গ্যাস্ট্রিক হলে কোন খাবার খাওয়া যাবেনা?যেনে নিন

গ্যাস্ট্রিকের কথা আমরা সচরাচর সকলের কাছে শুনি। গ্যাস্ট্রিক রোগে ভোগেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল।কারো ক্ষেত্রে গ্যাস্টিকের মাত্রা বেশি থাকে আবার কারো কারও ক্ষেত্রে গ্যাস্ট্রিকের মাত্রা কম থাকে। তবে গ্যাস্ট্রিকের উপস্থিতি সকলের শরীরে রয়েছে। এর মূল কারণ হলো আমাদের বর্তমানে খাওয়া খাবার।

বর্তমানে মানুষের ফার্স্ট ফুড রিচ ফুড তৈলাক্ত জাতীয় খাবার অতিরিক্ত মসলাদার খাবার ছাড়া যেন চলে না। তবে এই খাবারগুলোই যে গ্যাস্ট্রিকের জন্ম দেয় তা আমরা অনেকেই জানি কিন্তু মানিনা। গ্যাস্ট্রিক এমন একটি জটিল রোগ যা একাধিক রোগের সৃষ্টি করে আমি এর আগেও অনেক আর্টিকেলে এই কথাটি আপনাদের বলেছি। তাই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় এই খাবারগুলো  পুরোপুরি বর্জন করা উচিত।

বন্ধুরা গ্যাস্ট্রিকে কোন খাবারগুলো খাওয়া উচিত নয় তাকে আপনারা জানেন?যদি না জেনে থাকেন তাহলে আজকের আর্টিকেলে আপনি জানতে পারবেন গ্যাস্ট্রিকের জন্য কোন খাবার গুলো এড়িয়ে চলতে হবে। আমি আজকে বরাবরের মত আপনাদের জন্য একটি শিক্ষামূলক আর্টিকেল নিয়ে এসেছি যেখানে আলোচনা করা হবে গ্যাস্ট্রিকের জন্য কোন খাবারগুলো খাওয়া যাবে না। তাই চলুন দেরি না করে চলে যাই আমাদের আজকের আর্টিকেলের মূল আলোচনায়।

গ্যাস্ট্রিক হলে কোন খাবার খাওয়া যাবেনা

গ্যাস্ট্রিক কি

গ্যাস্ট্রিক পরিপাকতন্ত্রের একটি জটিলতা জনিত রোগ। আমাদের দেহে পরিপাকতন্ত্রের কাজ হচ্ছে আমাদের গ্রহণকৃত খাবার বিভিন্ন ধরনের খাদ্য রসের মাধ্যমে ভেঙে হজম করানো। যদি পরিপাকতন্ত্র এই সমস্ত খাদ্য হজমের কাজ একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্য সঠিকভাবে সম্পূর্ণ করতে না পারে তখনই গ্যাস্ট্রিকের সৃষ্টি হয়। যকৃতের দীর্ঘদিন প্রদাহ থেকে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সূত্রপাত ঘটে।

গ্যাস্ট্রিক দূর করতে মেথি খাওয়ার নিয়ম

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার লক্ষণ দেখা দেওয়া মাত্রই তার নির্মূল করার জন্য প্রাকৃতিক খাবার কিংবা ওষুধ সেবন করা উচিত।গ্যাস্ট্রিকের মাত্রা যদি প্রকোট‌‌ আকার ধারণ করে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করতে হবে। গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সারের মতো সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে সময় মতো চিকিৎসা না করা হলে।

গ্যাস্ট্রিক হলে কি খাওয়া উচিত

গ্যাস্ট্রিক হলে যে খাবারগুলো খেলে এই সমস্যা প্রশমন করা যায় সেগুলো হচ্ছে:

জিরা

এক লিটার পানিতে এক চা চামচ জিরা ও এক চা চামচ কাঁচা জোয়ান ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এই পানিটি ছেকে পান করলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হবে। গ্যাস্ট্রিক সমস্যা নির্মূল করার জন্য জিরা খুবই উপকারী একটি ঘরোয়া উপাদান।

পুদিনা পাতা

পুদিনা পাতা এমন একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানে অনেক বেশি কার্যকরী। আপনি পুদিনা পাতার পানি খেয়ে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এক কাপ পানিতে পাঁচটি পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এই ফুটন্ত পানি ঠান্ডা হলে পান করুন। এতে করে আপনার পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব দূর হবে।

লবঙ্গ

লবঙ্গ এমন একটি কার্যকারী উপাদান যা শরীরে প্রবেশ করার সাথে সাথেই গ্যাসের প্রকোপ কমতে শুরু করে। লবঙ্গর কার্যকারিতা একাধিক গবেষণায় ও প্রমাণিত হয়েছে। তাই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নির্মূল করতে দু-একটি লবঙ্গ আপনি কাঁচা চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে পারেন।

এলোভেরা

অ্যালোভেরা কে একাধিক রোগের ঔষধ বলা হয়। অ্যালোভেরার থাকে নানা বিনো খুনির যা একদিকে যেমন আপনার ত্বকের বাহ্যিক সৌন্দর্যকে বাড়াবে তেমনি আপনার হজম শক্তিকে উন্নত করবে।এলোভেরা উপাদান পেটে তৈরি হওয়া এসিডের কার্যকারিতাকে কমিয়ে দেয় যার ফলে এসিডিটি সমস্যা একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

দারুচিনি

আপনি হয়তো জেনে অবাক হবেন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধানে দারুচিনি বিশেষভাবে কার্যকারী একটি ঘরোয়া উপাদান। দারুচিনি এসিডিটি পেট ব্যথা এবং পেটের গ্যাসের সমস্যা নির্মূল করতে তাৎক্ষণিকভাবে কাজ করে। আপনি চাইলে কফি ওটমিল কিংবা গরম দুধে দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে খেতে পারেন এতে করে আপনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধানে খুব দ্রুত ফলাফল পাবেন। এছাড়াও আপনি চাইলে গরম পানিতে দারুচিনি ফুটিয়ে ছেঁকে মধু দিয়ে চায়ের মত পান করতে পারেন।

আদা

আদা খুবই উপকারী একটি উপাদান। আদায় গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা নির্মূল করে। আদায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও এন্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান প্রদাহ যা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।

বেকিং সোডা

বেকিং সোডায়থাকা এসিডিটিক উপাদান মানবদেহের পাকস্থলির অতিরিক্ত এসিডের মাত্রা কে নিয়ন্ত্রণ করে, গ্যাস দূর করে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধান করে।১/৪ চামচ বেকিং সোডা একগ্লাস পানিতে ভালো করে গুলিয়ে নিবেন। আপনি যখন গ্যাস্ট্রিক ের লক্ষণ অনুভব করবেন তখন এটি পান করে নিবেন। এতে দ্রুত ফলাফল পাবেন।

শসা

শসা পেটকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। শসা রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা আপনার পেটের গ্যাসের উদ্বেগ কমাবে।

পেঁপে

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পেঁপে একটি কার্যকারী ফল যা আপনার হজম শক্তিকে বাড়াতে সাহায্য করে। পেঁপে তে থাকা পাপিয়া নামের এনজাইম পেট ের হজম শক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাবার অভ্যাস করলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কম থাকে।

কলা কমলা

কলা ও কমলা এমন দুটি ফল যা পাকস্থলীর অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সাহায্য করে। কলা ও কমলা খাওয়ার ফলে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কলার দ্রবীভূত উপাদান থেকে সক্ষম ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। সারাদিনের অন্তত দুটি কলা খাবেন। পেট পরিষ্কার রাখতে কলা খাওয়া জরুরি।

দই

দুই খাবার হজম করতে সাহায্য করে। নিয়মিত দই খেলে আপনার হজম শক্তি বাড়বে। তাই প্রতিদিন দুপুরের খাবারের পর অল্প টক দই খেতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে চিনির বদলে আপনি বিট লবণ দিয়ে খেলে উপকার পাবেন।

ডাবের পানি

ডাবের পানি খেলে পেটের গ্যাসের সমস্যা দূর হয় এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গ্যাস্ট্রিকের সমস্যাকে দূরে রাখে এবং হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হলে যেসব খাবারগুলো খাওয়া যাবেনা

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভোগে থাকলে চিকিৎসকরা পরামর্শ দেন কিছু কিছু খাবার এড়িয়ে চলার জন্য। পুষ্টিবিদদের পরামর্শের আলোকে এমন কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো গ্যাসের সমস্যায় খেলে সমস্যা আরো বাড়তে পারে। এই খাবারগুলো হচ্ছে:

স্ন্যাক জাতীয় খাবার

পুষ্টিবিদদের মতে snake জাতীয় খাবারগুলো পেটের ফোলা ভাব ও পেটে গ্যাস বাড়িয়ে দেয়। তাই চিকিৎসকরা এসব খাবার গ্যাসের সমস্যা হলে এড়িয়ে চলতে বলেন।

সুগার ফ্রি খাবার

যুক্তরাষ্ট্রের পুষ্টিবিদ কেলি ম্যাক মুর্ডি বলেন সুগার ফ্রী চকলেট ক্যান্ডি চুইংগাম ইত্যাদি চিনির পরিবর্তে ব্যবহার করা হয় চর্বি টল ম্যানিটোল আইসোমোল্ট  জাইলিটল ইত্যাদি। সুগার অ্যালকোহল ধরনের রাসায়নিক উপাদান এটি। তাই সুগার ফ্রী এইসব খাবারগুলো কখনোই গ্যাস্ট্রিক রোগীদের খাওয়া উচিত নয়।

ক্রুসি ফেরাস জাতের সবজি

ক্রুসিফেরাস জাতের সবজির মধ্য রয়েছে ব্রকলি, ব্রাসেল স্প্রাউট, কপি ইত্যাদি গ্যাস্ট্রিকের রোগীদের জন্য সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। এগুলো পেটে গ্যাস তৈরি করে পেট ফোলা ভাব তৈরি করে। এই সবজিগুলোর মধ্য রয়েছে ভোজ্য আঁশ তাই হজম হতে সময় লাগে বেশি। ফলে অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে আসে বেশি।আর অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া ভোজ্য আশকে গাজানো শুরু করলে পেটে ড্যাশ জমে অস্বস্তি এড়াতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হয়।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

দগ্ধজাত খাবার

বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মানুষ ল্যাকটোজ ভাঙার ক্ষমতা হারাতে থাকে। আর এর ফলে ডায়রিয়া পেটে গ্যাস কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি দেখা যায়। তাই দগ্ধজাত খাবারগুলো এই বয়সের জন্য একটু ঝুঁকিপূর্ণ। যদিও আপনি গ্যাসের সমস্যায় দই পনির খেলে কোন ক্ষতি হয় না।

কাঁচা ছোলা

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হলে অনেকেই বলেন কাঁচা ছোলা খাওয়ার জন্য। ছোলায় প্রোটিন আমাদের শরীরের জন্য উপকারী হলেও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যাকে এটি বাড়িয়ে দিতে পারে। যাদের হজমের সমস্যা বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে তারা খুব বেশি ছোলা খাবেন না।

মুখি কচু

গ্যাস্টিকের সমস্যায় মুখি কচুর তরকারি খুবই খারাপ। যারা গ্যাস্ট্রিকের রোগে ভুগে থাকেন তাদের ক্ষেত্রে এই সবজিটি না খাওয়াই ভালো।

এঁচোড়

এঁচোড় খেতে সুস্বাদু হলেও গ্যাস্টিকের রোগীদের জন্য এটি খাওয়া উচিত নয়। এটি গ্যাস্ট্রিকের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

মুলা

মূলার সবজিটি নিয়ে অনেকেরই ভ্রান্ত ধারণা মুলা খেলে গ্যাস্ট্রিক কমে।কিন্তু গবেষণায় প্রমাণিত যে এটি গ্যাসের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়, পেট ব্যথা, পেট ফোলা সহ একাধিক সমস্যা সৃষ্টি করে।

কোমল পানীয়

কোমল পানি ও পান করলে সরাসরি প্রভাব ফেলে অন্তরে। ভূত ভাট করে শব্দ হয়। এতে থাকা এসিড ও ফ্রুকটুজ গ্যাস্ট্রিক বাড়িয়ে দেয়।

বাদাম

বাদামে রয়েছে প্রোটিন চর্বি এবং আঁশ। শরীর জন্য এগুলো উপকারী হলেও পেটে গ্যাস সৃষ্টির জন্য এগুলো দায়ী। এগুলো হজমে সময় লাগে। বিশেষ করে কাজুবাদাম।

দ্রুত গ্যাসের সমস্যা কমানোর উপায়

অল্প পরিমাণে বারে বারে খান

অল্প পরিমানে ঘন ঘন খাবার খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কম থাকে। আপনি যদি অল্প পরিমাণে খেয়ে অনুভব করেন পেটে ক্ষুধা রয়েছে তাহলে আপনি বারেবারে অল্প অল্প করে খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কম থাকবে।

মাথা উঁচু রাখুন

যদি আপনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় বা এসিড রিফ্লাক্সে ভোগে থাকেন তাহলে ঘুমানোর সময় আপনার খাদ্যনালীতে এসিডকে প্রবাহিত হতে যাতে বাধা প্রদান করতে উঁচু বালিশে মাথা দিয়ে মাথা উঁচু রাখুন।

স্ট্রেস কমান

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কে বাড়িয়ে তোলে এই স্ট্রেস বা চিন্তা। আপনার স্ট্রেস কমাতে নিয়মিত শরীর চর্চা করুন গভীর শ্বাসের ব্যায়ামের মত শিথিল করন কৌশল গুলির মাধ্যমে স্ট্রেস কমানোর চেষ্টা করুন।

পেট ম্যাসাজ করুন

যদি আপনি পেট ফাঁপা ফাঁপা ভাব অনুভব করেন তাহলে পেট ম্যাসাজ করা উচিত। ধীরে ধীরে পে ট ম্যাসাজ করতে থাকুন। পেটের অপর উপরিভাগ ম্যাসাজ করুন।ডান হাতটিকে ডানদিকে বুকের খাঁচার হাড়ের নিচের দিকে ধরুন। এরপর গোল ভাবে মাসাজ করুন।এভাবে পেট ম্যাসাজ করতে পারলে গ্যাস আপনার অন্তরের নিচের দিকে চলে আসবে এবং পায়ুদ্বারের মাধ্যমে বেরিয়ে যাবে।

যোগ করুন

অনেক গবেষণায় দেখা গেছে পেট ফাঁপা গ্যাসের সমস্যা অনায়াসে কমিয়ে দিতে পারে যুগের মতো এক্সারসাইজ। হালকা এক্সারসাইজ করার ফলে পেটের পেশির ব্যায়াম হয়। এছাড়াও অন্তর ঠিকমত কাজ করতে পারে যার ফলে পেট থেকে বেরিয়ে যেতে থাকে গ্যাস। কিছুক্ষণ ধরে ব্যায়াম করার পরপরই আপনি ফলাফলটি বুঝতে পারবেন।

নিয়মিত হাটুন

গ্যাসের সমস্যা দূর করতে হাঁটা একটি উপকারী ব্যায়াম। নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস থাকলে আপনার গ্যাসের সমস্যা কম থাকবে। নিয়মিত হাঁটা শুধু গ্যাসের সমস্যা নয় আরো অনেক সমস্যা দূর করতে কার্যকারী ব্যায়াম।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় প্রতিদিন সকালে কি খাওয়া উচিত?

যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে তারা প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক কোয়া কাঁচা রসুন খেতে পারেন। দুপুরে ভাতের সঙ্গে ও এক কোয়া রসুন বেটে খেতে পারেন। সপ্তাহে দুই তিন দিন খান।

ছোলা বুট খেলে কি পেটে গ্যাস হয়?

ডাল ,বুট, ছোলা, বিন, সয়াবিন ইত্যাদি ধরনের খাবার গ্যাসের পরিমাণ বাড়ায়। এগুলোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন সুগার ও ফাইবার যা সহজে হজম হতে চায় না ফলে গ্যাসের সমস্যা সৃষ্টি করে। এই ধরনের সবজিগুলোতে রয়েছে রাফিনোজ নামক এক ধরনের সুগার উপাদান যা পাকস্থলীর ব্যাকটেরিয়া ফার্মেন্ট না করা পর্যন্ত হজম হয় না।

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় কোন সবজি খাওয়া উচিত?

গ্যাস্ট্রিক হলে শসা খেতে পারেন। শসা পেট ঠান্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও এন্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্বেগ কমায়।

আমাদের শেষ কথা

আমাদের আজকের আর্টিকেলটিতে আলোচনা করা হয়েছে গ্যাস্ট্রিক হলে কোন খাবারগুলো খাওয়া উচিত নয়। ইতোমধ্যেই আপনারা আজকের আর্টিকেলটি পড়ে বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। এ বিষয়ে কারো কোন জিজ্ঞাসা থাকলে অবশ্যই আমাদের কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। আপনাদের যদি আমাদের ওয়েবসাইটের আর্টিকেল গুলো ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন আমাদের ওয়েবসাইটের কথা। আরো নতুন নতুন আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করবেন। আজকের মতো এ পর্যন্তই। সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

পোস্ট ট্যাগ-

কোন কোন খাবারে গ্যাস হয় না,চিরতরে গ্যাস্ট্রিক দূর করার উপায়,কোন কোন সবজি খেলে গ্যাস হয় না,কোন কোন ফল খেলে গ্যাস হয় না,গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা,দ্রুত পেটের গ্যাস কমানোর উপায়,গ্যাস্ট্রিক দূর করার খাবার,সকালে কি খেলে গ্যাস হবে না।

আপনার জন্য আরো 

আপনার জন্য-

অ্যাজমা রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা 

থাইরয়েড রোগ থেকে মুক্তি পেতে করণীয়

চর্মরোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার কার্যকারী চিকিৎসা

যক্ষা বা টিবি রোগের লক্ষণ

ক্যান্সার রোগের যেসব লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না

শ্বেতী রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে জেনে নিন

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join 504 other subscribers

 

প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এখানে ক্লিক করুন।
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে :এখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।

SS IT BARI- টুইটার থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- লিংকদিন থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- ইনস্টাগ্রাম থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- টুম্বলার (Tumblr)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে :এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- পিন্টারেস্ট (Pinterest)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

Lakhi Hasan

SS IT BARI-ভালোবাসার টেক ব্লগ টিম