ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে ক্যান্সার রোগীর খাবার তালিকা

ক্যান্সার রোগীর খাবার-ক্যান্সার এই রোগটি বা এই নামটি শুনলেই আমাদের ভিতরে একটি কম্পন বা ভয়ের সৃষ্টি হয়। ক্যান্সার মরণব্যাধি রোগ তবে ক্যান্সার মরণব্যাধি রোগ হলেও এখন আমাদের বাংলাদেশে বা বিশ্বের বিভিন্ন রকম উন্নত চিকিৎসার ফলে অনেকেই এই ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন।

তবে ক্যান্সার রোগের মুক্তির প্রধান কারণই হচ্ছে ক্যান্সার রোগীর সঠিক খাবার তালিকা।বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যদি একজন ক্যান্সার রোগী কে সঠিক পরিমাণে খাবার এবং নিয়ম মেনে তার তালিকা অনুযায়ী খাবার খাওয়ানো যায়, তাহলে সে সুস্থ না হলেও অনেক দিন যাবত বেঁচে থাকবে। এজন্য যদি ক্যান্সার হয় তাহলে সর্বপ্রথম আপনার খাবার তালিকা সম্পর্কে জানুন। আজকের পোষ্টটি আমি আমার ব্যক্তিগত অনেকদিনের রিচার্জ থেকে আপনাদেরকে জানাবো ক্যান্সার রোগীর খাবারের তালিকা সম্পর্কে।

বাংলাদেশের সেরা ক্যান্সার হাসপাতাল

খাবার তালিকা যাওয়ার আগে ক্যান্সার সম্পর্কে একটু পরিচিত হয়ে নিই।

ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে ক্যান্সার রোগীর খাবার তালিকা

ক্যান্সার রোগ কি

ক্যান্সার হল অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজন সংক্রান্ত রোগের একটি গ্রুপ।  এই রোগে মৃত্যুর হার এখনও অনেক বেশি।  প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার সহজে ধরা না পড়ায় শেষ পর্যায়ে ভালো কোনো চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয় না।ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে ক্যান্সার রোগীর খাবার তালিকা

আমার নিজের ভাষায় ক্যান্সার রোগ হচ্ছে, আপনার শরীরের যেকোনো একটি অংশে যদি মাংস বৃদ্ধি পায় এবং সেখান থেকে মাংস বিশেষণ হয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে যায় সেটিকে আমরা ক্যান্সার রোগ বলতে পারি। এই ক্যান্সার রোগে কে আমরা মরণব্যাধি রোগ ও বলে থাকি।

ক্যান্সার রোগের সাধারণ লক্ষণ কি কি

যে রোগগুলো মানুষকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত করে তার মধ্যে ক্যান্সার সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। একবার ক্যান্সার শরীরে স্থির হয়ে গেলে রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কমে যায়। ক্যান্সার হলে শরীরে আরো অনেক রোগ চাপা পড়ে যায়। তখন রোগীকে বাঁচিয়ে রাখা একেবারেই কঠিন হয়ে পড়ে। যাইহোক, যদি কেউ প্রাথমিক পর্যায়ে এই মারাত্মক রোগটি সনাক্ত করতে পারে তবে এর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুব বেশি।

দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি– দীর্ঘ সময় ধরে ক্লান্ত বা বিষণ্ণ থাকলে তা অনেক রোগের কারণ হতে পারে, এমনকি ক্যান্সারও হতে পারে। লক্ষণগুলো সাধারণত কোলন ক্যান্সার বা ব্লাড ক্যান্সার। অতএব, আপনি যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ক্লান্ত বোধ করেন বা দীর্ঘ সময়ের জন্য ক্লান্ত হয়ে থাকেন তবে অবিলম্বে চিকিত্সার পরামর্শ নিন।

কমলার খোসা দিয়ে কি হয়?অজানা সব তথ্য যেনে নিন।

খাবার গ্রহণে সমস্যা– কেউ যদি খাওয়ার পর নিয়মিত বদহজমের সমস্যায় ভোগেন, তাহলে পেট, গলা বা গলার ক্যান্সার নিয়ে চিন্তার কারণ আছে। যাইহোক, এই লক্ষণগুলি সাধারণত গুরুত্ব সহকারে নেওয়া হয় না। তবুও অসুস্থতা কখনই এড়ানো যায় না।

অকারণে রক্তক্ষরণ– কাশির সময় রক্তপাত হলে তা ক্যান্সারের বড় লক্ষণ। যোনি বা মলদ্বার থেকে রক্তপাত সহ অন্যান্য অস্বাভাবিকতাও ক্যান্সারের লক্ষণ।

দীর্ঘস্থায়ী কাঁশি যদি দেখেন ওষুধ খেয়েও কাশি দূর হচ্ছে না, তাহলে শীতের কাশির চেয়ে বেশি চিকিৎসা করা উচিত। আর এই কাশির কারণে বুকে, পিঠে বা কাঁধে ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মলমূত্রত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন মলত্যাগের জন্য যদি ঘন ঘন টয়লেটে যেতে হয়, তাহলে ক্যান্সার নিয়ে চিন্তার কারণ আছে। ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যও কোলন ক্যান্সারের একটি উপসর্গ। অন্ত্রে ব্যথা বা প্রস্রাবের সময় রক্তপাত মূত্রাশয় ক্যান্সারের লক্ষণ।

ত্বকে পরিবর্তন ত্বকের ক্যানসার সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। ত্বকের অস্বাভাবিক পরিবর্তন এই ধরনের ক্যান্সার সনাক্ত করার একটি সহজ উপায়। তাই ত্বকে অতিরিক্ত তিল বা ফ্রিকেল অথবা আঁচিলের দিকে খেয়াল করুন। এর রঙ বা আকৃতিতে অস্বাভাবিক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়, অবিলম্বে চিকিৎসা সেবা নিন। অন্যান্য ক্যান্সারের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে ত্বক লাল হওয়া, ফোসকা এবং রক্তপাত

ঘন ঘন জ্বর ক্যান্সার যখন শরীরে প্রবেশ করে, তখন তা স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। এতে ঘন ঘন জ্বর হয়। উদ্বেগজনকভাবে, কিছু ক্যান্সার শেষ পর্যায়ে জ্বর দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। তবে ব্লাড ক্যান্সারসহ এসব ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায়ই শরীরে জ্বর দেখা দেয়।ঘন ঘন জ্বর হওয়া ক্যান্সারের লক্ষণ।

অস্বাভাবিক মাংসপিণ্ড– আপনি যদি শরীরের কোনো অংশে অস্বাভাবিক পিণ্ড দেখতে পান বা মাংসে পিণ্ড দেখতে পান বা এই ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করেন তবে এটি এমন কিছুর লক্ষণ যা আপনার কাম্য নয়। আপনার শরীরের কোনো পরিবর্তন স্বাভাবিক মনে হলেও, পর্যবেক্ষণ করুন, তারপর অন্তত ডাক্তারকে বলুন।ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে ক্যান্সার রোগীর খাবার তালিকা

দীর্ঘদিনের ব্যথা কোনো আপাত কারণ ছাড়াই (যেমন আঘাত) দীর্ঘদিন ধরে শরীরের কোনো অংশে ব্যথা হলে ওষুধে কাজ না হলে চিন্তার কারণ আছে। শরীরের কোথায় ব্যথা হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে রোগীর ব্রেন টিউমার বা ডিম্বাশয়, পায়ুপথ বা মলদ্বার ক্যান্সার হতে পারে।

ওজন হ্রাস– আপনি যদি কোনো কারণ ছাড়াই দ্রুত ওজন কমাতে থাকেন, তাহলে চিন্তার কারণ আছে। অনেক ক্যান্সারে সাধারণত তাড়াহুড়ো করে ওজন কমে যায়। তাই সবসময় শরীরের ওজনের দিকে নজর রাখুন।প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার ধরা পড়লে চিকিৎসা সেবায় রোগীকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব।

সর্বোপরি, ক্যান্সারের অনেক কারণ নির্ণয় করা যায় না, এবং অন্যের জন্য চিকিত্সার ফলে আরেকটি ক্যান্সার আবির্ভূত হয়। তাই শরীরের যেকোনো অসুখকে গুরুত্ব সহকারে নিতে হবে। বিশেষ করে 30-40 বছর বয়সের পরে, আপনাকে অবশ্যই প্রতি অর্ধেক বছর বা প্রতি বছর একটি স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে।

ক্যান্সার রোগীর খাবার তালিকা

একজন ক্যান্সার রোগীকে কেমোথেরাপি দেওয়া হয়, তখন শরীরে আরও ওষুধ দেওয়া হয়। এর ফলে বিভিন্ন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যেমন চুল পড়া, চোখের নিচে কালো দাগ এবং ক্ষুধা কমে যাওয়া।ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি খাবারের প্রতিও যত্নবান হতে হবে।

ক্যান্সার রোগীরা সব টাটকা খাবার খেতে পারেন। তবে ক্যান্সার রোগীরা চার ধরনের খাবার খান না। এসব খাবার তাদের জন্য ক্ষতিকর।

ক্যান্সার রোগীরা যেসব খাবার খাবেন না

  • ক্যান্সার রোগীরা ফ্রিজে রাখা খাবার খান না।
  • খাদ্য সংরক্ষণে ফরমালিন দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ। তবে বিভিন্ন প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রিজারভেটিভ যুক্ত খাবার খাবেন না।
  • সিঙ্গারা, সমুচা এবং অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার ক্ষতিকর।
  • বারবিকিউ একটি জাতীয় খাবার, অর্থাৎ যেসব খাবার সরাসরি আগুনে পুড়িয়ে তৈরি করা হয়, সেগুলো খাবেন না।

ক্যান্সার রোগীরা যেসব খাবার খাবেন

ক্যান্সার রোগীদের নরম ভাত খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত। কারণ এটি কেমোথেরাপির সময় হজমের সমস্যা সৃষ্টি করে। নরম ভাতের সাথে ঠান্ডা তরকারি পরিবেশন করুন। ঠাণ্ডা তরকারি কম তেল ও মশলা দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

এ ছাড়া সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল খান। এ সময় শরীরে ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, হিমোগ্লোবিনের অভাব থাকে। হিমোগ্লোবিন কম হলে বিট মূলের রস দেওয়া যেতে পারে।

ড্রাগন ফলের অজানা তথ্য ।উপকারিতা এবং নতুন নিয়মে ড্রাগন ফল চাষ

এ সময় প্রচুর পরিমাণে হিমোগ্লোবিন খেতে পারেন। কচুশাক, লালশাক, দন্তশাক; অবশ্যই এর সাথে লেবুর রস মিশিয়ে খেতে হবে। কারণ ভিটামিন সি সাধারণত আয়রন শোষণে সাহায্য করে।

দিনে একবার রসুন খেতে পারেন। রসুন এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি শরীরকে বিভিন্ন টক্সিন থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে। এছাড়া কেমোথেরাপির সময় রোগীর বেশি করে পানি পান করা উচিত।

ক্যানসার রোগীদের ক্যানসার দেওয়া যেতে পারে। টমেটোর স্যুপে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এ ছাড়া সব ধরনের তাজা খাবার খান।

লিভার ক্যান্সার রোগীর খাবার

লিভার মানবদেহের বৃহত্তম গ্রন্থি। লিভার শরীরের সমস্ত কাজের সাথে জড়িত। তাই সুস্থ থাকতে লিভারের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। ভালো পুষ্টি লিভারকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। লিভারের কোনো রোগ বা সমস্যা থাকলে সঠিক খাদ্য গ্রহণ করা জরুরি।

লিভারের বিভিন্ন ধরনের রোগের মধ্যে হেপাটাইটিস, লিভার সিরোসিস, ফ্যাটি লিভার ডিজিজ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। লিভারের রোগের উল্লেখযোগ্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে দেরি করে ঘুমোতে যাওয়া, দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, সকালে প্রস্রাব না করা, সকালের নাস্তা না করা, অতিরিক্ত ভাজা খাবার খাওয়া, অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় গ্রহণ ইত্যাদি।

তাই যখন খাদ্য নির্বাচনের কথা আসে, তখন আমাদের বিশেষভাবে খাবার বাছাই করতে হবে, যাতে লিভারের ওপর চাপ পড়ে এমন কোনো খাবার আমরা বেছে না নিই। তাই খাবার বাছাই করার সময় এমন খাবার বেছে নেওয়া উচিত যা সহজপাচ্য। সবজির ক্ষেত্রে যেমন পেঁপে, লাউ জাতীয় খাবার বেছে নেওয়া যেতে পারে।

অনেকে মনে করেন লিভারের রোগের জন্য প্রোটিন সীমাবদ্ধতা প্রয়োজন। কিন্তু সব ক্ষেত্রেই এ ধারণা সঠিক নয়। প্রোটিন শরীরের গঠন, পুনরায় পূরণ এবং বৃদ্ধি প্রচার করে। কিন্তু লিভারের রোগে লিভার তার কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এতে লিভারে বর্জ্য পদার্থ তৈরি হয়। এটি মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করে এবং হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি সৃষ্টি করে।

এক টুকরো কাঁচা আদাই হাজারো রোগ মুক্তিদাতা

লিভার সুস্থ রাখতে আমাদের কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আমরা কার্বোহাইড্রেট খাবার থেকে আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য চাহিদার 60 থেকে 70 শতাংশ নিতে পারি। এর মধ্যে গোটা শস্য জাতীয় খাবার যেমন ভাত, পাস্তা ইত্যাদি গ্রহণ করা যেতে পারে।

প্রোটিন জাতীয় খাবার থেকে আমরা 20 থেকে 30 শতাংশ পেতে পারি। এর মধ্যে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, পশু চর্বিহীন প্রোটিন অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। আমরা 10 থেকে 20 শতাংশ চর্বিযুক্ত খাবার যেমন বাদাম, মাছের তেল ইত্যাদি পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট হিসেবে গ্রহণ করতে পারি। আমাদের সারা দিনে আট থেকে 12 গ্লাস জল পান করা উচিত। তা ছাড়া সারাদিনের খাবারে সোডিয়ামের চাহিদা কখনোই এক থেকে 1.5 গ্রামের বেশি হবে না।

আমাদের ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি সম্পূরক গ্রহণ করা উচিত। এ সময় স্নায়ুতন্ত্রের নানা সমস্যা দেখা দেয়। এটি ছাড়া রক্তের সংখ্যা কম হতে পারে। ভিটামিন সি জাতীয় খাবার হিসেবে আমরা আম গ্রহণ করতে পারি। কারণ, এই ভিটামিন সি আমাদের সবজি আয়রন শোষণ করতে সাহায্য করে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার খান। অ্যালকোহলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। চা, কফি দিনে দুবারের বেশি খাওয়া উচিত নয়। এছাড়া অতিরিক্ত পরিমাণে ভিটামিন এ, আয়রন ও ভিটামিন বি৩ গ্রহণ করা যাবে না। তাই আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এমন খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে যা লিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ না ফেলে। সঠিক খাবার নির্বাচন করে লিভারকে সুস্থ রাখতে হবে।

পাকস্থলীর ক্যান্সার রোগীর খাবার

ভিটামিন সি, এ, ই ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি করে খেতে হবে। ডায়েটে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট (টক ফল, ভিটামিন এ) খাবার বেশি হওয়া দরকার।

ধূমপান করা খাবার, অত্যধিক লবণযুক্ত মাছ, অত্যধিক আচার পেটের ক্যান্সার হতে পারে। নাইট্রেট ও নাইট্রাইট নোংরা খাবার, দীর্ঘদিন খোলা রাখা খাবার এবং বাসি খাবারে পাওয়া যায়।

বাংলাদেশী ওয়েবসাইট “আমার সাইট আমার আয়” ওয়েবসাইট থেকে ঘরে বসে অনলাইনে ইনকাম করুন।

এই পদার্থগুলো শরীরে প্রবেশ করলে যে রাসায়নিক পরিবর্তন হয় তা কোষের জন্য ক্ষতিকর এবং ক্যান্সারের জন্য দায়ী। লাল মাংস কম খান। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরি। আপনার পেট সুস্থ রাখতে তাজা খাবার, সবুজ শাকসবজি, কম চর্বিযুক্ত মশলা এবং কম লবণযুক্ত খাবার খান।

ফুসফুস ক্যান্সার রোগীর খাবার

ছোট শিশুদের মধ্যে ফুসফুসের ক্যান্সার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। অনেক মহিলা আছেন যারা ধূমপান করেননি কিন্তু ফুসফুসের ক্যান্সারে মারা গেছেন। তবে, শুধুমাত্র সিগারেটই ফুসফুসের ক্যান্সারের কারণ নয়, অতিরিক্ত মাত্রার দূষণও ফুসফুসের ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। শুধু ওষুধ সেবন নয়, প্রাকৃতিক উপায়েও এই মারণ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে ক্যান্সার রোগীর খাবার তালিকা

শুধু ওষুধ সেবন নয়, প্রাকৃতিক উপায়েও এই মারণ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

আপেল

ফলের মধ্যে থাকা আপেল ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড ফুসফুসকে ক্যান্সার হওয়া থেকে রক্ষা করে।

রসুন

রসুনে থাকা সালফাইড ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সক্ষম। রান্না না করে কাঁচা রসুন খাওয়া সবচেয়ে উপকারী।

ব্রকলি

সবুজ সবজির মধ্যে সবচেয়ে ভালো হলো ব্রকলি। এতে সালফ্রোফিন থাকে। যা ফুসফুসকে মারণ রোগ থেকে রক্ষা করে। এই সবুজ সবজি থেকে যে এনজাইম বের হয় তা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

লাল বলপেপার

লাল মরিচ এবং লাল মরিচে রয়েছে ফাইটোকেমিক্যাল যা ফুসফুসকে মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা করে।

পালং শাক

পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে ফোলেট, ভিটামিন এবং লুটেইন রয়েছে। যা ফুসফুস ভালো রাখতে সাহায্য করে।

ব্লাড ক্যান্সার রোগীর খাবার

ব্লাড ক্যান্সার বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। বাংলাদেশে মৃত্যুহারের জন্য দায়ী একটি রোগও এটি। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে এই ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে হলে এর লক্ষণ সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।

বলা হয়ে থাকে, শরীরের যত রোগ আছে তার মধ্যে ব্লাড ক্যান্সার সবচেয়ে মারাত্মক। তবে আশার কথা হলো প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিলে জটিলতা এড়ানো যায়। একই সময়ে, অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপনের বিষয়টিও বিবেচনা করা উচিত। আর এ জন্য প্রয়োজন জনসচেতনতা বৃদ্ধি।

ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে ক্যান্সার রোগীর খাবার তালিকা

মিষ্টি আলু:

মিষ্টি আলু বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ একটি সবজি। গবেষণায় দেখা গেছে যে শরীরে উচ্চ মাত্রার বিটা ক্যারোটিন কোলন, স্তন, পাকস্থলী এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। গবেষণায় দেখা গেছে যে মহিলারা তাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বিটা-ক্যারোটিন সমৃদ্ধ সবজি যেমন মিষ্টি আলু অন্তর্ভুক্ত করেন তাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় অর্ধেক।

হলুদ:

হলুদের সবচেয়ে সক্রিয় উপাদান, যা কারকিউমিন নামে পরিচিত, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উভয়ই কাজ করে। আপনার শরীরকে ক্যান্সার প্রতিরোধী করতে চাইলে কাঁচা হলুদ খেতে পারেন বা প্রয়োজন মতো মাছ ও মাংসের তরকারিতে ব্যবহার করতে পারেন।

ঘরোয়া উপায়ে চুল পড়া বন্ধ করুন

চা:

চায়ে ক্যাটেচিন নামক একটি যৌগ থাকে। এই যৌগ মানবদেহকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে। চীনে একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা চা পান করেন তাদের ফুসফুস, প্রোস্টেট, কোলন এবং স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি যারা পান না তাদের তুলনায় অনেক কম। চায়ের মধ্যে গ্রিন টি ক্যান্সার প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকরী।

বেদানা:

বেদানায় রয়েছে ‘অ্যালার্জিক অ্যাসিড’। এই ইলাজিক অ্যাসিড শরীরে ক্যান্সারের জন্য দায়ী যৌগকে নিষ্ক্রিয় করে এবং ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়। যেভাবেই হোক, আজ থেকে পরিবারের সবাইকে বেদানা খেতে উৎসাহিত করুন। সবাই সরাসরি সালাদ, জুস, মিল্কশেক বা অন্য কোনো উপায়ে বেদনা খেতে পারেন।

টমেটো:

2009 সালে জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল অনকোলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে টমেটো লাইকোপেন নামক ক্যান্সার প্রতিরোধে সমৃদ্ধ। লাইকোপিন প্রোস্টেট ক্যান্সার সহ অন্যান্য ক্যান্সারের বিরুদ্ধে শরীরকে রক্ষা করে। তাই প্রতি সপ্তাহে নারী-পুরুষের খাদ্যতালিকায় অন্তত তিনটি টমেটো থাকা খুবই জরুরি।

আশা করা যায় যে, প্রাথমিক সনাক্তকরণ বেশিরভাগ ক্যান্সার নিরাময় করতে পারে। জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন, বলিউড অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা কিংবা ভারতীয় ক্রিকেটার যুবরাজ সিংরা ক্যান্সার জয় করে নিজ নিজ মাঠে ফিরেছেন।

ওমিক্রন প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পদক্ষেপ I Covid-19

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ২৬৩ other subscribers

Join With Us

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুনঃ এখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে এএখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।
গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন।
SS IT BARI-সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুন এই লিংকে

pp

তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক লেখালিখি করি। এর আগে বিভিন্ন পোর্টালের সাথে যুক্ত থাকলেও, SS IT BARI-আমার হাতেখড়ি। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিশ্লেষণ বাংলায় জানতে ভিজিট করুন http://ssitbari.com

1 Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.