গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন? গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণগুলো জেনে নিন

গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণগুলো-গ্যাস্ট্রিক এমন একটি জটিল রোগ যা তীব্রতর আকার ধারণ করলে বিভিন্ন মারাত্মক রোগের সৃষ্টি হতে পারে। গ্যাস্ট্রিক একটি প্রদাহ জনিত রোগ। যকৃতে দীর্ঘদিন প্রদাহ থেকে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার শুরু হয়। দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধানে কোন ধরনের চিকিৎসা গ্রহণ না করলে তা থেকে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। হ্যালিকোব্যাক্টর ফাইলোরী নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে গ্যাস্ট্রিকের শুরু হয়। গ্যাস্ট্রিকের কিছু লক্ষণ দেখে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন যে আপনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন কিনা।

আজকের আর্টিকেলে গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণগুলো সম্পর্কে আপনাদের জানাবো। যারা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন অথচ এর লক্ষণগুলো সম্পর্কে জানেন না আজকের আর্টিকেলটি পড়ে আপনি গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণ গুলো সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন আশা করি। চলুন দেখি নাই গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণ গুলো কি কি।গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণগুলো

গ্যাস্ট্রিক রোগ কি?

গ্যাস্ট্রিক পরিপাকতন্ত্রের একটি জটিলতা জনিত রোগ। আমাদের দেহে পরিপাকতন্ত্রের কাজ হচ্ছে আমাদের গ্রহণকৃত খাবার বিভিন্ন ধরনের খাদ্য রসের মাধ্যমে ভেঙে হজম করানো। যদি পরিপাকতন্ত্র এই সমস্ত খাদ্য হজমের কাজ একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্য সঠিকভাবে সম্পূর্ণ করতে না পারে তখনই গ্যাস্ট্রিকের সৃষ্টি হয়। যকৃতের দীর্ঘদিন প্রদাহ থেকে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সূত্রপাত ঘটে।

গ্যাস্ট্রিক জনিত কারণে পিঠে ব্যথা দূর করার উপায়

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার লক্ষণ দেখা দেওয়া মাত্রই তার নির্মূল করার জন্য প্রাকৃতিক খাবার কিংবা ওষুধ সেবন করা উচিত।গ্যাস্ট্রিকের মাত্রা যদি প্রকোট‌‌ আকার ধারণ করে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করতে হবে। গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সারের মতো সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে সময় মতো চিকিৎসা না করা হলে।

গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণ গুলো কি কি

গ্যাস্ট্রিক ের সাধারণ কিছু লক্ষণ রয়েছে যা আমাদের অনেকের অজানা। গ্যাস্ট্রিকের এই লক্ষণগুলো দেখে কখনোই রোগটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়।আর আপনি যদি গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণ গুলো না জানেন তাহলে তা আপনার জন্য আরও বিপদ ডেকে আনতে পারে। কারণ গ্যাস্ট্রিক রোগ অনেক জটিল রোগের সৃষ্টিকারী। গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণগুলো তাই জানা সকলের জন্য জরুরী। দেখে নিন গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণ গুলো কি কি:

বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া

যদি আপনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে অহেতুক আপনার বমি বমি লাগবে। অনেক সময় বমি বমি ভাব থাকলেও বমি হবে না। আবার কিছু কিছু সময় বমি হবে অম্বল বেড়ে যাবে।

পেট ফুলে যাওয়া

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হলে ভুঁড়ি বেড়ে যায়। পেট  ফুলে যায়, পেট ফাঁপা লাগে। আপনার যদি এরকমটি হয়ে থাকে তাহলে আপনি অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন কারণ আপনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন। খাবার না খেলেও এমতাবস্থায় মনে হয় পেট ভরা।

পেটে ব্যথা

কারো কারো গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হলে পেটে ব্যথা হয়। গ্যাস্ট্রিকের ব্যাথা সাধারণত পেটের উপরের দিকে থাকে।কারো কারো ক্ষেত্রে চিন চিন করে ব্যথা করে আবার কারো কারো অনেক বেশি পরিমাণে ব্যথা হতে পারে। এমনটা অবশ্যই গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণ।

অভ্যন্তরীণ ব্লিডিং

রক্ত বমি রক্ত আমাশা কর্তো পায়খানা হল অভ্যন্তরীণ ব্লিডিং। আপনার যদি এই সমস্ত সমস্যা থেকে থাকে তাহলে বুঝতে হবে গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণ। অবশ্যই লক্ষণগুলো দেখা দিলে সতর্ক হতে হবে।

অল্প খাবারে পেট ভরে যায়

গ্যাস্ট্রিক রোগীদের এমন হয় যে অনেক বেশি ক্ষুধা পেয়েছে খাবার খাওয়ার সময় সামান্য একটু খেলেই পেট ভরে গিয়েছে এমন মনে হয়। অল্প খাবার খেলেই মনে হয় আর খাওয়া যাবেনা। এটি গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণ।

ডায়রিয়া

যদি কারো ঘন ঘন ডায়রিয়ার সমস্যা হয় তাহলে অনেকেই ভাবেন ফুড পয়েজিং জনিত কারণে এই সমস্যা হয়েছে।যদি সাতদিন অন্তর অন্তর ডায়রিয়ার সমস্যা দেখা দেয় তাহলে বুঝতে হবে কোন ফুটফেজিং এর কারণে নয় গ্যাস্ট্রিকের জন্যই ডায়রিয়া দেখা দিচ্ছে। ডায়রিয়ার সঙ্গে পেট ব্যথা বমি থাকলে সেটা ফুড পয়োজন জনিত সমস্যা হতে পারে।

এছাড়াও গ্যাস্ট্রিকের আরো কিছু লক্ষণ রয়েছে।যেমন:

১) ভিটামিন বি ১২ এর অভাব।

২) বদহজম।

৩) আলসার।

৪) পেট জ্বালাপোড়া করা।

৫) ক্ষুধামন্দা।

৬) রক্ত বমি বা অম্বল বেড়ে যাওয়া।

গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সারের লক্ষণ

গ্যাস্ট্রিক এমন একটি জটিল রোগ যা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী। ক্যান্সার একটি মরণব্যাধি রোগ। গ্যাস্ট্রিক যখন সাধারণ পর্যায়ে থাকে তখন যদি গ্যাসের সমস্যা নির্মূল করতে যথাযথ চিকিৎসা না নেওয়া হয় তাহলে তা বেড়ে গিয়ে ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি রোগের সৃষ্টি করতে পারে। তাই সময় থাকতে সাবধান হওয়া উচিত। বেশিরভাগ সময় কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা যায় সেগুলো থেকে ক্যান্সার হতে পারে। জেনে নিন গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সারের লক্ষণগুলো:

*ক্লান্তি

*দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পরও ক্ষুধা না পাওয়া।

*বদহজম।

*অল্প খাবার খেলে পেট ভরে যাওয়া।

*পেটে ব্যথা।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

*ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য।

*রক্তাক্ত কালো মল।

*অকারণে ওজন বৃদ্ধি পাওয়া।

*বমি বমি ভাব।

*অম্বল বেড়ে যাওয়া এবং বমি হওয়া।

যদি এই লক্ষণ গুলি আপনার শরীরে দেখা দেয় তাহলে অবশ্যই যথাসময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে উপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণ করবেন।

গ্যাস্ট্রিক দূর করতে প্রাকৃতিক খাবার

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ওষুধ সেবনের চেয়ে উত্তম ব্যবস্থা হলো প্রাকৃতিক উপায়ে তা দূর করা। প্রাকৃতিক কিছু ঘরোয়া উপাদান দিয়ে এই জটিল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কিছু প্রাকৃতিক উপায় জেনে নিন:

জিরা

এক লিটার পানিতে এক চা চামচ জিরা ও এক চা চামচ কাঁচা জোয়ান ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এই পানিটি ছেকে পান করলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হবে। গ্যাস্ট্রিক সমস্যা নির্মূল করার জন্য জিরা খুবই উপকারী একটি ঘরোয়া উপাদান।

পুদিনা পাতা

পুদিনা পাতা এমন একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানে অনেক বেশি কার্যকরী। আপনি পুদিনা পাতার পানি খেয়ে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এক কাপ পানিতে পাঁচটি পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এই ফুটন্ত পানি ঠান্ডা হলে পান করুন। এতে করে আপনার পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব দূর হবে।

লবঙ্গ

লবঙ্গ এমন একটি কার্যকারী উপাদান যা শরীরে প্রবেশ করার সাথে সাথেই গ্যাসের প্রকোপ কমতে শুরু করে। লবঙ্গর কার্যকারিতা একাধিক গবেষণায় ও প্রমাণিত হয়েছে। তাই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নির্মূল করতে দু-একটি লবঙ্গ আপনি কাঁচা চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে পারেন।

এলোভেরা

অ্যালোভেরা কে একাধিক রোগের ঔষধ বলা হয়। অ্যালোভেরার থাকে নানা বিনো খুনির যা একদিকে যেমন আপনার ত্বকের বাহ্যিক সৌন্দর্যকে বাড়াবে তেমনি আপনার হজম শক্তিকে উন্নত করবে।এলোভেরা উপাদান পেটে তৈরি হওয়া এসিডের কার্যকারিতাকে কমিয়ে দেয় যার ফলে এসিডিটি সমস্যা একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

দারুচিনি

আপনি হয়তো জেনে অবাক হবেন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধানে দারুচিনি বিশেষভাবে কার্যকারী একটি ঘরোয়া উপাদান। দারুচিনি এসিডিটি পেট ব্যথা এবং পেটের গ্যাসের সমস্যা নির্মূল করতে তাৎক্ষণিকভাবে কাজ করে। আপনি চাইলে কফি ওটমিল কিংবা গরম দুধে দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে খেতে পারেন এতে করে আপনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধানে খুব দ্রুত ফলাফল পাবেন। এছাড়াও আপনি চাইলে গরম পানিতে দারুচিনি ফুটিয়ে ছেঁকে মধু দিয়ে চায়ের মত পান করতে পারেন।

আদা

আদা খুবই উপকারী একটি উপাদান। আদায় গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা নির্মূল করে। আদায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও এন্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান প্রদাহ যা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।

বেকিং সোডা

বেকিং সোডায়থাকা এসিডিটিক উপাদান মানবদেহের পাকস্থলির অতিরিক্ত এসিডের মাত্রা কে নিয়ন্ত্রণ করে, গ্যাস দূর করে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধান করে।১/৪ চামচ বেকিং সোডা একগ্লাস পানিতে ভালো করে গুলিয়ে নিবেন। আপনি যখন গ্যাস্ট্রিক ের লক্ষণ অনুভব করবেন তখন এটি পান করে নিবেন। এতে দ্রুত ফলাফল পাবেন।

শসা

শসা পেটকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। শসা রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা আপনার পেটের গ্যাসের উদ্বেগ কমাবে।

পেঁপে

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পেঁপে একটি কার্যকারী ফল যা আপনার হজম শক্তিকে বাড়াতে সাহায্য করে। পেঁপে তে থাকা পাপিয়া নামের এনজাইম পেট ের হজম শক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাবার অভ্যাস করলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কম থাকে।

কলা কমলা

কলা ও কমলা এমন দুটি ফল যা পাকস্থলীর অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সাহায্য করে। কলা ও কমলা খাওয়ার ফলে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কলার দ্রবীভূত উপাদান থেকে সক্ষম ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। সারাদিনের অন্তত দুটি কলা খাবেন। পেট পরিষ্কার রাখতে কলা খাওয়া জরুরি।

গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কোথায় কোথায় হয়

পেটের উপরের দিকে সারাদিন অল্প অল্প ব্যথা থেকে শুরু হয়। হঠাৎ করেই ব্যথা তীব্রতর আকার ধারণ করে। খাবার হজম হয় না যার কারনে অস্বস্তি লাগে। পেটে জ্বালাপোড়া করে অনেক সময় বুক জ্বালা বা বুকে ব্যথা হতে পারে এমনকি পিঠে ব্যথা হতে পারে। গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা শরীরের অনেক জায়গায় দেখা দিতে পারে। তবে তা একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম।সবার ক্ষেত্রে যে একই স্থানে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা হবে তা নয়।

গ্যাস্ট্রিক বেড়ে গেলে কি করবেন

যখন গ্যাস্ট্রিক আপনার শরীরে প্রাথমিক অবস্থায় থাকবে তখন আপনি প্রাকৃতিক উপায়ে কিংবা গ্যাস্ট্রিক নির্মূল করার কিছু ওষুধ ফার্মেসি থেকে কিনে খেতে পারেন। কিন্তু গ্যাস্ট্রিক যদি অতিমাত্রায় বেড়ে যায় সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। কারণ গ্যাস্ট্রিক একাধিক জটিল রোগ সৃষ্টিকারী। এটি কখনো অবহেলা করা উচিত নয় এতে মহাবিপদ আসতে পারে।

সচারচর জিজ্ঞাসা

গ্যাস্ট্রিক থেকে ক্যান্সার হতে পারে কি?

গ্যাস্ট্রিক যদি অতিমাত্রায় বেড়ে যায় এবং যথাযথ চিকিৎসা সঠিক সময়ে নেওয়া না হয় তাহলে গ্যাস্ট্রিক থেকে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় কি কি ওষুধ খাওয়া যাবে?

রেনিটিডিন, প্যান্টোনিক্স সেকলো, সার্জেল, এন্টাসিড, এক্সিয়াম, ম্যাক্সপ্রো ইত্যাদি ওষুধ ছাড়াও গ্যাস্ট্রিকের অনেক ধরনের ওষুধ রয়েছে।

গ্যাস্ট্রিকের জটিল রোগ সৃষ্টিকারী রোগ?

হ্যাঁ অবশ্যই গ্যাস্ট্রিক একটি জটিল রোগ। এবং এটি একাধিক জটিল রোগের সৃষ্টিকারী।

আমাদের শেষ কথা

আমাদের আজকের আর্টিকেলটিতে আলোচনা করা হয়েছে গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণ গুলো কি কি। ইতোমধ্যেই আপনারা আজকের আর্টিকেলটি পড়ে বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। এ বিষয়ে কারো কোন জিজ্ঞাসা থাকলে অবশ্যই আমাদের কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। আপনাদের যদি আমাদের ওয়েবসাইটের আর্টিকেল গুলো ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন আমাদের ওয়েবসাইটের কথা। আরো নতুন নতুন আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করবেন। আজকের মতো এ পর্যন্তই। সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

Post tags –

গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কোথায় কোথায় হয়,অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক এর লক্ষণ,অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তির উপায়,গ্যাস্ট্রিক কত প্রকার,গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সারের লক্ষণ,গ্যাস্ট্রিক আলসার এর লক্ষণ,কি খেলে গ্যাস্ট্রিক ভাল হয়,গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার লক্ষণ

আপনার জন্য আরো 

আপনার জন্য-

অ্যাজমা রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা 

থাইরয়েড রোগ থেকে মুক্তি পেতে করণীয়

চর্মরোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার কার্যকারী চিকিৎসা

যক্ষা বা টিবি রোগের লক্ষণ

ক্যান্সার রোগের যেসব লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না

শ্বেতী রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে জেনে নিন

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৫০৬ other subscribers

 

প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এখানে ক্লিক করুন।
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে :এখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।

SS IT BARI- টুইটার থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- লিংকদিন থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- ইনস্টাগ্রাম থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- টুম্বলার (Tumblr)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে :এখানে ক্লিক করুন।

SS IT BARI- পিন্টারেস্ট (Pinterest)থেকে আমাদের খবর সবার আগে পেতে : এখানে ক্লিক করুন।

SS It BARI JOB NEWS

SS IT BARI-ভালোবাসার টেক ব্লগ টিম