গ্যাস্ট্রিক জনিত কারণে পিঠে ব্যথা দূর করার উপায় (Gastric Back Pain) (বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ)

Rate this post

গ্যাস্ট্রিক জনিত কারণে পিঠে ব্যথা দূর করার উপায় –বর্তমানে গ্যাস্ট্রিক নেই এমন লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবে এই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সকলের ক্ষেত্রে একই ভাবে দেখা দেয় না। কারো কারো বুক জ্বালা পোড়া কারো কারো গলা জ্বালাপোড়া, পিঠে ব্যথা, বুকে ব্যথা, এমনকি ঘাড়ে ব্যথা ও গ্যাস্ট্রিকের কারণে হতে পারে।

আমাদের আজকের আলোচ্য টপিক হচ্ছে গ্যাস্ট্রিকের কারণে পিঠে ব্যথা দূর করার উপায়। অনেকেই গ্যাস্ট্রিকের কারণে পিঠে ব্যথা হয় এই বিষয়টিকে উপেক্ষা করে যান। কিন্তু এটি ধ্রুব সত্য যে গ্যাস্ট্রিক পিঠে ব্যথার জন্য অন্যতম একটি কারণ। তাই একে উপেক্ষা করার কোনো উপায় নেই। কাজেই এই গ্যাস্ট্রিকের কারণে পিঠে ব্যথা দূর করা অত্যন্ত জরুরি। যাদের এই সমস্যা রয়েছে তারা আমাদের আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়বেন আশা করছি আজকের আর্টিকেলে আপনার সমস্যার সমাধান আপনি পাবেন।গ্যাস্ট্রিক জনিত কারণে পিঠে ব্যথা দূর করার উপায়

গ্যাস্ট্রিক ব্যাক পেইন কি

গ্যাস্ট্রিক ব্যাক পেইন হলো গ্যাস্ট্রিকের কারণে পিঠে ব্যথা অনুভব করা। এই ব্যথা গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যার কারণে হয়ে থাকে। এতে অ্যাসিড রিফ্লাক্স গ্যাস স্ট্রাইটিস এবং আলসারের মতো সমস্যা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এমনকি এই ত্রুটিগুলো পেটে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে জাস্ট নায়কের জলাতঙ্ক করতে পারে এবং পিঠে উল্লেখিত ব্যথার কারণ হতে পারে।

চিরতরে গ্যাস্ট্রিক নির্মূল করার প্রাকৃতিক উপায় (জরুরি স্বাস্থ্য টিপস)

গ্যাস্ট্রিকের কারণে পিঠে ব্যথা হলে তা হালকাভাবে নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার প্রয়োজন মনে না করা অনেক বোকামি। যদি আপনি অনুভব করেন আপনার গ্যাস্ট্রিকের কারণেই পিঠে ব্যথা হচ্ছে তাহলে অবশ্যই যথাসময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন তা না হলে বড় ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

গ্যাস্ট্রিক ব্যাক পেইনের কারণ

গ্যাস্ট্রিক ব্যাক পেইন বা গ্যাস্টিকের কারণে সৃষ্ট পিঠে ব্যথার কয়েকটি কারণ বিদ্যমান। যেমন;

গ্যাস্ট্রাইটিস

গ্যাস্ট্রিকের কারণে পিঠে ব্যথার অন্যতম একটি কারণ হলো গ্যাস্ট্রাইটিস এটি পেটের আস্তরণের একটি প্রদাহ যা ব্যথা বমি বমি ভাব এবং বমি হতে পারে গ্যাস্ট্রাইটিস পিঠে উল্লিখিত ব্যথার জন্য দায়ী।

গলব্লাডারের সমস্যা

মানবদেহে পিত্তথলির সমস্যা পিঠের উপরের ডান দিকে ব্যথার পাশাপাশি বমি বমি ভাব এবং বমি হতে পারে।

অ্যাসিড রিফ্লাক্স

এই অ্যাসিড রিফ্লাক্স যখন ঘটে তখন পেটের এসিড খাদ্যনালীতে প্রবাহিত হয় এবং জ্বালা ,প্রদাহ সৃষ্টি করে। এই কারণে বুকে ব্যথা পিঠে ব্যথা অনুভব হতে পারে।

আলসার

আলসার পেটের আস্তরণের ঘা যা ব্যথা এবং অস্বস্তির কারণ হতে পারে। এই আলসার থেকে পিঠে ব্যথা অনুভব হয়।

প্যানক্রিয়াটাইটিস

প্যানক্রিয়াটাইটিস আগ্নাশয়ের একটি প্রদাহ যা উপরের পিঠে ব্যথা সৃষ্টি করে।

গ্যাস্ট্রিক ব্যাক পেইনের লক্ষণ

পিঠে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা অনুভব হলে তা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কিনা সেই সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে কিছু লক্ষণ এর দ্বারা। গ্যাস্ট্রিকের পিঠে ব্যথার লক্ষণ গুলি নির্দিষ্ট গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল অবস্থার ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে। গ্যাস্ট্রিকের ব্যাক পেইন লক্ষণগুলো হলো:

*খাবার খাওয়ার পর কিংবা শুয়ে থাকার পরে ব্যথা বাড়ে।

*বমি বমি ভাব হয় বা বমি হয়।

*বদ হজম হয় বা অম্বল।

*বেলচিং।

*নিস্তেজ, উপরের বা মাঝখানে পিঠে ব্যথা করে।

*ফোলালা বা গ্যাস।

গ্যাস্ট্রিক ব্যাক পেইন দূর করার উপায়

গ্যাস্ট্রিকের কারণে পিঠে ব্যথা একটি জটিল সমস্যা যার কারণে অনেক বেশি ভোগান্তি হয়। তাই এটি দূর করার উপায় জানা সকলের উচিত। দেখে নিন গ্যাস্ট্রিক পিঠে ব্যথা দূর করার উপায়:

গ্যাস্ট্রিক যুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন

যেসব খাবারে গ্যাস্ট্রিকের মাত্রা অনেক বেশি যেমন অতিরিক্ত তেল যুক্ত খাবার, ভাজাপোড়া, রিচ ফুড,অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার, চর্বিযুক্ত খাবার, ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহল এই খাবারগুলো এড়িয়ে চলুন।

অল্প পরিমাণে বারে বারে খান

অল্প পরিমানে ঘন ঘন খাবার খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কম থাকে। আপনি যদি অল্প পরিমাণে খেয়ে অনুভব করেন পেটে ক্ষুধা রয়েছে তাহলে আপনি বারেবারে অল্প অল্প করে খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কম থাকবে।

মাথা উঁচু রাখুন

যদি আপনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় বা এসিড রিফ্লাক্সে ভোগে থাকেন তাহলে ঘুমানোর সময় আপনার খাদ্যনালীতে এসিডকে প্রবাহিত হতে যাতে বাধা প্রদান করতে উঁচু বালিশে মাথা দিয়ে মাথা উঁচু রাখুন।

স্ট্রেস কমান

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কে বাড়িয়ে তোলে এই স্ট্রেস বা চিন্তা। আপনার স্ট্রেস কমাতে নিয়মিত শরীর চর্চা করুন গভীর শ্বাসের ব্যায়ামের মত শিথিল করন কৌশল গুলির মাধ্যমে স্ট্রেস কমানোর চেষ্টা করুন।

ওষুধ

আপনি যদি মনে করেন আপনার গ্যাস্ট্রিকের কারণে পিঠে ব্যথার তীব্রতর আকার ধারণ করছে তখন আপনি অবশ্যই সমস্যার দূর করণে ওষুধের সুপারিশ গ্রহণ করবেন।গ্যাস্ট্রিকের কারণে পিঠে ব্যথার ওষুধ গুলোর মধ্যে রয়েছে এন্টাসিড, এসিড ব্রাশকারী বা এন্টিবায়োটিক।

চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন

আপনার পিঠে ব্যথা যদি গুরুতর আকার ধারণ করে বা পিঠে ব্যথার সাথে সাথে যদি অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয় তাহলে অবশ্যই আপনি যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গ্যাস্ট্রিক পিঠে ব্যথা দূর করার জন্য খাদ্য

আমাদের আশেপাশেই এমন অনেক খাবার রয়েছে যা আপনার গ্যাস্ট্রিক ব্যথা দূর করতে সাহায্য করবে। আপনি যদি ওষুধ সেবন না করে এই খাবারগুলো খাওয়ার চেষ্টা করেন পরিমিত পরিমাণে তাহলে অবশ্যই আপনি এই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাবেন আশা করি। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে কি কি খাদ্য খাবেন দেখে নিন:

জিরা

এক লিটার পানিতে এক চা চামচ জিরা ও এক চা চামচ কাঁচা জোয়ান ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এই পানিটি ছেকে পান করলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হবে। গ্যাস্ট্রিক সমস্যা নির্মূল করার জন্য জিরা খুবই উপকারী একটি ঘরোয়া উপাদান।

পুদিনা পাতা

পুদিনা পাতা এমন একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানে অনেক বেশি কার্যকরী। আপনি পুদিনা পাতার পানি খেয়ে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এক কাপ পানিতে পাঁচটি পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এই ফুটন্ত পানি ঠান্ডা হলে পান করুন। এতে করে আপনার পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব দূর হবে।

লবঙ্গ

লবঙ্গ এমন একটি কার্যকারী উপাদান যা শরীরে প্রবেশ করার সাথে সাথেই গ্যাসের প্রকোপ কমতে শুরু করে। লবঙ্গর কার্যকারিতা একাধিক গবেষণায় ও প্রমাণিত হয়েছে। তাই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নির্মূল করতে দু-একটি লবঙ্গ আপনি কাঁচা চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে পারেন।

এলোভেরা

অ্যালোভেরা কে একাধিক রোগের ঔষধ বলা হয়। অ্যালোভেরার থাকে নানা বিনো খুনির যা একদিকে যেমন আপনার ত্বকের বাহ্যিক সৌন্দর্যকে বাড়াবে তেমনি আপনার হজম শক্তিকে উন্নত করবে।এলোভেরা উপাদান পেটে তৈরি হওয়া এসিডের কার্যকারিতাকে কমিয়ে দেয় যার ফলে এসিডিটি সমস্যা একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

দারুচিনি

আপনি হয়তো জেনে অবাক হবেন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধানে দারুচিনি বিশেষভাবে কার্যকারী একটি ঘরোয়া উপাদান। দারুচিনি এসিডিটি পেট ব্যথা এবং পেটের গ্যাসের সমস্যা নির্মূল করতে তাৎক্ষণিকভাবে কাজ করে। আপনি চাইলে কফি ওটমিল কিংবা গরম দুধে দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে খেতে পারেন এতে করে আপনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধানে খুব দ্রুত ফলাফল পাবেন। এছাড়াও আপনি চাইলে গরম পানিতে দারুচিনি ফুটিয়ে ছেঁকে মধু দিয়ে চায়ের মত পান করতে পারেন।

আদা

আদা খুবই উপকারী একটি উপাদান। আদায় গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা নির্মূল করে। আদায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও এন্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান প্রদাহ যা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।

বেকিং সোডা

বেকিং সোডায়থাকা এসিডিটিক উপাদান মানবদেহের পাকস্থলির অতিরিক্ত এসিডের মাত্রা কে নিয়ন্ত্রণ করে, গ্যাস দূর করে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধান করে।১/৪ চামচ বেকিং সোডা একগ্লাস পানিতে ভালো করে গুলিয়ে নিবেন। আপনি যখন গ্যাস্ট্রিক ের লক্ষণ অনুভব করবেন তখন এটি পান করে নিবেন। এতে দ্রুত ফলাফল পাবেন।

শসা

শসা পেটকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। শসা রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা আপনার পেটের গ্যাসের উদ্বেগ কমাবে।

পেঁপে

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পেঁপে একটি কার্যকারী ফল যা আপনার হজম শক্তিকে বাড়াতে সাহায্য করে। পেঁপে তে থাকা পাপিয়া নামের এনজাইম পেট ের হজম শক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাবার অভ্যাস করলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কম থাকে।

কলা কমলা

কলা ও কমলা এমন দুটি ফল যা পাকস্থলীর অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সাহায্য করে। কলা ও কমলা খাওয়ার ফলে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কলার দ্রবীভূত উপাদান থেকে সক্ষম ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। সারাদিনের অন্তত দুটি কলা খাবেন। পেট পরিষ্কার রাখতে কলা খাওয়া জরুরি।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

গ্যাস্ট্রিক একটি দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা।আপনি যদি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার খাদ্যাভ্যাস আপনার দৈনন্দিন জীবনের অভ্যাস গুলোর পরিবর্তন করুন। যে কারণগুলোর জন্য আজকে আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে সেই অভ্যাস গুলো বাদ দিয়ে দিন। ভালো থাকা সুস্থ থাকা সকলেরই কাম্য। তাই কখনো এমন খাদ্য অভ্যাস বা এমন অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত নয় যা বর্তমান এবং ভবিষ্যতের জন্য শারীরিক অশান্তি বয়ে আনবে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

গ্যাস্ট্রিক পিঠে ব্যথা প্রতিরোধ করার উপায় কি?

গ্যাস্ট্রিক পিঠের ব্যথা যদি প্রতিরোধ করতে চান তাহলে ভালো হজম হয় এমন খাবার খেতে হবে। ভালো হজম যুক্ত খাবার খাওয়া ছাড়াও হাইড্রেটেড থাকা নিয়মিত ব্যায়াম করা ধূমপান এড়ানো এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা গ্যাস্ট্রিক পিঠের ব্যথা প্রতিরোধ করতে খুবই কার্যকর।

গ্যাস্ট্রিকের পিঠে ব্যথা দূর করার জন্য কি চিকিৎসা নেওয়া উচিত?

গ্যাস্ট্রিক ব্যাক পেইন দূর করতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং অনেক ক্ষেত্রে যেমন আলসার পাকস্থলীর সমস্যা ইত্যাদি ক্ষেত্রে অস্ত্রপাচারের প্রয়োজন হতে পারে।সাধারণভাবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে এন্টাসিড, এসিড হ্রাসকারী অ্যান্টিবায়োটিক এবং গুরুতর ক্ষেত্রে সার্জারি প্রয়োজন হয়।

গ্যাস্ট্রিক ব্যাক পেইনের কারণ কি?

কিছু সাধারণ গ্যাস্ট্রইইনটেস্টাইনালঅবস্থা গ্যাস্ট্রিক পিঠে ব্যথার কারণ হতে পারে তার মধ্যে রয়েছে এসিড রিফ্লাক্স গ্যাস, স্ট্রাইটিস আলসা,র গলব্লাডার সমস্যা এবং প্যানক্রিয়াটাইটিস।

আমাদের শেষ কথা

আমাদের আজকের আর্টিকেলটিতে আলোচনা করা হয়েছে গ্যাস্ট্রিকে পিঠে ব্যথা দূর করার উপায় কি। ইতোমধ্যেই আপনারা আজকের আর্টিকেলটি পড়ে বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। এ বিষয়ে কারো কোন জিজ্ঞাসা থাকলে অবশ্যই আমাদের কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না।

আপনাদের যদি আমাদের ওয়েবসাইটের আর্টিকেল গুলো ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন আমাদের ওয়েবসাইটের কথা। আরো নতুন নতুন আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করবেন। আজকের মতো এ পর্যন্তই। সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

Post tags-

পিঠে ব্যথা কিসের লক্ষণ,পিঠে ব্যথা হলে করণীয়,গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কোথায় কোথায় হয়,গ্যাস্ট্রিক থেকে পিঠে ব্যাথা,পিঠের ডান পাশে ব্যথা হলে করণীয়,গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা দূর করার উপায়,পিঠে ব্যাথা দূর করার ব্যায়াম,দ্রুত গ্যাসের ব্যথা কমানোর উপায়.

আপনার জন্য আরো 

আপনার জন্য-

অ্যাজমা রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা 

থাইরয়েড রোগ থেকে মুক্তি পেতে করণীয়

চর্মরোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার কার্যকারী চিকিৎসা

যক্ষা বা টিবি রোগের লক্ষণ

ক্যান্সার রোগের যেসব লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না

শ্বেতী রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে জেনে নিন

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join 503 other subscribers

Lakhi Hasan

SS IT BARI-ভালোবাসার টেক ব্লগ টিম