ঘুম হচ্ছে না? চিন্তিত? জেনে নিন সমাধান-ঘুম কম হওয়ার সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাবার উপায়

ঘুম থেকে মুক্তির-মানবদেহ সুস্থ রাখার অন্যতম নিয়ামক হচ্ছে নিদ্রা বা ঘুম। একজন মানুষের সুস্থ থাকতে দৈনিক কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন হয়। কোন কারনে যদি এই ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে তাহলে শরীরের নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনিদ্রা বা নিদ্রাহীনতার সাথে অনেক রোগেরই সম্পৃক্ততা রয়েছে।

তাই দেহকে সুস্থ স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমের প্রয়োজন। বিভিন্ন কারণে একজন মানুষের অনিদ্রা দেখা দিতে পারে। বিভিন্ন ঘরোয়া উপায়ে কিংবা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এই অনিদ্রা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।ঘুম কম হওয়ার সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাবার উপায়

ইনসোমনিয়া বা অনিদ্রা কি

সারাদিন বিভিন্ন ধরনের কাজকর্ম করার পর শরীর দুর্বল হয়ে যায় কিংবা ক্লান্ত বোধ হয়। এই সময় প্রয়োজন হয় ঘুমের। একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের দৈনিক ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা অথবা সবমিলিয়ে প্রায় সাত ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন। এই পরিমাণে ঘুম যখন একজন মানুষের না হয় তখন সেটিকে বলা হয় ইনসোমনিয়া বা অনিদ্রা। বিভিন্ন কারণে এই অনিদ্রার সমস্যাটি হতে পারে। এমন হয় অনেক সময় ঘুম আসলে বারবার ঘুম ভেঙ্গে যায় অথবা একবার ঘুম ভাঙলে সহজে আর ঘুম আসে না বা খুব সকালে ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া এই সকল সমস্যা গুলোই অনিদ্রা‌ বা ইনসোমনিয়ার আওতাভুক্ত।

ঘুম কম হওয়ার কারণ

অনেকের অনেক ধরনের কারণে অনেকরা বা ঘুম কম হওয়ার সমস্যাটি দেখা দেয়। এমন হতে পারে কেউ হয়তো বিদেশ থেকে এসেছেন বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের ঘুমের সময়ের সাথে তার থাকাকালীন দেশের ঘুমের সময় মিলছে না। এমন হলে অনেক সময় ঘুম কম হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। যদি ওই সমস্যাটি খুব বেশিদিন স্থায়ী থাকে না। সময়ের সাথে খাপ খাওয়াতে বেশি দিন লাগে না।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে দাউদ রোগের চিকিৎসা

আবার অনেকের কোন কারণ ছাড়াই ঘুম আসেনা। অনেকের অনেক বিষয় নিয়ে চিন্তাভাবনার কারণে ঘুম আসে না। কারো কারো শারীরিক অসুস্থতা বা শারীরিক রুটির কারণে ঘুম আসছে না। ইনসোমনিয়া বা অনিদ্রার আরো কিছু কারণ নিচে তুলে ধরা হলো;

১) অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা থেকে ঘুম কম হয়।

২) অনেকেই অনেক কারণে দুশ্চিন্তা বিষন্নতায় কিংবা মানসিক অস্থিরতায় ভোগে যার কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।

৩) শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতার কারণে ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও শরীরের যদি হরমোনের পরিবর্তন হয় তাহলেও ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়।

৪)আবার কারো কারো ব্যক্তিগত জীবনে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝামেলা থাকলে অতিরিক্ত বিষন্নতার কারণে ঘুম কম হয়।

৫) ধূমপান মাদক সেবন ইত্যাদির কারণেও ঘুম না হতে পারে।

৬) শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিভিন্ন ওষুধ সেবনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় ভূম কম হয়।

৭) গবেষণায় দেখা যায় গর্ভাবস্থায় প্রায় ৭৮ শতাংশ নারীর ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে অনিদ্রার সমাধান

কোন সাধারণ কারণে যদি কারো ঘুম না আসে তার জন্য ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়ার তেমন কোন প্রয়োজন হয় না।আর যদি কারো কোন কারণবশত বা দুশ্চিন্তা থেকে কিংবা শারীরিক কোন অসুস্থতা থেকে ঘুম কম হয় তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।সাধারণভাবে ঘুম কম হওয়ার সমস্যা দূর করতে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করে সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। নিচে সেগুলো তুলে ধরা হলো;

আরামদায়ক পরিবেশ সৃষ্টি

ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিরিবিলি আরামদায়ক পরিবেশে ঘুমানোর চেষ্টা করতে হবে। মোবাইল ফোন দূরে রেখে ঘুমাতে গেলে অনিদ্রার সমস্যা দূর হবে।

শরীর চর্চা

কেউ যদি সাধারণভাবে অনিদ্রার সমস্যায় ভোগার জন্য তেমন কোন কারণ খুঁজে না পান তাহলে নিয়মিত শরীর চর্চা করুন কমপক্ষে ৩০ মিনিট শরীরচর্চা করলে অনিদ্রার সমস্যা দূর হবে।

সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া

অনেকেই অনেক রাত করে ঘুমাতে যায় যা অনিদ্রার সমস্যার একটি অন্যতম কারণ। নিয়মিত সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া উচিত। আপনি প্রতিদিন যে সময়ে ঘুমাতে যাবেন তা যেন গভীর রাতে না হয় এবং প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানোর চেষ্টা করতে হবে।

চা কফি নিষিদ্ধ

যাদের অনিদ্রার সমস্যা রয়েছে তারা যদি অতিরিক্ত চা কফিতে আসক্ত থাকেন তাহলে তা বাদ দিন। কারণ চা কফি ঘুম না আসার একটি অন্যতম কারণ। ঘুমাতে যাওয়ার 12 ঘন্টা আগে থেকে চা কফি খাওয়া বন্ধ করা উচিত। শুধুমাত্র চা কফি নয় যে কোন কোমল পানীয় ঘুমের সমস্যার একটি অন্যতম কারণ হতে পারে। তাই এসব থেকে দূরে থাকুন।

মোবাইল ফোন দূরে রাখুন

বর্তমানে স্মার্টফোনের যুগে মোবাইল ফোন ছাড়া আমাদের এক মুহূর্ত অকল্পনীয়। আর এই মোবাইল ফোনের আসক্তি অনিদ্রার একটি প্রধান কারণ। তাই অনিদ্রার সমস্যা থেকে দূরে থাকতে অবশ্যই মোবাইল ফোন ঘুমের সময় কাছে রাখা উচিত নয়।

অনিদ্রার সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে খাদ্যাভ্যাস

অনেক সময় অনেক ধরনের পুষ্টির অভাবে ঘুম কম হয়। বিভিন্ন খাবার থেকে ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি হয়। ঘুম যাতে বেশি হয় সেজন্য বেশি বেশি যেসব খাবার খাওয়া উচিত সেগুলো হলো;

মেলাটোনিন যুক্ত খাদ্য

ঘুমকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে এই মেলাটোনিন যুক্ত বিভিন্ন খাবার। টমেটো শসা ব্রকলি সরিষা আখরোট বেদনা এইসব খাবারগুলোতে পাওয়া যাবে মেলাটোনিন। তাই আপনার প্রতিদিনের খাবারে এইসব খাবার গুলো রাখার চেষ্টা করবেন।

গরম দুধ

ঘুমের সমস্যা দূর করতে গরম দুধ অনেক বেশি কার্যকরী। এক গ্লাস গরম দুধে থাকবে ট্রিপটুফ্যান নামে এক ধরনের অ্যামাইনো এসিড যা সিরোটনিন হিসেবে ঘুম আসতে সহায়তা করবে।

কলা

অনিদ্রার সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে কলা খান। কলাতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম যা মাংসপেশী শিথিল করে দ্রুত নিদ্রা আনতে সহায়তা করে।

খাঁটি মধু

মধু ঘুমের জন্য খুবই সহায়ক। মধু সর্ব রোগের মহা ওষুধ। শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়াতে মধু একটি বেশ কার্যকারী উপাদান।

সুস্থ থাকতে কত ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন

একজন মানুষের সুস্থ থাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হচ্ছে ঘুম বা নিদ্রা। প্রাপ্তবয়স্ক স্বাভাবিক মানুষের প্রতিদিন কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে ৯-১৩ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন হয়। নবজাতক বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ১২-১৭ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন। এই সমস্ত সময়সীমার বাইরে যদি কারো ঘুম কম হয় তাহলে তার বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ ঘুমের সাথে অনেক সমস্যারই সম্পৃক্ততা রয়েছে। ঘুমের মাধ্যমে শরীরের রূপ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

আমাশয় রোগের লক্ষণ এবং ঘরোয়া চিকিৎসা

ঘুম শরীরের টক্সিন নামক পদার্থ বের করে দিয়ে কর্ম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। সঠিক এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম শরীরের শক্তি আনে এবং শরীরকে সতেজ রাখে। ব্যক্তির শারীরিক সক্ষমতা অনেকটাই নির্ভর করে তার পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমের উপর।

অনিদ্রার কারণে সৃষ্ট সমস্যা

অনিদ্রার কারণে বা ঘুম কম হওয়ার কারণে একজন মানুষের দেহে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়। একজন ব্যক্তির অনিদ্রার সমস্যা থেকে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক এবং মানসিক সমস্যার তৈরি হয়। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে যে সকল সমস্যাগুলো সৃষ্টি হতে পারে সেগুলো হল;

*উচ্চ রক্তচাপ।

*ডায়াবেটিক্স।

*হৃদরোগ।

*ওজন বেড়ে যাওয়া।

*ডিমেনশিয়া বা স্মৃতি ভংশতা।

*ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতা।

*মেজাজ রুক্ষ হয়ে যাওয়া কিংবা মনমরা ভাব থাকা।

*কোন কাজে মনোযোগ কমে যাওয়া।

*আচরণ জনিত সমস্যা।

*নিয়মিত মাথা ব্যথা।

ঘুমের সমস্যা দূর করতে করণীয়

অনিদ্রা বা ঘুম কম হওয়ার সমস্যার সমাধান পেতে যে সকল কাজগুলো করা উচিত সেগুলো হলো;

১) শারীরিক কোন অসুস্থতা থাকলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে তার চিকিৎসা নেওয়া উচিত। এতে করে শারীরিক অসুস্থতার জনিত কারণে ঘুম কম হওয়ার সমস্যা দূর হবে।

২) ঘুমের পরিবেশ ঠিক রাখতে হবে।

৩)ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিতে হবে।

৪) রাতে ঘুমানোর আগ মুহূর্তে ব্যায়াম করা উচিত নয় ঘুমানোর অন্তত চার ঘন্টা আগে ব্যায়াম করতে হবে।

৫) প্রতিদিন একই সময় ঘুমাতে যেতে হবে।

৬) ঘুমানোর স্থানে লেখা পড়া করার জন্য বইখাতা ল্যাপটপ মোবাইল না রেখে বিছানাকে শোয়ার কাজে ব্যবহার করা উচিত।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

প্রাইমারি ইন্সুমোনিয়ার ক্ষেত্রে যদি উপরোক্ত পদ্ধতিগুলো প্রয়োগ করার পরেও এই সমস্যা থেকে মুক্তি না পাওয়া যায় তাহলে‌‌ হিপোনোটিক্স দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে এটি খুব অল্প সময়ের জন্য।এগুলো আমাদের দেশে পাওয়া যায় এগুলো খুব নরম। কিন্তু নরম হলেও এগুলোতে আসক্তি হয়। অনেকের ক্ষেত্রে এন্টি অ্যালার্জিক ঔষধ গুলো ভালো কাজ করে এগুলো খেয়ে যদি ঘুমাতে পারে তবে খাওয়া যায়। যদি কারো ডিপ্রেশনের সঙ্গে কোন সম্পৃক্ততা থাকে তাহলে এন্টি ডিপ্রেশন ওষুধ খেয়ে ঘুমের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারে।

সচারচর জিজ্ঞাসা

দীর্ঘদিন অনিদ্রার সমস্যা থাকলে কোন জটিলতা আছে কিনা?

উত্তর:দীর্ঘদিন অনিদ্রার সমস্যা থাকলে মানসিক বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয় এবং ওজন বেড়ে যায় অস্বাভাবিকভাবে।

বিশ্বের কত শতাংশ মানুষ এই নিদ্রাহীনতায় ভুগে?

উত্তর:বিশ্বের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষই নিদ্রাহীনতা বা ইন্সুমোনিয়ার সমস্যায় ভুগছেন।বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি এবং আত্মসত্ত্বা নারীরা বা নতুন মায়েদের ৫০ শতাংশ পর্যাপ্ত ঘুম থেকে বঞ্চিত থাকে।

একজন প্রাপ্তবয়স্ক স্বাভাবিক মানুষের দৈনিক কত ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন?

উত্তর: একজন সুস্থ স্বাভাবিক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন।

শেষ কথা

সম্মানিত পাঠক পাঠিকা বন্ধুরা ইতোমধ্যেই আপনারা ঘুম না হওয়ার সমস্যার সমাধান গুলো সম্পর্কে অবগত হতে পেরেছেন আমাদের আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে।এই সংক্রান্ত কারো কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই আমাদের কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না।

আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিদিন আরো নতুন নতুন কনটেন্ট গুলো আপনারা পেতে চাইলে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইটের সাথে থাকবেন এবং আপনার বন্ধুদের সাথে ওয়েবসাইটটির কথা শেয়ার করবেন। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন। সুস্থ থাকবেন।

পোস্ট ট্যাগ-

ঘুম কমানোর ওষুধ,অতিরিক্ত ঘুম থেকে মুক্তির উপায়,পড়ার সময় ঘুম তাড়ানোর উপায়,সকালের ঘুম দূর করার উপায়,ঘুম কমানোর উপায়,ঘুম কমানোর প্রাকৃতিক উপায়,দুপুরে ঘুম তাড়ানোর উপায়,রাতে কম ঘুমানোর উপায়

আপনার জন্য-

যক্ষা বা টিবি রোগের লক্ষণ

ক্যান্সার রোগের যেসব লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না

শ্বেতী রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে জেনে নিন

আয়রন যুক্ত খাবার

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে কি কি খাবার খাওয়া উচিত

কালোজিরা খাওয়ার নিয়ম

বমি হলে কি খাওয়া উচিত

থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্য উপযোগী খাবার

সিজারিয়ান মায়ের খাদ্য তালিকা

সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাবার গ্রহণ

কিডনি পরিষ্কার রাখার ৯টি খাবার সম্পর্কে জেনে নেই

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪৯২ other subscribers

 

প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এখানে ক্লিক করুন।
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে :এখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।

SS IT BARI- টুইটার থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- লিংকদিন থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- ইনস্টাগ্রাম থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- টুম্বলার (Tumblr)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে :এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- পিন্টারেস্ট (Pinterest)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SANAUL BARI

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমি মো:সানাউল বারী।পেশায় আমি একজন চাকুরীজীবী এবং এই ওয়েবসাইটের এডমিন। চাকুরীর পাশাপাশি গত ১৪ বছর থেকে এখন পর্যন্ত নিজের ওয়েবসাইটে লেখালেখি করছি এবং নিজের ইউটিউব এবং ফেসবুকে কনটেন্ট তৈরি করি।
বিশেষ দ্রষ্টব্য -লেখার মধ্যে যদি কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে অবশ্যই ক্ষমার চোখে দেখবেন। ধন্যবাদ।