কিডনি পরিষ্কার রাখবে এই ৯ খাবার (সুস্বাস্থ্য টিপস)

মানুষের দেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হলো কিডনি। মানুষের খাদ্য অভ্যাস জীবন যাত্রার পদ্ধতির ওপর কিডনির সুস্থতা নির্ভরশীল। আর কিডনি শরীরের জন্য এতই গুরুত্বপূর্ণ যে কিডনি কোন কারণে ড্যামেজ হয়ে গেলে মানুষের জীবন থেমে যায়।

কিডনির প্রধান কাজ হল দেহ থেকে ক্ষতিকর বজ্র বের করে দেওয়া এবং ক্ষতিকর টক্সিন অপসারণের মাধ্যমে দেহ থেকে অতিরিক্ত পানি অপসারণ করা। কিডনি ইলেক্ট্রোলাইটস এবং অন্যান্য তরলের ভারসাম্য রক্ষা করে থাকে।

এই কাজগুলো থেকেই বোঝা যায় কিডনি শরীরের জন্য কতটা জরুরি। কিডনি সুস্থ রাখতে এবং পরিষ্কার রাখতে অবশ্যই স্বাস্থ্যকর খাদ্য অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

আজকের আর্টিকেলে এমন নয়টি খাবার সম্পর্কে আপনাদের বলব সেই নয়টি খাবারের কিডনি ভালো থাকবে। কিডনি পরিষ্কার রাখতে এমন কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো খেলে খুবই উপকার পাওয়া যাবে। অনেক কিডনি রোগীরাই এই ধরনের খাবারের খোঁজ করে থাকেন। আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমেই আপনারা এই খাবারগুলো সম্পর্কে জানবেন।

কিডনি পরিষ্কার রাখবে এই ৯ খাবার

কিডনি কি

কিডনি মানব দেহের অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি অঙ্গ। কিডনি ছাড়া একটি মানুষের বেঁচে থাকার কোন অবকাশ নেই। একজন মানুষের দেহকে সুস্থ সবল রাখতে কিডনির বিকল্প নেই। মানব দেহকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে কিডনি।

গ্যাস্ট্রিকের জন্য সবচেয়ে ভালো সিরাপ কোনটি?

কিডনি দেহ থেকে টক্সিন ও বজ্র পদার্থ বের করে দেহকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। অনেক সময় টক্সিন জমে কিডনি নষ্ট হয়ে যায়। এমতাবস্থায় শরীরের সচলতা কমে যায়।

কিডনি পরিষ্কার রাখার ৯টি খাবার

১.শাকসবজি

কিডনি পরিষ্কার রাখতে এমন কিছু শাকসবজি খেতে হবেযেগুলোতে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য আসবে ভিটামিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পর্যাপ্ত জলীয় উপাদান রয়েছে। যা সহজে কিডনি পরিশোধন করে শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করতে সাহায্য করবে।যেমন: লাউ, ঝিঙ্গা, পটল, ঢেঁড়স, ধন্দোল, চিচিঙ্গা মিষ্টি কুমড়া চাল কুমড়া ,অঙ্কুরিত মুগ ডাল, ক্যাপসিকাম ইত্যাদি।

২.আপেল

অ্যাপেল এমন একটি ফল যাতে পলিফিনাল নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে যা কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করে।যেসব মানুষের কিডনিতে পাথর্জনিত সমস্যা রয়েছে তারা যদি নিয়মিত আপেল খায় তাহলে সেই পাথর নরম এবং ছোট হয়ে শরীর থেকে বের হয়ে আসে।

৩.ফলের জুস

ফলের জুস কিডনির জন্য খুব উপকার। চিনি বা লবণ ব্যতীত তাজা ফলের জুস খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। এটি কিডনি পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। লেবু, কমলা বা তরমুজের জুস পান করবেন।

এতে কিডনি পরিষ্কার থাকে। কারন এইসব জুসের সাইট্রিক এসিড রয়েছে।তবে বাজারের থেকে কিনে জুস পান করলে তা স্বাস্থ্যকর হবে না। অবশ্যই টাটকা ফল দিয়ে বাড়িতে জুস বানানোর চেষ্টা করবেন।

৪.রসুন

রসুন কিডনি পরিষ্কার রাখতে খুবই কার্যকারী। রসুন এ রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান যা দেহের প্রদাহ দূর করে।যদি খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়া যায় তাহলে তা হার্টের পাশাপাশি কিডনির জন্য খুব উপকারী।

৫.ক্যানবেরি জুস

ক্যানবেরি ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও ম্যাগনেসিয়াম। এই দুটি উপাদান কিডনির ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত ক্যানবেরি জুস খেলে মূত্রথলির সংক্রমণ কমে যায় এবং এরই সাথে কিডনিও পরিষ্কার থাকে। ক্যানবেরি জুস খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।

৬.হলুদ

কিডনিকে বিভিন্ন সমস্যার হাত থেকে রক্ষা করে হলুদ। নিয়মিত হলুদ খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কম থাকে এবং সেই সাথে কিডনি ও পরিষ্কার থাকে। হলুতে থাকা কার কমিনে এন্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান কিডনি রোগ ও পাথর জমা হওয়া রোধ করে।

৭. পালং শাক

পালং শাক পুষ্টিগুণে ভরপুর।কিডনি কে ভালো রাখতে প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় সবুজ শাকসবজি অন্তর্ভুক্ত করা জরুরী। পালং শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন যা কিডনিকে ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে। কিডনি ভালো রাখতে প্রতিদিন অল্প পরিমাণে পালং শাক খান তবে বেশি খাওয়া যাবেনা। বেশি খেলে কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি বাড়বে।

৮. পানি

পানির অপর নাম জীবন। সুস্থ থাকতে বিশুদ্ধ পানির কোন জুড়ি নেই। শরীরে পানির ঘাটতি থাকলে কিডনিতে সমস্যা হয়। তাই দিনে অন্তত ৩ লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে।

৯. অপরাজিতা ফুলের চা

অপরাজিতা ফুলে তিন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা দেহে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।মূত্রনালী সংক্রমণ রোধে এবং কিডনির পাথর তৈরিতে বাধা দান করে।

কিডনি পরিষ্কার করার উপায় কি

কিডনি পরিষ্কার রাখতে  স্বাস্থ্যকর খাদ্য খেতে হবে। এছাড়াও কিডনি পরিষ্কার রাখতে সব সময় পরিমাণ মতো পানি খেতে হবে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা সবসময় পরামর্শ দেন খাদ্য তালিকায় সবুজ শাকসবজি অন্তর্ভুক্ত করুন। এছাড়াও পেঁয়াজ, আদা, রসুন, মাছ-মাংস, স্ট্রবেরি, চেরি, আনারস এই ধরনের খাবার গুলো কিডনি পরিষ্কার রাখতে খুবই উপকারী।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

কিডনি পরিষ্কার রাখতে এবং কিডনিকে সুস্থ রাখতে এই খাবারগুলো বেশি বেশি খান। আপনার প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় অন্ততপক্ষে একটি সবুজ শাকসবজি অন্তর্ভুক্ত করুন। এই খাবারগুলো খেলে আশা করি আপনার কিডনি পরিষ্কার থাকবে।

কিডনি ভালো রাখতে কি করতে হবে

মানব দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হচ্ছে কিডনি। কিডনি সুস্থ থাকলে মানুষের শরীর সচল থাকে। তাই কিডনি ভালো রাখতে হলে অতিরিক্ত লবণ চিনি চর্বিযুক্ত খাবার বর্জন করতে হবে। এবং হাই পটাশিয়ামযুক্ত খাবার যেমন: কলা, কমলা লেবু, পালং শাক যা কিডনির জন্য উপকারী এবং কিডনিকে ভালো রাখতে সহায়তা করে এগুলো খেতে হবে।

এছাড়াও নিয়মিত ব্যায়াম সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো এবং কিডনিকে সুস্থ রাখতে ও নিয়মিত ব্যায়াম করার অনেক বেশি কার্যকারিতা রয়েছে। নিয়মিত ব্যায়াম করলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

কিডনি পরিষ্কার রাখতে ঘরোয়া পদ্ধতি

কিডনির মূল কাজ হচ্ছে রক্তের মধ্যেও জমে থাকা বজ্র পদার্থ শরীর থেকে অপসারণ করা।তাই যদি কিডনি কোন কারণে খারাপ হয়ে যায় তাহলে এই কাজগুলো বন্ধ থাকে এবং শরীর অসুস্থ হয়ে যায়। কিডনিকে ভালো রাখতে আমাদের খাবার খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক হতে হয়।খাবারের মাধ্যমে দূষিত পদার্থ শরীরে প্রবেশ করে এবং কিডনিকে খারাপ করে দেয়। কিডনি ভালো রাখতে ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো হলো;

প্রচুর পানি খান

কিডনি কে ভালো রাখতে অবশ্যই পানি খাওয়া জরুরী। পানি খেলে শরীরের থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বের হয়ে যায় এবং কিডনি ভালো থাকে।

স্বাস্থ্যকর খাবার

কিডনিকে ভালো রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কোন বিকল্প নেই। অতিরিক্ত তেল মশলাযুক্ত খাবার কিডনির জন্য ক্ষতিকর তাই অতিরিক্ত তেল মসলা লবণ চিনি চর্বিযুক্ত খাবার কিডনি ভালো রাখতে এড়িয়ে যেতে হবে। এবং স্বাস্থ্যকর শাক সবজি ফলমূল মাছ-মাংস খেতে হবে।

নিয়মিত ব্যায়াম

নিয়মিত ব্যায়াম করলে কিডনি সুস্থ থাকে এর পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ হার্টের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীকে নিয়মিত 20 থেকে 30 মিনিট ব্যায়াম করার পরামর্শ দেন।

ধূমপান বর্জন করুন

যারা অতিরিক্ত ধূমপান করে তাদের ফুসফুসের যেমন ক্ষতি হয় তেমনি কিডনিও খারাপ হয়। যদি ধুমপান আপনার নেশা হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই কিডনি ভালো রাখতে তা বর্জন করতে হবে।

ব্যথা নাশক ওষুধ

আমরা সামান্য শরীরে ব্যথা অনুভব করলেই ব্যথা নাশক ওষুধগুলো খেয়ে থাকে যা কিডনির জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তাই কিডনি ভালো রাখতে ব্যথার ওষুধ গুলো এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস করুন

যাদের উচ্চ রক্তচাপ উচ্চ শর্করা রয়েছে তাদের কিডনি খারাপ হওয়ার ঝুঁকি আছে।তাই নিয়মিত ডায়াবেটিকস পরীক্ষা করাবেন এবং রক্তের শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাবেন।

কোমল পানীয় পরিহার

অনেকেই পানির বদলে কোমল পানিও বা বিভিন্ন রকমের এনার্জি ড্রিংকস খেয়ে থাকেন। এই ধরনের পানীয় গুলো কিডনির জন্য অত্যন্ত বেশি ক্ষতিকর।তাই কোমল পানীয় এড়িয়ে চলুন এবং যখনই তৃষ্ণা পায় পানি খেয়ে নিন।

কিডনির পরীক্ষা

উচ্চ রক্তচাপ ডায়াবেটিকস অতিরিক্ত ওজন অথবা পরিবারের কারো কিডনি সমস্যা থাকে কিডনি রোগ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। যাদের কিডনি ঝুঁকি আছে তাদের অবশ্যই নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা করানো উচিত।

কিডনি রোগ নির্ণয় করতে কিডনি রোগের পরীক্ষা

কিডনিরোগ চিহ্নিত করতে যে সকল পরীক্ষাগুলো দেওয়া হয় সেগুলো হচ্ছে;

১) মূত্র/ রক্ত পরীক্ষা।

২) আল্ট্রা সাউন্ড।

৩) সিটি স্ক্যান।

৪) এমআরআই।

৫) ইউরেটিরোস্কপি।

৬) বায়োপসি।

উপরোক্ত পরীক্ষাগুলোর মাধ্যমে কিডনি রোগ নির্ণয় করা হয়।

প্রসঙ্গত গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেশনরেট কিডনির সামগ্রিক কার্যকারিতার পরিমাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা যার সাধারণ মান 90 থেকে ১২০ মিলি/মিনিট/১.৭৩ মিটার ২ বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে এই মান কিছুটা কমতে পারে।

ক্রিয়েটেনিন ক্লিয়ারেন্স কিডনির স্বাভাবিকতা পরিমাপের আরও একটি পরীক্ষা যার সাধারণ মান

*পুরুষের ক্ষেত্রে ৯৭ থেকে ১৬৭ মিলি/মি।

*মহিলাদের ক্ষেত্রে ৪৪ থেকে ১২৮ মিলি/মি।

রক্তে উপস্থিত ক্রিয়েটেনিনের পরিমাণ কিডনি রোগ নির্ণয়ের গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দেয় যার প্রচলিত মান

*পুরুষের ক্ষেত্রে ০.৭ থেকে ১.৩ মিলিগ্রাম/ ডেসিলিটার।

*মহিলাদের ক্ষেত্রে ০.৬ থেকে ১.১ মিলিগ্রাম /ডিসি লিটার।

বিশ্বের প্রতি ১০ জনে অন্তত একজন কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত। বাংলাদেশে এই চিত্র আরো ভয়াবহ এখানে প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষ (প্রতি সাতজনে একজন)। কিডনি বা এর সঙ্গে সম্পর্কিত অসুখে আক্রান্ত এবং বছরে প্রায় 40 হাজার মানুষ এই সংক্রান্ত রোগে মারা যায়।

প্রতি বছর প্রায় বিশ হাজার নতুন রোগী কিডনি র সমস্যা আক্রান্ত হচ্ছে। কিন্তু সেই তুলনায় বাড়ছে নাকি চিকিৎসা আধুনিক সুবিধা। তাই সংশ্লিষ্ট সবার দ্রুত এই ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরী।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

কিডনি রোগ নিরাময়ের অন্যতম শর্ত কি?

উত্তর: কিডনি রোগ নিরাময়ের অন্যতম শর্ত হচ্ছে ডায়াবেটিস উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা।

কিডনি রোগ এড়াতে প্রতিদিন কতটুকু পানি খাওয়া উচিত?

উত্তর: কিডনি রোগ এড়াতে প্রতিদিন ২ কেজি (৮ গ্লাস) পানি পান করা উচিত।

কোন ধরনের ওষুধ কিডনির জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হতে পারে?

উত্তর অতিরিক্ত ব্যথা নাশক ওষুধ সেবনের মাধ্যমে কিডনি অকেজো হয়ে যেতে পারে। এবং ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ঘন ঘন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করলে তা কিডনির জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হতে পারে।

শেষ কথা-

সুপ্রিয় পাঠক পাঠিকা বন্ধুরা এতক্ষণ যারা ধৈর্য সহকারে আমাদের আজকের আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়েছেন তারা জানতে পেরেছেন কিডনি পরিষ্কার রাখার উপায় সম্পর্কে।

বন্ধুরা আজকের আর্টিকেল থেকে আপনাদের যদি সামান্য তম উপকার হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইটের সাথে থাকবেন এবং আপনাদের বন্ধুদের সাথে ওয়েবসাইটটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। যেকোনো ধরনের সমস্যার কথা আমাদেরকে জানাতে কমেন্ট করতে পারেন।

আজকের মতো বিদায় নিচ্ছি। সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং আপনার আশেপাশের মানুষগুলোকে ভালো রাখবেন।

পোস্ট ট্যাগ-

নষ্ট কিডনি ভালো করার উপায়,কিডনি পরিষ্কার করার উপায়,কিডনির জন্য ক্ষতিকর খাবার,কিডনি রোগীর খাবার তালিকা,কিডনি রোগের ঔষধের নাম,কিডনি রোগী কি কি ফল খেতে পারবে,কিডনি রোগীর খাদ্য তালিকা pdf,কিডনি রোগী কি দই খেতে পারবে

আপনার জন্য আরো 

আপনার জন্য-

গ্যাস্ট্রিক দূর করতে মেথি খাওয়ার নিয়ম

অ্যাজমা রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা 

থাইরয়েড রোগ থেকে মুক্তি পেতে করণীয়

চর্মরোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার কার্যকারী চিকিৎসা

যক্ষা বা টিবি রোগের লক্ষণ

ক্যান্সার রোগের যেসব লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না

শ্বেতী রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে জেনে নিন

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৫০৬ other subscribers

SS It BARI JOB NEWS

SS IT BARI-ভালোবাসার টেক ব্লগ টিম