করোনা রোগীর খাবার  এবং করোনা রোগী কোন কোন  খাবার বাদ দিবেন

করোনা রোগীর খাবার-রোগমুক্ত হতে গেলে যেমন ওযুধ প্রয়োজন, তেমনই জরুরি যথাযথ খাবার ।বিশেষ করে করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াইয়ে শরীরকে সারিয়ে তুলতে পুষ্টিকর খাবারের কোনও বিকল্প নেই।

দীর্ঘদিনের খাবার হজমের সমস্যা দূর করার ঘরোয়া উপায়

প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে কোভিড সংক্রমণ। সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করতে হলে বাড়াতে হবে প্রতিরোধ ক্ষমতা। তাই এই সময় খাওয়াদাওয়ার দিকে নজর দিতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। কোভিড রোগী এবং যারা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন তাঁদের জন্য ভালো পুষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আসলে, এই সময় শরীর খুব দুর্বল হয়ে যায়।করোনা রোগীর খাবার এবং করোনা রোগী কোন কোন খাবার বাদ দিবেন

ভ্যাকসিন শুধুমাত্র ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য যথেষ্ট নয়, সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে স্বাস্থ্যকর খাবারও প্রয়োজন। যাঁদের প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল তাঁদের জন্য সংক্রমণের ঝুঁকিও বেশি।

সুতরাং, করোনা রোগী কি কি খাবার খাবেন, করোনা রোগীর খাবারে  যা যা মনে  রাখতে হবে, করোনা রোগীর খাবারের প্ল্যান, করোনা রোগী কোন  কোন  খাবার বাদ দিবেন,  এবং  করোনা রোগীর  খাবার  নিয়ে  প্রশ্ন ও উত্তর  সকল বিষয়ে জানতে হবে।

করোনা রোগীর খাবার

১।দুধ

দুধ রাখুন রোজকার খাদ্যতালিকায়। যাঁরা দুধ খেতে চান না, তাঁরা দই অবশ্যই খাবেন। দই-দুধ অথবা ছাঁচ প্রোবায়োটিক জাতীয় খাবার। এমন খাবার যত বেশি খাবেন, অন্ত্রে পৌঁছবে উপকারী ব্যাকটিরিয়া। এই ব্যাকটিরিয়াগুলো ক্ষতিকর ভাইরাস বা ব্যাকটিরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। দ্রুত সারবে করোনা সংক্রমণ।

২।আদা-রসুন-পেঁয়াজ-হলুদ

আদা-রসুন-পেঁয়াজ-হলুদ এই চার অস্ত্র ভাইরাসের যম। করোনা চিকিৎসায় এবং ভাইরাস ঠেকাতেও এদের জুড়ি মেলা ভার। পেঁয়াজে থাকে ভিটামিন সি-সালফার, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম। রসুনের ক্যালশিয়াম, পটাশিয়াম, সালফার আর আদার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান ভাইরাস বধের মূল অস্ত্র। আদা, রসুন, পেঁয়াজ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়।

৩।চা

দিনে দু-বারের বেশি চা খাবেন না। দিনে বেশি চা জাতীয় পানীয় খেতে ইচ্ছে করলে গ্রিন টি খান। অতিরিক্ত ওজন কমাতে এবং হৃদযন্ত্রের কাজ ঠিক রাখতে গ্রিন টি মোক্ষম অস্ত্র। বিজ্ঞাপন দেখে ভুলেও কোনওরকম প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট খাবেন না। প্রয়োজনে স্যুপ খান।

৪।ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড

এটি ইমিউন সেলের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। তাই এর জোগান বজায় রাখতে খেতে পারেন বিভিন্ন রকম বীজ ও মাছ। চিয়া সিডস, পাম্পকিন, সানফ্লাওয়ার সিডস রাখতে পারেন স্ন্যাকসে। টুনা, স্যামনেও এই ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায় বেশি পরিমাণে। তবে স্থানীয় বাজারে এই ধরনের মাছ না পেলে কাতলা, রুই মাছও খেতে পারেন।

৫। ভিটামিন

এ সময়ে বিশেষ প্রয়োজন ভিটামিন সি-র। কারণ ভিটামিন সি অ্যান্টিবডি ফর্মেশন ও কোষের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। কমলালেবু, পাতিলেবু, আমলকী, কাঁচা আম, কাঁচা লঙ্কা ভিটামিন সি-র ভাল উৎস। এক গ্লাস জলে একটি পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেয়ে নিতে পারেন। অনেকে ঈষদুষ্ণ বা গরম জলে খান, সেটার দরকার নেই। আমলকীতে ভিটামিন সি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়।করোনা রোগীর খাবার এবং করোনা রোগী কোন কোন খাবার বাদ দিবেন

অবশ্যই তা কাঁচা খাওয়ার চেষ্টা করবেন। উচ্চ তাপমাত্রায় ভিটামিন সি-র কার্যকারিতা অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। ভিটামিন ই প্রয়োজন, কারণ এটি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে। বাদাম, সবুজ শাক, আনাজে ভিটামিন ই পাওয়া যায়। ইনফেকশন কমাতে সহায়ক ভিটামিন বি-ও এ সময়ে জরুরি। এর জন্য শস্যজাতীয় খাবার, দুধ ও মাংসে ভরসা রাখতে পারেন।

৬।খনিজ

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস হিসেবে এটি কাজ করে। ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম এ সময়ে খুব জরুরি। কারণ এরা শরীরে অনাক্রম্যতা তৈরি করে। দরকার জ়িঙ্কও। সেলেনিয়ামের জন্য চিকেন, দুধ ও ডিমে এবং ম্যাগনেশিয়ামের জন্য সবুজ আনাজপাতি ও ডালে ভরসা রাখতে পারেন।

৭।প্রিবায়োটিক, প্রোবায়োটিক

শরীরের বন্ধু ব্যাকটিরিয়া ও মাইক্রোঅরগ্যানিজ়মের ভারসাম্য বজায় রাখতে এই দু’টি উপাদানই খুব জরুরি। রসুন, পেঁয়াজ, কলা, বার্লি, ওটস, আপেলে পাবেন প্রিবায়োটিক। আর প্রোবায়োটিকের জন্য ভরসা রাখতে পারেন ফারমেন্টেড দুধ এবং টক দইয়ে।

৮।মশলাপাতি সমান জরুরি

অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদানের জন্য মশলাপাতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কখনও তা সর্দিকাশি সারাতে কার্যকর। কখনও কোলেস্টেরল কমাতেও সহায়ক। তাই রোজকার খাবারেও লবঙ্গ, দারুচিনি, আদা, গোলমরিচ, কাঁচা হলুদ রাখতে হবে।

করোনা রোগীর খাবারে যা যা মনে রাখতে হবে

  • সুষম আহারই এ সময়ে সবচেয়ে প্রয়োজন। কার্বসও দরকার শক্তির জোগান দেওয়ার জন্য। তাই ভাত, রুটি পরিমাণ মতো খান।
  • অন্য দিকে ফ্যাটের জন্য ভরসা রাখুন ভাল স্নেহে। আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট অর্থাৎ অলিভ অয়েল, সয় অয়েলে ভরসা রাখতে পারেন। মাখন, নারকেল তেল, ক্রিম জাতীয় স্যাচুরেটেড ফ্যাট বাদ দিতে হবে।
  • রোজ ৮ থেকে ১০ গ্লাস জল খেতে হবে। এতে ডিহাইড্রেটেড হওয়ার ভয়ও থাকবে না। সুপ, ফলের রস সব মিলিয়ে যেন ৩-৪ লিটার জল গ্রহণ করা হয়, খেয়াল রাখুন। এ সময়ে ডাবের জলও খেতে পারেন। ডাবে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পাওয়া যায়, তা কাজে দেয় ইনস্ট্যান্ট এনার্জি বুস্টার হিসেবেও।
  • মার্জারিন, চিজ় স্প্রেড, কুকিজ়, বিস্কিট, ফ্রায়েড ফুড, প্রসেসড ফুড এ সময়ে এড়িয়ে চলতে হবে।
  • ফল অবশ্যই খাবেন। সকাল ও বিকেল দু’বেলা অন্তত এক বাটি করে ফল খেতে হবে।

করোনা রোগীর খাবারের প্ল্যান

সকালে আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গ, দারুচিনি ও তেজপাতা দিয়ে ফুটিয়ে ১ কাপ চা ও বিস্কিট খান। প্রাতরাশে দু’টি টোস্ট বা হাতে গড়া রুটি বা সুজি, সঙ্গে ১ কাপ সিদ্ধ আনাজ ও ১টি ডিম। সকালে ফলের মধ্যে মুসম্বি ও পেয়ারা রাখতে পারেন।

দুপুরে ভাত ৩ কাপ, ডাল ১ কাপ, সব আনাজ দিয়ে একটা তরকারি ২ কাপ, ৭৫ গ্রাম মাছ বা ৭৫ গ্রাম চিকেন বা ৫০ গ্রাম পনির। সঙ্গে ১ কাপ টক দই। সন্ধেবেলা সকালের মতো ১ কাপ চা, সঙ্গে মুড়ি বা সুজি, অল্প ছানা (২৫০ মিলি দুধের)।

ভিটামিন ডি জাতীয় খাবার দেহের সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

শসা, পেঁয়াজ দিয়ে কলওঠা ছোলাও খেতে পারেন। রাতে ৩ কাপ ভাত বা ২টি রুিট, ডাল আধ কাপ, মিক্সড ভেজ ১ কাপ ও ৭৫ গ্রাম মাছ বা ৭৫ গ্রাম চিকেন বা ৫০ গ্রাম পনির। আদা, রসুন, হলুদ, লবঙ্গ, দারুচিনি, পাতিলেবু, গোলমরিচ, তেজপাতাও রাখতে হবে রোজকার রান্না বা খাদ্যতালিকায়। তবে শারীরিক সমস্যা অনুযায়ী ডায়েটে বদল হবে।

খুব কড়া ডায়েট তৈরি না করে, নিজের ডায়েট অল্প অদলবদল করে নিতে পারেন। যেগুলো প্রয়োজন সে রকম খাবার জুড়ে, প্রসেসড ফুড বাদ দিন। অনেকের ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল বা কিডনির সমস্যা থাকতে পারে। গর্ভবতীও হতে পারেন। তাই খাদ্যতালিকা তৈরি করার আগে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেবেন অবশ্যই।

করোনা রোগী কোন কোন  খাবার বাদ দিবেন

সব ধরনের কার্বনেটেড ড্রিংকস, বিড়ি, সিগারেট, জর্দা, তামাক, সাদাপাতা, খয়ের ইত্যাদি। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় বাধা দিয়ে ফুসফুসে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়, ঠান্ডা খাবার, আইসক্রিম, চিনি ও চিনির তৈরি খাবার (যা ভাইরাসের সংক্রমণে সহায়তা করে)।

করোনা রোগীর খাবার এবং করোনা রোগী কোন কোন খাবার বাদ দিবেন

এ লেখার উদ্দেশ্য সঠিক পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে প্রত্যেকের শরীরে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নত করতে সহায়তা করা, যাতে শুধু করোনাভাইরাস নয়, সব ধরনের ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় আপনি শারীরিকভাবে সক্ষম থাকতে পারেন।

করোনা রোগ নিয়ে প্রশ্ন ও উত্তরঃ

১।করোনাভাইরাস কি?

উত্তরঃকোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস সংক্রামক অসুখ ২০১৯) একটা অসুখ যা করোনাভাইরাস নামের এক ধরনের ভাইরাস থেকে হয়। করোনাভাইরাসের দেহে খোঁচা খোঁচা কাঁটার মতো কিছু জিনিস দেখা যায়। এদের অনেকটা মুকুটের মতো দেখতে লাগে। তাই মুকুটের লাতিন প্রতিশব্দ করোনা থেকেই এসেছে এই ভাইরাসের নাম।

২। এই রোগের উপসর্গ কী? এটা ছড়ায় কিভাবে?

উত্তরঃঅধিকাংশ লোকের হালকা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো উপসর্গ দেখা দেয়, যেমন (প্রবল) জ্বর, শুকনো কাশি আর ক্লান্তি। কিছু কিছু লোকের গা-ব্যাথা, শ্বাসকষ্ট, পেশী আর হাড়ের জোড়ে ব্যাথা, গলা ব্যাথা, মাথাধরা, কাঁপুনি হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে অতিসার (পেট খারাপ) ও হতে পারে। অল্পবয়স্কদের তুলনায়ে বয়স্ক লোকেদের এই রোগ বেশি কাহিল করে দেয়।

গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন*

৯ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রভাব খুবই কম। যাদের আগে থেকেই সুগার, হৃদরোগ, ফুসফুসের রোগ আছে, বা যাদের দেহের প্রতিরোধশক্তি কম, তাদের মধ্যে আরও গুরুতর লক্ষণ দেখা দেয়। শতকরা বিশ শতাংশ লোকের নিউমোনিয়া বা অন্য কোন কঠিন সমস্যা হতে পারে।

হাঁচি-কাশির সময় আক্রান্ত মানুষের মুখ বা নাক থেকে ভাইরাস-সংক্রামিত ফোঁটা ছড়িয়ে পরে। এইগুলো নানা জায়গার উপর অনেকক্ষণ অবধি থাকতে পারে। এ সব জায়গায় হাত দিয়ে, সেই মুখে বা নাকে দিলে ভাইরাস আপনার শরীরে এবং ফুসফুসে ঢুকে যেতে পারে।

৩।বাড়ি থেকে বেরলেই কি মাস্ক পরা জরুরী?

উত্তরঃবর্তমানে সরকারি নির্দেশ অনুসারে বাড়ি থেকে বেরলেই মাস্ক পরুন। আপনার যদি কোভিড-১৯ হয়ে থাকে, তবে মাস্ক পরলে আপনি অন্যকে ভাইরাস থেকে বাঁচাবেন।

যদিও কোভিড-১৯  রুগির কাছে গেলে নিজেকে বাঁচাতে সাধারন মাস্কের কার্যকারিতা কম। সাধারণ লোকে বেশি এন ৯৫ জাতীয় মাস্ক ব্যবহার করলে স্বাস্থ্যকর্মী এবং অন্যান্য যাদের সত্যিই এটা প্রয়োজন, তাদের কম পড়বে। তাই সাধারন বা বাড়িতে বানানো মাস্ক ব্যবহার করুন।

৪।আমার যদি জ্বর বা কাশির মতো উপসর্গ থাকে তবে আমার কি করা উচিত? আমার কি ডাক্তার দেখানো উচিৎ না কি সকলের থেকে আলাদা থাকা উচিৎ?

উত্তরঃযেহেতু কোভিড-১৯ এর লক্ষণগুলির সাথে সাধারণ মরশুমি জ্বর বা ইনফ্লুয়েঞ্জার কোনও পার্থক্য নেই, তাই জ্বর ও কাশি আছে মানেই যে আপনি করোনা আক্রান্ত, তার কোন নিশ্চয়তা নেই, আপনার হয়ত সাধারণ মরশুমি জ্বর বা ইনফ্লুয়েঞ্জা হয়েছে।

তবুও আপনি যদি নিজেকে করোনা আক্রান্ত বলে সন্দেহ করেন, তবে প্রথমেই আপনাকে ‘সেলফ-কোয়ারান্টিনে’ থাকতে হবে অর্থাৎ বাড়ির কোন একটি নির্দিষ্ট ঘরে অথবা এমন কোন জায়গায় থাকতে হবে যেখানে অন্যান্য লোকের সঙ্গে আপনার যতটা সম্ভব কম মেলামেশা হবে, যাতে আপনার থেকে রোগটি অন্য কারোর শরীরে না ছড়ায়। এটা যতটা সম্ভব কঠোরভাবে পালন করা উচিত।

ভিটামিন এ জাতীয় খাবারের তালিকা

এমনকি যারা আপনার দেখাশোনা করবেন, তারাও যেন আপনার সাথে কোনরকম শারীরিক সংস্পর্শে না আসেন। এরপর আপনার কাছের স্বাস্থ্য পরিষেবায় বা হেল্পলাইনে জানান ও তাদের পরামর্শ মতো চলুন।

৫।এই রোগ কি অনেকদিন থাকবে না তাড়াতাড়ি চলে যাবে? গরম পড়লে কি ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া কমে যাবে? ঠাণ্ডা পড়লে কি এই রোগ আবার দেখা দেবে?

উত্তরঃএই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কঠিন।ফ্লু এর মতো কিছু ভাইরাল রোগ গরম কালের থেকে শীতকালে বেশী ছড়ায়। কোভিড-১৯ এর ক্ষেত্রে কি হবে আমাদের কোন ধারনা নেই। হয়তো গ্রীষ্মকালে করোনা ভাইরাসের দাপট একেবারে চলে যাবে, হয়তো আবার ফিরে আসবে এই রোগ (এর সম্ভবনাই বেশী); এই মুহূর্তে আমরা এ ব্যাপারে কিছু জানি না।

৬।করোনাভাইরাস সম্পর্কে সঠিক, বৈজ্ঞানিক এবং সাম্প্রতিকতম তথ্য কোথায় পাবো?

উত্তরঃওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন হু (ডাব্লুএইচও), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এবং ইউরোপীয় সিডিসির ওয়েবসাইটগুলোতে সঠিক তথ্য পেতে পারেন। নিউ ইয়র্ক টাইমস এবং বিবিসির মতো বিশিষ্ট সংবাদপত্র এবং সংবাদ সংস্থার ওয়েবসাইটের তথ্যও বিশ্বাসযোগ্য।

বেশ কয়েকটা ভারতীয় সংবাদপত্রও করোনভাইরাস সম্পর্কে সঠিক তথ্য যাচাই করে প্রতিবেদন করেছে। তবে এসব ক্ষেত্রে তথ্যের মুল উৎস দেখাই বুদ্ধিমানের কাজ, যেমন  হু (ডাব্লুএইচও) র বা ভারত সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের ওয়েবসাইট, যেখানে বর্তমান নির্দেশিকাগুলো দেওয়া থাকে।

আপনার জন্য –

শর্করা । অ্যালার্জি। ভিটামিন সি। ক্যালসিয়াম। আমিষ। প্রাণীজ আমিষ। আঁশ জাতীয় খাবারের তালিকা সহ বিস্তারিত

সুষম খাবার কাকে বলে? সুষম খাবারের উপাদান সহ সুষম খাবার সম্পর্কে সকল তথ্য

৬ মাস থেকে ৫ বছরের বাচ্চার খাবার নিয়ে   দুশ্চিন্তা দিন শেষ

বাচ্চার পুষ্টি নিয়ে ভাবছেন?অধিক পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ বাচ্চার খাবার তালিকা

নবজাতক শিশুর যত্ন ও পরিচর্যায় বাবা-মার করণীয়

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ৪০৭ other subscribers

WhatsApp Image 2022 02 01 at 9.56.07 AM

SS IT BARI- ভালবাসার টেক ব্লগ এ হেলথ/স্বাস্থ্য/স্কিন কেয়ার  এবং ইতিহাস বিষয়ক লেখালিখি করি। এর আগে বিভিন্ন পোর্টালের সাথে যুক্ত থাকলেও, SS IT BARI-আমার হাতেখড়ি। হেলথ/স্বাস্থ্য/স্কিন কেয়ার বিষয়ক বিশ্লেষণ বাংলায় জানতে ভিজিট করুন http://ssitbari.com

Leave a Reply

Your email address will not be published.