমিয়া রোগটি বংশগত এবং এটি প্রতিকারযোগ্য নয় বরং প্রতিরোধ যোগ্য তাই থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে উপযোগী খাবার খাওয়া খুবই জরুরী।

থ্যালাসেমিয়া রোগের লক্ষণ

থ্যালাসেমিয়ার বাহক স্বাভাবিক মানুষের মতোই। তাই কেউ থ্যালাসেমিয়ার বাহক কিনা তা বাহ্যিকভাবে বোঝার কোন উপায় নেই। তবে থ্যালাসেমিয়া রোগী জন্মের ছয় মাস বয়স থেকেই ফ্যাকাসে হয়ে যায় ,জন্ডিস দেখা দেয় পেটে প্লীহা ও লিভার বড় হয়ে যায় ঠিকমতো শরীরের বৃদ্ধি হয় না।

থ্যালাসেমিয়া রোগীর খাবার

থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্য আয়রন জাতীয় খাবার কম খেতে হয়। তবে কোনো কারণে আয়রনের ঘাটতি দেখা দিলে অবশ্যই আইটেম জাতীয় খাদ্য ও ওষুধ খেতে দিতে হবে। অতিরিক্ত লৌহজাতীয় খাদ্য থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্য পরিহার করাই উত্তম।

মাছ মাংস

থ্যালাসেমিয়া রোগের জন্য সব ধরনের মাছ ও মাংস উপযোগী খাবার নয়। কারণ অনেক মাংস ও মাছে অতিরিক্ত লৌহ থাকায় এটি থ্যালাসেমিয়া রোগীর ক্ষেত্রে ক্ষতিকর। যেমন গরুর মাংস খাসির মাংস কলিজা ইলিশ মাছ কই মাছ চিংড়ি মাছ বিভিন্ন ধরনের ছোট মাছের শুটকি  ভর্তা শিং মাছ টেংরা মাছ ডিমের কুসুম এ সমস্ত খাবার গুলোতে গ্রহের পরিমাণ থাকে অধিক যার কারণে থ্যালাসেমিয়া রোগীর এগুলো পরিহার করা উচিত।

রুই কাতল পাঙ্গাস বোয়াল স্বরপটি বাচা মাছ ও শোল মাছ থ্যালাসেমিয়া রোগীর খাদ্যের উপযোগী মাছ।

শাকসবজি

কিছু কিছু শাকসবজিতে অতিরিক্ত লৌহ থাকে যা থ্যালাসেমিয়া রোগী খেতে পারবে না। যেমন কচু শাক পালং শাক লাল শাক ফুলকপি শাক ফুলকপি পুঁইশাক কাঁচা টমেটো পুদিনা পাতা ধনেপাতা কাকরোল কাঁচা পেঁপে সাজনা ইত্যাদি শাকসবজি গুলোতে অতিরিক্ত লৌহ থাকে যার কারণে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের এ সমস্ত শাকসবজি এড়িয়ে চলাই উত্তম।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

তবে থ্যালাসেমিয়া রোগীরা যে সমস্ত শাকসবজি খেতে পারবে অর্থাৎ যেগুলোতে লৌহ পদার্থ কম সে সমস্ত শাকসবজি গুলো হলো বাঁধাকপি মিষ্টি আলু মিষ্টি কুমড়া মুলা শালগম পাকা টমেটো কাঁচা কলা ঝিঙ্গা লাউ চাল কুমড়া ও ঢেঁড়স এ সমস্ত শাক-সবজিতে লৌহ কম থাকে যাতে করে থ্যালাসেমিয়া রোগীরা এ সমস্ত শাকসবজি অনায়াসেই খেতে পারে।

ফল

পাকা আম কলা লিচু পেঁপে কমলালেবু বেল জামরুল আমলকি কাগজি লেবু  পেয়ারা আঙ্গুর এই ফলগুলো থ্যালাসেমিয়া রোগীর‌ খাদ্য উপযোগী ফল। এগুলোতে লৌহ কম থাকে যার কারণে থ্যালাসেমিয়া রোগী এ সমস্ত ফল খেতে পারে তবে অতিরিক্ত লৌহ আছে এমন ফলগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। যেমন আনারস বেদেনা শরিফা খেজুর তরমুজ।

খাদ্যশস্য‌ থেকে তৈরি খাবা

খৈ কর্নফ্লেক্স সিরিলেক কাউ ও গেট এগুলোতে অতিরিক্ত লৌহ থাকে যা থ্যালাসেমিয়া রোগীর এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুর জন্য‌ বাদ দেওয়াই উচিত। চাল ময়দা  ডাল পাউরুটি এসব খাদ্যশস্য থেকে তৈরি খাবারে লৌহ কম থাকে। এছাড়াও অন্যান্য ডালে থেকে মসুর ডালে লৌহের পরিমাণ কম থাকে যার কারনে থ্যালাসেমিয়া রোগীর খাদ্য তালিকায় এই খাবারগুলো রাখা যেতেই পারে।

থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্য উপযোগী খাবার

দুধ মিষ্টি জাতীয় খাবার

মধু রসগুল্লা দই ছানা পনির এ সমস্ত মিষ্টি ও দুগ্ধজাত খাবারের পরিমাণ কম থাকে বলে থ্যালাসেমিয়ার রোগী এসব  মিষ্টি ও দুগ্ধজাত খাবার খেতে পারবে।

সাধারণত এই খাবারগুলো থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্য উপকারী খাবার তবে অনেকের ক্ষেত্রে অনেক রকমের সমস্যা দেখা দেয় যার কারণে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী  খাবার গ্রহণ করাই উত্তম।

থ্যালাসেমিয়া কি?

রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন থাকে যার মাধ্যমে অক্সিজেন সারা দেহে সরবরাহ হয়। আলফা চেইন ও বিটা চেইন এই দুই রকম চেইনের সমন্বয়ে হিমোগ্লোবিন তৈরি হয়। এর যেকোনো একটিতে সমস্যা হলে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে ব্যাঘাত ঘটে।

যা থেকে ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিন তৈরি হয়। যার কারনে লোহিত রক্তকণিকা সহজেই ভেঙে যায় এবং লোহিত রক্তকণিকার আয়ুষ্কাল কমে যায়। যা থ্যালাসেমিয়া রোগ সৃষ্টি হওয়ার প্রধান কারণ।

থ্যালাসেমিয়া কেন হয়?

বাবা ও মা দুজন থ্যালাসেমিয়ার রোগের ধারণকারী হলে সন্তানেরও থ্যালাসেমিয়া হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এছাড়াও জেনেটিক কারণেও থ্যালাসেমিয়া রোগ হতে পারে।

আপনার জন্য-

সিজারিয়ান মায়ের খাদ্য তালিকা

সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাবার গ্রহণ

কিডনি পরিষ্কার রাখার ৯টি খাবার সম্পর্কে জেনে নেই

শীতে ত্বকের যত্ন নিন রুটিন মাফিক

শীতের মৌসুমে ত্বকের যত্ন নিতে মধু ব্যবহার করুন

শীতে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিবেন

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪৭৬ other subscribers

প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এখানে ক্লিক করুন।
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে :এএখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।
গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে :এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন।
SS IT BARI-সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুন :এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- টুইটার থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- লিংকদিন থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- ইনস্টাগ্রাম থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- টুম্বলার (Tumblr)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে :এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- পিন্টারেস্ট (Pinterest)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

কোন অভিজ্ঞতা ছাড়াই অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চাইলে এই ফেসবুক পেজটি লাইক করে সাথেই থকুন : এখানে ক্লিক করুন।