অর্থ বুঝে নামাজ পড়ি – আব্দুর রহমান আল হাসান

আসসালামু  আলাইকুম। আশা করি সকলেই ভাল আছেন, আজকে আমি আপনাদেরকে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব তা হচ্ছে, অর্থ বুঝে নামাজ পড়ি? আসলে আমরা অনেকেই সব সময় বা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এবং এবাদত-বন্দেগি করি তবে আপনি যদি আপনার নামাজকে অর্থ না বুঝে আদায় করেন সেক্ষেত্রে হয়তো কবুল না হতে পারে।তাই আজকের আলোচনায় আমি আপনাদেরকে ইসলামের আলো থেকে জানাবো,কিভাবে আপনু অর্থ বুঝে আপনি নামাজ আদায় করবেন।চলুন যেনে নিন।

অর্থ বুঝে নামাজ পড়ি কেন? – নামাজ হলো ইসলামের অন্যতম একটি ইবাদত। আল্লাহ তা’আলা মানুষকে ঈমান আনার পর নামাজের আদেশ দেন। ইসলামের যেই পাঁচটি স্তম্ভ রয়েছে, তার মধ্যে দ্বিতীয়তে রয়েছে নামাজের অবস্থান। একজন ব্যক্তি বিধর্মী থাকার পর তার উপর সর্বপ্রথম ফরজ হলো কালিমা পড়ে ঈমান আনয়ন করা। এরপর তার উপর সর্বপ্রথম নামাজকে ফরজ করা হয়। একজন মুসলমানের উপর দৈনিক পাঁচবার নামাজ ফরজ হয়। প্রথমটা ফরজ হয়, ভোর রাতে অর্থাৎ সুবহে সাদিকের পর।

আমরা এই নামাজকে ফজরের নামাজ বলে থাকি। দ্বিতীয়টা ফরজ হয় মধ্য দুপুরের খানিকটা পরে। আমরা এটাকে যোহরের নামাজ বলি। তৃতীয়টা ফরজ হয় বিকেলে অর্থাৎ যখন বস্তুর ছায়া সমপরিমাণ বা দ্বিগুণ হয় তখন থেকে। আরেকভাবে বলা যায় যে, যোহরের ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পরই আসরের নামাজ শুরু হয়। চতুর্থ নামাজটি ফরজ হয় সূর্য অস্ত যাওয়ার পর। এই নামাজকে আমরা মাগরিবের নামাজ বলে থাকি। মাগরিবের নামাজ পশ্চিম আকাশে সূর্যের লালিমা শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত পড়া যায়। পঞ্চম ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হয় মাগরিবের ওয়াক্ত শেষ হলেই। এই নামাজের ওয়াক্ত সারা রাত থাকে। অর্থাৎ পরবর্তী সুবহে সাদিকের আগ পর্যন্ত। এই নামাজকে আমরা ইশার নামাজ বলে থাকি।

তবে ইশার নামাজ রাতের অর্ধাংশের পরে পড়া উচিৎ নয়। এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজেই আমরা সূরা-কেরাত, তাসবীহ, ছানা ও দুরুদ শরীফ পড়ে থাকি। একটা জিনিষ হয়তো সবাই লক্ষ্য করেছেন যে, নামাজে দাঁড়ালেই দুনিয়ার সকল চিন্তা মাথায় ভর দেয়া শুরু করে। শয়তান কখনো চায় না যে, আমরা আমল করি। আমরা স্রষ্টার ইবাদত করি। তাই সে সর্বদা আমাদের ধোঁকা দেয়। তারপরও যখন আমরা শয়তানের ধোঁকাকে উপেক্ষা করে ইবাদতে লিপ্ত হই তখন সে আমাদের মাথায় বিভিন্ন চিন্তা-ভাবনা এনে ভর করে।

অর্থ বুঝে নামাজ পড়ি কেন

এই সমস্যার একটা সহজ সমাধান আছে। তা হলো, নামাজের সকল তাসবীহ এবং সূরা-কেরাত অর্থ জেনে বা অর্থ বুঝে পড়া। এখন হয়তো আপনি বলবেন যে, আমি তো আরবী পারি না। তাহলে কিভাবে আরবীর বা নামাজের তাসবীহ এবং সূরার অর্থ বুঝবো? এর একটা সহজ সমাধান আছে। আপনার বাসায় নিশ্চয়ই বাংলা অর্থসহ কুরআন আছে। সেটা খুলে বসে পড়ুন। দেখুন আল্লাহ তা’আলা সেখানে কি বলেছেন। আপনি সূরা ফাতেহার পুরো অর্থটা পড়ুন। আপনি সূরা ফীল, সূরা কুরাইশ, সূরা মাঊন, সূরা কাউসার, সূরা কাফিরুন, সূরা লাহাব, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক্ ও সূরা নাস এর অর্থগুলো পড়ুন।

পারলে মুখস্ত করে ফেলুন। তাহলে আপনি যখন নামাজে এই সূরাগুলো পড়বেন তখন আপনার মন সেই অর্থগুলোর দিকে যাবে। আপনি তখন বুঝতে পারবেন যে, আল্লাহ তা’আলা এখানে কি বলেছেন।

আত্মীয়তার সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিৎ- পড়ুন

নামাজের তাসবীহ সমূহের অর্থ
নামাজে দাঁড়িয়ে আমরা সর্বপ্রথম বলি “আল্লাহু আকবার”। এই বাক্যের অর্থ, আল্লাহ সবচেয়ে বড়। তারপর আমরা সানা পড়ি। “সুবহা-নাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারকাসমুকা ওয়া তা’আলা যাদ্দুকা ওয়া লা-ইলাকা গইরুক।”
سبحانك اللهم و بحمدك و تبارك اسمك و تعلى جدك و لا إله غيرك
ছানার অর্থ, হে আল্লাহ! তুমি পাক-পবিত্র। তোমার জন্য সমস্ত প্রশংসা। তোমার নাম বরকতময়। তোমার গৌরব অতি উচ্চ। তুমি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই।
ছানা পড়ার শেষে আমরা “আউযু বিল্লাহি মিনাশ শাইতনির রজিম।” অর্থ, বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। এরপর আমরা নামাজে “বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম” এর অর্থ, পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।
এরপর আমরা সূরা ফাতেহা দিয়ে কেরাত শুরু করি। সূরা ফাতেহার অর্থটিও খুব সুন্দর।
বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কবিতার ভাষায় অনেক সুন্দরভাবে এটার বঙ্গানুবাদ করেছেন।
(শুরু করিলাম) ল’য়ে আল্লার
করুণা ও দয়া যাঁর অশেষ অপার।
সকলি বিশ্বের স্বামী আল্লার মহিমা,
করুণা কৃপার যার নাই নাই সীমা।
বিচার-দিনের বিভু! কেবল তোমারি
আরাধনা করি আর শক্তি ভিক্ষা করি।
সহজ সরল পথে মোদেরে চালাও,
যাদের বিলাও দয়া সে পথ দেখাও।
অভিশপ্ত আর পথভ্রষ্ট যারা, প্রভু,
তাহাদের পথে যেন চালায়ো না কভু।

?? গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন ??

এটা কাজী নজরুল ইসলামের সূরা ফাতেহা নামক কবিতা। আমি গদ্য আকারেও সূরা ফাতেহার অর্থটা লিখছি।
১. সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি জগত সমূহের প্রতিপালক।
২. যিনি পরম দয়ালু ও করুণাময়।
৩. যিনি বিচার দিবসের মালিক।
৪. আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং তোমার নিকটই সাহায্য প্রার্থনা চাই।
৫. তুমি আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন কর।
৬. এমন ব্যক্তিদের পথ, যাদেরকে তুমি পুরস্কৃত করেছ।
৭, তাদের পথ নয়, যারা অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্ট।
(আমীন। তুমি কবুল করো।)
এরপর আমরা যে কোনো একটা সূরা মিলাই। সাধারণত আমরা কুরআন শরীফের শেষের দিকের সূরাগুলো পড়ে থাকি। এখানে শেষের কয়েকটা সূরার অনুবাদ দেয়া হলো।

সূরা ফীলের অনুবাদ- অর্থ বুঝে নামাজ পড়া

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম।
১. তুমি কি দেখ নি, তোমার রব হস্তি বাহিনীর সাথে কেমন আচরণ করেছেন?
২. তিনি কি তাদের চক্রান্ত ব্যর্থ করে দেন নি?
৩. তাদের বিরুদ্ধে তিনি ঝাঁকে ঝাঁকে পক্ষীকূল প্রেরণ করেছিলেন।
৪. যারা তাদের উপর প্রস্তর কংকর নিক্ষেপ করেছিল।
৫. অতঃপর তিনি তাদেরকে ভক্ষিত খাদ্যের ন্যায় করে দেন।

সালামের ফযিলত সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন

সূরা কুরাইশের অনুবাদ – অর্থ বুঝে নামাজ পড়া

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম
১. যেহেতু কুরাইশের আসক্তি আছে,
২. আসক্তি আছে তাদের শীত ও গ্রীষ্ম সফরের।
৩. অতএব তারা ইবাদত করুক এই (কা’বা) গৃহের রবের,
৪. যিনি তাদেরকে ক্ষুধায় আহার্য দান করেছেন এবং ভয় হতে তাদেরকে নিরাপদ করেছেন।
*উপরের প্রথম আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কুরাইশের আসক্তির কারণে। মূলত এখানে কিসের আসক্তির কথা বলা হয়েছে? সাধারণত মক্কার কুরাইশরা গ্রীষ্ম এবং শীতকালে ব্যবসায়িক সফর করতো। তারা এই দুই সময় মক্কার বাহিরে শাম, সিরিয়ায় ব্যবসার জন্য গমন করতো। তাই এখানে সেই সফরটাকেই ফোকাস করা হয়েছে। মক্কার আয়-উপার্জনের বড় একটা মাধ্যম ছিল ব্যবসা বাণিজ্য। তাই প্রথম আয়াতে আসক্তি ধারা তাদের ব্যবসায়িক সফরের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

সূরা মা’ঊনের অনুবাদ – অর্থ বুঝে নামাজ পড়া

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম
১. আপনি কি দেখছেন তাকে, যে বিচার দিবসকে মিথ্যা বলে?
২. সে সেই ব্যক্তি, যে এতীমকে গলা ধাক্কা দেয়।
৩. এবং মিসকীনকে অন্ন দিতে উৎসাহিত করে না।
৪. অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাযীর।
৫. যারা তাদের নামাজ বে-খবর
৬. যারা লোক-দেখানোর জন্য করে।
৭. এবং ব্যবহার্য বস্তু অন্যকে দেয় না।

সূরা কাউসারের অনুবাদ – অর্থ বুঝে নামাজ পড়া

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম।
১. নিশ্চয় আমি আপনাকে কাউসার দান করেছি।
২. অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কোরবানী করুন।
৩. যে আপনার শত্রু, সেই তো লেজকাটা, নির্বংশ।

আযানের বাক্যগুলোর অর্থ কি? জানুন

সূরা কাফিরুনের অনুবাদ – অর্থ বুঝে নামাজ পড়া

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম।
১. কে কাফিররা!
২. আমি তার ইবাদাত করি না যার ইবাদাত তোমরা করো।
৩. এবং তোমরাও তার ইবাদাতকারী নও যার ইবাদাত আমি করি।
৪. এবং আমি ইবাদাতকারী নই তার যার ইবাদাত তোমরা করে আসছো।
৫. তোমরা ইবাদতকারী নও, যার ইবাদত আমি করি।
৬. তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমাদের কর্ম ও কর্মফল আমার জন্য।

সূরা নছরের অনুবাদ – অর্থ বুঝে নামাজ পড়া

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম।
১. যখন এসে গেছে আল্লাহর সাহায্য ও মক্কা বিজয়
২. এবং আপনি মানুষকে দেখবেন তারা দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে (ইসলামে) প্রবেশ করছে।
৩. তখন আপনি আপনার পালনকর্তার পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাকারী।

সূরা লাহাবের অনুবাদ – অর্থ বুঝে নামাজ পড়া

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম
১. আবু লাহাবের দুই হাত ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজেও।
২. কোনো কাজে আসে নি তার ধন-সম্পদ ও যা সে ‍উপার্জন করেছে।
৩. অচিরেই সে শিখা বিশিষ্ট জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করবে।
৪. এবং তার স্ত্রীও যে ইন্ধন বহন করে।
৫. আর তার গলায় শক্ত পাঁকানো রশি বাঁধা থাকবে।

সূরা ইসলাসের অনুবাদ – অর্থ বুঝে নামাজ পড়া

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম।
১. বলো, তিনিই আল্লাহ, অদ্বিতীয়।
২. আল্লাহ অমুখাপেক্ষী।
৩. তিনি কাউকে জন্ম দেন নি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয় নি।
৪. তার সমকক্ষ আর কিছুই নেই।

সূরা ফালাক্বের অনুবাদ – অর্থ বুঝে নামাজ পড়া

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম।
১. বলো, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের কাছে।
২. তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অতিষ্ট থেকে।
৩. আর রাতের অন্ধকারের অনিষ্ট থেকে যখন তা গভীর হয়,
৪. আর গিরায় ফুঁ- দানকারী নারীদের অনিষ্ট থেকে।
৫. আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
সুরা ফালাকের প্রথম আয়াতে ঊষার রবের দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, প্রভাতকাল। অর্থাৎ আল্লাহ তা’আলা রাতের অন্ধকারকে দূরীভূত করে দিনের উজ্জ্বলতা নিয়ে আসতে পারেন, তেমনি তিনি ভয় ও আতঙ্ক দূর করে আশ্রয় প্রার্থীকে নিরাপত্তা দান করতে পারেন। মানুষ যেমন রাতে অপেক্ষা করে যে, সকালের উজ্জ্বলতা এসে উপস্থিত হবে, নতুন দিনে নতুন উদ্যমে সে কাজ শুরু করবে ঠিক তেমনিভাবে ভীত মানুষ আশ্রয় প্রার্থনার মাধ্যমে সফলতার প্রভাত উদয়ের আশায় থাকে।

সূরা নাসের তরজমা – অর্থ বুঝে নামাজ পড়া

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম।
১. বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের ররের নিকট।
২. যিনি মানুষের মালিক
৩. যিনি মানুষের প্রকৃত ইলাহ।
৪. যে নিজেকে লুকিয়ে রেখে বার বার এসে কুমন্ত্রণা দেয় তার অনিষ্ট হতে,
৫. যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে
৬. (এই কুমন্ত্রণাদাতা হচ্ছে) জ্বীন জাতি এবং মানুষ জাতির মধ্য হতে।

কুরআন শরীফের শেষের দশটা সূরার বঙ্গানুবাদ শেষ হলো। এবার আমরা সালাতের তাসবীহগুলো অনুবাদ বর্ণনা করি।
আমরা কেরাতের পর রুকু করি। রুকুতে আমরা বলি, ‘সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ্’ অর্থ, আল্লাহ সেই ব্যক্তির কথা শোনেন, যে তার প্রশংসা করে। তারপরই আমরা আবার আল্লাহর প্রশংসা করে আরেকটি বাক্য বলি। ‘রব্বানা ওলাকাল হামদ্’ অর্থ, হে আল্লাহ! যাবতীয় প্রশংসা কেবল তোমারই জন্য। তারপর আমরা আল্লাহু আকবার বলে সেজদায় যাই। আল্লাহু আকবার বাক্যের অর্থ, আল্লাহ সবচেয়ে বড়। সেজদায় গিয়ে আমরা ‘সুবহানা রব্বিয়াল আ’লা’ বলে থাকি। অর্থ, আমার মহান রবের পবিত্রতা বর্ণনা করছি।

দুই সেজদা শেষে আবার দাঁড়াই। পূর্বেরকার মতো আবার রুকু করি, দাঁড়াই, সেজদা করি এরপর বসি বা বৈঠক করি। তখন আমরা তাশাহুদ, দুরুদ শরীফ ও দোয়ায়ে মাসুরা পড়ি।
তাশাহুদের বাংলা অর্থ, সকল তাজিম ও সম্মান আল্লাহর জন্য। সকল সালাত আল্লাহর জন্য এবং সকল ভালো কথা ও কর্মও আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার প্রতি শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের উপরে এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপরে শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।

দুরুদ শরীফের বাংলা অর্থ, হে আল্লাহ! আপনি নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তার বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমনভাবে আপনি ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম ও তার বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করেছিলেন। নিশ্চয়ই আপনি প্রসংসিত ও সম্মানিত।
দোয়ায়ে মাসূরার অর্থ, হে আল্লাহ! আমি আমার উপর অত্যাধিক জুলুম করেছি, গুনাহ করেছি এবং তুমি ব্যতিত পাপ ক্ষমা করার কেউ নেই। সুতরাং তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। ক্ষমা একমাত্র তোমার পক্ষ থেকেই হয়ে থাকে। আমার প্রতি রহম করো। নিশ্চয়ই তুমি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।
এরপর আমরা আসসালামু আলাইকুম বলে নামাজ শেষ করি।

ধন্যবাদ। আল্লাহ আমাদেরকে সুন্দরভাবে নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। আমীন।

SS IT BARI– ভালোবাসার টেক ব্লগের যেকোন ধরনের তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত আপডেট পেতে আমাদের মেইল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join ২৬৩ other subscribers

এছাড়াও আমাদের প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের নিচের দেয়া এই লিংক এ যুক্ত থাকুন।

SS IT BARI- ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক যে কোনো প্রশ্ন করুনঃএখানে ক্লিক করুন

SS IT BARI- ফেসবুকপেইজলাইককরেসাথেথাকুনঃএই পেজ ভিজিট করুন
SS IT BARI- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে এএখানে ক্লিক করুনএ বংদারুণ সবভিডিও দেখুন।
গুগল নিউজে SS IT BARI সাইট ফলো করতেএখানে ক্লিক করুনতারপর ফলো করুন।
SS IT BARI-সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনএই লিংকে

 

বাংলাদেশের সবচাইতে বড় উদীয়মান প্রশ্ন এবং উত্তরের বাংলা ওয়েবসাইট এবং ইনকাম করার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম US IT BARI। আপনি এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বাংলা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রশ্ন এবং উত্তর করে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি প্রতিমাসে ঘরে বসে ভালো মানের ইনকাম করতে পারবেন। তাই এখুনি আপনি আমাদের ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলুন এবং জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি ইনকাম করুন।

এ্যাকাউন্ট করতে এবং আরও বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- www.usitbari.com

 

আব্দুর রহমান আল হাসান

আমি কওমী মাদ্রাসা থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াশোনা করছি। এখন মেশকাত জামাতে অধ্যয়নরত আমি। লেখালেখিতে আগ্রহ আমার ছোটবেলা থেকেই। প্রায় সময়ই গল্প-উপন্যাস, বিজ্ঞান, ইতিহাস বিষয়ে লেখালেখি করি। লেখালেখির প্রাথমিক হাতেখড়ি আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক কামরুল হাসান নকীব সাহেবের হাত ধরে। তারপর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাই নি। অনলাইন ফ্লাটফর্মে লেখালেখি আমার নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শুরু করি। এর মধ্যে দু’একটা সুনামধন্য পত্রিকায় লেখার সুযোগ পাই। বর্তমানে এসএস আইটি বারী ডট কমে ইসলামিক বিষয়ক লেখালেখিতে কর্মরত।

অবসরে তাফসীর, সীরাত গ্রন্থ, মুৃসলিম ইতিহাস, পৃথিবীর ইতিহাস, বিজ্ঞান ও বিশেষ করে জ্যোতির্বিজ্ঞান সম্পর্কিত বই পড়তে পছন্দ করি। পাশাপাশি নিজের দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে গ্রাফিক্স, ওয়েব ডেপলপমেন্ট, এসইও, প্রোগ্রামিং ও মার্কেটিং শেখার চেষ্টা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.