কি কারণে বমি হয়?বমি হলে কি করবেন?বমি হলে  কোন খাবার গুলো খাওয়া উচিত

বমি বমি ভাব ও বমি হওয়া খুবই সাধারণ একটি সমস্যা যা যে কোন মানুষেরই  হতে পারে। শারীরিক কোন সমস্যার কারণে, এসিড রিফ্লাক্সের কারণে বা গর্ভাবস্থায় বমি হতে পারে। বমি হয়ে যাওয়ার পরেও বমনেচ্ছুক অনুভূতি থাকে পেটের ভেতর। যদি মাথায় আঘাত পাওয়ার কারণে বমি হয় ও পেটে ব্যথা হয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের শরনাপনাপন্ন হতে হবে।

কি কারণে বমি হয়

আর যদি স্ট্রেস, অ্যাংজাইটি ও টেনশনের কারণে আপনার বমি হওয়ার প্রবণতা থাকে তাহলে আপনার পাকস্থলীকে শীতল করার জন্য এবং আবারও বমি হওয়া বন্ধ করতে সাহায্য করবে কিছু খাবার।

লিভার সিরোসিস রোগীর খাবার

চলুন জেনে নিই কি কারণে বমি হয়,বমি হলে কি করবেন, বমি হলে কোন খাবার গুলো খাওয়া উচিৎ সেগুলোর বিষয়ে।

কি কারণে বমি হয়?

১।খাবারে বিষক্রিয়া: নানা কারণে হতে পারে খাবারে বিষক্রিয়া। এটা কখনো হয় বিভিন্ন ধরনের জীবাণুর কারণে, আবার অনেক সময় খাবারে বিষাক্ত উপাদান থাকার কারণে। বাইরের কেনা খাবার কিংবা অস্বাস্থ্যকর খাবার (পচা–বাসি, মাছি বসেছে এমন খাবার) খেয়ে থাকলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খাদ্যে বিষক্রিয়ার উপসর্গ হিসেবে বমি হতে পারে। সঙ্গে থাকতে পারে পেটব্যথা, পাতলা পায়খানা কিংবা মৃদু জ্বর।

২।লিভারের প্রদাহ: বমির অন্যতম কারণ লিভারের প্রদাহ বা হেপাটাইটিস। বমির সঙ্গে পেটের ডান দিকে ওপরের অংশে ব্যথা, খাবারে অরুচি, চোখ বা প্রস্রাব হলুদ হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণও দেখা দিতে পারে। থাকতে পারে জ্বর।

৩।পিত্তথলির প্রদাহ: পিত্তথলির প্রদাহ হলে পেটের ওপরের অংশে (বুকের নিচ বরাবর) কিংবা পেটের ডান দিকে ওপরের অংশে ব্যথা হতে পারে। ব্যথা ছড়িয়ে যেতে পারে কাঁধের দিকে। বমি তো হতেই পারে। খাওয়ার পর বিশেষ করে ভারী কিছু খাওয়ার পর ব্যথা ও বমি বাড়ে।

করোনা রোগীর খাবার  এবং করোনা রোগী কোন কোন  খাবার বাদ দিবেন

৪।অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ: অগ্ন্যাশয়ে প্রদাহ হলে বমি ছাড়াও পেটের ওপরের অংশে প্রচণ্ড ব্যথা হয়, যা পেছনে পিঠে ছড়িয়ে যেতে পারে। থাকতে পারে প্রচণ্ড জ্বরও। খুব দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়ে রোগী।

৫।অ্যাপেন্ডিক্সের প্রদাহ: অ্যাপেন্ডিসাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির নাভির গোড়ায় কিংবা তলপেটের ডান দিকে ব্যথা, ক্ষুধামান্দ্যর সঙ্গে বমিও থাকতে পারে।

৬।গ্যাসের সমস্যা: পেপটিক আলসারজনিত সমস্যায়ও বমি হতে পারে। সঙ্গে থাকতে পারে বুকে জ্বালাপোড়া, খাওয়ার পর গলা জ্বলা, ঢেকুর ওঠা এবং পেট ভার অনুভূত হওয়ার মতো সমস্যাও।

৭।মূত্র ও মূত্রথলির সংক্রমণ: কেবল পরিপাকতন্ত্রের সমস্যায় বমি হয়, তা নয়, বরং প্রস্রাবে বা মূত্রে সংক্রমণ হলে তলপেটে ব্যথা, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, কাঁপুনিসহ জ্বর যেমন হতে পারে, তেমনি হতে পারে বমিও। মূত্রনালি ও মূত্রতন্ত্রের ওপরের অংশে প্রদাহ হলেও বমিসহ কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসতে পারে। কোমরের দুই পাশে ব্যথা হতে পারে।

৮।দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ: দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে বা কিডনি ফেইলিউরে শরীরে ক্রমাগত বর্জ্য পদার্থ জমা হতে থাকে বলে জটিলতা বাড়ে। এ ধরনের রোগীর ক্ষুধামান্দ্য ও বমির প্রবণতা দেখা যায়।

৯।মস্তিষ্কের রোগে বমি: মস্তিষ্কের গুরুতর সমস্যায় বমি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। মস্তিষ্কের প্রদাহ (এনকেফেলাইটিস), মস্তিষ্কের পর্দা বা আবরণীর প্রদাহ (মেনিনজাইটিস), এমনকি মস্তিষ্কে টিউমার হলেও বমি হতে পারে। মাথাব্যথার (বিশেষত সকালবেলার তীব্র মাথাব্যথা) সঙ্গে বমি হলে অবশ্যই এমনটা সন্দেহ করতে হবে। কখনো রোগীর জ্ঞানের মাত্রার তারতম্য হতে পারে, হতে পারে খিঁচুনিও। প্রদাহ হয়ে থাকলে জ্বর হতে পারে।

১০।গর্ভাবস্থা: বিবাহিত নারীর ক্ষেত্রে ভিন্ন একটি সম্ভাবনার কথা মাথায় রাখতে হবে। শেষবার মাসিক হওয়ার পর কত দিন পেরিয়ে গেছে, তা হিসাব করতে হবে। অনেক সময়ই নারীরা নিজের খেয়াল রাখার সময় পান না। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস বমি ভাব ও বমি হওয়াটা স্বাভাবিক।

১১।মানসিক: অনেক সময় কোনো কারণ ছাড়াই কেউ কেউ বমির সমস্যায় ভুগে থাকেন। বিশেষ করে কম বয়সী মেয়েদের বা শিশুদের ক্ষেত্রে এমনটা বেশি দেখা যায়। একে বলে সাইকোজেনিক বমি। এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসক সম্ভাব্য কোনো কারণ খুঁজে না পেলে এবং মানসিক অস্থিরতা বা অন্য কোনো মানসিক যোগসূত্র পেলে মানসিক সমস্যাকে বিবেচনায় নিয়ে থাকেন।

বমি হলে কি করবেন?

১।বমি হলে শরীর থেকে প্রচুর লবণ ও পানি বেরিয়ে যায়। তাই বমি হলেই স্যালাইন পানি পান করতে হবে। তা না হলে রোগী খুব দুর্বল হয়ে পড়বেন। পানিশূন্যতা দেখা দেবে। অনেকের ধারণা ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনি রোগীদের স্যালাইন খাওয়া যাবে না, ধারণাটি ঠিক নয়। পানি ও লবণের অভাব যে করেই হোক পূরণ করতে হবে।

২।একবারে স্যালাইন পানি পান না করতে পারলে একটু পরপর অল্প অল্প করে নিতে হবে। স্যালাইন যাতে বমির মাধ্যমে বের না হয়ে যায়, সে জন্য দরকার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বমির ওষুধ আগে খেয়ে নিন।

৩।সাধারণ সমস্যায় এক-দুবার বমি হওয়ার পর স্যালাইন খেলেই খানিকক্ষণ পর রোগী সুস্থ বোধ করেন। সাধারণ বমির ওষুধে সেরেও যায়। তবে বারবার বমি হতে থাকলে হাসপাতালে নেওয়া দরকার। খাবার স্যালাইনও সে ক্ষেত্রে বের হয়ে আসতে থাকে। তাই প্রয়োজনে রোগীকে শিরাপথে স্যালাইন দিতে হবে।

৪।বমি আসলে যদিও বমি চাপিয়ে রাখা খুব কঠিন ব্যাপার। তবে বমি আসলে বমি করুন। বমি চাপিয়ে রাখবেন না। অনেক সময় খাবারে বিষক্রিয়া থেকে বমি হতে পারে। বমি পেট থেকে বিষক্রিয়া বের হয়ে যায়।এতে একটু স্বস্তি লাগবে।

দীর্ঘদিনের খাবার হজমের সমস্যা দূর করার ঘরোয়া উপায়

৫।বমি বমি ভাব হলে হাঁটতে পারেন। কমপক্ষে ২০ মিনিট হাঁটুন। হাঁটলে বমি বমি ভাব দূর হয়। এছাড়া জোরে দম নিতে পারেন।

৬।খাবার না খেয়ে অনেকক্ষণ খালি পেটে থাকলেও বমি হতে পারে। তাই পেট খালি রাখবেন না। তবে এমন খবার খাওয়া উচিত যা আপনার হজমে সমস্যা না করে।

৭।আদা চা খেলে অনেক সময় বমি কমে। আদা বমি প্রতিরোধের সাহায্য করে। তাই বমি এলে আদা চা খেতে পারেন।

৮।হাসপাতালের জরুরি বিভাগে বমি কমানোর ইনজেকশন দিয়ে কিছুটা উপশম করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ইতিহাস জেনে ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বমির কারণ অনুসন্ধান করে তারপর সেটার চিকিৎসা শুরু হবে। কোনো কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়ও বমি হতে পারে। তাই সাম্প্রতিক সময়ে কোনো ওষুধ সেবন করে থাকলে সেটি চিকিৎসককে জানাতে ভুলবেন না।

বমি হলে  কোন খাবার গুলো খাওয়া উচিত

মানুষ সাধারনত কখনই ইচ্ছাকৃত ভাবে বমি করেনা বরং মানুষের পেটে অপাচ্য বা সংক্রামক কিছু পড়লেই মানুষ বমি করতে সক্ষম হয়। আবার অনেক সময় দেখা যায় যে বমি না আসলেও এই বমি ভাবটা থেকেই যায় আর তা অস্বস্তিকর। আর বমি করা বেশিরভাগ সময়ই আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না।

কি কারণে বমি হয়

আমরা জানি যে আমাদের পেটে অপাচ্য বা সংক্রামক কিছু পড়লে স্বাভাবিকভাবেই তা বের করে দেয় শরীর। আর বমি করা অনেকটা প্রতিবর্ত ক্রিয়ার মতো। চলুন জেনে নেই  বমি হলে  কোন খাবার গুলো খাওয়া উচিত-

১।বরফ

বমি হয়ে যাওয়ার পরে একজন মানুষকে পানি পানের কথা বলা হয়। যদিও বমি হওয়ার পর পরই খুব বেশি পানি পান করা উচিৎ নয়। এর পরিবর্তে ২-৩ টি বরফের টুকরো খেতে পারেন। মুম্বাই এর পিডি হিন্দুজা হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক নিউট্রিশন থেরাপিস্ট ডা.পূর্ণিমা সুহাস প্রভু বলেন, “ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বড় কোন পরীক্ষার আগে টেনশনের কারণে বমি বমি ভাব ও বমি হওয়া খুবই সাধারণ একটি ঘটনা।

ভিটামিন ডি জাতীয় খাবার দেহের সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

এমনকি টাইপ এ পার্সোনালিটির মানুষদের অন্যদের চেয়ে বেশি এসিড উৎপন্ন হতে দেখা যায়। আইস কিউব বমি বমি ভাব কমাতে সাহায্য করে”।

২। ক্রিম ক্র্যাকারস

নোনতা স্বাদ বা মসলাদার বিস্কুট সব দোকানেই পাওয়া যায়। ডায়েটিশিয়ানরা গর্ভবতী নারীদের সকালে খালি পেটে নোনতা বিস্কুট খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বমি ও বমি বমি ভাব প্রতিরোধের জন্য। যদি আপনার মোশন সিকনেস হওয়ার প্রবণতা থাকে তাহলে দূরের যাত্রার সময় আপনার ব্যাগে এক প্যাকেট নোনতা বিস্কুট রাখুন।

৩। কমলার জুস

আপনি যদি বমি বমি ভাব অনুভব করেন তবে সে সময়ে অথবা বমি হওয়ার পরে এক গ্লাস কমলার জুস পান করতে পারেন।

৪। ব্রাট ডায়েট

কলা, ভাত, আপেল ও টোস্টকে ব্রাট ডায়েট বলে। বমি হওয়ার কয়েক ঘন্টা পরে যখন ক্ষুধা অনুভব হয় তখন এই খাবারগুলো খেতে পারেন। এমনকি একটি কলা খেলেও আপনার পাকস্থলী শীতল হবে।

৫। দই

এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ খেতে পারেন, তবে দই খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। কারণ এটি সহজেই হজম হয়ে যায়। মনে রাখবেন তাজা দই হলে ভালো যা খুব বেশি টক নয়। দই প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক যা খুব দ্রুতই পাকস্থলীকে শীতল করতে পারে এবং এসিডিটি প্রতিরোধে সাহায্য করে। বমি হয়ে যাওয়ার কয়েক ঘন্টা পরে দই খেতে পারেন।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন*

৬। মশলাবিহীন খাবার

বমি হওয়ার পরে মশলাযুক্ত খাবার খাওয়া হচ্ছে সবচেয়ে খারাপ। বরং বমি হওয়ার পরে এমন খাবার খাওয়া উচিৎ যা খুব বেশি মশলাযুক্ত নয় যেমন- খিচুড়ি, স্যান্ডউইচ, সিদ্ধ আলু ইত্যাদি।  কারণ মশলাযুক্ত খাবার এসিডিটির সমস্যা সৃষ্টি করবে এবং পুনরায় বমির উদ্রেক করবে।

৭।সবুজ এলাচ

সবুজ এলাচ বমি বমি ভাবের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যেতে পারে। সবুজ এলাচ বমি সারাতে কার্যকর। যদি আপনার বমি বমি ভাব হয়; তখন সামান্য মধু দিয়ে এলাচ চিবিয়ে খেতে পারেন।

এ ছাড়াও সামান্য মধু, ১/২ চা চামচ এলাচ গুঁড়ো ভাল করে মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে বমি দ্রুত বন্ধ হবে।

৮।মৌরি বীজ

মৌরি বীজ সাধারণত মাউথ ফ্রেশনার হিসেবে খাওয়া হয়। মৌরি বীজের হাজারো উপকারিতা আছে। জানেন কি, এটি বমি প্রতিরোধ করতে পারে।

মৌরি বীজ বা সানফ আপনার মুখের স্বাদ রিফ্রেশ করে এবং বমি বন্ধ করতে সাহায্য করে। আপনি বীজ চিবিয়ে খেতে পারেন অথবা এক কাপ মৌরি বীজের চা পান করতে পারেন।

৯।লেবুর রস

লেবুতে ভিটামিন সি এবং খনিজ উপাদান আছে। যা বমি প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে। এজন্য এক গ্লাস তাজা লেবুর শরবত পান করুন। চাইলে লেবুর শরবতে মধু মিশিয়ে নিতে পারেন।

১০।লবঙ্গ

আপনি যদি মোশন সিকনেসে ভুগেন; তাহলে অবশ্যই কাছে লবঙ্গ রাখুন। লবঙ্গ আপনাকে দ্রুত বমি বমি ভাব থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করবে।

লবঙ্গের টুকরো কিছুক্ষণ মুখে রাখলেই বমি বমি ভাব বন্ধ হবে। এ ছাড়াও এক গ্লাস পানিতে ১ চা চামচ লবঙ্গ সেদ্ধ করতে ওই পানি চা হিসেবে পান করতে পারেন।

১১।আদা

আপনি যদি বমি বমি ভাব অনুভব করেন; তাহলে এক কাপ আদা চা খেতে পারেন। আদা পেটের জ্বালা কমাতে সাহায্য করে এবং তাত্ক্ষণিক স্বস্তি দেন।

১২।লবণ এবং চিনির পানি

বমি রোধ করার আরেকটি দ্রুততম প্রতিকার হলো লবণ এবং চিনির পানি পান করা। শরীরে লবণের ভারসাম্যহীনতার কারণে অনেক সময় বমি হয়ে থাকে।

এজন্য এক গ্লাস পানিতে সামান্য চিনি এবং লবণ মিশিয়ে পান করুন। এই পানীয় আপনাকে তাত্ক্ষণিকভাবে হাইড্রেটেড এবং এনার্জি দেবে।

১৩।লেবু ও মধুর পানি

ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস আর মধু মিশিয়ে খান। আরাম পাবেন। লেবু বেশ কিছু ভিটামিন আর খনিজের উৎস, যা বমি কমাতে সাহায্য করে।

১৪। কমলালেবু

লেবুর মতোই কমলা লেবুও উপকারী। কমলার রসও খেতে পারেন।

আপনার জন্য –

শর্করা । অ্যালার্জি। ভিটামিন সি। ক্যালসিয়াম। আমিষ। প্রাণীজ আমিষ। আঁশ জাতীয় খাবারের তালিকা সহ বিস্তারিত

সুষম খাবার কাকে বলে? সুষম খাবারের উপাদান সহ সুষম খাবার সম্পর্কে সকল তথ্য

৬ মাস থেকে ৫ বছরের বাচ্চার খাবার নিয়ে   দুশ্চিন্তা দিন শেষ

বাচ্চার পুষ্টি নিয়ে ভাবছেন?অধিক পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ বাচ্চার খাবার তালিকা

নবজাতক শিশুর যত্ন ও পরিচর্যায় বাবা-মার করণীয়

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪০৭ other subscribers

WhatsApp Image 2022 02 01 at 9.56.07 AM

SS IT BARI- ভালবাসার টেক ব্লগ এ হেলথ/স্বাস্থ্য/স্কিন কেয়ার  এবং ইতিহাস বিষয়ক লেখালিখি করি। এর আগে বিভিন্ন পোর্টালের সাথে যুক্ত থাকলেও, SS IT BARI-আমার হাতেখড়ি। হেলথ/স্বাস্থ্য/স্কিন কেয়ার বিষয়ক বিশ্লেষণ বাংলায় জানতে ভিজিট করুন http://ssitbari.com

Leave a Reply

Your email address will not be published.